ইউনিকোডে ঠিক বিজয়ের মতো লেখা যাবে শাব্দিক দিয়ে

অনেকেই অভিযোগ করে যে ইউনিকোডে লিখতে গেলে পুরনো বিজয় বাদ দিয়ে নতুন কিছু শিখতে হয়। সেই সীমাবদ্ধতা আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার ব্যবহারকারী আছেন যারা বিজয় লে-আউট ব্যবহার করেন এবং এতদিন ধরে ব্যবহার করেন যে নতুন একটা লে-আউটে দক্ষতা আনা সম্ভব হয়না। তাঁদের জন্যই আমাদের এই সমাধান।

প্রথমে শাব্দিকের সর্বশেষ সংকলনটি ডাউনলোড করতে হবে এখান থেকে সাথে দরকার হবে বিজয় লে-আউটের প্লাগ-ইন টি। এর জন্য আমরা ব্যবহার করেছি প্রশিকা বিজয় লে-আউট, আর এটার নাম দিয়েছি নববিজয়। 🙂

এখন বলি কিভাবে কার্যকর করতে হবে। শাব্দিক ইনস্টলের সর্বকলা সম্পৃর্ন করার পরে নববিজয় লে-আউটটি ডাউনলোড করতে হবে এখান থেকে। শাব্দিক যদি চালু থাকে তাহলে সেটা বন্ধ করে নিন। ডাউনলোড করা nobobijoy_shabdik.zip ফাইলটি আপনার হার্ডডিস্কে এক্সট্রাক্ট করে নিন। এক্সট্রাক্ট করার পরে NoboBijoy.xml এবং shabdik-NoboBijoy.png নামের দু’টি ফাইল পাবেন। সেই ফাইল দু’টিকে C:\Program Files\Shabdik\KeyboardLayouts ফোল্ডারে কপি করে দিন।

এবার শাব্দিক চালু করুন। স্বাভাবিক অবস্থায় Ctrl+Alt+B অথবা F11 চাপ দিলে বাংলা হয়ে যাবে কিন্তু আপনার ইনস্টলকৃত নববিজয় লে-আউটটি সক্রিয় নাও খাকতে পারে, তাই শাব্দিকের ইন্টারফেসে প্রশ্নবধক চিহ্নের পাশে একটি তীর চিহ্ন আছে। সেটাতে ক্লিক্ করে Keyboard Layouts -> NoboBijoy নির্বাচন করে নিতে হবে।

ব্যাস, এখন আপনি অনায়াসে শাব্দিক দিয়ে বিজয়ের মতো করেই ইউনিকোডে টাইপ করতে পারবেন। আর কোনো সমস্যা মনে হলে জানাবেন এখানে।

ইউনিকোড থেকে স্বীকৃতি পেলাম

বহুদিন থেকে ইউনিকোডের সাথে কাজ করছি। নিয়মের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তারা কাউকেই স্বীকৃতি দিতে পারেনি। তবে ইউনিকোডের CLDR (Common Locale Data Repository) বিভাগের দ্বায়ীত্ব IBM এর ঘাড়ে থাকায় তারা কিছু নতুন নিয়মের প্রবর্তন করেছে। এই নিয়মানুযায়ী যারা ইউনিকোডের CLDR-এ যারা কন্ট্রিবিউট করবে, তাদের নাম তারা সাইটে রেখে দেবে। আর সেজন্যই তারা আমার নাম রেখে দিয়েছে http://unicode.org/cldr/data/docs/web/index.html#Acknowledgments লিঙ্কে।

কন্ট্রিবিউটরদের জন্য এটা একটা বড় পাওয়া। বাংলা ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের সাথে যেমন কাজ করছি, সেরকমই করছি গুগল্, মাইক্রোসফট, এপল-এর সাথে। এখন শুধু আমি বলি যে আমি কাজ করছি, ইউনিকোডের CLDR বিভাগ যেমন নাম প্রকাশ করে একটা স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সাইটে নাম প্রকাশ করেছে, সেরকম ওরা দিলেও ভালো হতো। ঐ লিঙ্কগুলি সবার সাথে শেয়ার করতে পারলে ভালো লাগতো। 🙂

আপনার তথ্য আর গোপন নেই!!!

