Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: বাংলাদেশ

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ২০০৮

05 সোমবার জানু. 2009

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ

≈ 2 Comments

Tags

ইন্টারনেট, তথ্যপ্রযুক্তি, নীতিমালা, বাংলাদেশ, সফটওয়্যার

২০০৮ সালে বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) ব্যবহার কেমন ছিল, এ খাতের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কেমন হলো−এসব হিসাব-নিকাশ করার সময় এখন। নানা ঘটনা ঘটেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও দেখা গেছে তথ্যপ্রযুক্তির নানা রকম ব্যবহার। আবার অনেক কিছুই প্রত্যাশা অনুযায়ী পূরণ হয়নি গত বছর। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অবস্থা কেমন গেল ২০০৮ সালে তাই বলেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী

তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা
২০০৮ সালে তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির মধ্যে আছে তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা। ২০০২ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছিল সেটাকে হালনাগাদ করার জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করে।সে কমিটি প্রায় তিন মাস কাজ করে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে। যদিও সরকার আশা করেছিল আগের নীতিমালায় কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন তা ঠিক করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু নীতিমালা প্রণীত হওয়ার পর প্রযুক্তি এতটাই এগিয়ে গেছে যে কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় নতুন একটি নীতিমালা করার জন্য। এটা করে সরকারের হাতে দেওয়া হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। ২০০২ সালের নীতিমালার সঙ্গে এ নীতিমালার একটি মৌলিক পার্থক্য হলো এখানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের লক্ষ্যমাত্রা ও করণীয়গুলো আরও সুনির্দিষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। দেখা গেছে, এতে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে প্রায় ৩০০টি বিষয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে। বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা এখানে স্বল্প মেয়াদি, মাঝারি, দীর্ঘ ইত্যাদি ভাগে ভাগ করে দিয়েছি। সময়ের উল্লেখ ছাড়াও এখানে বলে দেওয়া আছে, এর বাস্তবায়নে ঠিক কার কী করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আমার মনে হয়েছে, তারা এটা করে যেতে চাচ্ছিল। কিন্তু আর তো সময় নেই তাদের। এখানে কিছু সমস্যাও ছিল। কোনো নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা এ সরকারের ছিল কি না সে বিষয়েও সন্দেহ করে অনেকে।

নির্বাচিত সরকার এলে আমি আশা করব, তারা এটা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করে খুব তাড়াতাড়ি গ্রহণ করে নেবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যে মহাজোট সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে পরিষ্ককারভাবে বলা আছে, ২০২১ সালের মধ্যে তারা তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখতে চায়। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি।

দুর্ভাগ্যবশত গত দুই বছরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে গুরুত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার প্রতিফলন আমরা দেখিনি। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে বিশেষ সহকারী ছিলেন একজন, তাঁর আগে দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টার অনেক দায়িত্বের মধ্যে ছিল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

ইন্টারনেটের দাম কমেছে
গত কিছুদিনে আমাদের অর্জনের মধ্যে একটা হলো যে ইন্টারনেট ব্যবহার তথা ব্যান্ডউইডথের দাম কমেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ইন্টারনেট সহজলভ্য হচ্ছে। গত বছর তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি ওয়াই-ম্যাক্সের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এর সুফলও পাওয়ার কথা। এ ছাড়া ইন্টারনেট টেলিফোনি বা ভিওআইপির লাইসেন্সও দেওয়া হয়েছে। এর ব্যবহার পুরোপুরি শুরু হলে আন্তর্জাতিক যোগাযোগে আমাদের বেশ উন্নতি হবে।

