Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

“বন্ধ জানালা” শিরোনামহীনের নতুন এলবাম

18 বুধবার ফেব্রু. 2009

Posted by Omi Azad in গান বাজনা

≈ 8 Comments

Tags

এলবাম, গান, ব্যান্ড, শিরোনামহীন

ভালো সবকিছু আমি সবার সাথে শেয়ার করি, এটা সবাই জানে। কয়েকদিন আগে শিরোনামহীনের নতুন এলবাম বাজারে এসেছে, নাম “বন্ধ জানালা”

অদ্ভুত গানগুলি! আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। আমার ব্লগ পাঠকদের জন্য এখানে দিয়ে দিলাম। শিরোনামগীনের ভক্ত হিসেবে এখানে আমি গানগুলি দিয়েছি শুধু শুনে দেখবার জন্যে। সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ, গানগুলি ডাউনলোড করবেন না। এলবাম ভালো লাগলে একটি সিডি বা ক্যাসেট কিনে শুনুন।

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/01 – Bondho Janala.mp3]
১ – বন্ধ জানালা

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/02 – Valobasha Megh.mp3]
২ – ভালোবাসা মেঘ

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/03 – Bullet Kingba Kobita.mp3]
৩ – বুলেট কিংবা কবিতা

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/04 – Shurjo.mp3]
৪ – সূর্য

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/05 – Eka.mp3]
৫ – একা

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/06 – Sohosha Dip.mp3]
৬ – সহসা দ্বীপ

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/07 – Bus Stopage.mp3]
৭ – বাস স্টপেজ

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/08 – Shuprobhat.mp3]
৮ – সুপ্রভাত

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/09 – Porichoy.mp3]
৯ – পরিচয়

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Shironamhin_-_Bondho Janala/10 – Bangladesh.mp3]
১০ – বাংলাদেশ

ডাউনলোড করে বা বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে কপি করে গান শোনা অবৈধ এবং অনৈতিক। আপনি ডাউনলোড করে বা বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে কপি করে গান শুনছেন ঠিকই কিন্তু সেই সাথে সঙ্গীত শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।

গুগল্ ক্রোম ২

10 মঙ্গলবার ফেব্রু. 2009

Posted by Omi Azad in ওপেন সোর্স, গুগল্, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 6 Comments

Tags

ক্রোম, গুগল্, বেটা, ব্রাউজার

বেশ কিছুদিন হলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল্ ইন্টারনেট ব্রাউজার ছেড়েছে, যার নাম ক্রোম। এরই মধ্যে আপনারা হয়তো গুগল্ ক্রোম ২ এর কথা শুনেছেন। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও গুগল্ ক্রোম ২ পাওয়া যাচ্ছে না 🙂 তাইনা? আমি বলে দিচ্ছি কিভাবে আপনারা গুগল্ ক্রোম ব্যবহার শুরু করতে পারবেন।

আপনার গুগল্ ক্রোম ইনস্টল করা না থাকলে প্রথমে এখান থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন।

একবার ইনস্টল হয়ে গেলে Customize and control Google Chrome থেকে About Google Chrome লিঙ্কে গেলে দেখবোন আপনার ভার্সনটি।

এরপরে আপনাকে গুগল্ ক্রোমের চ্যানেল বদলানোর টুল ডাউনলোড করতে হবে এই লিঙ্ক থেকে।

ডাউনলোড করার পরে গুগল্ ক্রোম বন্ধ করে দিয়ে, ঐ টুলটি রান করতে হবে এবং যে অপশন উইন্ডো আসবে সেখানে Dev: The latest features and bugfixes (~ weekly update) নির্বাচন করে Update বোতামে ক্লিক্ করে Close বোতামে ক্লিক্ করে উইন্ডোটি বন্ধ করে দিতে হবে।

এখন  Customize and control Google Chrome থেকে About Google Chrome লিঙ্কে গেলে দেখা যাবো ক্রোম আপনা আপনি আপডেট করছে, যদি না করে তাহলে Update Now বোতামে ক্লিক্ করলে আপনার ভার্সনটি আপডেট হয়ে যাবে।

এরপরে রি-স্টার্ট দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন গুগল্ ক্রোম ২ 🙂

উল্লেখ্য যে গুগল্ ক্রোম কিন্তু এখনো অসম্পুর্ণ, ১ হোক বা ২ হোক, কোনোটাই সম্পুর্ণ না। আপনি ইন্টারনেট এক্সপ্লোডারের বদলে এটা ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু এটা আপাতত ফায়ারফক্সের বিকল্প হতে পারছেনা।

বাংলাদেশ থেকে র‍্যাপিডশেয়ার বিক্রি, কতটুকু বৈধ?