আমার বোন স্কুলে পড়ে। আগে ওর জন্য আমাদের ল্যান্ডফোনে বিরক্তিকর ফোন আসতো, কিন্তু ইদানিং দেখি বাসার সামনেও ছেলে পেলে দাঁড়িয়ে থাকে ওর স্কুলে যাওয়ার বা আসার সময়। বিষয়টা খতিয়ে দেখতে একদিন এক ছেলের কাছ থেকে তথ্য নিলাম এবং জানতে পারলাম যে এরা আর কেউ না, এরা সেই ছেলে যারা ফোনে বিরক্ত করতো। ফোনের বিষয়টা মেনে নেয়া যায়, অনেকে কাজ কাম না থাকলে বসে বসে ফোন ঘুরায় (আর ফোন যদি নিজের না হয়, তাহলে তো কথাই নেই), যদি ভুল করে কোনো মেয়ে ফোন ধরে ফেলে, তাহলে সেই নম্বর টুকে নিয়ে বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়।

ফোন পর্যন্ত ঠিক আছে, তাহলে এরা বাসার ঠিকানা পেলো কিভাবে!! আর আজকে বাসায় আসছে, কালকে অন্য কিছুও করতে পারে। ঘটনা কি!

ঘটনা কিছুই না, গত অক্টোবর মাস থেকে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড অনলাইনে বিল দেখার সিস্টেম বের করেছে। বড়ই জটিল উদ্ভাবন (!), যা দিয়ে আপনার ফোন নম্বর ধরে আপনার নাম ঠিকানার মতন স্পর্শকাতর তথ্য বের করে ফেলা যাবে এবং এটা যে-কেউ করতে পারবে। প্রথমত আপনাকে http://203.112.222.42/ ঠিকানায় যেতে হবে (হায় রে, একটা ডোমেইন নেম যোগাড় করতে পারেনি!), সেখানে গিয়ে ব্যবহারকারীর নাম হিসেবে আপনার এরিয়া কোড সহ ফোন নম্বর (যেমন ঢাকা হলে ০২০০০০০০০) দিতে হবে এবং সেটাই পাসওয়ার্ড হিসেবে দিতে হবে। ব্যাস আপনি ভিতরে ঢুকে গেলেন এবং চাইলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেও দিতে পারেন। এবার চলে যান মাসের বিল দেখার লিঙ্কে এবং বিল থেকে বের করে নিন আপনার কাঙ্খিত ঠিকানা।

এখন থেকে আপনার ফোন নম্বর ধরে যে-কেউ আপনার ঠিকানা বের করে ফেলতে পারবে। ধন্যবাদ বিটিটিবিকে এরকম উদ্ভট একটা আইডিয়া বের করার জন্য! 🙂

ভিস্তার জন্য নতুন য়াহু ম্যাসেঞ্জার

প্রায় এক বছর আগে য়াহু ঘোষণা দেয় যে তারা উইন্ডোজ ভিস্তা ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ একটি সংস্করণ ছাড়তে যাচ্ছে। অনেক অপেক্ষার পরে গত পরশুদিন তারা পরীক্ষামূলক সংস্করণটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়।

প্রথমেই বলে নেই এর সমস্যাগুলি। দেখতে সুন্দর হলেও এটা চালাতে প্রচুর মেমরী (রেম) লাগে। ম্যাসেঞ্জার শুরু হতে বা কারও সাথে আলাপ (চ্যাট) শুরু করতে অনেক সময় নেয়। সবচাইতে বেদনাদায়ক বিষয় হলো এর ইন্সটলেশন। প্রাথমিকভাবে ইনস্টলারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল চালালে এটি আবার নতুন করে ইনস্টলার ডাউনলোড করে আপনার টেম্প ফোল্ডারে এবং সাথে আনুসাঙ্গিক কিছু ডাউনলোড করে। এই সময় আপনার ইন্টারনেটের গতি যদি ভালো না হয়, তাহলে ডাউনলোড বন্ধ হয়ে গিয়ে বলে “সফলভাবে ইনস্টল হতে না পারায় আমরা দুঃখিত!” এই সামান্য জিনিস ইনস্টল করতে যদিউচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট লাগে, তাহলেতো সমস্যা।

