একটেলের ৩০ শতাংশ শেয়ার কিনতে চায় ভোডাফোন

বিশ্বের অন্যতম বড় মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠান ভোডাফোন বাংলাদেশের একটেলের ৩০ শতাংশ শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া মোবাইল ফোন খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাবও দিয়েছে তারা।

ভোডাফোনের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীসহ ভোডাফোনের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এমএ মালেকের সঙ্গে দেখা করে বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানায়। তখন এমএ মালেক বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন।

মনজুরুল আলম বলেন, “ভোডাফোন দুটি প্রস্তাব দিয়েছে। একটি হচ্ছে মোবাইল খাতে বিনিয়োগ। অপরটি হচ্ছে, দেশের ছয়টি মোবাইল ফোন কোম্পানির কোনও একটির শেয়ার কিনতে পারবে কিনা। তারা একটেলের ৩০ ভাগ শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।”

ভোডাফোনের প্রস্তাব অনুযায়ী শেয়ার হস্তান্তরে আইনগত কোনও বাধা নেই জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, “লাইসেন্স পরিবর্তন করা যায় না; কিন্তু শেয়ার কেনা যায়। অবশ্য শেয়ার লেনদেনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হবে।”

মনজুরুল আলম বলেন, আমরা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সার্বিক চিত্র ভোডাফোনের প্রতিনিধিদের কাছে তুলে ধরেছি। আন্তর্জাতিক মান রক্ষার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছি। তাদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রস্তাব নিয়ে এলে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

তিনি জানান, মোবাইল ফোন বাংলাদেশে বিকাশমান একটি খাত। বর্তমানে দেশে ৩ কোটি ৬৩ লাখ গ্রাহক রয়েছে। ২০০৯ সাল নাগাদ এ খাত থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় হবে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে ভোডাফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (আমেরিকা/আফ্রিকা/চীন/ভারত) গ্যাভিন ডার্বি ও ঢাকার যুক্তরাজ্য দূতাবাসের পরিচালক (ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট) কেভিন রিংহ্যাম অংশ নেন।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

উবুন্টু লিনাক্সে ভিডিও দেখার ব্যবস্থা করা…

উবুন্টু ইনস্টল করে মানুষ যেমন এমপিথ্রি বাজানো নিয়ে অভিযোগ করে “উবুন্টু লিনাক্সে এমপিথ্রি বাজে না” সেরকম অভিযোগ করে ভিডিও দেখা নিয়ে। কোনো ভিডিও ফাইল চলে না, ডিভিডি দেখা যায় না। ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা পাইরেটেড মুভিগুলি চলে না, ইত্যাদী ইত্যাদী। এই টিউটোরিয়ালটি লিখছি এই সবকিছুর সমাধান নিয়ে। ভিডিও ল্যান মিডিয়া প্লেয়ার বা সংক্ষেপে ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার হলো সব সমস্যার এক সমাধান। প্রচলিত প্রায় সবরকম মিডিয়া ফরম্যাট সমর্থন করে এই মিডিয়া প্লেয়ারটি, লিনাক্সের পাশাপাশি রয়েছে উইন্ডোজ এবং ম্যাক ওএস এর সমর্থন। দিন দিন জনপ্রিয়া হয়ে উঠছে এই মিডিয়া প্লেয়ারটি। কিভাবে এটা ইনস্টল করা যায়, সেটাই দেখবো এই টিউটোরিয়ালে।

কাজ শুরু করার আগে আমাদের উবুন্টু লিনাক্সে সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের প্রথম ধাপ হয়ে আসতে হবে। তারপরে সিনেপ্টিক মেনু’র Search বোতামে ক্লিক্ করবো।

Synaptic Package Manager

এবার যে উইন্ডোটি আসবে, তাতে vlc লিখে Search বোতামে ক্লিক্ করবো। সিনেপ্টিক কিছুক্ষণ সময় নিয়ে রিপোজিটারির মধ্যে অনুসন্ধান করে আমাদের সামনে ফলাফলের একটি তালিকা উপস্থাপন করবে। Continue reading »

