তাইলে মাইক্রোসফট যুন ফোন বের করেই ফেলছে!! একবার দেখি নীচের ভিডিওটাতে সেটা কিরকম হতে পারে:
খিক্
15 বৃহস্পতিবার নভে. 2007
Posted in উদ্ভট
তাইলে মাইক্রোসফট যুন ফোন বের করেই ফেলছে!! একবার দেখি নীচের ভিডিওটাতে সেটা কিরকম হতে পারে:
খিক্
13 মঙ্গলবার নভে. 2007
কথা শুরু করার আগে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর থেকে নেয়া দু’টি খবর শেয়ার করি:
সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য বিটিটিবি-ই দায়ী
বারবার সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য বিটিটিবির অদক্ষতাকে দায়ী করেছেন সফটওয়্যার ব্যবসায়ী ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা। ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, হরতালের কারণে প্রতিদিন যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হতো এতে তার চেয়েও বেশি ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের কাছে বিটিটিবির সাবমেরিন কেবলের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার দাবি করেছেন তারা।
মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বেসিসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, “২০০৬ সালের মে মাসে সাবমেরিন কেবল স্থাপনের পর দেশে ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে- এটাই আশা করেছিলাম। অথচ চালু হওয়ার পর থেকে ২৭ বার সাবমেরিন কেবলের কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। যার ফলে দেশের আইটি সেক্টর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে আমাদের অর্থনীতির ওপর।” সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য বিটিটিবিকে দায়ী করে তিনি বলেন, “তাদের অযোগ্যতাই এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে বলে আমরা মনে করি।”
সরকারের কাছে সাবমেরিন কেবলের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান রফিকুল ইসলাম। দেশে বেসরকারি সংস্থার কাছেও সাবমেরিন কেবল সংযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে এজন্য প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে তা লীজ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। বেসিস সভাপতি জানান, সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন থাকলে একদিনেই তথ্য প্রযুক্তি খাতে আড়াই লাখ ডলার ক্ষতি হয়।
আরেকটি খবর:
অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বারবার কাটা পড়ায় হুমকির মুখে রপ্তানি বাণিজ্য
অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ৯৫০ কোটি ডলারের রপ্তানি বাণিজ্য। রপ্তানির অনেক অর্ডার বাতিল হওয়ার পাশাপাশি তা চলে যাচ্ছে অন্য দেশে। বিটিটিবি জানিয়েছে, ২০০৬ সালের ২১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত ৪৩৭ কিলোমিটারের অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল এ যাবৎ ২২ বার কাটা পড়ে। এরমধ্যে নাশকতামূলকভাবে আটবার এবং অবকাঠামো উন্নয়নের সময় অসাবধানতা, ভূমিধস, চুরি ও যানবাহনের দুর্ঘটনার কারণে বাকি সময়গুলোতে লাইন কাটা পড়েছে। Continue reading »
08 বৃহস্পতিবার নভে. 2007
কিছুদিন আগে একটা সিনেমা দেখছিলাম, “দা লাস্ট মিমযি” একটু সায়েন্স ফিকশন টাইপের, তবে আমাদের না, বাচ্চারা পছন্দ করবে। সিনেমাটা শেষ হতে নাম দেখানো শুরু হলো, আমি টিউন শুনেই বুঝতে পারলাম কোনো বস্-এর গান হবে। হলোও তাই, পিঙ্ক ফ্লোয়েডের পুরাতন ভোকাল রজার ওয়াটারর্স-এর গলা।
বহুবছর এদের গান শুনিনা। না পিঙ্ক ফ্লোয়েড, না রজার ওয়াটার্স। কিছুদিন আগে অবশ্য পিঙ্ক ফ্লোয়েডের বর্তমান লিড ভোকাল ডেভিড গিলমর একটা এলবাম বের করেছিলেন “অন এন আইল্যান্ড” কিন্তু রজার ওয়াটার্স হলেন আসল সইকেডেলিক রক্ গুরু। উনাকে ছাড়া গান জমে না। 🙂
