Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

বহুদিন পরে ভালো ইংরেজি গান

04 রবিবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, মন্তব্য

≈ 5 Comments

বুহদিন পরে ভালো ইংরেজি গান শুনতে পেলাম। আসলেই বহুদিন হয়ে গেলো। সেদিন হঠাৎ দেখতে পেলাম “বন জভি” নতুন এলবাম বের করেছে নাম “লস্ট হাইওয়ে” একটা চমৎকার এলবাম। দু’টো গান এত্ত ভালো যে চোখে পানি এসে যায়। এরই মধ্যে একটা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। ধন্যবাদ ইউটিউবকে।

Continue reading »

বাংলাদেশে সফটওয়্যার প্যাটেন্ট ও পাইরেসি

29 সোমবার অক্টো. 2007

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 7 Comments

নকল সফটওয়্যার ব্যবহার বা কপিরাইট প্রসঙ্গ অধুনা বেশ আলোচিত বিষয়। আসছে নভেম্বরে প্রথমবারের মতো বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স (বিএসএ) নামক একটি আন্তর্জাতিক পাইরেসিবিরোধী সংস্থা এ বিষয়ে ঢাকায় একটি সেমিনারেরও আয়োজন করছে। সংস্থাটি সারা দুনিয়ায় সফটওয়্যার পাইরেসির বিরুদ্ধে রিতিমতো যুদ্ধ করে আসছে। পাইরেসির ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়াচ লিস্ট’ এ থাকার প্রেক্ষিতে এই সেমিনার অবশ্যই অনেক গুরুত্ব বহন করে। ধারণা করা যেতে পারে, পাইরেসির ‘স্বর্গ’ থেকে বাংলাদেশের পতনের দিন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু যারা সফটওয়্যার শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে কেবলমাত্র কপিরাইটই কি যথেষ্ট? কপিরাইট ভায়োলেশনের এই ভয়ঙ্কর সময়ে প্যাটেন্টের সঙ্গে সফটওয়্যারের সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন মোস্তাফা জব্বার।

সফটওয়্যারের জন্য কপিরাইটই যথেষ্ট –
আমাদের ধারণা এমনটাই। কিন্তু সারা দুনিয়ার পরিস্থিতি এবং বাস্তব অবস্থা অবলোকন করলে এটি নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, কপিরাইট হচ্ছে কোন সফটওয়্যারের কপি, বিক্রি, বিতরণ, ব্যবহার এককথায় পাইরেসির বিরুদ্ধে একটি ব্যবস্থা মাত্র। কিন্তু সফটওয়্যারের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে প্যাটেন্টের ওপর। প্রযুক্তিবিশ্বে এখন সফটওয়্যার উন্নয়নকারীরা তাই কপিরাইটের পাশাপাশি প্যাটেন্টের প্রতিও নজর দিচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রথম সফটওয়্যার প্যাটেন্ট –
সুদীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর সংগ্রামের পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে ‘বাংলা স্ক্রিপ্ট ইন্টারফেস সিস্টেম’ নামক একটি প্যাটেন্টের প্রত্যয়ণপত্রে স্বাক্ষর করেছেন প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস-এর নিবন্ধক জনাব মেসবাহউদ্দিন আহমেদ। ২০০৪ সালের ২৯ জুলাই এই ব্যতিক্রমী প্যাটেন্টটির অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, ১৯৯২ সালে প্রথম এই প্যাটেন্টটির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে প্যাটেন্ট অধিদপ্তর এই আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, এটি সফটওয়্যার হিসেবে কিভাবে প্যাটেন্ট অনুমোদন পাবে সেটি তখন নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এমনকি এই প্যাটেন্টটি পরীক্ষা করার মতো জ্ঞানী কোন কর্মকর্তাও তখন ছিল না।

