বেশ কিছুদিন হলো আমাদের ইন্টারনেট সংযোগের মেরুদন্ড SE-ME-WE-4 নামের ফাইবার অপটিকটি কাটা পড়েছে। এরই মধ্যে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে সবাই সেই খবর জানে। প্রথমে জানা গেলো যে সেটা একটি নোঙ্গরের আঘাতে কেটেছে, মিশরের কাছাকাছি সমুদ্রে। পরে সেটা ঠিক করতে গিয়ে আবার আরেক স্থানে কাটা পড়লো। এবারও ঠিক করা হলো সংযোগ, আবার কাটা পড়লো এবং ক্ষত স্থান খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না।
কিছুক্ষণ আগে আমার ইন্টারনেটের গতি ভালো হয়ে গেলে আমি Google.Com কে ping করে দেখি জবাব আসার সময় 303ms যেটা তার আগে ছিলো 3000ms এর চাইতে বেশী। আবার google.com কে Trace Route করে দেখি SingTel দিয়ে ঘুরে ট্রাফিক যাচ্ছে না, সুতরাং আমাদের লিঙ্কের সমস্যা মিটে গেছে মনে হলো। কিন্তু আধা ঘন্টা যেতে না যেতে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসলো। তাহলে কি আবার ফাইবার কাটা পড়লো?
তৃতীয়বারের মতন এই সংযোগ ঠিক করার সাথে সাথে আবার চতুর্থবারের মতন কাটা পড়লো এই মহামূল্যবান যোগাযোগের মাধ্যম। তাহলে এসব কি হচ্ছে! ওদিকে মিশরের যোগাযোগ মন্ত্রী বলেছেন যে যখন এই মাধ্যম জাহাজের নোঙ্গরের আঘাতে কাটা পড়ে, তখন তার জানা মতে উক্ত এলাকায় কোনো জাহাজ ছিলো না (!)
প্রথমবার এই মাধ্যম কাটা পড়লে আমি এই খবরটি পাই, এবং আমার ব্লগে প্রকাশ করি। বাকী কথায় যাবার আগে এই মাত্র বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরে আসা একটি খবর শেয়ার করতে চাই। Continue reading »
আমার বোন স্কুলে পড়ে। আগে ওর জন্য আমাদের ল্যান্ডফোনে বিরক্তিকর ফোন আসতো, কিন্তু ইদানিং দেখি বাসার সামনেও ছেলে পেলে দাঁড়িয়ে থাকে ওর স্কুলে যাওয়ার বা আসার সময়। বিষয়টা খতিয়ে দেখতে একদিন এক ছেলের কাছ থেকে তথ্য নিলাম এবং জানতে পারলাম যে এরা আর কেউ না, এরা সেই ছেলে যারা ফোনে বিরক্ত করতো। ফোনের বিষয়টা মেনে নেয়া যায়, অনেকে কাজ কাম না থাকলে বসে বসে ফোন ঘুরায় (আর ফোন যদি নিজের না হয়, তাহলে তো কথাই নেই), যদি ভুল করে কোনো মেয়ে ফোন ধরে ফেলে, তাহলে সেই নম্বর টুকে নিয়ে বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়।