নির্বাচনের বছরে তথ্যপ্রযুক্তি
২০০৮ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এখানে উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়টিকে এনেছে। যদিও এর মধ্যে কমবেশি ছিল। অনেক দল দায়সারাভাবে অনেকটা না বুঝে এ বিষয়টি এনেছে। আমার ধারণা, আমাদের তরুণ প্রজন্ন তাদের সমর্থন দিতে তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়টিকেও বিবেচনায় এনেছে। আরেকটা বড় কাজ হয়েছে। আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে গত বছর, এর কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালে। আমরা একটা সমৃদ্ধ তথ্যভান্ডার পেয়েছি এর মাধ্যমে। ছবিসহ ভোটার তালিকার কাজটিও হয়েছে বেশ ভালোভাবে। তবে আমার মনে হয়, জাতীয় পরিচয়পত্রে যে ধরনের নিরাপত্তা বিষয় ও তথ্যধারণের কথা ছিল বা ছবির যে গুণগত মান থাকা উচিত ছিল তা এ স্বল্পমূল্যের প্রযুক্তি দিয়ে সম্ভব হয়নি অনেকটাই। এ জন্যই হয়তো বেশির ভাগ লোকেরই এ নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ আছে। এটাকে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে হলে আরও কিছু কাজ করতে হবে।তবে তথ্যভান্ডারটা অনেক কার্যকর একটা বিষয়। এ বিষয়টি দেখভালের জন্য আলাদা একটা বিভাগও করেছে সরকার। তথ্যভান্ডারের এমন কাজ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশও করতে পারেনি। আমরা স্বল্প খরচে কম সময়ে এটা করতে পেরেছি। ভোটার তালিকা থেকে যে এক কোটির ওপরে ভুয়া ভোটারের নাম বাদ গেল, এটা সম্ভব হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলেই। এখানে আরেকটি বিষয় হলো, বাংলাদেশের আট কোটির বেশি ভোটার এ উপলক্ষে প্রত্যেকেই একবার হলেও কম্পিউটারের সামনে গিয়েছেন। এই যে অনেকেই কম্পিউটার দেখলেন এবং কম্পিউটারের ক্ষমতা জানলেন, এটা কম্পিউটার সম্পর্কে সচেতনতা ও জনপ্রিয়তা বাড়াতে কাজ করবে, বিশেষ করে ভবিষ্যতে আমরা যখন এ প্রযুক্তিকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। এ বছর তথ্যপ্রযুক্তির মেলাগুলোও বেশ বড় পরিসরে হয়েছে।

শিক্ষায় নেই অগ্রগতি
গত বছর তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। কম্পিউটার বিজ্ঞান, কম্পিউটার প্রকৌশল ইত্যাদি বিষয়ে একসময় শিক্ষার্থীদের যে প্রবল আগ্রহ দেখা যেত, এখন তা দেখা যায় না। কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ যে ক্রমাগত কমছে, আমার ধারণা, গত বছরও তা অব্যাহত ছিল। এ জায়গাটায় বড় ধরনের পরিবর্তন হওয়া দরকার। তথ্যপ্রযুক্তির বিরাট সুযোগ কাজে লাগাতে এ খাতে একটা বড় জনশক্তি লাগবে আমাদের। তবে ইদানীং টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। এটা হয়তো বাংলাদেশে চলমান চাকরির বাজারের জন্যই।

ই-গভর্নেন্সে অগ্রগতি
ই-গভর্নেন্সে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এ বছর। এখন বাংলাদেশের গেজেটগুলো ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এটা হয়েছে রেগুলেটরি রিফর্ম কমিশনের সুপারিশে, যদিও আইসিটি টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে আমরা এটা অনেক আগেই সুপারিশ করেছিলাম। সরকারি বিভিন্ন নীতিমালা, ফরম ও তথ্য এখন ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যত আইন প্রণীত হয়েছে, সবই এখন ওয়েবে পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনজীবীদের খুব কাজে আসবে এটি। হয়তো ভবিষ্যতে বিভিন্ন মামলার বিস্তারিত তথ্যও তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটও আগের চেয়ে অনেক তথ্যবহুল হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কিংবা বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইটের চেহারা এখন বেশ দেখার মতো হয়েছে।

সফটওয়্যার রপ্তানিতে গতি দ্রুত নয়
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা খাতে সফটওয়্যার রপ্তানি হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট দ্রুতগতিতে হচ্ছে না। এখানে আশানুরূপ সফলতা পাচ্ছি না। কিছুদিনের মধ্যে হয়তো কলসেন্টারের সুযোগটা আমরা ধরতে পারব। এ জন্যও প্রস্তুতি দরকার এখন থেকেই। তবে ইউরোপীয় কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ দিচ্ছে।

ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যবসা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এটা অনেকটা বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতেই। মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিল পরিশোধসহ বেশ কিছু সেবা খাতে কিছুটা অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে।

