উবুন্টু লিনাক্সে গান শোনার ব্যবস্থা করা

Tags

অনেকদিন ধরে অনেকজন বলছে যে লিনাক্সে গান শোনার ব্যবস্থা নাই। বিশেষ করে উবুন্টু লিনাক্সে গান শোনা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করে। ম্যানড্রিভা বা সুসে লিনাক্স ইনস্টল করলে অবশ্য গান শোনা বা ভিডিও দেখার একটা ব্যবস্খা থাকে, কিন্তু উবুন্টুতে থাকে না। তাই এখানে দেখানো কিভাবে উবুন্টু লিনাক্সে গান শোনার ব্যবস্থা করা যায়।

উইনএম্প খুব জনপ্রিয় একটি মিডিয়া প্লেয়ার। উইন্ডোজে গান শোনার জন্য কেউ উইনএম্প ব্যবহার করেননি এমন কাউকে পাওয়া যাবে না। সেই উইনএম্পের মতোই লিনাক্সের জন্য একটি সফটওয়্যার আছে যার নাম “বিপ্ মিডিয়া প্লেয়ার” এবং সত্যি বলতে এটি একেবারেই উইনএম্পের মতন। 🙂

এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার জন্য প্রথমে আমাদেরকে উবুন্টু লিনাক্সে সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের প্রথম ধাপ হয়ে আসতে হবে। এর পরে সিনেপ্টিক প্যাকেজ ম্যানেজারের মূল উইন্ডোতে Search বোতামে ক্লিক্ করে Find উইন্ডোতে “bmp” লিখে Search বোতামে ক্লিক্ করতে হবে।

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে সিনেপ্টিক কিছু ফলাফল নিয়ে আসবে এবং সেখানে প্যাকেজ নামের তালিকার মধ্য থেকে bmp-mp4-এর উপরে মাউসের ডান বোতাম দিয়ে ক্লিক করে Mark for installation নির্বাচন করতে হবে। Continue reading »

উবুন্টু লিনাক্সে সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের প্রথম ধাপ

আমি উবুন্টু ৭.১০ অনেকদিন আগে পেয়েছি। কিন্তু সেভাবে ব্যবহার করা হয়নি। আমি উবুন্টু ৬.১০ ব্যবহার করে যাচ্ছিলাম। তবে সেদিন ৭.১০ ইনস্টল করার পরে দেখলাম অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে এবং এর ব্যবহার অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার ব্লগে আসেন এমন অনেকেই আমার কাছে লিনাক্সের বিভিন্ন বিষয়ের উপরে সাহায্য চান। আর সেজন্যই আমি ঠিক করেছি আমি কিছু টিউটোরিয়াল লিখবো।

টিউটোরিয়াল অনুযায়ী কাজ করতে হলে প্রথমেই কয়েকটি ধাপ আমাদের অনুসরণ করতে হবে এবং তার পরে বাদবাকী কাজ করতে হবে। যেই ধাপটি আমরা কিছুতেই উপেক্ষা করতে পারবোনা, সেটাই প্রথম ধাপ হিসেবে এই টিউটোরিয়ালে লিখে দিলাম। এর পরে একে একে টিউটোরিয়ালগুলি লিখবো।

উবুন্টু লিনাক্সে সবচাইতে বড় সুবিধা হলো এর রিপোজিটারি। অর্থাৎ উবুন্টু নিজেদের সার্ভারে পৃথিবীতে লিনাক্সের জন্য তৈরী হওয়া সবগুলি সফটওয়্যার রেখে দিয়েছে। আমাদের যার যা দরকার আমরা শুধু নির্বাচন করলেই সার্ভার থেকে সেটা চলে আসে। তাই সফটওয়্যার ইনস্টল করতে যাবার আগে আমাদের দরকার আমাদের রিপোজিটারি তালিকা যোগ করে রাখা এবং সব সময় তা আপ-টু-ডেট রাখা।

Start Synaptic Package Manager

Continue reading »

আমার করা বাংলা উইন্ডোজ

অনেকদিন আগে উইন্ডোজ এক্সপিএর বাংলা লোকালাইজেশন করেছিলাম। বিষয়টা অনেকে জানেন আবার অনেকে জানেননা। অনেকে জেনে থাকলেও বাংলা উইন্ডোজের চেহারা বাস্তবে কি হয়েছিলো সেটা দেখেনাই। আমার কাছি কিছু ছবি আছে বাংলা উইন্ডোজের, আগ্রহীদের জন্য সেটা এখানে প্রকাশ করলাম।