ওয়েবে ভোটার তালিকা তথ্য সংশোধনের সুযোগ

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলছে। এ কথা বোঝা যায় ওয়েবসাইটে ভোটার তালিকা প্রকাশ ও সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ইন্টারনেট, অনলাইন ও ওয়েবসাইটের ব্যবহার আমাদের দেশে দিন দিন বাড়ছে। একজন ভোটার এখন www.voterlist.gov.bd ঠিকানার ওয়েবসাইটে ঢুকে তাঁকে দেওয়া পিন বা ব্যক্তিগত পরিচিতি নম্বর, জন্ন তারিখ এবং ওয়েব পাতায় থাকা নিরীক্ষা সংকেত লিখে তার নিজের ভোটারসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে দেখতে পারবেন। আর তথ্য-সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের ত্রুটি সংশোধনের জন্য তিনি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই অনুরোধ করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন একটি শুদ্ধ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির লক্ষ্যে এই ওয়েবসাইটটি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টাইগার আইটি বিডি ডট কম যৌথভাবে এ সাইটটি তৈরি করেছে।

এই সাইটে জন্নতারিখ কীভাবে লিখতে হবে তার একটি নমুনা দেওয়া থাকলেও পিন কীভাবে লিখতে হবে তার কোনো নির্দেশনা নেই। অর্থাৎ ১৭ সংখ্যার এই নম্বর কি একটানা লিখতে হবে নাকি যেভাবে কাগজে ফাঁক দিয়ে দিয়ে নম্বর সরবরাহ করা হয়েছে, সেভাবে লিখতে হবে তার কোনো নির্দেশনা নেই। তবে সাইটটিতে ঢুকে দেখা গেছে একটানা এই নম্বর লিখেই ভোটারের তথ্য পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদক লেখার সময় (২৩ জানুয়ারি) এই সাইটে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা, উত্তরখান, ক্যান্টনমেন্ট, কোতোয়ালী, তেজগাঁও, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, শাহবাগ, সুত্রাপুর ও হাজারীবাগ থানার ভোটার দের তথ্য পাওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। সেই ওয়েবসাইটটি সবার পরিচিতও বটে। গুগলে বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে ‘ইলেকশন কমিশন বাংলাদেশ’ লিখে তথ্য খুঁজলে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটটি পাওয়া যায়। কিন্তু ভোটার তালিকা সংশোধনের ওয়েবসাইটটির ঠিকানা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বের করতে না পেরে, খবরের কাগজ থেকে ঠিকানাটি সংগ্রহ করতে হয়েছে। অন্ততপক্ষে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ভোটার তালিকা সংশোধন-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের একটি সংযুক্তি (লিঙ্ক) থাকা দরকার। এটি কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মেই থাকার কথা, যেহেতু ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা নির্বাচন কমিশনের একটি কাজ। যত দিন ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলবে, তত দিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় দৃষ্টিগোচর করে ভোটার তালিকা সংশোধনের ওয়েবসাইটের ঠিকানাটি এখন থেকেই থাকা দরকার।

পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভোটার তালিকার জন্য ছবি তোলা, আঙ্গুলের ছাপ দেওয়ার কমবেশি ১৫দিন পর ওয়েবে ভোটারের তথ্য পাওয়া যাবে। ওয়েবে প্রকাশের পর ১৫ দিন পর্যন্ত ভোটার অনলাইনে তাঁর তথ্য সংশোধনের সুযোগ পাবেন।
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেল, তাঁদের কেউ কেউ পত্রিকায় খবরটি পড়েছেন, আবার অনেকেই পড়েননি। এ অবস্থায় যাঁরা পত্রিকা পড়েন না, তাঁদের জন্য বেতার এবং টেলিভিশনে যেমন ভোটার তালিকা ওয়েবে সংশোধনের বিজ্ঞপ্তিটি প্রচার হওয়া দরকার, তেমনি একজন থেকে অন্যজনের মুখে মুখে তথ্যটি ছড়িয়ে পড়ার জন্য হলেও কিছুটা সময় দেওয়া দরকার। তা ছাড়া কেউ যদি হ্যাক করতেই চায়, তার জন্য ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট, ১৫ দিন নয়।