প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই
আমাদের প্রত্যাশা, নতুন বছর নতুন সরকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবে। এর মধ্যে সবার আগে তারা হাইটেক পার্কের কথা ভাবতে পারে। যেহেতু ২০০১ সালে এর পরিকল্পনার সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম, আমার খুবই খারাপ লাগে যখন দেখি যে এর কোনো অগ্রগতি হয় না। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এর কাজও থেমে গেছে। এ সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে হাইটেক পার্ককে বিবেচনায় আনবে বলে আমার বিশ্বাস। আর তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা খাতে সরকারের বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিত। আরেকটি বিষয় সরকার বিবেচনা করতে পারে, যেটি আমার কাছে অনেক সময় জগাখিচুড়ি বলে মনে হয়। আগে ছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সেটাকে হঠাৎ নাম বদলে করা হলো বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এটাকে আমি বলি “কসমেটিক চেঞ্জ”। এখানে স্বভাবতই প্রশ্ন আসে, অন্য প্রযুক্তি গেল কোথায়? সে জন্য আমার মনে হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো বিস্তৃত এ বিষয়টিকে আলাদা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে বেশিগুরুত্ব দেওয়া দরকার এখনই।

লিখেছেন জাবেদ সুলতান পিয়াস, ২ জানুয়ারি ২০০৮ এর দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায়

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন – পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!

01 শনিবার নভে. 2008

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 28 Comments

Tags

horlicks, বিজ্ঞাপণ, হরলিকস্

আসলেই, আমাদের দেশের বিজ্ঞাপনের এই দশা (!) এখন। এক মোবাইল কোম্পানি বলে “কাছে থাকুন” আবার ঐ কোম্পানিই আরেকটি বিজ্ঞাপনে বলে “হারিয়ে যাও।” তাহলে কি বলা ভুল হলো “পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!”

ঘটনার শুরু লন্ডনে। সেখানকার এক টেলিভিশন চ্যানেল ভুল করে একটা বিজ্ঞাপন প্রচার করে হরলিকস্ নামের একটি পণ্যের। সেখানে দেখানো হয় যে হরলিকস্ খেলে আপনার বাচ্চারা হয়ে উঠবে আরও লম্বা, আরও কঠিন এবং আরও ধুর্ত। ওরে বাবা! আর বাকি থাকলো কি!!!

এই বিজ্ঞাপন প্রচারের সাথে সাথে ওখানে একটা হাঙ্গামা হয়ে গেলো, সাধারণ জনগনের একটাই প্রশ্ন যে এরকম কিভাবে হয়। এবং এই প্রশ্নের জবাবে হরলিকস নির্মাতা জানায় যে ঐ বিজ্ঞাপনটি বাংলাদেশের জন্য তৈরী করা হয়েছে এবং ভুল করে ওখানে প্রচারিত হয়ে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু আমাকে লন্ডন থেকে দৈনিক মেট্রোতে প্রকাশিত একটি সংবাদের ছবি পাঠায়, যেটা আপনারা দেখতে পাবেন এখান থেকে।

আমি সেদিন উইকিপিডিয়াতে গিয়ে হরলিকস্ সম্পর্কে পড়ে তো অবাক হলাম এবং সত্যই তো, আমি যখন ছোট ছিলাম, হরলিকসের বিজ্ঞাপনে তাই বলা হতো, যে এটা ঘুমের সময় পান করলে ভালো ঘুম হয় এবং শরীরকে রাখে চাঙ্গা। ভারতে যখন হরলিক উৎপাদন শুরু হলো, তখন বলা হতো পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটায় হরলিকস্। আমি একটা জিনিসই বুঝলাম না, মল্ট যা কি-না গমের মতই একটা দানা এবং সাধারণত বিয়ার তৈরীতে ব্যবহৃত হয়, এটা দিয়ে তৈরী পানীয় আবার পরিবারের কি পুষ্টি যোগাবে!!!

যাই হোক, এর পরে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রক সংস্থা – অ্যাডভারটাইজিং স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এএসএ) সেদেশে স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ব্যাপারে ‘প্রমাণিত নয়’ এমন দাবি করায় হরলিকসের বিজ্ঞাপনে প্রচার বন্ধ করেছে। আজকেও টেলিভিশনে দেখলাম যে আমাদের দেশে ঐ স্লোগান নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে এবং বিজ্ঞাপনেই দেখাচ্ছে একই স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের উপর গবেষণা করে না-কি ঐ ফল পাওয়া গিয়েছে। তাহলে কি হরলিকস্ ইয়াবা’র মতই একটা ড্রাগ! যেটা তৈরী কারা হয়েছে আমাদের বাচ্চাদের মোটা তাজা করার জন্য!!

