Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: গান বাজনা

কারা ধ্বংস করল বাংলাদেশি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি?

08 শনিবার ডিসে. 2018

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ Leave a Comment

বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্প এখন আক্ষরিক অর্থেই মৃত। কোনো নতুন সুপারহিট অ্যালবাম নেই, নেই কোনো বড় কনসার্ট বা জাঁকজমকপূর্ণ শো—আমার জানা মতে, পুরো ইন্ড্রাস্ট্রি যেন এক জায়গায় স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

গত সপ্তাহে বসুন্ধরা সিটিতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরার সময় হঠাৎ মনে পড়লো, ওয়ারফেজ ব্যান্ডের শেষ অ্যালবামটি আমার কেনা হয়নি। বেশ একটা আবেগ নিয়ে লেভেল ৬-এর দিকে ছুটে গেলাম; মনে পড়েছিলো পুরোনো দিনের কথা, যখন এই ফ্লোরটিতে দেশি-বিদেশি গানের দারুণ কালেকশন নিয়ে বেশ কিছু চমৎকার মিউজিক শপ গমগম করতো। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি হতবাক! সব মিউজিক শপ উধাও হয়ে গেছে, আর সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে মোবাইল ফোন আর এক্সেসরিজের দোকান। একটু আশার আলো নিয়ে আমার বাসার কাছাকাছি উত্তরার রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স এবং সাঈদ গ্র্যান্ড সেন্টারে গেলাম, যেখানে একসময় নামী কিছু ক্যাসেট-সিডির দোকান ছিলো। দুর্ভাগ্যবশত, সেগুলোও পুরোপুরি হাওয়া। অনেক খোঁজাখুঁজির পর টিকে থাকা একমাত্র দোকানটির সন্ধান পেলাম, কিন্তু সেখানেও আমার কাঙ্ক্ষিত এলবামটি ছিলো না।

তাহলে একজন সঙ্গীতপ্রেমী কোথায় পাবে মিউজিক সিডি?
এই প্রশ্নটা যখন এক বন্ধুকে করলাম, সে খুব স্বাভাবিকভাবেই পরামর্শ দিলো — আমার আইএসপির এফটিপি সার্ভারে ঢুকে যেন গানটা খুঁজে নি। আমার পাঠকরা খুব ভালো করেই জানে যে আমি কখনো পাইরেটেড বা চোরাই গান শুনি না। বিশেষ করে যখন বিষয়টি বাংলাদেশি শিল্পীদের স্বার্থের সাথে জড়িত। আর আমি কোনো ধরনের পাইরেসিকে কখনোই প্রশ্রয় দিই না। স্বভাবতই, আমি এফটিপি সার্ভারে গানটি খুঁজিনি। কিন্তু বর্তমানে এটিই এখন শহরের সবচেয়ে বড় ‘টক অব দ্য টাউন’। সবাই একবাক্যে স্বীকার করে যে তাদের আইএসপি-র কাছে সিনেমা, গান, সফটওয়্যার আর গেমসের এক বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে। এখন আর কেবল ছোটখাটো পাড়া-মহল্লার আইএসপিগুলোই এটি করছে না; বড় বড় কর্পোরেট আইএসপিগুলোও তাদের গ্রাহকদের খুশি রাখতে এই পাইরেটেড কালেকশনের বিশাল স্তূপ মেইনটেইন করছে। অনেক ব্যবহারকারী এতে হয়তো খুবই খুশি, কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ব্যাপারটা এমন হওয়া মোটেও উচিত না।

এই পতনের শেকড় কিন্তু অনেক গভীরে। ঐতিহাসিকভাবে আমাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছিলো একটি সম্পূর্ণ চুক্তিভিত্তিক কাঠামোর ওপর। সারগাম, সাউন্ডটেক, সঙ্গীতা বা জি-সিরিজের মতো বড় বড় রেকর্ড কোম্পানিগুলো আর্টিস্ট বা শিল্পীদের সাথে কেবল সাময়িক চুক্তিভিত্তিক কাজ করতো। অনেকসময় বিক্রি ভালো হলে আরও একটু টাকা দিতো। বাংলাদেশে কপিরাইট আইন সবসময়ই দুর্বল এবং এর প্রয়োগ না থাকায়, এই চুক্তিগুলো কখনো শিল্পীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বা টেকসই কোনো ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি। আইনি সুরক্ষার এই অভাব নব্বইয়ের দশকে এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির জন্ম দেয়। অডিও ক্যাসেটের জোয়ারে রাতারাতি ব্যাঙের ছাতার মতো অগণিত মিউজিক কোম্পানি গজিয়ে ওঠে। এই মৌসুমি কোম্পানিগুলো বাজারে এসে বড় জোর ১/২টা হিট গান দিতো, কিংবা ১/২টা মিক্সড অ্যালবামের ট্রেন্ডে ব্যবসা করে রাতারাতি উধাও হয়ে যেতো। ফলে ইন্ডাস্ট্রি যেমন ভেঙে টুকরো হয়ে যায়, তেমনি শিল্পীরাও চরমভাবে শোষিত হন।