আরেকটি বাজে সমস্যা হলো বাংলা সমর্থনের। য়াহু ম্যাসেঞ্জারে সম্পুর্ন বাংলা সমর্থন কখনোই ছিলোনা। টেক্সট ইনপুট উইন্ডোতে বাংলা লিখলে সেটা “?????” প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেখাতো। তবে অন্য ম্যাসেঞ্জার ক্লায়েন্ট যেটা য়াহু প্রোটোকল ব্যবহার করে (যেমন – পিজিন, ট্রিলায়ান, মিরান্ডা), তা দিয়ে বাংলা লিখলে সেটা য়াহু ৭ বা তার থেকে নতুন সংস্করণগুলিতে সমার্থন করতো। লিখতে না পারলেও দেখা যেতো। কিন্তু এখন লেখা বা দেখা দুটিই নষ্ট হয়ে গিয়েছে, যেটা বেশ বেদনাদায়ক।

অনেকদিন আগে থেকেই য়াহু এবং লাইভ (এমএসএন) ম্যাসেঞ্জারের ব্যবহারকারীরা একে অপরের সাথে কথা বলতে পারতেন। যদিও সমর্থনের এখনো কোনো উন্নতি হয় নাই, তবে য়াহু বলছে সামনে তারা একে অপরের সাথে ফাইল শেয়ার করার সুবিধা যোগ করেত যাচ্ছে। এই সুবিধা এখনো নাই।

এখন আসা যাক এতে নতুন কি কি সুবিধা যোগ করা হয়েছে। প্রথমে এসেছে ট্যব ইন্টারফেইস – আগের ম্যাসেঞ্জারে একাধিক বন্ধুদের সাথে আলাপ করতে গেলে একাধিত উইন্ডো খুলে থাকতো, এটাকে ট্যাব দিয়ে সীমিত করা হয়েছে। এখন একাধিক বন্ধুদের সাথে আলাপ করতে গেলে সেটা একটা উইন্ডোতেই সীমিত থাকবে। প্রতিটি বন্ধুকে ট্যাব ধরে ধরে আলাদা করা যাবে। তবে এটা এখন গ্রুপের মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে, মানে আপনার একেকটি বন্ধু যদি একেক গ্রুপে থাকে, তাহলে তারা আলাদা আলাদা ট্যাবে খুলবে। তবে য়াহু বলেছে তারা একটি অপশন দেবে যাতে করে আপনার সব বন্ধুদের এক ট্যাবে দেখা যায় বা সব বন্ধুদের আলাদা আলাদা ট্যাবে দেখা যায়।
ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ ট্যাব
– এটা আবার একটা মজার অপশন। বিভিন্ন গ্রুপের বিভিন্ন উইন্ডো খুললেও আপনি একটি উইন্ডোর বন্ধুর নাম ধরে টেনে এনে অন্য একটি উইন্ডোর বন্ধুর নামের পাশে ছেড়ে দিয়ে যদি আগের (যার নাম ধরে নিয়ে এসেছেন) উইন্ডোটি বন্ধ করে দেন, সেই বন্ধুর আলাপটি তখন অন্য উইন্ডোতে ট্যাব হিসেবে চলে আসবে।
নতুন ইমোটিকন
– ইমটিকনগুলি সত্যই জটিল করেছে এবার। খুবই সুন্দর দেখতে এবং সুন্দর এনিমেটেড।
নতুন বন্ধুদের তালিকা
– বন্ধুদের তালিকাতে সরাসরি এভাটার দেখা যাবে, কেউ চাইলে সেটা ছোটো বা বড় করতে পারবে।
স্কিন কালার সমর্থন – য়াহু কিছু সুন্দর সুন্দর কালার স্কিন তৈরী করেছে। আপনি বন্ধুদের তালিকা উইন্ডোটি থেকে শুরু করে আলাপের উইন্ডো পর্যন্ত আলাদা আলাদা করে স্কিন কালার সেট করতে পারেন। উল্লেখ্য যে, ভিন্ন ট্যাবের জন্য ভিন্ন কালার স্কিন সেট করে রাখা যায়।
সাইডবারে কন্টাক্ট – আপনি যে বন্ধুদের সাথে বেশী আলাপ করেন তাদের এক এক করে ভিস্তা সাইডবারে এনে রাখতে পারেন, ম্যাসেঞ্জারের মূল উইন্ডো না খুলেই আপনি আপনার বন্ধুর সাথে আলাপ শুরু করতে পারবেন সরাসরি সাইডবার থেকে।
ফিডব্যাক – আপনার মন্তব্য য়াহু মূল্যায়ন করবে (!) বলে সব উইন্ডোর উপরে একটি ফিডব্যাক বোতাম জুড়ে দিয়েছে। আপনি চাইলে সেই বোতামে ক্লিক্ করে তাৎক্ষণিক আপনার মতামত জানাতে পারবেন।