ওয়েবে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই সুযোগ আপাতত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ভোটারদের জন্য উন্নুক্ত করা হলেও এটি পর্যায়ক্রমে সকল জেলা ও উপজেলার জন্য চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। একজন ভোটার যদি দেখেন যে প্রকাশিত তথ্যে কোনো ধরনের ভুলত্রুটি রয়েছে, তবে তিনি শুদ্ধ তথ্যসহ ভুলের বিষয়টি মন্তব্যের ঘরে উল্লেখ করতে পারবেন। তবে তিনি নিজ হাতে মূল তথ্যভান্ডার (ডেটাবেইস) কোনো তথ্যই সংশোধন করতে পারবেন না। তিনি ভুলগুলো উল্লেখ করে দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন কমিশন সেই ভুলগুলো সংশোধন করে তাঁর জন্য নির্ধারিত ওয়েব পাতাটি হালনাগাদ করবে। সর্বশেষ হালানাগাদ সম্পর্কে একজন ভোটার জানতে পারবেন কি না সে সম্পর্কে কোনো কিছু ওয়েবসাইটে বলা নেই।

এই ওয়েবসাইটটি বাংলা ভাষায় প্রস্তুত করা হয়েছে, যা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আর যে কাজের জন্য সাইটটি, অর্থাৎ ভোটারের তথ্য জানা সে কাজটি খুব দ্রুত হয় এতে।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো
লেখক: মোহাম্মদ গোলাম নবী
লেখকের সাথে যোগাযোগ ই-মেইল: gnabi1969@yahoo.com

আপডেট: আমি একটা নুতন ওয়েব সাইটের সন্ধান পেলাম, সেখানে না-কি ভোটারের তথ্য পাওয়া যায়। আরও জানতে দেখুন: http://www.becvoterlist.com/

মানুষ মারার কল ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল!!!

আমি আজকে একটা চিঠি পেলাম অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এক বাঙালী ভাই’র। উনার বাবা মারা গিয়েছেন ল্যাব এইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে কু-চিকিৎসার কারণে। উক্ত হাসপাতালে উনার বাবার কু-চিকিৎসার অভিজ্ঞতা উনি আমাদের সাথে শেয়ার করতে চান এবং সেজন্যই এই মেইল উনি পরিচিত সবার কাছে বিতরণ করেছেন এবং উনি অনুরোধ করেছেন যাতে আমরা আমাদের পরিচিতদের সাথে এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। তাই আমি আমার ব্লগে এটা ছেপে দিলাম হুবহু।

Continue reading »

উবুন্টু লিনাক্সে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করা

আনেকেই জানেননা যে একসময় আমার একটা আইএসপি ছিলো দিনাজপুরে। একটি আইএসপি’র মূল কাজ হচ্ছে এক উৎস থেকে ইন্টারনেট গ্রহণ করে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে বিলি করা। এর বাহিরে অন্যান্য কাজও থাকে, কিন্তু মূল কাজ ওটাই। আমার যখন আইএসপি ছিলো আমি এই জিনিসগুলি বুঝতাম না আর আমাকে যারা ভি-স্যাটের মাধ্যমে লাইন দিয়ে গিয়েছিলো তারা বিভিন্ন তাল বাহানা করে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছিলো আমার কাছ থেকে। আমার স্যাটেলাইট মোডেম থেকে কানেকশন গিয়ে ঢুকতো একটা সার্ভারের ল্যান কার্ডে আর সেটা সার্ভারে বিভিন্ন প্রথার মাধ্যমে রাউট হয়ে আরেক ল্যান কার্ড দিয়ে বের হয়ে আসতো এবং সেই বের হয়ে আসা কানেকশনটাই আমরা শেয়ার করে দিতাম গ্রাহকদের।

আইএসপি’র মতই আমার অনেকে বাসাবাড়িতে একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। একটি কানেকশন আইএসপি থেকে এসে ঢোকে একটি কম্পিউটারে আর সেই কম্পিউটার থেকে শেয়ার হয়ে যায় ক্লায়েন্টগুলিতে। উইন্ডোজে বিষয়টি খুবই সোজা এবং আমি সদ্য শিখলাম যে লিনাক্সেও বিষয়টি সোজা। এই টিউটোরিয়ালে আমি সেটাই উপস্থাপন করবো যে কিভাবে লিনাক্স দিয়ে ইন্টারনেট শেয়ার করা যায়। 🙂

প্রথমেই আমাদের লাগছে একটি কম্পিউটার দু’টো ল্যান কার্ড সহ। জিনোম প্যানেল থেকে System -> Administration -> Network -এ যাবো।

Continue reading »