প্রায় এক দশক আগে আমি “Who Killed the Electric Car?” নামে একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখেছিলাম। সেখানে দেখানো হয়েছিলো কীভাবে পুঁজিবাদী জ্বালানি তেল কোম্পানিগুলো ইলেকট্রিক কারকে কখনো আলোর মুখ দেখতে দিতে চায়নি। কিন্তু আজকের দিনের দিকে তাকান: মার্কিন সরকার এখন ইলেকট্রিক গাড়ির জন্য ‘ইনডাকশন চার্জিং’ প্রযুক্তিসম্পন্ন আলাদা হাইওয়ে লেন তৈরীর পরামর্শ দিচ্ছে। প্রগতির চাকা এভাবেই ঘোরে, আর এই কারণেই আমি বিশ্বাস করি—একদিন আমাদের মিডিয়া বা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।

তবে সেই সুদিনের জন্য আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করা জরুরী। আমাদের অন্যের বা বিদেশী কাজের কপিরাইটকেও সম্মান করতে শিখতে হবে। বাংলাদেশ একটি ছোটো দেশ, যেখানে বিপুল জনসংখ্যার মুখের খাবার জোগাতে হয়। আমরা যদি অন্যের মেধা বা কপিরাইটকে সম্মান করতে না শিখি, তাহলে বিশ্ব সম্প্রদায়ও আমাদের ঠিক একইভাবে অসম্মান করবে এবং আমাদের অত্যন্ত মূল্যবান কোনো সৃষ্টি থেকে আমাদের বঞ্চিত করবে — যা আমাদের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে। যতদিন না আমরা অন্যের সৃষ্টির মূল্যায়ন করতে শিখবো, ততদিন এই মিউজিক শপগুলো খালিই পড়ে থাকবে, আর আমাদের ইন্ডাস্ট্রির নীরবতা শুধুই দীর্ঘায়িত হবে।

Always on My Mind অসাধারণ একটি গান!

12 শুক্রবার অক্টো. 2012

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, রিভিউ

≈ 3 Comments

Always on My Mind নামে আমেরিকায় এই পর্যন্ত প্রায় ২০টি গান রিলিজ হয়েছে এলবাম আকারে, যেগুলি বড়-বড় মিউজিক চার্টে অবস্থান করেছে বিভিন্ন সময়। আমি যতদুর জানি, এলভিস প্রিসলি বৌ-এর সাথে বিচ্ছেদ হবার পরে Always on My Mind নামের একটা গান রিলাজ করেন, যেটা সুপার ডুপার হিট্ হয়ে যায়।

বিভিন্ন শিল্পীদের গাওয়া Always on My Mind গানের কথ অভিন্ন না হলেও এই নামের যে-কোনো গানই অসাধারণভাবে সফল হয়েছে বিভিন্ন সময় এবং সমাদৃত হয়েছে বিশ্বজুড়ে সবরকমের সঙ্গীত শ্রোতাদের কাছে।

২০০৮ সালে রিচার্ড মার্কস আরেক শিল্পী ম্যাট স্ক্যানেলের সাথে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে Always on My Mind নামে একটি গান করেন এবং সাথে সাথে ভক্তরা গানটির জন্য পাগল হয়ে যায়। শুধু এই গানটি বাজারে আনার জন্য ম্যাট স্ক্যানেলের সাথে Duo নামের একটি সম্পুর্ণ একুইস্টিক এলবাম বাজারে আনা হয়।

গানটি শোনা যাবে এখান থেকে:
[audio:http://omi.net.bd/files/media/Always On Your Mind.mp3]

রিচার্ড মার্কসের Right Here Waiting গানটা শোনেনি এরকম সঙ্গীতপ্রেমী অনেক কম পাওয়া যাবে। একসময় অনেক শোনা হতো গানটা। আমার এই গানটা এবং এর কথাগুলি অসাধারণ লেগেছে।

Continue reading »