01 রবিবার ফেব্রু. 2009

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 9 Comments

Tags

টাকা, রেপিডশেয়ার, হুন্ডি

হ্যাঁ, এখন বাংলাদেশে বসেই আপনি র‍্যাপিডশেয়ারের একাউন্ট কিনতে পারছেন, আর কোনো ঝাক্কি ঝামেলা নেই। বেশ কিছুদিন হলো র‍্যাপিডশেয়ারের রিসেলারের পাতায় বাংলাদেশের দুই এজেন্টের নাম দেখা যাচ্ছে..

তাদের একটি হলো টেকনোবিডি অপরটি থ্রিডিপ্লেক্স। টেকনোবিডি অনেকদিন থেকে উচ্চমূল্যে ডেমেইন/হোস্টিং বিক্রি করে থাকে, বাজারে ডেমেইন/হোস্টিং বিক্রি করার জন্য তাদের একটা সুনামও আছে কিন্তু এই থ্রিডিপ্লেক্সকে আমি চিনিনা। তাদের ইমেইল ঠিকানাটাও খোঁড়া, জিমেইলে। কোনো প্রফেশনাল কাজে কারও ইয়াহু/হটমেইল/জিমেইল ব্যবহার করাটা ঠিক না, এরা করছে।

বাংলাদেশে যারা হোস্টিং/ডোমেইন বিক্রির কাজ করে, তাদের বিদেশে টাকা পাঠাবার কিছু তারিকা আছে। তারিকাগুলি বৈধ। কিন্তু র‍্যাপিডশেয়ারে একাউন্ট কেনার কোনো বৈধ তারিকা নেই। আমার এক বন্ধুর অনুরোধে আমি নিজে র‍্যাপিডশেয়ারে যোগাযোগ করেছিলাম যে তাদের কিভাবে টাকা দেয়া যায়, যেগুলি আমাদের দেশে বৈধ, কিন্তু সরাসরি টাকা পাঠানোর জন্য আমাদের সেরকম কোনো উপায় নেই।

যেমন ধরুন আপনার বন্ধু ভারতে থাকে, ভারতে পে-প্যাল কাজ করে, তাকে আপনি হুন্ডি করে টাকা পাঠালেন (কারন বৈধ পথে টাকা পাঠালে যে খরচ হবে, তাতে একটা ১ মাসের রেপিডশেয়ার একাউন্টের দাম হবে ১২০০ টাকা প্রায়) এবং তখন সে পে-পেল দিয়ে র‍্যাপিডশেয়ারকে টাকা পরিশোধ করে দিলো।

আমি উক্ত রিসেলারগুলির সাইট ভালো ভাবে দেখেছি, সেখানে পরিস্কার লেখা আছে র‍্যাপিডশেয়ারকে তারা না-কি পে-পেলের মাধ্যমে টাকা দিচ্ছে। আপনারা যদি একটু কষ্ট করে পে-পেলের এই পাতাটি দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন যে বাংলাদেশের সাথে পে-পেলের কোনো লেন-দেন নাই। তাহলে এই রিসেলাররা কিভাবে পে-পেলে টাকা পাঠাচ্ছে?

আমরা যারা আগে থেকে র‍্যাপিডশেয়ার ব্যবহার করি, আমাদের টাকা দেবার একটা উপায় আছে, আমরা বা আমাদের বন্ধু বান্ধবের মধ্যে যারা আউটসোর্সিং করে, তারা বিদেশে অবস্থিত তাদের ক্লায়েন্টদেরকে অনুরোধ করে একটি একাউন্ট কিনে দেবার জন্য এবং পরে সেই টাকা পেমেন্ট থেকে বিয়োগ করা হয়। কিন্তু যারা আজকে বাংলাদেশে রিসেলার হয়েছেন, তারা নিশ্চয়ই এমন কিছু করছেন না।

এখানে কি আমাদের সরকারের রাজস্ব নষ্ট হচ্ছে না? ভিওআইপি করলে রাজস্ব নষ্ট হয়, এভাবে রাজস্ব নষ্ট হয়না?

কোথা থেকে এলো উইন্ডোস সেভেন নামটি!

