Brokeback Mountain রিভিউ

Jake Gyllenhaal-এর ভক্ত হিসেবে তার শুরুর দিকের কাজ ধরতে Brokeback Mountain দেখতে বসলাম। সমকামী প্রেমের গল্প—আপত্তি নাই। Philadelphia বা Call Me by Your Name-এর মতো আউট-অফ-দ্য-বক্স কিছু আশা করেছিলাম। কিন্তু ২ ঘণ্টা ১৪ মিনিট শেষে হাতে রইলো শুধু হতাশা।

সমস্যা গল্পে না, প্রেজেন্টেশনে!

Ennis আর Jack-এর প্রেমটা শুরু হয় ১৯৬৩-তে, পাহাড়ে ভেড়া চরাতে গিয়ে। নীরবতা, চাহনি, সংযম — সব ঠিক আছে। কিন্তু Ang Lee সেই সংযমকে এত টেনেছেন যে ইমোশনই হারায় গেছে। দুইটা মানুষ ২০ বছর ধরে বছরে একবার দেখা করে, কাঁদে, আলাদা হয়ে যায়। কেন এই টান, কী তাদের বাঁধা করছে — সমাজ, পরিবার, নিজের ভয় — সবই আছে স্ক্রিপ্টে, পর্দায় নাই।

গল্পের পেস এত স্লো যে খেই হারিয়ে যায়।

২০ মিনিট পর পর একটা করে “মিলনের সিন”, তারপর আবার ১০ বছর লাফ। মাঝের শূন্যতায় চরিত্রগুলো বড় হয় না। Ennis-এর রাগ, Jack-এর হতাশা — ডায়লগে বলা হয়, দেখানো হয় না। Heath Ledger চোয়াল শক্ত করে সারাক্ষণ, Gyllenhaal কাঁদে — ব্যস, এইটুকুই।

সিনেমাটোগ্রাফি সুন্দর!

পাহাড়-নদী পোস্টকার্ড। কিন্তু সুন্দর ফ্রেম দিয়ে তো আর সম্পর্ক দাঁড়ায় না। Streets of Philadelphia যেমন AIDS আর হোমোফোবিয়াকে কোর্টরুম ড্রামা বানিয়েছিল, Brokeback সেখানে শুধু “নিষিদ্ধ প্রেম” বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে। কনফ্লিক্টটা কোথায়? ভিতরের যুদ্ধটা কোথায়?

Jake-এর অভিনয় খারাপ না, কিন্তু স্ক্রিপ্ট তাকে স্পেস দেয়নি। ২০০৫-এ অস্কার, হাইপ — সব বুঝলাম। কিন্তু আমি আগা-মাথা পেলাম না এই ভালোবাসার। দুইটা মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, ঠিক আছে। কিন্তু কেন পাচ্ছে, সেটা ফিল করলাম না।

রেটিং: ২/১০, ল্যান্ডস্কেপ ১০/১০, ইমোশন ৩/১০

সমকামী সিনেমা বলেই মাস্টারপিস হবে — এই বাধ্যবাধকতা নাই। গল্প বলতে জানতে হয়। এখানে গল্পটা পাহাড়েই হারায় গেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top