The Death of Robin Hood – কিংবদন্তির মৃত্যু, হিরোর না

নাম শুনেই বোঝা যায় এটা সেই সবুজ টুপি পরা যুবক রবিন হুডের গল্প না। এটা এক বুড়ো, ক্লান্ত, ক্ষতবিক্ষত মানুষের শেষ যাত্রা। থিমটা মূলত Kirklees Priory-র পুরনো ballad থেকে নেওয়া – যেখানে রবিন এক সন্ন্যাসিনীর আশ্রয়ে ধীরে ধীরে মারা যায়।

Michael Sarnoski পরিচালিত A24 এর এই ফিল্মে Hugh Jackman আর আগের মতো লোককথার নায়ক নেই। সে এখন battle-scarred outlaw, নিজের ভায়োলেন্স আর কিংবদন্তির ভারে haunted. Little John Bill Skarsgård এসে তাকে একটা শেষ ঘরোয়া বিবাদে ডাকে, সেখানেই সে গুরুতর আহত হয়।

তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সমুদ্রের ধারের এক নির্জন ক্লিফ-টপ কনভেন্টে, যেখানে Prioress Brigid Jodie Comer তাকে সেবা করে। আর এখান থেকেই সিনেমাটা অ্যাডভেঞ্চার থেকে বেরিয়ে হয়ে যায় এক আত্মার হিসাব নিকাশ।

যারা Robin Hood নাম শুনে তীর, তলোয়ার, শেরউড ফরেস্টের দৌড়ঝাঁপ আশা করবে, তারা নিশ্চিত হতাশ হবে। এখানে অ্যাকশন প্রায় নেই। আছে শুধু নীরবতা, অনুশোচনা আর ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া। পরিচালক ইচ্ছে করেই হিরোইজম খুলে ফেলে দেখিয়েছেন একজন স্বার্থপর মানুষকে, যে তার শক্তি নিজের জন্য ব্যবহার করেছে।

এই সিনেমার প্রাণ হলো অভিনয়। Jackman ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ করেছেন। তার চোখে ক্লান্তি, শরীরে বয়সের ভার, হাঁটার মধ্যেও একটা অপরাধবোধ কাজ করে। Jodie Comer শান্ত কিন্তু কঠিন, তিনি যেন মৃত্যু আর ক্ষমার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এক বিচারক। তাদের দুজনের কথোপকথনই পুরো সিনেমা।

সিনেমাটোগ্রাফি আর সাউন্ডও সেই বিষণ্ণতাকে বাড়িয়ে দেয়। ধূসর সমুদ্র, পাথরের কনভেন্ট, মোমবাতির আলো – সব মিলে একটা প্রার্থনার মতো আবহ তৈরি করে। শেষে যখন রবিন নিজের কিংবদন্তি বাঁচাতে একটা মিথ্যা বলে, তখন বোঝা যায় ওটাই তার জীবনের সবচেয়ে heroic কাজ।

এটা কোনো পপকর্ন ফিল্ম না। এটা ধীর, বিষণ্ণ, গভীরভাবে মানবিক। কিংবদন্তি কিভাবে মানুষকে খেয়ে ফেলে তার গল্প। তুমি যদি Pig বা A Quiet Place এর মতো স্লো বার্ন পছন্দ করো, তাহলে দেখো। অ্যাডভেঞ্চার খুঁজতে এলে দূরে থাকো। আমার রেটিং – ৫/১০।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top