26 সোমবার জানু. 2009

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, মাইক্রোসফট

≈ 7 Comments

Tags

৭, উইন্ডোজ, মাইক্রোসফট, সেভেন

এরই মধ্যে উইন্ডোস সেভেন নামটি বেশ পরিচিত হয়ে গিয়েছে আমাদের কাছে। অনেকে ব্যবহারও করছি, কিন্তু আমাদের সবারই মনে একটা প্রশ্ন, কেনো এই নাম ব্যবহার করলো মাইক্রোসফট। অন্য কিছুও তো ব্যবহার করতে পারতো।

প্রথমে মাইক্রোসফট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে উইন্ডোসের নাম আগের মতন করেই করা হবে, যেমন প্রথম উইন্ডোসের নাম ছিলো ১.০, এর পরে আসে ২.০, তারপরে আসে এনটি। উইন্ডোস এনটি ছিলো আসলে উইন্ডোস ৩.০। এর পরে ব্যবহারকারীদের জন্য পরিমার্জিত একটি সংস্করণ আসে যার নাম ৩.১ এবং ৩.১১। কিন্তু তার পরে ৯৫ – ৯৮ – ২০০০ এভাবে আসতে থাকে। পরে আবার সেই ধারা বাদ দিয়ে নাম দেয়া শুরু করে, যেমন এক্সপি, ভিস্তা।

মাইক্রোসফট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা তাদের আগের নামের ধারাবাহিকতায় ফিরে যাবে। কেনো? আমি জানিনা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছে, মাইক্রোসফট যেহেতু অনেক কিছু অ্যাপল থেকে নকল করে আসছে (যেমন ইউজার ইন্টারফেইসে অ্যাপলের ম্যাক ওএস এর অনেক কিছু নকল করেছে), সেরকম নামের ধারাবাহিকতায় ফিরে যাওয়াটাও এরকম একটা কারণ হতে পারে।

উইন্ডোস ৯৫ আসে ৩.১ (বা ৩.১১) এর পরে, কিন্তু তার কোড সংস্করণ ছিলো ৪। আর উইন্ডোস ৯৫ এর পরে আসে উইন্ডোস এনটি ৪, সেটারও কোড সংস্করণ ছিলো ৪। তার পরে আসে উইন্ডোস ৯৮, ৯৮ সেকেন্ড এডিশন এবং মিলেনিয়াম এডিশন যাদের কোড সংস্করণ ছিলো যথাক্রমে ৪.০.১৯৯৮, ৪.১০.২২২২ এবং ৪.৯০.৩০০০। সুতরাং এই সবগুলিই ছিলো সারিতে ৪র্খ সংস্করণ।

এর পরে আসলো উইন্ডোস ২০০০, যার কোড সংস্করণ ছিলো ৫.০ এবং এক্সপি’র কোড সংস্করণ ছিলো ৫.১। যদিও এক্সপি একটা মেজর রিলিজ ছিলো মাইক্রোসফটের এপ্লিকেশন ব্যবহারকারীদের জন্য, কিন্তু কিছু আভ্যন্তরীণ কাঠামো ২০০০ এর মতো হওয়ায়, এপিআই এর পরিবর্তন তেমন না হওয়ায় এর কোডে তেমন পরিবর্তন আনেনি মাইক্রোসফট। ঠিক সেরকমই, যখন উইন্ডোস সার্ভার ২০০৩ আসে, তার কোড সংস্করণ হয় ৫.২। তার পরে আসে উইন্ডোস ভিস্তা এবং তারপরে ২০০৮। উক্ত দুটি অপারেটিং সিস্টেমই কোড সংস্করণ ৬ ঘরানার।

সুতরাং আমাদের পরবর্তি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোস সেভেন এই কারণেই নাম পেয়েছে সেভেন মানে ৭। কিন্তু তার মানে কিন্তু এই না যে উইন্ডোস সেভেনের কোড সংস্করণ ৭। উইন্ডোস সেভেনের কোড সংস্করণ ৬.১ তার কারণ কিন্তু একই, যেই কারণে উইন্ডোস ২০০ এবং এক্সপির কোড সংস্করণে বিশেষ পরিবর্তন আসে নাই, সেরকম ভিস্তা আর সেভেনের কোড সংস্করণে তেমন পরিবর্তন আনছেনা মাইক্রোসফট।

সুতরাং সঙ্গত কারণে সেভেন নামটা ব্যবহার করছে মাইক্রোসফট।

তবে ইন্টারনেটে বেশ কিছু বুলি প্রচলিত আছে, যে কেনো মাইক্রোসফট উইন্ডোস সেভেন নামটা পছন্দ করলো। তার মধ্যে আমার ভালো লেগেছে এরকম ১০টি এখানে প্রকাশ করলাম:

  1. Want to remind users of the good old days of Windows for Workgroups 3.11 instead of Vista.
  2. Signifies the number of billions Bill Gates lost in the stock market last week. 🙂
  3. It’s the number of debuggers working on this version.
  4. Drawing comparisons to the seven deadly sins with name just too irresistible. 😉
  5. It’s the number of years before it’ll be released. 😀
  6. Instead of using release years, new editions will now be named according to years until the robot uprising.
  7. Because as they say at Microsoft, seventh time’s the charm. 🙂
  8. With so few names not trademarked, Windows 7 sounded better than Windows Popplers. 😀
  9. Product naming team wanted to leave early to beat rush hour.
  10. Proves that Windows is only three versions behind Apple.

