Dacoit: A Love Story

Dacoit: A Love Story

শশাঙ্ক রিডেম্পশন ভেবে বসেছিলাম, বের হলাম মাথা ধরে। Dacoit: A Love Story দেখে মনে হলো সাউথের সিনেমা নিয়ে আমার হতাশার লিস্টে আরেকটা নাম যোগ হলো।

গল্প! আদিভি শেষ আর ম্রুনাল ঠাকুরের প্রেম, প্রতিশোধ, ডাকাতি — তিনটা ট্র্যাক জোর করে সেলাই করা। প্রথম ৩০ মিনিট প্রেম, পরের ৩০ মিনিট হঠাৎ ডাকাত, শেষ ৩০ মিনিট “ইমোশন”। কোনোটাই দাঁড়ায় না। চিত্রনাট্য এত ফাঁকা যেনো ট্রেনের জানালা দিয়ে হাওয়া ঢোকে।

সবচেয়ে বিরক্তিকর হলো “অযথা টুইস্ট”। প্রতি ১৫ মিনিটে একটা করে ধাক্কা দিতে চায়, কিন্তু টুইস্টের বিল্ড-আপ নাই। ক্যারেক্টার মোটিভেশন লেখা হয় নাই, তাই টুইস্ট দেখে চমক লাগে না, হাসি পায়। ভিলেন কে, কেন ভিলেন, হিরো কেন ডাকাত হলো — প্রশ্নের উত্তর ক্লাইম্যাক্সে voice-over দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া লাগে। এটা ২০২৬, দর্শককে এত বোকা ভাবলে চলে?

অ্যাকশন সিকোয়েন্সে স্টাইল আছে, ক্যামেরা ঝকঝকে। কিন্তু স্টাইল দিয়ে তো আর গর্ত ভরা যায় না। আদিভি শেষের ইন্টেন্স লুক আর ম্রুনালের কান্না ছাড়া অভিনয়ের জায়গাই নাই। ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর চিৎকার করে “ইমোশনাল হও”, আমি আরও বিরক্ত হই।

IMDb-তে ভালো রেটিং দেখে ভাবি, আমি কি ভুল সিনেমা দেখলাম? নাকি “সাউথের সিনেমা” ট্যাগ দেখলেই একদল ফ্যান ১০/১০ দিয়ে দেয়? ভালো রিভিউ মানে তো আর ভালো সিনেমা না। Dacoit দেখে মনে হলো, হাইপ আর হ্যাশট্যাগ দিয়ে ফাঁপা গল্প ঢাকা যায় না।

রেটিং: ২/১০
শুধু আদিভি শেষের ডেডিকেশন আর দুইটা শটের জন্য ২, বাকিটা জোড়াতালি, অযথা চিৎকার, আর সময় নষ্ট।

শশাঙ্ক রিডেম্পশন বানাতে চাইলে আগে শশাঙ্কের স্ক্রিপ্টটা পড়া দরকার। প্রেম + ডাকাতি মেশালেই ক্লাসিক হয় না। মাঝে মাঝে সেটা অখাদ্যই হয়।