Shelter (2026) – “একই স্ট্যাথাম, এবার সমুদ্রের হাওয়া লাগিয়েছে”

জেসন স্ট্যাথামের সিনেমা নিয়ে নতুনত্ব আশা করা আর বাসের হেলপারকে শেক্সপিয়ার আবৃত্তি করতে বলা একই কথা। Shelter-এর প্লট শুনলেই বুঝবে: এক্স-MI6 অ্যাসাসিন Mason এখন স্কটল্যান্ডের উপকূলে নির্বাসিত জীবন কাটায়। ঝড়ের রাতে সে এক বাচ্চা মেয়েকে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচায়, আর তাতেই তার শান্তি শেষ। পুরনো এজেন্সি, ভাড়াটে খুনি, সবাই লাইনে দাঁড়ায়। মেয়েটাকে বাঁচাতে গিয়ে Mason-কে আবার অস্ত্র ধরতে হয়।

চেনা গল্প?

100% স্ট্যাথাম এই রোল 20 বার করেছে। সে চুপচাপ, মারকুটে, আর বাচ্চা-বাঁচানো কমপ্লেক্সে ভোগে। তাহলে দেখব কেন?

কারণ ১: স্ট্যাথাম সোফায় বসে মারে না

স্টিভেন সেগালের মতো বডি ডাবল দিয়ে ক্লোজ-আপ চালায় না। 58 বছর বয়সেও সে নিজে দৌড়ায়, নিজে পড়ে, নিজে ঘুষি খায়। Ric Roman Waugh অ্যাকশনটা “ওল্ড-স্কুল, বোন-ক্রাঞ্চিং” রেখেছে। ক্যামেরা স্টেবল, কাট কম। একটা ঘুষি মানে একটা পাঁজর — ফিল করা যায়।

কারণ ২: লোকেশন আর টোন

আইরিশ/স্কটিশ উপকূলের ধূসর সমুদ্র, ঝড়, নির্জন লাইটহাউস — ভিজ্যুয়ালটা ফ্রেশ। সিনেমাটোগ্রাফার Martin Ahlgren স্ট্যাথামের খোঁচা খোঁচা দাড়ি আর সমুদ্রের ঢেউকে একই প্যালেটে ধরেছে। গল্প ডার্ক, কিন্তু “গ্রে” ফিল্টার মেরে আর্টহাউস সাজেনি। এটা জানে সে B-movie, আর সেটা নিয়েই গর্বিত।

কারণ 3: সাপোর্টিং কাস্ট

Bill Nighy, Naomi Ackie, Daniel Mays আছে। ওরা ক্লাস এনে দেয়। বিশেষ করে Bodhi Rae Breathnach মেয়েটা — চাইল্ড অ্যাক্টর হিসেবে বিরক্তিকর না, Mason-এর সাথে ইমোশনাল অ্যাঙ্কর হিসেবে কাজ করে।

দুর্বলতা?

প্লটে নতুনত্ব শূন্য। Critics Consensus-ই বলে দিয়েছে: “highly derivative” Ward Parry-র স্ক্রিপ্ট ক্লিশেতে ভরা, টুইস্ট প্রেডিক্টেবল। ভিলেনরা আবারও “ইভিল এজেন্সি” টেমপ্লেট। 107 মিনিট, কিন্তু মাঝে 10 মিনিট ঝিমুনি আসে।

তাহলে কার জন্য?

ফুটবল ম্যাচ দেখে মাথা গরম, খবর দেখে বিরক্ত, ব্রেইন অফ করে কিছু দেখতে চাও — তাদের জন্য। এটা John Wick না, Taken না। এটা “পপকর্ন, কম্বল, আর স্ট্যাথাম মানুষ পিটাচ্ছে” টাইপ মুভি। Rotten Tomatoes বলছে: “lean and mean enough to forgive the recycled tropes.” একদম ঠিক।

রেটিং: 6/10, স্ট্যাথাম-ভক্ত হলে 7/10

বক্স অফিসে ফ্লপ করেছে, $53.9M তুলেছে $50M বাজেটে, কিন্তু স্ট্রিমিংয়ে এখন “Quietly Crushing the Competition.” কারণ মানুষ এটাই চায়: রাত 11টায় সোফায় বসে ব্রেইনলেস মারপিট।

Shelter ফ্র্যাঞ্চাইজি হবে না, মনে রাখার মতোও না। কিন্তু ফুটবল শেষে ক্লান্ত লাগলে, রিমোট হাতে নিয়ে ধুমধারাক্কা কিছু চালাতে চাইলে — এটা কাজের জিনিস। স্ট্যাথাম ডেলিভারি দেয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top