আবার আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছে যে কেনো আমি বাংলায় উইন্ডোস সেভেন বলছি আমার তো ৭ (সাত) বলতে সমস্যা ছিলো না।আসলে একটা কথা আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে নাম সব সময় নামই, সেটার অনুবাদ করা ঠিক না। “বাংলা” শব্দটা যখন একটা ভাষার নাম, সেটার ইংরেজী অনুবাদ “বেঙ্গলি” হতে পারে না, ঠিক সেই রকম, “সেভেন” নামটা যারা ব্যবহার করছে সেটার বাংলায় সাত বলা ঠিক না।

একবার নিজেই দেখে নিন উইন্ডোস সেভেন

15 বৃহস্পতিবার জানু. 2009

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, মাইক্রোসফট

≈ 9 Comments

Tags

৭, উইন্ডোজ, ডাউনলোড, বিনামূল্যে, বেটা, মাইক্রোসফট

মাত্র কয়েকদিন হলো মাইক্রোসফট তাদের পরবর্তি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোস সেভেন এর প্রথম বেটা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উনমুক্ত করেছে। আর এই কয়েকদিনেই এর ডাউনলোডের সংখ্যা দশ লক্ষ্যাধিক ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা কি-না উইন্ডোস ভিস্তার চাইতে ৬০% বেশী!

এই ডাউনলোড বেশী হবার কারণ একটু বলে নেই। যখন ভিস্তা বের হয়, তখন বেশীরভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা সিঙ্গেল কোর প্রসেসর ব্যবহার করতেন এবং ৭০% এর বেশী ব্যবহারকারী খুব বেশী হলে ৫১২ রেম ব্যবহার করতেন কম্পিউটারে। তাই ভিস্তা ব্যবহার করতে একটু হলেও দ্বিধা বোধ করতো। কিন্তু এই এক ভিস্তা গত দুই বছরে গোটা কম্পিউটার বাজারের চেহারাই বদলে দিয়েছে। স্টোরেজ, প্রসেসরের গতি, রেম সব দুই বছরে বেড়েছে প্রায় চার গুণ। তাই এখন কেউ উইন্ডোস সেভেন ব্যবহার করে দেখার জন্য ২য়বার ভাবছেনা। সরাসরি ডাউনলোড এবং ইনস্টল।

আপনারা চাইলেও এখনি উইন্ডোস সেভেন ডাউনলোড করে ইনস্টল করে দেখতে পারেন কতো ঝাকানাকা হতে পারে আপনার ডেস্কটপ! আমি এখানে উইন্ডোস সেভেন-এর রিভিউ লিখছিনা। আর এত কিছু পরিবর্তন হয়েছে উইন্ডোস সেভেন-এ, যে এক আর্টিক্যালে লিখে শেষ করাও যাবে না। তবে শিঘ্রই শুরু করবো রিভিউ লেখা।

চলুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে ডাউলোড করা যাবে উইন্ডোস সেভেন।

  • ৩২ বিট-এর ইংরেজি উইন্ডোস সেভেন ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানা থেকে
  • ৬৪ বিট-এর ইংরেজি উইন্ডোস সেভেন ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানা থেকে

ডাউলোড করা আইএসও ডিভিডিতে রাইট করে সেখান থেকে ইনস্টল করতে হবে উইন্ডোস সেভেন। ইনস্টল হয়ে গেলে একটিভেট করতে হবে একটি প্রোডাক্ট কী দিয়ে। আর সেটা সংগ্রহ করতে হবে এই ঠিকানা থেকে। উক্ত ঠিকানায় গেলে আপনার উইন্ডোস লাইভ আইডি চাইবে এবং একবার প্রবেশ করে কিছু প্রক্রিয়া শেষ করলে আপনি একটি প্রডাক্ট কি পেয়ে যাবেন।

তাহলে আর দেরি না করে এক্ষুণি দেখে নিন, কেমন ঝাকানাকা করেছে এই নতুন উইন্ডোস। আর সামনে আমি উইন্ডোস সেভেন-এর রিভিউ তো লিখছিই।

ভালো কথা, আমার কিন্তু উইন্ডোস সেভেন-এর বুট স্ক্রিন (স্টার্টআপ স্ক্রিন) জটিল লেগেছে।

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.