Blog

  • লিনাক্সে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

    আমার দল একুশে এতদিন উইন্ডোজের জন্য কি-বোর্ড ম্যানেজার, ফন্ট তৈরী করে বিতরণ করে এসেছে। ফন্টগুলি অবশ্য আগে থেকেই মাল্টি প্লাটফর্ম করা হতো, যাতেকরে সেগুলি উইন্ডোজের পাশাপাশি লিনাক্সেও চলে। কিন্তু আমরা বরাবরের মত এবারও লিনাক্সে টাইপ করার জন্য আলাদা কোনো সফটওয়্যার তৈরী করিনি। বিষয়টি বুঝিয়ে বলি। আপনারা অনেকেই জানেন যে বাজারে বা ইন্টারনেটে ইউনিকোড বাংলা লেখার জন্য প্রচুর সফটওয়্যার পাওয়া যায় এবং অনেকে সেগুলি ব্যবহারও করে।

    এই সফটওয়্যারগুলির সমস্যা হলো, এগুলি অপারেটিং সিস্টেমের রিসোর্স ব্যবহার না করে আপনার কম্পিউটারের মেমরী (RAM) ও প্রসেসর রিসোর্স ব্যবহার করে যা আপনার কম্পিউটারের গতি ধীর করতে সাহায্য করে। অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বরাদ্দ রিসোর্স না ব্যবহার করলে এমন হতেই পারে!

    একুশে সবদিক বিবেচনা করে সবসময় এমন সমাধান উপহার দিয়েছে যা ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিয়েছে এবং টাইপিং বা কম্পিউটিং-এর মান অক্ষুন্ন রাখতে পারে। একুশে উইন্ডোজ বা ম্যাক ওএস-এর জন্য এর আগে যেসব সমাধান দিয়েছে তার সবই ছিলো অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বরাদ্দকৃত রিসোর্স ব্যবহার করে, যেগুলি কখনই ৩য় পক্ষের মতো কাজ করেনা। এবার লিনাক্সের জন্য আমরা যা করেছি সেটাও অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব রিসোর্স ব্যবহার করে চলে, ৩য় পক্ষের কিছুই লাগেনা এতে। আপনাকে শুধু কনফিগার করে নিতে হবে। যদিও আমরা বিগত দিনগুলিতে পাইথন, আইবিএম এর জাভাভিত্তিক সমাধান, জাতীয় প্রচুর উপস্থিত সমাধান নিয়ে গবেষণা করেছি, কিন্তু সবগুলি এত বেশী সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার যা কম্পিউটারের স্বাভাবিক কাজের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

    যাই হোক, আমরা আসি লিনাক্সে কিভাবে ইউনিজয় লে-আউট ব্যবহার করা যাবে তার সমাধান নিয়ে। বাংলাদেশের বহুল ব্যবহৃত একটি বাংলা লে-আউট হচ্ছে বিজয়। একটি কোম্পানী এই লে-আউটটির সমস্থ স্বত্ত্ব সংরক্ষণ করায় আমরা লে-আউটটির গুণাবলী যথাসম্ভব বহাল রেখে ইউনিকেডভিত্তিক লে-আউট ইউনিজয় বের করে। যাদের কম্পিউটারের কী-বোর্ডের মধ্যে বিজয় লে-আউট প্রিন্ট করা আছে ইংরেজী লে-আউটের পাশে, তাঁরা অনেয়াসে এই লে-আউট ব্যবহার করতে পারবেন।

    ইউনিজয় ব্যবহারের পদ্ধতি ইনস্টল করতে হলে আমাদেরকে আগে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকতে হবে।


    সিনেপ্টিক প্যাকেজ ম্যানেজার খুললাম

    (more…)

  • উবুন্টু লিনাক্সে গ্রাফিক্যাল ডায়ালআপ-এর ব্যবহার

    এর আগের পোস্টটিতে আমি বলেছিলাম কিভাবে নতুন লিনাক্স ইনস্টল করেই ডায়াল-আপ সার্ভিস ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু টার্মিনাল বা কমান্ড প্রম্প্টে লিখে কাজ করতে যেমন আমি আগ্রহী নই, তেমনি আমি বিশ্বাস করি বেশিরভাগ সাধারণ ব্যবহারকারীরা এটা ব্যবহার করতে চাইবেন না। তাই আমি এখানে দেখানোর চেষ্টা করলাম যে কিভাবে গ্রাফিক্যালি ডায়ালআপ ব্যবহার করা যাবে।

    এই কাজ করার আগে আমাদেরকে অবশ্যই ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকতে হবে। পছন্দ করি আর নাই করি, আমাদের টার্মিনালের মাধ্যমেই ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পরে নিম্নোক্ত কাজগুলি করতে হবে।


    সিনেপ্টিক প্যাকেজ ম্যানেজার খুললাম

    (more…)

  • মোবাইল ফোন ব্যবহার করে উবুন্টু লিনাক্সে ইন্টারনেট!.