Truth of Touch – ইয়ানির আরেকটি অসাধারণ সৃষ্টি

26 বুধবার অক্টো. 2011

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, রিভিউ

≈ 5 Comments

আমরা বই পড়ি, সিনেমা দেখি, গান শুনি, কোথাও বেড়াতে যাই মনকে স্বতস্ফুর্ত করার জন্য; এখন যেনো মানুষ কেমন হয়ে যাচ্ছে! বই পড়ে না, গান টান শোনে না! আর যেসব যারা গান শোনে, তারা দেখা যায় সারাদিন আজাইড়া হিন্দী গান শুনছে। আমি বলছিনা যে হিন্দীতে ভালো গান হয়না, পৃথিবীর সব ভাষাতেই ভালো গান আছে, তাই বলে সারাক্ষণ সস্তা হিন্দী গানের ঘ্যানর ঘ্যানর ভালো লাগেনা!

আমাদের বাড়ীতে ডিশ এন্টিনা লাগানো হয় ১৯৯৩ সালে, তখন স্টার প্লাসে ইংরেজী অনুষ্ঠান হতো। সেই সময় স্টার প্লাসে একটা অনুষ্ঠান দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছলাম আমি আর আমার আব্বা। অনুষ্ঠানটি ছিলো ইয়ানি লাইভ এট এক্রপোলিস। মিউজিকের কম্পোজিশন শুনে আমাদের বাবা-ছেলের চোখে পানি চলে এসেছিলো! আদ্ধাতিক আনন্দ তাঁর সৃষ্টিতে।

অনেকদিন থেকেই ইয়ানির গানগুলি শুনে আসছি, অন্ধ ভক্তের মতন আমি বলবনা যে সবই ভালো কাজ, ভালো মন্দ মিলিয়ে কাজ করেছে সে। শেষ এলবাম শুনেছিলাম এথনিসিটি; খুব একটা ভালো লাগেনি আমার কাছে। মিউজিক টেলিভিশনের দর্শক না হবার জন্য হয়তো জানতামনা যে ইয়ানি যে এর মধ্যে আরও তিনটা এলবাম বের করেছে। এই বছর সে বের করেছে ট্রুথ অফ টাচ্, বাংলায় বলা যায় স্পর্শের সত্যতা। নামের মধ্যেই একটা ভাব আছে 🙂

তার কম্পোজিশনের টেস্ট বোঝানোর জন্য কয়েকটা গান শেয়ার করলাম এলবাম থেকে-
Continue reading »

রক্সেট্ – বহুদিন পর শুনলাম

03 বৃহস্পতিবার মার্চ 2011

Posted by Omi Azad in গান বাজনা

≈ 3 Comments

সুইডেনের ব্যান্ড রক্সেট্ আর ব্যান্ডের মূল দুইজন হচ্ছে পার গিসলি ও মেরী ফ্রেডরিকসন। সম্ভবত ৭০-এর দশকের শেষের দিকে এই ব্যান্ডের জন্ম এবং ৮০-এর দশকের শুরুতে প্রথম এলবাম বের হয়।

আমি তখন সপ্তম/অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র যখন একটা মিক্সড্ ক্যাসেটে শুনি তাদের গান প্রথম শুনি। তখন গানের তেমন কিছু বুঝিনা, ইংরেজীও ঠিক মতন বুঝি না, সুর-তাল ভালো লাগলে শুনতে খাকি। এই গান দিয়েই “রক্সেট্” এই নামের সাথে আমার পরিচয়।

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Roxette_-_The_Look.mp3]

এর পরে সম্ভবত এসএসসি পরীক্ষার সময়/পরে পেলাম ক্রাশ্ বুম ব্যাঙ এলবামটি। অসাধারণ! রক্ পপের একটা সুন্দর কম্বিনেশন ওদের গানগুলিতে। গতকাল হঠাৎ করেই ৩০টা গন সহ ওদের একটা এলবাম পেয়ে গেলাম। এত ভালো লাগছে গানগুলি শুনতে। আমি জানিনা এখন এরকম গান আর হয়না কেনো! ৭০/৮০/৯০-এর দশকে যে গানগুলি হতো সেগুলিকোনো বিকল্প হয়না। লেটেস্ট দু’টো শিল্পী আমার ভালো লেগেছে, লেডি গাগা ও জাস্টিন বিবার। ওদের নিয়েও কিছু লিখবো ভাবছি!