আশাকরবো যেসমস্থ ঝামেলা এখনো রয়েছে, য়াহু সেগুলি কাটিয়ে উঠবে এবং আমরা একটি চমৎকার ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারের সুযোগ পাবো। 🙂

অনলাইনে ‘ডিভি ২০০৯’ -এর নিয়মকানুন

বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লটারির মাধ্যমে ভাগ্যবান বিজয়ীদের সুযোগ দেয়া হয় আমেরিকার নাগরিকত্ব। বছর ঘুরে আবার শুরু হয়েছে আমেরিকা যাবার ২০০৯ সালের ডিভি লটারি কার্যক্রম। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ‘ডাইভারসিটি ভিসা ২০০৯’ ঘোষণা করেছে। এবার ভারত, পাকিস্তানসহ অনেক দেশ এই ভিসা কর্মসূচী থেকে বাদ পড়লেও বাংলাদেশকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে। যারা লটারিতে অংশ নিতে চান, তাদের ইন্টারনেটে থাকা নির্দিষ্ট আবেদপত্র পূরণ করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে ছবি। সেটিও রাখতে হবে ইন্টারনেটেই।৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা পর্যন্ত। এই সময়ের পর আর আবেদন গ্রহণ করা হবে না। হাতে লেখা কোনো আবেদনপত্রও গ্রহণ করা হবে না। তবে আবেদন করার জন্য শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা না করাই ভালো। কারণ শেষ দিকে সার্ভারে বেশি চাপ পড়ায় আবেদনপত্র পাঠানোর প্রক্রিয়া ধীরগতির হতে পারে।

ডিভি ২০০৯ লটারিতে আবেদনপত্র পাঠানোর একটিই মাত্র পথ রয়েছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই ইলেকট্রনিক ডাইভারসিটি ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে হবে, যা পাওয়া যাবে http://dvlottery.state.gov ঠিকানায়। তবে সব তথ্য সম্পূর্ণ ও সঠিক না হলে আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে।

আবেদনপত্রে যা দিতে হবে:
পুরো নাম: নামের শেষাংশ/পারিবারিক নাম, প্রথম অংশ, মাঝের অংশ।
জন্মতারখি: দিন, মাস, বছর।
লিঙ্গ: পুরুষ/নারী।
জন্মস্থান: কোন শহরে জন্ম হয়েছে। আবেদনকারী যে দেশে জন্ম গ্রহণ করেছে। যে যোগ্য ভৌগোলিক অঞ্চলের দেশের বাসিন্দা তার নাম।
সঠিক ছবি: ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি অবশ্যই জেপ্যাগ ফরম্যাটের হতে হবে দৈর্ঘ্যে ৩২০ এবং প্রস্থে ২৪০ পিক্সেল। এছাড়া ছবির ইমেজ ডেপথ কালার হবে ২৪ বিট কালার, ৮ বিট কালার অথবা ৮ বিট গ্রে স্কেলের। আর স্ক্যান করা ছবি হলে সেটার সাইজ হবে ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি বা (দৈর্ঘ্যে ৩০০ এবং প্রস্থে ৩০০ পিক্সেল)। প্রতি ইঞ্চিতে ১০ ডট (ডিপিআই) রেজ্যুলেশনে ছবিটি স্ক্যান করতে হবে। ছবির আকার হবে সর্বোচ্চ ৬২.৫০০ বাইট। ছবির পেছনের দিকে সাদা বা হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি হওয়া উচিত। কালো বা খুব গাঢ় বা কোন নকশা করা জমকালো ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে মাথা ঢাকা, টুপি বা হ্যাট পরা ছবি গ্রহণ করা হবে যদি তা আবেদনকারীর মুখমন্ডল আড়াল না করে। অন্য কোন কারণে মাথা ঢাকা বা হ্যাট পরা থাকলে ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং আবেদনপত্রও বাতিল হয়ে যাবে।
পূর্ণ ঠিকানা: ঠিকানা, শহর, জেলা, পোস্টাল কোড/জিপ কোড, দেশ। যে দেশে এখন বসবাস করছেন, তার নাম। Continue reading »