Bangla Windows XP Desktop
বাংলা উইন্ডোজ ডেস্কটপ

আরছবিগুলি দেখানোর আগে একটা কথা বলে নেই। আমার করা বাংলা পরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে পরিবর্তন/পরিবর্ধন করা হয়, আমার কাছে মনে হয়েছে যে সেখানে পরিবর্তন/পরিবর্ধন করার পরে মান কিছুটা খারাপ হয়ে গিয়েছে। কারণ যারা বাংলা গুগল্ ব্যবহার করেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন আমার অনুবাদের মান কি। আমি ফায়ারফক্স বাংলায় অনুবাদ করেছি, যারা ব্যবহার করেছেন তারা জানেন আমার অনুবাদের মান কি। কিন্তু এক্সপি’র এই অনুবাদের মান সেরকম হয়নি। অনেকেই অভিযোগ করেছিলো একে নিয়ে…

যাই হোক, আপনারা পরবর্তি ছবিগুলো দেখুন…

Continue reading »

মোজিলা’র জন্য অঙ্কুর নিয়ে এলো বাংলা বানান নিরিক্ষক অভিধান

সম্প্রতি অঙ্কুর মোজিলা ফায়ারফক্স এবং মোজিলা থান্ডারবার্ডের জন্য বাংলা বানান নিরিক্ষক অভিধান রিলিজ দিয়েছে। এই বানান নিরিক্ষক অভিধানের উদ্দেশ্য হলো যারা ফায়ারফক্স বা থান্ডারবার্ডে ইউনিকোড বাংলা লিখেন, তাদের বানানের ভুল ধরতে এই বানান নিরিক্ষক অভিধান সহযোগিতা করবে। কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারকারীদের জন্য এটা চমৎকার একটা উপহার। আমি এখানে ধাপে ধাপে দেখানোর চেষ্টা করবো যে কিভাবে এই বানান নিরিক্ষক অভিধান ব্যবহার করা যাবে। প্রথমে আমরা ফায়ারফক্সে এর ব্যবহার দেখবো এবং পরে দেখবো থান্ডারবার্ডে। এখনো এটাতে ছোটো ছোটো কিছু সমস্যা আছে, আশা করা যায় অঙ্কুর এগুলিকে ভবিষ্যত সংস্করণে কাটিয়ে উঠবে।

ফায়ারফক্সে এই বানান নিরিক্ষক অভিধান ব্যবহার করার জন্য আমাদেরকে ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করে এই লিঙ্কে যেতে হবে। সেখানে bn-BD_dictionary_0.0..> একটি লিঙ্ক দেখা যাবে। সেটাতে ক্লিক করলে আমরা আমাদের উইন্ডোতে এরকম একটি তথ্য দেখতে পাবো:

সেই তথ্যের পাশে Edit Options বোতামে ক্লিক করলে এরকম একটি উইন্ডো আসবে Continue reading »

তথ্যপ্রযুক্তি: বাংলাদেশ ২০০৭

ইন্টারনেট ছড়িয়ে পড়ার বছর
২০০৭ সালে জিপিআরএস মডেম প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেট-সেবা দেওয়া শুরু করেছে দেশের একাধিক মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এতে ইন্টারনেট দেশের প্রায় জায়গায় পৌঁছে গেছে। আর ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়াটাও হয়েছে সহজ। জিএসএম ও সিডিএমএ−দুই ঘরানার মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই এ সেবা পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এখনো এর খরচ অনেক বেশি, তবু এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের বিস্তৃতি বাড়াটা জরুরি ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাড়ে চার লাখ। তবে এ সংখ্যা এখনো মোট জনসংখ্যার মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ।

দীর্ঘদিন ধরে নানা কথা, নানা আলোচনার পর ২০০৭ সালে ইন্টারনেটের মাধ্যমে টেলিফোন করার সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গত বছর ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসট্যান্স টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসেস (আইএলডিটিএস) নীতিমালা ঘোষণা করে। উন্নুক্ত ডাকের মাধ্যমে তিন ধরনের লাইসেন্স দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে এ প্রক্রিয়া অনেকখানি এগিয়েছে। দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে শুরু করে বছরের শেষ পর্যন্ত অবৈধ ভিওআইপি বন্ধ করার ব্যাপক উদ্যোগ দেখা গেছে।

২০০৭-এ বারবার আলোচনায় এসেছে সাবমেরিন ফাইবার অপটিক কেবলের সংযোগ প্রসঙ্গটি। সাগরতলে থাকা সাবমেরিন কেবলের মূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগের তার বারবার কাটা পড়ায় বিঘ্নিত হয়েছে দেশের ইন্টারনেট ও আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রতিবার তার কাটার পর ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত সংযোগ বিচ্ছিন্ন থেকেছে। তার বেশি কাটা পড়েছে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সংযোগে। তার কাটার পর সীমিত আকারে কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট-ব্যবস্থা চালু থেকেছে। এই সংযোগের একটি বিকল্প সংযোগ রাখার বিষয়টি বারবার আলোচনায় এলেও বছরের শেষ দিন পর্যন্ত বিকল্প সংযোগ চালু হয়নি। বছরের শেষ মাসে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিটিটিবি একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। Continue reading »