মোটা তাজার কথা বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেলো যে আমাদের গ্রামে বেশ কয়েকটি Beef Fattening (গরু মোটাতাজা করণ) প্রকল্প রয়েছে। সেখানে ছয় থেকে সাত মাস বয়সের বাচ্চা গরু কেনা হয় এবং এক থেকে দেড় বছর ধরে যত্ন নেয়া হয়, ভালো ভালো খাবার দেয়া হয় এবং খাবারে মেশানো হয় ইউরিয়া সার। যারা ইউরিয়া সার সম্পর্কে জানেননা, তাদের একটু সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেই। এটি একটি খুব শক্তিশালী সার। আমি যতদুর জানি, মাটিতে এই সারের প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ/ফসল দ্রুত বেড়ে উঠে আর তাই এই সার ব্যপকহারে এই উপমহাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। একটা বাঁধাকপি বা একটা টমেটো গাছের জীবনে ৩/৪টা ইউরিয়া সারের দানাই যথেষ্ট। তো ঐ গরু মোটাতাজা করণ প্রকল্পের খাবারে একটি গরুকে সপ্তাহে ২টি দানা খাওয়ানো হয়, এবং সেটাই না-কি ভীষণ কাজ করে গরুর বেড়ে এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠায়!

উপরের বিশ্লেষণটি দেবার কারণ এই যে, যদি হরলিকস্ খাইয়েই বাচ্চাকে লম্বা, কঠিন এবং ধুর্ত করতে হবে, তাহলে এত টাকা দিয়ে হরলিকস কেনার দরকার কি, ইউরিয়া সার খাওয়াই।

আমাদের বিজ্ঞাপণে কি দেখায় আর কি বলে, ৯৯% মানুষ লক্ষ্য করেনা। এক সময় বলা হতো, “লেমন ডিউ সাবানে রয়েছে প্রকৃতিক উপাদান অয়েল-অফ-কেট।” যার বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় Oil-of-Cat, তার মানে লেমন ডিউ সাবানে বিড়ালের চর্বি রয়েছে এবং সেটা প্রাকৃতিক। হাঃ হাঃ হাঃ

যাই হোক, আমরা অনেকে বুঝলেও কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। আমি বুঝেছি, আমার এই লেখার পাঠকেরা বুঝেছে, কিন্তু বলবে কাকে? আমাদের কথা শুনবে কে। এই লেখাও পেছনের পাতায় হারিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের নতুন পাঠকেরা জানবেও না যে এরকম একটা লেখা ছিলো। আমরা কোনোদিন কিছুই করতে পারবো না এরকম বিষয়গুলি নিয়ে।

তাহলে একটা গল্প বলে শেষ করি। বাসের এক সিটে দুই জন যাত্রী বসে আছেন। একজন এমনি বসে আছেন এবং আরেকজন সিগারেট টানছেন। অপর যাত্রী সিগারেটখোরকে বাসের ভেতরের একটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “ভাই দেখেন না, লেখা আছে, ধূমপান নিষেধ?” সেটা শুনে সিগারেটখোর আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে চালককে বলুন।” সেটা দেখে অপর যাত্রী চালকের কাছে গিয়ে বলছে, “চালক ভাই, আমার পাশের সিটের ঐ ভদ্রলোক ধূমপান করছেন এবং আমার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বিষয়টা দেখবেন।” তাই শুনে চালক বাসের ভেতরের আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “চলন্ত গাড়ীতে চালকের সাথে কথা বলবেন না।”

কলসেন্টারের নামে কেউ যেন প্রতারিত না হন?

13 রবিবার এপ্রিল 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 10 Comments

Tags

Bangladesh, Call, Center, India, UK, USA, আমেরিকা, ইন্ডিয়া, কল, বাংলাদেশ, ব্যবসা, ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সেন্টার

