Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: মন্তব্য

Personal Comments

আরও একটা ভালো ইংরেজি গান

08 বৃহস্পতিবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, মন্তব্য

≈ 2 Comments

কিছুদিন আগে একটা সিনেমা দেখছিলাম, “দা লাস্ট মিমযি” একটু সায়েন্স ফিকশন টাইপের, তবে আমাদের না, বাচ্চারা পছন্দ করবে। সিনেমাটা শেষ হতে নাম দেখানো শুরু হলো, আমি টিউন শুনেই বুঝতে পারলাম কোনো বস্-এর গান হবে। হলোও তাই, পিঙ্ক ফ্লোয়েডের পুরাতন ভোকাল রজার ওয়াটারর্স-এর গলা।

বহুবছর এদের গান শুনিনা। না পিঙ্ক ফ্লোয়েড, না রজার ওয়াটার্স। কিছুদিন আগে অবশ্য পিঙ্ক ফ্লোয়েডের বর্তমান লিড ভোকাল ডেভিড গিলমর একটা এলবাম বের করেছিলেন “অন এন আইল্যান্ড” কিন্তু রজার ওয়াটার্স হলেন আসল সইকেডেলিক রক্ গুরু। উনাকে ছাড়া গান জমে না। 🙂

গুরুর এই গানটা শুনলে সেই পিঙ্ক ফ্লোয়েডের স্বাদ পাওয়া যায়। বলা যায় সাইকেডেলিক পিপাসা মেটানোর জন্য ভালো খোরাক। ইউটিউবকে ধন্যবাদ ভিডিওটি ধরে রাখার জন্য।

গানের কথাগুলি এরকম: Continue reading »

বহুদিন পরে ভালো ইংরেজি গান

04 রবিবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, মন্তব্য

≈ 5 Comments

বুহদিন পরে ভালো ইংরেজি গান শুনতে পেলাম। আসলেই বহুদিন হয়ে গেলো। সেদিন হঠাৎ দেখতে পেলাম “বন জভি” নতুন এলবাম বের করেছে নাম “লস্ট হাইওয়ে” একটা চমৎকার এলবাম। দু’টো গান এত্ত ভালো যে চোখে পানি এসে যায়। এরই মধ্যে একটা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। ধন্যবাদ ইউটিউবকে।

Continue reading »

বাংলাদেশে সফটওয়্যার প্যাটেন্ট ও পাইরেসি

29 সোমবার অক্টো. 2007

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 7 Comments

নকল সফটওয়্যার ব্যবহার বা কপিরাইট প্রসঙ্গ অধুনা বেশ আলোচিত বিষয়। আসছে নভেম্বরে প্রথমবারের মতো বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স (বিএসএ) নামক একটি আন্তর্জাতিক পাইরেসিবিরোধী সংস্থা এ বিষয়ে ঢাকায় একটি সেমিনারেরও আয়োজন করছে। সংস্থাটি সারা দুনিয়ায় সফটওয়্যার পাইরেসির বিরুদ্ধে রিতিমতো যুদ্ধ করে আসছে। পাইরেসির ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়াচ লিস্ট’ এ থাকার প্রেক্ষিতে এই সেমিনার অবশ্যই অনেক গুরুত্ব বহন করে। ধারণা করা যেতে পারে, পাইরেসির ‘স্বর্গ’ থেকে বাংলাদেশের পতনের দিন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু যারা সফটওয়্যার শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে কেবলমাত্র কপিরাইটই কি যথেষ্ট? কপিরাইট ভায়োলেশনের এই ভয়ঙ্কর সময়ে প্যাটেন্টের সঙ্গে সফটওয়্যারের সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন মোস্তাফা জব্বার।

