এমএসডিএন সাইটের অনুসন্ধান চালান আপনার এমএসএন ম্যাসেঞ্জার দিয়ে

মাইক্রোসফটের এমএসডিএন সাইটটা যে অনেক ধীর গতি সম্পন্ন, সেটা এক বাক্যে যে-কেউ স্বীকার করবেন। আর তার চাইতেও ধীর গতি সম্পন্ন হলো এর অনুসন্ধান ফিচারটি। আপনি যদি এমএসডিএন সাইটে কিছু অনুসন্ধান করতে যান, তাহলে অনেক সময় লেগে যায় শুরু ফলাফল আসতেই। আর এর থেকে নিস্তার পাওয়ার উপায় হলো এমএসডিএন বাড্ডি।

Wygwam নামের একটি প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছে এই এমএসডিএন বাড্ডি, আর এই বাড্ডি দিতে পারে এমএসডিএন সাইটে আপনার সব রকম অনুসন্ধানের ফলাফল। সুবিধা একটাই, আপনাকে আর অপেক্ষা করে এমএসডিএন সাইটে গিয়ে অনুসন্ধান চালাতে হবেনা। আপনি ম্যাসেঞ্জার থেকেই আপার প্রয়োজন অনুসন্ধান করে ফেলতে পারেন নিমিশেই।

এটাকে ব্যবহার করার জন্য আপনাকে MSDNBuddy@hotmail.com ঠিকানাটিকে বন্ধু হিসেবে আপনার এমএসএন ম্যাসেঞ্জারে যোগ করতে হবে। যোগ করার সাথে সাথে আপনার বাড্ডি তালিকায় চলে আসবে এমএসডিএন বাড্ডি এবং আপনি কিছু জানতে চাইলে আপনার কাছাকাছি সার্ভার থেকে আপনাতে তথ্য প্রদান করা হবে।

মজার না? তাহলে আর দেরী না করে আপনার এমএসএন ম্যাসেঞ্জারে এই বাড্ডি যোগ করে আপনার অনুসন্ধানের সময় বাঁচান…

মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট কতটুকু নির্ভরযোগ্য….

আমরা এখন অস্থির হয়ে গিয়েছি মোবাইল ইন্টারনেটের বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে অস্থির হয়ে গিয়েছি। বাংলাদেশের প্রতিটি মোবাইল কোম্পানীই এখন মোবাইলে ভয়েস সেবার পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। সিটিসেল, গ্রামীণ, একটেল, বাংলালিঙ্ক, টেলিটক এবং ওয়ারিদ টেলিকম হচ্ছে আমাদের মোট মোবাইল কোম্পানী। এদের মধ্যে প্রথম ইন্টারনেট সেবা নিয়ে আসে গ্রামীণফোন। বিভিন্ন ধরণের ঘাপলা করে সার্ভিস লঞ্চ করছে। শুরুতে এরা অনেক ভাষণ দিয়েছে, EDGE দিয়ে এটা হয়ে ওটা হয়, এটা GPRS থেকে এই এই সেবা বেশী দেবে ইত্যাদী। এক কনফারেন্সে আমি ওদেরকে বলতেও শুনেছিলাম যে EDGE নাকি CDMA থেকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়, কি বলে না বলে ঠিক নাই। এর পরে আসলো একটেল, যার সেবা আজ দুই বছর পরেও পর্যন্ত বাংলাদেশের সব এলাকায় পৌছাতে পারেনি। তারপর বাংলালিঙ্ক ও টেলিটক, এদের কথা বলতে গেলে বলতে হয়, সার্ভিস থাকা আর না থাকা একই কথা। বাকী থাকলো সিটিসেল। অনেক কাঠ খঁড় পুড়ে প্রায় একবছর আগে তারা অনটেস্ট ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা শুরু করে। কিন্তু সেবার মূল্য এত বেশী যে সাধারণ মানুষ এর ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থেকে যায়। কিছুদিন আগে প্রতিযোগিতার সন্মুখীন হয়ে তারা আবার মূল্য নির্ধারণ করে, কিন্তু সেটাও সাধারণভাবে ব্যবহারের যোগ্য না। ওয়ারিদ টেলিকম সার্ভিস লঞ্চ করার সাথে সাথেই ওয়েব সাইটে EDGE/GPRS-এর কথা লিখে রাখলেও বাস্তবে সেবার মান টেলিটক এবং বাংলালিঙ্কের মতই জঘন্য।