গুরুর এই গানটা শুনলে সেই পিঙ্ক ফ্লোয়েডের স্বাদ পাওয়া যায়। বলা যায় সাইকেডেলিক পিপাসা মেটানোর জন্য ভালো খোরাক। ইউটিউবকে ধন্যবাদ ভিডিওটি ধরে রাখার জন্য।
গানের কথাগুলি এরকম: Continue reading »
04 রবিবার নভে. 2007
বুহদিন পরে ভালো ইংরেজি গান শুনতে পেলাম। আসলেই বহুদিন হয়ে গেলো। সেদিন হঠাৎ দেখতে পেলাম “বন জভি” নতুন এলবাম বের করেছে নাম “লস্ট হাইওয়ে” একটা চমৎকার এলবাম। দু’টো গান এত্ত ভালো যে চোখে পানি এসে যায়। এরই মধ্যে একটা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। ধন্যবাদ ইউটিউবকে।
29 সোমবার অক্টো. 2007
নকল সফটওয়্যার ব্যবহার বা কপিরাইট প্রসঙ্গ অধুনা বেশ আলোচিত বিষয়। আসছে নভেম্বরে প্রথমবারের মতো বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স (বিএসএ) নামক একটি আন্তর্জাতিক পাইরেসিবিরোধী সংস্থা এ বিষয়ে ঢাকায় একটি সেমিনারেরও আয়োজন করছে। সংস্থাটি সারা দুনিয়ায় সফটওয়্যার পাইরেসির বিরুদ্ধে রিতিমতো যুদ্ধ করে আসছে। পাইরেসির ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়াচ লিস্ট’ এ থাকার প্রেক্ষিতে এই সেমিনার অবশ্যই অনেক গুরুত্ব বহন করে। ধারণা করা যেতে পারে, পাইরেসির ‘স্বর্গ’ থেকে বাংলাদেশের পতনের দিন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু যারা সফটওয়্যার শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে কেবলমাত্র কপিরাইটই কি যথেষ্ট? কপিরাইট ভায়োলেশনের এই ভয়ঙ্কর সময়ে প্যাটেন্টের সঙ্গে সফটওয়্যারের সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন মোস্তাফা জব্বার।
সফটওয়্যারের জন্য কপিরাইটই যথেষ্ট –
আমাদের ধারণা এমনটাই। কিন্তু সারা দুনিয়ার পরিস্থিতি এবং বাস্তব অবস্থা অবলোকন করলে এটি নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, কপিরাইট হচ্ছে কোন সফটওয়্যারের কপি, বিক্রি, বিতরণ, ব্যবহার এককথায় পাইরেসির বিরুদ্ধে একটি ব্যবস্থা মাত্র। কিন্তু সফটওয়্যারের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে প্যাটেন্টের ওপর। প্রযুক্তিবিশ্বে এখন সফটওয়্যার উন্নয়নকারীরা তাই কপিরাইটের পাশাপাশি প্যাটেন্টের প্রতিও নজর দিচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রথম সফটওয়্যার প্যাটেন্ট –
সুদীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর সংগ্রামের পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে ‘বাংলা স্ক্রিপ্ট ইন্টারফেস সিস্টেম’ নামক একটি প্যাটেন্টের প্রত্যয়ণপত্রে স্বাক্ষর করেছেন প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস-এর নিবন্ধক জনাব মেসবাহউদ্দিন আহমেদ। ২০০৪ সালের ২৯ জুলাই এই ব্যতিক্রমী প্যাটেন্টটির অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, ১৯৯২ সালে প্রথম এই প্যাটেন্টটির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে প্যাটেন্ট অধিদপ্তর এই আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, এটি সফটওয়্যার হিসেবে কিভাবে প্যাটেন্ট অনুমোদন পাবে সেটি তখন নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এমনকি এই প্যাটেন্টটি পরীক্ষা করার মতো জ্ঞানী কোন কর্মকর্তাও তখন ছিল না।
কিন্তু ২০০৪ সালের আবেদনটি বিবেচনা করা হয়। সুদীর্ঘ সময় পরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১০ মে ২০০৭ তারিখে এই প্যাটেন্টটির গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১২০ দিনের মধ্যে এর ব্যাপারে কোন আপত্তি না ওঠায় এর প্রত্যয়ণপত্র প্রদান করা হয়। আপাতদৃষ্টে এটি একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা মনে হলেও বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য এটি একটি গুরুত্ব্বপূর্ণ ঘটনা। Continue reading »