Tags

, , , , , , ,

বেশ কিছুদিন হলো আমাদের ইন্টারনেট সংযোগের মেরুদন্ড SE-ME-WE-4 নামের ফাইবার অপটিকটি কাটা পড়েছে। এরই মধ্যে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে সবাই সেই খবর জানে। প্রথমে জানা গেলো যে সেটা একটি নোঙ্গরের আঘাতে কেটেছে, মিশরের কাছাকাছি সমুদ্রে। পরে সেটা ঠিক করতে গিয়ে আবার আরেক স্থানে কাটা পড়লো। এবারও ঠিক করা হলো সংযোগ, আবার কাটা পড়লো এবং ক্ষত স্থান খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না।

কিছুক্ষণ আগে আমার ইন্টারনেটের গতি ভালো হয়ে গেলে আমি Google.Com কে ping করে দেখি জবাব আসার সময় 303ms যেটা তার আগে ছিলো 3000ms এর চাইতে বেশী। আবার google.com কে Trace Route করে দেখি SingTel দিয়ে ঘুরে ট্রাফিক যাচ্ছে না, সুতরাং আমাদের লিঙ্কের সমস্যা মিটে গেছে মনে হলো। কিন্তু আধা ঘন্টা যেতে না যেতে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসলো। তাহলে কি আবার ফাইবার কাটা পড়লো?

তৃতীয়বারের মতন এই সংযোগ ঠিক করার সাথে সাথে আবার চতুর্থবারের মতন কাটা পড়লো এই মহামূল্যবান যোগাযোগের মাধ্যম। তাহলে এসব কি হচ্ছে! ওদিকে মিশরের যোগাযোগ মন্ত্রী বলেছেন যে যখন এই মাধ্যম জাহাজের নোঙ্গরের আঘাতে কাটা পড়ে, তখন তার জানা মতে উক্ত এলাকায় কোনো জাহাজ ছিলো না (!)
প্রথমবার এই মাধ্যম কাটা পড়লে আমি এই খবরটি পাই, এবং আমার ব্লগে প্রকাশ করি। বাকী কথায় যাবার আগে এই মাত্র বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরে আসা একটি খবর শেয়ার করতে চাই।

Fourth subsea cable break sparks conspiracy theories

Martyn Warwick, London, Feb 7 (telecomtv.com/bdnews24.com) – Goldfinger, the villain in the James Bond thriller of the same name, had a maxim. It was: Once is happenstance, twice is coincidence, the third time is enemy action.

Now after four breakages in just five days on different cables close by and serving the Middle East have caused severe disruption, a flurry of conspiracy theories are being expounded on the web and even in the more traditional media.

SEA-ME-WE 4 and FLAG Europe-Asia were severed last Wednesday off the Egyptian port of Alexandria while the FALCON system was cut in the Persian Gulf between the United Arab Emirates and Oman. A fourth incident was reported late on Sunday.

It involves a (so-far) unnamed submarine link but reputable sources tell me it is the FALCON cable that has been hit for a second time. In this incident communications between Qatar and the United Arab Emirates has been affected.

The peculiar series of cuts caused either serious service degradation or complete outage for Internet users across the Middle East and also in India, although traffic was gradually, but moderately quickly, restored on alternative cable systems and routes. The Indian operator VSNL said it managed to get the majority of its customers’ IP traffic back online within 24 hours of the Wednesday cuts.

The close proximity of the cut cables and the obvious and immediate impact they had on key economies of the Middle East has led to fevered speculation on the just how so many could happen so quickly and so close together.

Adding to the mystery are the online news reports saying the Egyptian transport ministry has retracted its earlier explanation – that a slipping ship’s anchor caused the damage to the two cables off Alexandria – after reviewing onshore video footage of the area at the time the outages happened.

Meanwhile, the official statement says, “The Ministry’s Maritime Transport Committee reviewed footage covering the period of 12 hours before and 12 hours after the cables were cut and no ships sailed the area. The area is also marked on maps as a no-go zone and it is therefore ruled out that the damage to the cables was caused by shipping.”