প্রাণ (চমৎকার একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত)

27 সোমবার সেপ্টে. 2010

Posted by Omi Azad in গান বাজনা

≈ 6 Comments

Tags

ইউটিউবে, এমপিখ্রি, গীতাঞ্জলি, ম্যাট হারডিং, রবীন্দ্রসঙ্গীত

একটা জটিল রবীন্দ্রসঙ্গীত শেয়ার না করে পারলাম না। গ্যারি চিমেন নতুন এই সুর দিয়েছেন আর “প্রাণ” শির্ষক গানটিতে কন্ঠ দিয়েছেন আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশী মেয়ে পলবাসা সিদ্দিক আর গানটি কিনতে পাওয়া যাচ্ছে আমাজনে। আসুন আগে গানটা শুনি।
[audio: http://omi.net.bd/files/media/GarrySchyman-Praan.mp3]

গানটির কথা:

ভুলবো না আর সহজেতে
সেই প্রাণে মন উঠবে মেতে
মৃত্যু মাঝে ঢাকা আছে
যে অন্তহীন প্রাণ
বজ্রে তোমার বাজে বাঁশি
সেকি সহজ গান
সেই সুরেতে জাগবো আমি

সেই ঝড় যেন সই আনন্দে
চিত্তবীণার তারে
সপ্তসিন্ধু দশ দিগন্ত
নাচাও যে ঝঙ্কারে
বজ্রে তোমার বাজে বাঁশি
সেকি সহজ গান
সেই সুরেতে জাগবো আমি

এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলিতে লিখেছিলেন।

গানটির একটা ভিডিও আছে, যেটা দিয়ে আমি এই গানটির সাথে পরিচাত হয়েছিলাম, আপনারা ভিডিওটিও একবার দেখুন:

ম্যাট হারডিং, ৩৩ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক। ২০০৩ সালে অস্টেলিয়ায় একজন ভিডিও গেম ডিজাইনার হিসাবে কাজ করছিলেন। হঠাৎ চাকরী ছেড়ে দিয়ে নিজের জমানো টাকা নিয়ে এশিয়া ভ্রমনের জন্য বেড়িয়ে পরেন। পরিবারের এবং বন্ধুদের কাছে নিজের বর্তমান অবস্থান জানানোর জন্য নিজের ওয়েব সাইটে দিতে থাকেন ভ্রমনের সকল আপডেট তথ্য এবং ঘুরতে থাকেন এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। ভিয়েতনাম গিয়ে নিজের সাইটে আপলোড করেন, নিজের হাত-পা ছোড়াছুড়ি করা এক মজার নৃত্যের ভিডিও। ওয়েবে সেই অদ্ভুত মজার ভিডিও এক হাত, দুই হাত করে ছড়িয়ে পরে অনেক অনেক হাতে। এক সময় তা Stride gum এর নজর কাড়ে। বিজ্ঞাপনের কথা চিন্তা করে Stride gum থেকে তাকে সারা পৃথিবী ভ্রমন করে নুতন আরো ভিডিও তৈরীর প্রস্তাব দেয়া হয়। এই লোভনীয় প্রস্তাব ম্যাট গ্রহন করেন এবং শুরু করেন তার নুতন কাজ। ২০০৬ সালে ম্যাট ছয় মাসে সকল মহাদেশের ৩৯টি দেশ ভ্রমন করেন এবং তৈরী করেন Where The Hell Is Matt? নামের দুইটি ভিডিও। এই ভিডিওগুলোতে সে পৃথিবীর বিভিন্ন লোকেশনে একাই নেচেছেন। এগুলো ইউটিউবে প্রকাশিত হলে সে মোটামুটি খ্যাতি অর্জন করেন। এরপরে, ম্যাট আবার নুতন প্রস্তাব নিয়ে Stride gum এর কাছে যান। নুতন ভিডিওতে তিনি স্থানীয় জনগনকেও সম্পৃক্ত করতে চান। তার প্রস্তাবে সাড়াও মিলে যায়। এরপর আবার বেরিয়ে পরেন। ১৪ মাসে ৪২ টি দেশের স্থানীয় জনগনের সাথে নেচে তৈরী করেন Where The Hell Is Matt? (2008)। এটা ইউটিউবে প্রকাশিত প্রবল জনপ্রিয় একটি ভিডিও। আজ পর্যন্ত প্রায় পৌনে দুই কোটি বার এই ভিডিও দেখা হয়েছে। এই ভিডিওটি তারই সিকুয়্যাল।

← Older posts

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • মিডিয়া রিভিউ
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ভাব-গাম্ভীর্যের জন্মগত অভিনেতা, বিতর্ক আর লিগ্যাসি
  • কারা ধ্বংস করল বাংলাদেশি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি?
  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.