কিন্তু ২০০৪ সালের আবেদনটি বিবেচনা করা হয়। সুদীর্ঘ সময় পরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১০ মে ২০০৭ তারিখে এই প্যাটেন্টটির গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১২০ দিনের মধ্যে এর ব্যাপারে কোন আপত্তি না ওঠায় এর প্রত্যয়ণপত্র প্রদান করা হয়। আপাতদৃষ্টে এটি একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা মনে হলেও বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য এটি একটি গুরুত্ব্বপূর্ণ ঘটনা। Continue reading »

Problems of Software Developers in Bangladesh

10 বুধবার অক্টো. 2007

Posted by Omi Azad in বিষয়শ্রেণীহীন

≈ 15 Comments

1. INTRODUCTION
As computer technology offers efficient and high performance information processing, it has got popularity over the home, office users in the whole world. By the decade of 1990, in Bangladesh, it has also taken an important role. Since during this time PCs become more user friendly and attractive, the number of users had been increased.

Beside the general users, in Bangladesh, a number of Software Developers has been increased as well as. Many of Computer Science and Engineering graduates form Public and private universities as well as Computer diplomas from training institutions are getting employed to the local software companies. As the time goes, the overall development of skill of software developers has been increased with respect to Bangladesh. Bangladesh is a country, where the only surplus property is the human resource. Considering the earning of foreign exchanges and removing of unemployment problem, software industry is a very prospective field. To make this field more profitable, several plans has been done by the government and private organizations form past several years. Since software developers plays the key role to the software industry, so it is very important to care about their needs and problems, to boost up their skill.

2. THE FIGURE OF THE PROBLEMS
By conversing with a number of Software Developers in Bangladesh, I tried to find out the figure of the problems which are faced by the
local software developers. According to the opinions of novice and expert software developers we can categorize their problems into three sections.
– Problems Due To Employer
– Problems Due To Client and
– Problems Due To Developers Themselves Continue reading »

গরিবের জন্য ল্যাপটপ স্বপ্নটি কি ভেঙ্গে গেলো শেষ পর্যন্ত?

09 মঙ্গলবার অক্টো. 2007

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 3 Comments

১০০ ডলারে ল্যাপটপ। প্রতিটি শিশুর তরে ল্যাপটপ। প্রকল্পটি দারুণ, ভাবনাটাও চমৎকার। বিশ্বব্যাপী প্রশংসা আর সুনাম যেন প্রকল্পটির উদ্দ্যোগী অধ্যাপক নেগ্রোপন্টেকে পৌঁছে দেয় আকাশচুম্বী সাফল্যে। কিন্তু এত সব আয়োজন আর স্বপ্নের যে সলিল সমাধি ঘটবে তা তথ্যপ্রযুক্তি বোদ্ধারা আগেই অনুমান করেছিলেন। লড়ছিলেন নেগ্রোপন্টে একাই। স্বপ্নটা মোটেও সহজ ছিলো না। অধ্যাপক নেগ্রোপন্টে অবশ্য প্রকল্পটির মাধ্যমে সুনাম কুড়িয়েছেন বিশ্বব্যাপী। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাধারণ মানুষকে অপেক্ষায় রেখেছেন বিলাসী স্বপ্নের ঘোরে। ফলাফল আবারো দরিদ্র সমাজের তরে নেওয়া মহতী এক প্রকল্পের সলিল সমাধি। প্রশ্ন তাই, দরিদ্র সমাজের জন্য নেওয়া সব প্রকল্পেরই কি এমন মৃত্যু প্রত্যাশিত?

বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো অলাভজনক প্রকল্প ওয়ান ল্যাপটপ পার চাইল্ড ফাউন্ডেশনের (ওএলপিসি) মুখপাত্র জর্জ সেনেল নিশ্চিত করেছেন ১০০ ডলার ল্যাপটপের দাম ১৮৮ ডলারে পৌঁছে গেছে। সর্বশেষ দামের অবস্থানটি ছিল ১৭৬ ডলারের কোটায়। ডলারের দাম ওঠানামাসহ নিকেল ও সিলিকনের দাম বেড়ে যাওয়ায় ১০০ ডলারের ল্যাপটপ প্রকল্পটি বর্তমানে ১৮৮ ডলারে পৌঁছে গেছে। ওএলপিসি প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নেগ্রোপন্টেও ১০০ ডলার ল্যাপটপের দাম দ্বিগুণ হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। এক্সও ল্যাপটপটি (১০০ ডলার ল্যাপটপের নামান্তর) ডিজাইনরত অবস্থা থেকেই দাম বাড়ার বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাটি বাস্তবে রূপ নিলো। যদিও প্রকল্পের উদ্যোক্তা নেগ্রোপন্টে বরাবরই অভিযোগটিকে গুজব বলে জানাচ্ছিলেন।

এক্সও ল্যাপটপটি বাজারজাতকরণ নিয়ে ইতিমধ্যে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবর থেকেই বিশ্বের চাহিদা অনুপাতে উৎপাদন কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু প্রকল্পের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টি এখনো সুনিশ্চিত করা হয়নি। এক্সও ল্যাপটপটি এখনো আছে কারিগরি ও শৈল্পিক সম্পাদনা বিভাগে। তাছাড়া ল্যাপটপটি অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে এখনো চলছে পরীক্ষামূলক পর্যালোচনা। যাদের উদ্দেশে ল্যাপটপটি তৈরি হচ্ছে শেষ পর্যন্ত তাদের স্বপ্নেই কশাঘাত পড়তে চলেছে। বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল তা কয়েক দফা হোঁচট খেলো। সুতরাং ল্যাপটপটির জন্য অপেক্ষারত লাখ-কোটি দরিদ্র সমাজের জন্য এটি না স্বপ্নবিলাস প্রকল্পে পরিণত হয়। Continue reading »

অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার হোতা সিটিসেল কি পার পেয়ে যাবে?

22 শনিবার সেপ্টে. 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম

≈ 2 Comments

এ দেশে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মূল হোতা বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর ‘সিটিসেল’। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া ছাড়াও ভিওআইপি যন্ত্রপাতি আমদানি করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের কাছে বাজারজাত করেছে তারা। তাছাড়া ভিওআইপি যন্ত্রপাতি আমদানির নামে শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে কোম্পানিটি। এ ব্যাপারে বিটিআরসির পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও এখন মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ফন্দিফিকির চালিয়ে যাচ্ছে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি পার পেয়ে যাবে সিটিসেল?

সূত্র মতে, বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খানের মালিকানাধীন সিটিসেল বেপরোয়া অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা শুরু করে। এই ব্যবসার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় সিটিসেল। শুধু অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসাই নয়, একই সঙ্গে মোর্শেদ খানের মন্ত্রীত্বের প্রভাব খাটিয়ে এবং সে সময় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সহায়তায় একচেটিয়াভাবে দেশে ভিওআইপি যন্ত্রপাতি আমদানি করে সিটিসেল (প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড)। জানা যায়, এফডব্লিউটি আমদানি সকল জিএসএম অপারেটরের জন্য বেআইনি হলেও মোর্শেদ খানের ক্ষমতার প্রভাবে বিটিআরসি শুধুমাত্র সিটিসেলকেই এফডব্লিউটি আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। এসব যন্ত্রপাতি উচ্চ মূল্যে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিয়েছে সিটিসেল। তাছাড়া অনুমোদিতভাবে এফডব্লিউটি আমদানির অন্তরালে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ চালিয়েছে রমরমা হুন্ডি বাণিজ্য। সে সময় সিটিসেলকে এ ব্যাপারে সহায়তা করেছিল বাংলাদেশে অবস্থিত দুটি চীনা কোম্পানি হোয়াই এবং জেডটিই। এ কোম্পানি দুটির মাধ্যমে যন্ত্রপাতি আমদানি করতে গিয়ে সিটিসেল ওভার ইনভয়েসের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.