    বলেছিলাম না, এক এক করে বলবো আমি লিনাক্সে কি কি করছি। আমি বলবো এজন্যই যে এটা প্রচুর ব্যবহারকারীদের কাজে লাগবে। আমি এবার ডায়াল-আপ কানেকশনের কথা বলি। ল্যান নেটওয়ার্ক করা লিনাক্সে খুবই সহজ। যে-কেউ এটা করতে পারে। কিন্তু মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করাটা একটু কঠিন। আমি যেহেতু এটা ব্যবহার করি, তাই এই অংশটা আমি শুরুতে দেখাবো। আর এটা শুরুতে দেখানোর আরও একটা কারণ হচ্ছে এটা ছাড়া পরের কাজগুলি করা যাবেনা।


    আমি মোডেম হিসেবে ব্যবহার করছি একটি নোকিয়া মোবাইল এবং এই মোবাইলটি আমার USB পোর্টের সাথে সংযুক্ত। প্রথমে আমি টার্মিনালে গিয়ে “sudo wvdialconf” কমান্ডটা দিলাম (এখানে উবুন্টু আমার কাছে ইনস্টলেশনের সময় তৈরী করা ইউজারের শব্দচাবি বা পাসওয়ার্ড জানতে চাইলো এবং আমি সেটা সরবরাহ করলাম)। আমার উবুন্টু সয়ংক্রিয়ভাবে আমার মডেম চিহ্নিত করে সেটা সেভ করে নিলো। কিভাবে করলো, কোথায় সেভ করলো, ইত্যাদী মনেহয় আমাদের জানার দরকার নেই। (more…)

  • আমার লিনাক্স ডেস্কটপ

    আমি অতো ভালো লিনাক্স বুঝি না। তবে কেনোজানি আমার সবসময়ই লিনাক্সকে প্রাথমিক ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করতে ইচ্ছে করে। কিছুদিন আগে আমি একটা ভালো ল্যাপটপ যোগাড় করেছি এবং সেটাতে উইন্ডোজ ২০০০ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করতাম। কিন্তু ঐ যে বললাম আমার লিনাক্স ব্যবহারেের জন্য একটা ইচ্ছা সবসময়ই ছিলো… 🙂

    এর আগেও অনেকবার লিনাক্সের অনেক ডিস্ট্রিবিউশন ইনস্টল করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিরে গিয়েছি উইন্ডোজে। কারন এই লিনাক্সে এই আছে তো ওটা নেই! আবার ওটা আছে কিন্তু এটা নেই, ইত্যাদী সমস্যার জন্য আমি লিনাক্স ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমি অনেককে লিনাক্সে ব্যবহারে উৎসাহিত করতাম আবার আমি নিজেই চালাই না, 🙂 কেমন না! কিন্তু এবার কোমর বেঁধে নেমেছি। (more…)

  • য়াহু ম্যাসেঞ্জার য়াহু মেইলের ভেতরে!

    “য়াহু ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারকারীদেরকে আর সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে হবেনা।” গত ওয়েব ২.০ কনফারেন্সে ইয়াহু’র এক্সিকিউটিভ ব্র্যাড্ গার্লিংহাউজ দর্শকদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেন।

    বিশ্বের সবচাইতে জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিস য়াহু এবং বর্তমানে য়াহু’র ২৫০ মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে (নিষ্ক্রিয় ব্যবহারকারী এর ৬ গুন বেশী)। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী জিমেইলের নিত্যনতুন সুবিধা য়াহুর ব্যবহারকারীদের মনে ভাটা ফেলে দিয়েছিলো আর সেজন্যাই ইয়াহু ওয়েব ২.০-এর আদলে চমৎকার সব নতুন ফিচার উপস্থাপন করছে ব্যবহারকারীদের কাছে।

    য়াহু’র নতুন বেটা মেইল ব্যবহারকারীরা একটি ব্রাউজার ইউন্ডোর ভেতরই য়াহু চ্যাট সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবে। আর সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে এটা উন্মুক্ত হবে ক্রিসমাসের পর থেকে। গার্লিংহাউজ বলেন, “এই নতুন সংযোজনটি হবে আমাদের ব্যবহারকারীদের কাছে বড়দিনের উপহার।”