সফটওয়্যারের জন্য কপিরাইটই যথেষ্ট –
আমাদের ধারণা এমনটাই। কিন্তু সারা দুনিয়ার পরিস্থিতি এবং বাস্তব অবস্থা অবলোকন করলে এটি নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, কপিরাইট হচ্ছে কোন সফটওয়্যারের কপি, বিক্রি, বিতরণ, ব্যবহার এককথায় পাইরেসির বিরুদ্ধে একটি ব্যবস্থা মাত্র। কিন্তু সফটওয়্যারের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে প্যাটেন্টের ওপর। প্রযুক্তিবিশ্বে এখন সফটওয়্যার উন্নয়নকারীরা তাই কপিরাইটের পাশাপাশি প্যাটেন্টের প্রতিও নজর দিচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রথম সফটওয়্যার প্যাটেন্ট –
সুদীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর সংগ্রামের পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে ‘বাংলা স্ক্রিপ্ট ইন্টারফেস সিস্টেম’ নামক একটি প্যাটেন্টের প্রত্যয়ণপত্রে স্বাক্ষর করেছেন প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস-এর নিবন্ধক জনাব মেসবাহউদ্দিন আহমেদ। ২০০৪ সালের ২৯ জুলাই এই ব্যতিক্রমী প্যাটেন্টটির অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, ১৯৯২ সালে প্রথম এই প্যাটেন্টটির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে প্যাটেন্ট অধিদপ্তর এই আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, এটি সফটওয়্যার হিসেবে কিভাবে প্যাটেন্ট অনুমোদন পাবে সেটি তখন নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এমনকি এই প্যাটেন্টটি পরীক্ষা করার মতো জ্ঞানী কোন কর্মকর্তাও তখন ছিল না।

কিন্তু ২০০৪ সালের আবেদনটি বিবেচনা করা হয়। সুদীর্ঘ সময় পরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১০ মে ২০০৭ তারিখে এই প্যাটেন্টটির গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১২০ দিনের মধ্যে এর ব্যাপারে কোন আপত্তি না ওঠায় এর প্রত্যয়ণপত্র প্রদান করা হয়। আপাতদৃষ্টে এটি একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা মনে হলেও বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য এটি একটি গুরুত্ব্বপূর্ণ ঘটনা। Continue reading »

গরিবের জন্য ল্যাপটপ স্বপ্নটি কি ভেঙ্গে গেলো শেষ পর্যন্ত?

09 মঙ্গলবার অক্টো. 2007

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 3 Comments

১০০ ডলারে ল্যাপটপ। প্রতিটি শিশুর তরে ল্যাপটপ। প্রকল্পটি দারুণ, ভাবনাটাও চমৎকার। বিশ্বব্যাপী প্রশংসা আর সুনাম যেন প্রকল্পটির উদ্দ্যোগী অধ্যাপক নেগ্রোপন্টেকে পৌঁছে দেয় আকাশচুম্বী সাফল্যে। কিন্তু এত সব আয়োজন আর স্বপ্নের যে সলিল সমাধি ঘটবে তা তথ্যপ্রযুক্তি বোদ্ধারা আগেই অনুমান করেছিলেন। লড়ছিলেন নেগ্রোপন্টে একাই। স্বপ্নটা মোটেও সহজ ছিলো না। অধ্যাপক নেগ্রোপন্টে অবশ্য প্রকল্পটির মাধ্যমে সুনাম কুড়িয়েছেন বিশ্বব্যাপী। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাধারণ মানুষকে অপেক্ষায় রেখেছেন বিলাসী স্বপ্নের ঘোরে। ফলাফল আবারো দরিদ্র সমাজের তরে নেওয়া মহতী এক প্রকল্পের সলিল সমাধি। প্রশ্ন তাই, দরিদ্র সমাজের জন্য নেওয়া সব প্রকল্পেরই কি এমন মৃত্যু প্রত্যাশিত?

বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো অলাভজনক প্রকল্প ওয়ান ল্যাপটপ পার চাইল্ড ফাউন্ডেশনের (ওএলপিসি) মুখপাত্র জর্জ সেনেল নিশ্চিত করেছেন ১০০ ডলার ল্যাপটপের দাম ১৮৮ ডলারে পৌঁছে গেছে। সর্বশেষ দামের অবস্থানটি ছিল ১৭৬ ডলারের কোটায়। ডলারের দাম ওঠানামাসহ নিকেল ও সিলিকনের দাম বেড়ে যাওয়ায় ১০০ ডলারের ল্যাপটপ প্রকল্পটি বর্তমানে ১৮৮ ডলারে পৌঁছে গেছে। ওএলপিসি প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নেগ্রোপন্টেও ১০০ ডলার ল্যাপটপের দাম দ্বিগুণ হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। এক্সও ল্যাপটপটি (১০০ ডলার ল্যাপটপের নামান্তর) ডিজাইনরত অবস্থা থেকেই দাম বাড়ার বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাটি বাস্তবে রূপ নিলো। যদিও প্রকল্পের উদ্যোক্তা নেগ্রোপন্টে বরাবরই অভিযোগটিকে গুজব বলে জানাচ্ছিলেন।