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে মাঝেমধ্যে যেমন হইহই পড়ে যায়, একইভাবে প্রযুক্তি খাতেও মাঝেমধ্যে রইরই পড়ে যায়। আর সেই সুযোগে ঘোলা পানিতে কেউ কেউ আমাদের অসহায় মানুষগুলোকে ঠকিয়ে প্রচুর টাকা বানিয়ে সটকে পড়েন। বর্তমান সময়ে আবার তেমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য লাইসেন্স প্রদান করতে যাচ্ছে; এবং বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শত কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে সক্ষম হবে। এমনও বলা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে। এ ধরনের কথা প্রচারিত হওয়ার পর, অনেকেই ই-মেইল ও ফোন করে জানতে চেয়েছেন, কীভাবে তাঁরা এই শত কোটি ডলারের ভাগিদার হতে পারেন। তাঁদের জন্য এই কলসেন্টার ব্যবসার কিছু দিক তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাস বেশি দিনের ইতিহাস নয়। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে কম্পিউটার জনপ্রিয় হতে শুরু করে। আর নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকেই দেশে একটি হুলস্থুল পড়ে যায় এই বলে যে, বাংলাদেশ ডাটা এন্ট্রি কাজ করে কোটি কোটি ডলার উপার্জন করতে পারে। সেই হইহই মিছিলে আমরা অনেকেই যোগ দিয়েছিলাম। দীর্ঘ এক দশক ধরে সেটা চলল। তখন বলা হলো, দেশে সাবমেরিন কেব্ল নেই। তাই এই ব্যবসাটি ঠিকমতো হচ্ছে না। অনেকে বললেন, যদি ভিস্যাট উন্নুক্ত করে দেওয়া হয়, তাহলে আমরা সেই ব্যবসা করতে পারব। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ভিস্যাট উন্নুক্ত করে দেওয়া হলো। কিন্তু আমাদের সেই ডাটা এন্ট্রি ব্যবসার কিছুই হলো না। অনেকেই ভিওআইপির (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট) ব্যবসা শুরু করে দিলাম। দেশ কোটি কোটি ডলার উপার্জনের বদলে হাজার কোটি ডলার হারিয়ে ফেলল।

ডাটা এন্ট্রির স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর শুরু হলো মেডিকেল ট্রান্সক্রিপ্টের ব্যবসা। আমেরিকার ডাক্তারদের ব্যবস্থাপত্র ক্যাসেট থেকে শুনে শুনে কম্পিউটারে এন্ট্রি করার কাজ হলো এটি। আমরা সেটাও করতে পারিনি। কিন্তু এই ডাটা এন্ট্রির কাজে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে, এই কথা বলে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলো। বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি পার্টনার নিয়ে সেই লুটপাটে অংশ নিল।

তারপর এই শতকের শুরুতে শুরু হলো সফটওয়্যার রপ্তানির ব্যবসা। কিছু কিছু লোক বাজারে প্রচার করতে শুরু করল, বাংলাদেশ সফটওয়্যার রপ্তানি করে ভারতের মতো শত কোটি ডলার উপার্জন করতে পারে। পুরো জাতি তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কয়েকটি ভারতীয় প্রশিক্ষন কেন্দ্র বাংলাদেশে এসে পাড়ায় পাড়ায় দোকান খুলে বসল। তারপর আমাদের হাজার হাজার মানুষকে ঠকিয়ে তারা কোটি কোটি টাকা নিয়ে এই দেশ থেকে চলে গেছে।
এখন কলসেন্টারের নামে আবারও শত কোটি ডলারের স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে দেশের মানুষকে। কয়েকটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ঘোরাঘুরি শুরু করেছে। যাঁরা ভাবছেন কয়েকটি টেলিফোন লাইন আর ইন্টারনেট নিয়ে কিছু স্নার্ট ছেলেমেয়েকে বসিয়ে দিলেই একটি কলসেন্টার করা যাবে, তাঁরা একটি মূর্খ গন্ডির ভেতর বাস করছেন। বর্তমান সময়ের কলসেন্টারকে আর কলসেন্টার বলা হয় না, বলা হয় কনটাক্ট সেন্টার। আর এগুলো এখন হয়ে গেছে আরো পরিশীলিত। এখন আর শুধু কথা বলে কলসেন্টার হয় না, সেখানে যোগ হয়েছে ডাটা, ভিডিও, চ্যাট, পুশ টু টক, কল-ব্যাক, প্রেজেন্স ইত্যাদি। বাংলাদেশে কনটাক্ট সেন্টার ব্যবসার বড় চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করছি।