As might be expected, in online postings on sites such as Slashdot blame for the outages is being laid at the feet of both the US Secret Service and Islamic fundamentalists. Some say that the breakages were caused as mysterious agencies attempted to install wiretaps on the cable systems and several of the more exercised bloggers claim the cuts are a prelude to US military action in the area.

Meanwhile, others say the events are either in retribution for or are a warning about the inauguration of the Iranian Oil Bourse that is due to open before 11 February.

The Iranian Oil Bourse will allow oil to be traded in currencies other than the US dollar, and according to some experts, could significantly undermine the value and utility of the ubiquitous greenback.

Yet others claim the cuts were part of experiments in information warfare designed to gauge the effects of such disruptions – again as a prelude to military actions.

However, exciting as these speculative imaginings are, they fail to note is that the US military is among the largest consumers of bandwidth in the region, and, despite its undoubted access to sophisticated satellite communication technology, would surely have felt the impact of the outages along with the hundreds of millions of corporate and consumer users.

A spokesperson for FLAG, the organisation that owns of two of the three named cables that were cut, says the company is still trying to determine the causes of the disruptions but adds that he does not believe FLAG cables were specifically targeted. Flag is owned by India’s Reliance Group.

However, Colonel R.S. Parihar, the Secretary of the Internet Service Providers Association of India, commented, “This has been an eye-opener for us, and everyone in the telecom industry worldwide. Today, the cause of the problem might perhaps have been an anchor but what if it is sabotage tomorrow?. These are owned by private operators, and there are no governments or armies protecting these cables.”

The main problem is that in their current configuration, subsea systems run through so-called “choke points” – areas where several cables are located very close together such as off Singapore and the coast of Egypt. Indeed, the industry got an earlier wake-up call back in 2006 when an earthquake off Taiwan caused massive disruption to cable-based broadband and telecoms services to many parts of Asia, in some cases for several months, Operators have since been looking at ways to diversify the routes of next generation cables.

Submarine cables carry about 95 per cent of global telephone and Internet traffic and data passed over them travels considerably faster and more cheaply than it does over satellite.

এখন কথা হলো এত ভেজাল হচ্ছে কেনো। তাহলে ভেতরের খবর বলি। আমেরিকার প্রায় ৯০% এখন ভারতে। আমেরিকাও সাদা চামড়া আবার ইউরোপিয়ানরাও সাদা চামড়া। তো ওদের মধ্যে একটা মিল আছেই সব সময়। ইউরোপ মানেই যে সব দেশ বড়লোক সেটা আবার না। অনেক দেশ আছে যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা আমাদের দেশের মতন বা আমাদের চাইতেও খারাপ। কিন্তু তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে ঢোকার পর থেকে সব সাদা চামড়াই চাইছিলো তাদের উপকার করতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করতে। কিন্তু কিভাবে করা যায় সেই উপায় পাচ্ছিলো না।

SE-ME-WE-4 দিয়ে কিছু হোক না হোক ভারতের কল সেন্টারের ৮০% ট্রাফিক আসে এই মাধ্যম দিয়ে। এখন যদি কোনোভাবে এই মাধ্যম কাটা পড়ে, তাহলে অন্য কোনো কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হোক আর না হোক, ভারতের কল সেন্টারগুলি পড়বে বিপদে। 🙂 আর এই বিপদের মধ্য দিয়ে তাদের পারফরমেন্স খারাপ হয়ে যাবে এবং তখনই সাদা চামড়ারা সুযোগ পাবে সেই কলসেন্টারগুলি সরিয়ে ইউরোপের গরীব দেশগুলিতে নিয়ে যাওয়ার।

আমার মনে হয় এতটুকুতেই আপনার বুঝতে পেরেছেন ঘটনা আসলে কি ঘটছে আর কেন এই ঝামেলা হচ্ছে। দুঃখ একটাই যে আমাদের দেশের খুব কাছ দিয়ে গিয়েছিলো SE-ME-WE-3 কিন্তু আমরা সেটার সাথে সংযুক্ত নই। থাকলে আমাদের এভাবে গালে হাত দিয়ে প্রহর গুনতে হতো না যে কখন এই সংযোগ ঠিক হবে। 🙁