এক্সও ল্যাপটপটি বাজারজাতকরণ নিয়ে ইতিমধ্যে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবর থেকেই বিশ্বের চাহিদা অনুপাতে উৎপাদন কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু প্রকল্পের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টি এখনো সুনিশ্চিত করা হয়নি। এক্সও ল্যাপটপটি এখনো আছে কারিগরি ও শৈল্পিক সম্পাদনা বিভাগে। তাছাড়া ল্যাপটপটি অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে এখনো চলছে পরীক্ষামূলক পর্যালোচনা। যাদের উদ্দেশে ল্যাপটপটি তৈরি হচ্ছে শেষ পর্যন্ত তাদের স্বপ্নেই কশাঘাত পড়তে চলেছে। বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল তা কয়েক দফা হোঁচট খেলো। সুতরাং ল্যাপটপটির জন্য অপেক্ষারত লাখ-কোটি দরিদ্র সমাজের জন্য এটি না স্বপ্নবিলাস প্রকল্পে পরিণত হয়। Continue reading »

মোবাইল ফোন সিম কার্ডের রেজিস্ট্রেশন ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা

30 বৃহস্পতিবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, টেলিকম, মন্তব্য

≈ 5 Comments

Sim Cards২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এর আগে যারা মোবাইল ফোন সংযোগ কিনেছেন, বাংলাদেশ টেলিফোন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে গত ১৬ অগস্ট থেকে সেসব গ্রাহকের ব্যবহৃত সিমকার্ডের বিনামূল্যে আবার রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হয়েছে। এ রেজিস্ট্রেশনের জন্য মোবাইল সিমকার্ডের গ্রাহককে তার মোবাইল ফোন অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার সার্ভিস, কাস্টমার সেন্টার অথবা কাস্টমার পয়েন্ট থেকে রেজিস্ট্রেশন ফরমটি সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে পূরণ করে দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ব্যবহৃত সিমকার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যে কোনো ফটো পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ (ড্রাইভিং লাইসেন্স, বন্দুকের লাইসেন্স, আইডি কার্ড, ট্রেড লাইসেন্স, পাসপোর্ট ইত্যাদি) জমা দিতে হবে। যদি কারো কোনো ফটো আইডেনটিটি কার্ড না থাকে, তাহলে মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছ থেকে বিটিআরসি অনুমোদিত প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি (উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কমিশনার) বা ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসারের কাছ থেকে সত্যায়িত করেও আবার রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। ১৬ অক্টোবর-২০০৭ পর্যন্ত আবার রেজিস্ট্রেশনের আওতায় প্রত্যেক গ্রাহক বিনামূল্যে ছবি ও নাম-ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। ফলে সিমকার্ডের কোনো কাগজপত্র না থাকলে কিংবা মালিকানা পরিবর্তন হলেও কোনো সমস্যা হবে না।

দীর্ঘদিন ধরেই বিটিআরসি মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রত্যেক গ্রাহকের তথ্যাদি সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর করতে তেমন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে বিটিআরসি বাধ্য হয়েই আবার রেজিস্ট্রেশনের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি যেসব গ্রাহক তাদের মোবাইল সিমকার্ডের পুনঃরেজিস্ট্রেশন করবেন না তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা আদায়সহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে অবৈধভাবে ব্যবহৃত মোবাইল সিমকার্ডগুলো যেমনি বন্ধ হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি প্রকৃত মোবাইল ফোন সংযোগ ব্যবহারকারীদের সংখ্যাও জানা সহজ হবে। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.