  • প্রথম সমস্যা হলো সময়। আমরা এই ব্যবসায় অনেক দেরিতে নামতে যাচ্ছি। এই ব্যবসায় ভারত, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশ অনেক দুরে চলে গেছে। ওই সব দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন নতুন করে ব্যবসায় নামতে গেলে প্রচন্ড প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। সেই প্রতিযোগিতায় থেকে কোনো ক্রেতা জোগাড় করা খুবই কঠিন হবে।
  • দ্বিতীয় সমস্যা হলো, রাজনৈতিক। কলসেন্টার হলো একটি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা। ওখানে সেবা গ্রহণকারীর সমস্যা তখনই সমাধান করে দিতে হবে। কোনো একটি কলসেন্টার যদি রাজনৈতিক ডামাডোলের কারণে কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকে, তাহলে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কলসেন্টার রাখবে না। কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার আগেই এগুলো পরীক্ষা করা হবে। আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ব্যাপারে আমাদের মোটেও সুনাম নেই।
  • তৃতীয় সমস্যা হলো, টেলি-যোগাযোগ। বর্তমানে বাংলাদেশে যে অপটিক্যাল ফাইবার আছে, সেটা প্রায়শই কাটা পড়ে। আর সেটা ঠিক করতে অনেক সময় এক দিন লেগে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কলসেন্টার ভারত কিংবা বাংলাদেশে হলেও, ‘ডাটা সেন্টার’ কিন্তু আমেরিকাতেই থাকবে। তখন দ্রুত গতির ইন্টারনেট না থাকলে কলসেন্টারগুলো ব্যর্থ হবে। যতদিন এই যোগাযোগব্যবস্থা ১০০ ভাগ নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন এই ব্যবসা সফলতা লাভ করবে না।
  • চতুর্থ সমস্যা হলো, ভালো ইংরেজি জানা লোকবল। ভারতের একটি বড় সুবিধা হলো, তাদের ইংরেজি জানা বিশাল জনগোষ্ঠি। ভারতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, যোগাযোগব্যবস্থা আর ইংরেজি জানা ছেলেমেয়ের প্রতুলতার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনোভাবেই তুলনা করা যাবে না। কলসেন্টারগুলো এশিয়াতে যায় মূলত আমেরিকা, ইউরোপ আর অস্ট্রেলিয়া থেকে। আমেরিকার ইংরেজি আমরা অনেকটা বুঝলেও, ব্রিটিশ আর অস্ট্রেলিয়ার ইংরেজি বোঝা এবং একই তালে কথা বলাটা তিন মাসের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তাই যাঁরা এই ব্যবসায় নামছেন, তাঁদের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকতে হবে।
  • পঞ্চম সমস্যা হলো, বিদ্যুৎ। যদি জেনারেটরের তেল পুড়িয়ে কলসেন্টার চালাতে হয়, তবে খরচ বেড়ে যাবে। আবার যদি সাবমেরিন কেবলের পাশাপাশি ভিস্যাট রাখতে হয়, তাহলেও সেটা ব্যয়সাপেক্ষ হবে। যদি ভিস্যাট দিয়ে কেউ কলসেন্টার চালাতে পারত, তাহলে এতদিনে বাংলাদেশে কলসেন্টার চলে আসত।
  • ষষ্ঠ সমস্যাটি হলো, আকার। এই ব্যবসাটি কিন্তু আকারের ওপর নির্ভরশীল। এখানে ১০-১৫ জন মানুষ খাটিয়ে খুব একটা সুবিধা হবে না। আমেরিকাতে একেকটি কলসেন্টারে তিন-চার হাজার লোক কাজ করে। বাংলাদেশে তত বড় না হলেও, দুই-তিন’শ লোকের ব্যবস্থা না হলে, সেটা ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে বলে মনে হয় না।
  • সপ্তম সমস্যাটি হলো, সেবার মনোভাব। সেবা যে একটি পণ্য, এই ধারণাটিই আমাদের ভেতর এখনো ভালোভাবে জন্ন নেয়নি। তার ওপর আছে সরকারি খবরদারি আর চাঁদাবাজি (সরকারি ও বেসরকারি)। এমন ধরনের পরিবেশে সেবাশিল্প প্রসার হয় না।

দেশে যদি সত্যি সত্যি তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে সুবিধা নিতে হয়, তাহলে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। আর সেই পরিকল্পনাকে সবাই মিলে বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল সরকারকে সেটার পেছনে সমর্থন দিতে হবে। এমন একটি জোরালো প্রতিজ্ঞা না থাকলে, বারবার এমন হুজুগ তৈরি হবে, আর কিছু তস্কর এসে আমাদের নিরীহ মানুষগুলোকে লোভ দেখিয়ে পকেট খালি করে নিয়ে যাবে।

তবে অসম্ভব বলে তো কিছু নেই। আমি শুধু বলতে চাইলাম, কাজটি খুবই কঠিন। আর এই হুজুগে পড়ে কেউ যেন প্রতারিত না হন। চাকরির ট্রেনিং, ব্যবসার ট্রেনিং কিংবা যেকোনো কিছু করার আগে, একটু বুঝেশুনে নেবেন। আর কেউ এটাকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে প্রতারিত করছে কি না সেটা সরকারের পক্ষ থেকে একটু খেয়াল রাখতে পারলে ভালো।

জাকারিয়া স্বপন: তথ্য প্রযুক্তিবিদ
সিলিকন ভ্যালি, যুক্তরাষ্ট্র
zs [এট] zswapan.com

পৃথিবীর মানুষ ভোলেনি আমাদের ভাষাকে

21 বৃহস্পতিবার ফেব্রু. 2008

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ

≈ 1 Comment

Tags

21 February, Bangla, Bangladesh, Bengali, International Mother Language Day

আজকে একুশে ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশের বাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে দাবি জানিয়েছিলেন আমাদেরই ভাইরা এবং রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিলো সেই দিনে। আমরা বাংলা ভাষা পাই এবং পরে এই দিনটিকে বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয় উইনেসকো। বিস্তারিত জানা যাবে এখানে।

আজে উইকিপিডিয়ার প্রথম পাতায় গিয়ে আমার ভালো লাগে যে তারা সত্যই আমাদের এই ত্যাগের মর্যাদা আছে। সত্যই আজকে আমরা গর্বিত এই ভাষায় কথা বলতে পেরে, আমরা গর্বিত এই ভাষার দেশে জন্ম নিয়ে।

Wikipedia

শহীদ ভাইরা তোমাদের সালাম জানাই….

অপটিক্যাল ফাইবার নিয়ে এই ষড়যন্ত্র কিসের?

08 শুক্রবার ফেব্রু. 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 7 Comments

বেশ কিছুদিন হলো আমাদের ইন্টারনেট সংযোগের মেরুদন্ড SE-ME-WE-4 নামের ফাইবার অপটিকটি কাটা পড়েছে। এরই মধ্যে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে সবাই সেই খবর জানে। প্রথমে জানা গেলো যে সেটা একটি নোঙ্গরের আঘাতে কেটেছে, মিশরের কাছাকাছি সমুদ্রে। পরে সেটা ঠিক করতে গিয়ে আবার আরেক স্থানে কাটা পড়লো। এবারও ঠিক করা হলো সংযোগ, আবার কাটা পড়লো এবং ক্ষত স্থান খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না।

কিছুক্ষণ আগে আমার ইন্টারনেটের গতি ভালো হয়ে গেলে আমি Google.Com কে ping করে দেখি জবাব আসার সময় 303ms যেটা তার আগে ছিলো 3000ms এর চাইতে বেশী। আবার google.com কে Trace Route করে দেখি SingTel দিয়ে ঘুরে ট্রাফিক যাচ্ছে না, সুতরাং আমাদের লিঙ্কের সমস্যা মিটে গেছে মনে হলো। কিন্তু আধা ঘন্টা যেতে না যেতে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসলো। তাহলে কি আবার ফাইবার কাটা পড়লো?

তৃতীয়বারের মতন এই সংযোগ ঠিক করার সাথে সাথে আবার চতুর্থবারের মতন কাটা পড়লো এই মহামূল্যবান যোগাযোগের মাধ্যম। তাহলে এসব কি হচ্ছে! ওদিকে মিশরের যোগাযোগ মন্ত্রী বলেছেন যে যখন এই মাধ্যম জাহাজের নোঙ্গরের আঘাতে কাটা পড়ে, তখন তার জানা মতে উক্ত এলাকায় কোনো জাহাজ ছিলো না (!)
প্রথমবার এই মাধ্যম কাটা পড়লে আমি এই খবরটি পাই, এবং আমার ব্লগে প্রকাশ করি। বাকী কথায় যাবার আগে এই মাত্র বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরে আসা একটি খবর শেয়ার করতে চাই। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • মিডিয়া রিভিউ
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ভাব-গাম্ভীর্যের জন্মগত অভিনেতা, বিতর্ক আর লিগ্যাসি
  • কারা ধ্বংস করল বাংলাদেশি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি?
  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.