সেবার মানের দিক দিয়ে আপাতত সিটেসেল এবং গ্রামীনফোনের সেবাই ব্যবহারযোগ্য, কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে এদের সেবা কতটুকু ব্যবহারযোগ্য! আমি নিজে এই দুই কোম্পানীর সেবা ব্যবহার করেছি, সেবার মান খারাপ না, কিন্তু সত্যি কথা বলতে এই সেবার উপরে ভরসা করা যায়না। মাঝে মাঝেই গ্রামীণফোনের ইন্টারনেটের গতি ঠিক থাকেনা। ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাটি করে GSM প্রযুক্তি সম্পর্কে শিখলাম। এই প্রযুক্তিটা TDMA নামে পরিচিত, যার অর্থ হচ্ছে Time Division Multiple Access. এটা কাজ করে সময়ের উপরে। সোজা সাপ্টা অর্থ হচ্ছে একটা টাওয়ারে নীচে যতগুলি মোবাইল থাকবে টাওয়ারটা তাদেরকে অল্প অল্প সময়ের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি প্রদান করবে আবার অল্প সময়ের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি বন্ধ করে রাখে। এভাবে ভাগাভাগী করে মোবাইলগুলি কিছু সময়ের জন্য নেটওয়ার্ক পায় আর কিছু সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। এটা এত দ্রুত হয় যে গ্রাহকরা টের পায়না। তবে প্রযুক্তিটা জনপ্রিয় হলেও টেকনিকালি সুবিধার না। Continue reading »

ফায়ারফক্সে আসছে আরও সুন্দর বাংলা সমর্থন….

বড় করে দেখবার জন্য ক্লিক্ করুন...মোজিলা ফায়ারফক্স আমাদের সবারই পছন্দের ব্রাউজার।  অনেকে যদিও এটা ব্যবহার এখনো শুরু করেনি, তার পারও যারা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করে, তাদের বিশ্বাস যে পৃথিবীর ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী খুব কম সময়ের মধ্যেই ফায়ারফক্স ব্যবহার শুরু করবে।

লেখা দেখাবার জন্য অপারেটিং সিস্টেম বা সফটওয়্যারের মধ্যে কিছু প্রযুক্তি থাকে যার জন্য আমরা এভাবে লেখা দেখতে পাই। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে এটা বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়। এটাই ভালো লাগেনি মোজিলা দলের। তাই তারা নিজেরাই লেখা প্রদর্শন করার প্রযুক্তিকে নিজেদের আয়ত্বে আনছে। ফায়ারফক্স ৩-এর পরীক্ষামূলক একটি সংস্করণ আমি উইন্ডোজে ব্যবহার করে দেখেছিলাম, সেরকম কোনো পরিবর্তন আছে বলে মনে হয়নি। কিন্তু আজকে ম্যাক ওএস ১০-এ চালিয়ে দেখলাম। জটিল!!!

বাংলা খুব সুন্দরভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে। আশাকরি লিনাক্সের সংস্করণেও ঠিক এভাবে কাজ করবে। কেউ লিনাক্সে পরীক্ষা করে থাকলে মন্তব্যে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্টিভেশন সমস্যা

মাইক্রোসফট যখন আমাদের (এম.ভি.পি.-দের) উইন্ডোজ দেয়, সেটাও কিছু শর্তের ভেতর দিয়ে দেয়। তবে আমাদের অনেক স্বাধীনতা থাকে। সাধারণত একজন ব্যবহারকারী একটা উইন্ডোজ কিনলে সেটা একটা মেশিনে ব্যবহার করতে পারে, অন্য মেশিনে ব্যবহার করতে চাইলে বা মেশিনের বড় ধরণের পরিবর্তন করলে তাকে আবার মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে সেটা জানাতে হয়। উইন্ডোজ থাকা অবস্থায় হার্ডওয়্যারের পরিবর্তন সাধন করলে উইন্ডোজ নিজেই সেটা জানিয়ে দেয়, আর পরিবর্তন সাধনের পরে উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরে এক্টিভেট করতে গেলে সেটা মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে জানিয়ে করতে হয়। আমাদের স্বাধীনতাটা হলো আমরা একটি উইন্ডোজের ভার্সন দশটি ভিন্ন মেশিনে যতবার খুশি এক্টিভেট করতে পারবো।

আগে আমাদের যেই প্রডাক্ট কী দেয়া হতো সেটা ছিলো VLK মানে Volume License Key আর এবারও ভিস্তার সাথে সেরকমই কিছু দেয়া আছে। কিন্তু শুধু ভিস্তা এন্টারপ্রাইজ এডিশনে এবার তারা MAK নামের একটি নিয়ম চালু করেছে যাকে বলা হচ্ছে Multiple Activation Key. এই কী দিয়ে ভিস্তা এন্টারপ্রাইজ এডিশন মাত্র ১৫ বার এক্টিভেট করা যাবে। বিভিন্ন পরীক্ষামূলক কাজের জন্য আমাদের উইন্ডোজ মুছতে হয়ই। আর বার বার যদি এক্টিভেট করতে তাদের অনুমতি নিতে হয়, তাহলে ঝামেলা। কিন্তু এবার এই ঝামেলাটা হলো এবং আমি মনে করি এটা মাইক্রসফটের একটা সমস্যা। Continue reading »

আমার অনেকদিনের শখের অ্যাপল ম্যকবুক

বেশ কিছুদিন আগে আমি কতগুলি উপহার পেয়েছিলাম (যেখান থেকে পেয়েছিলাম সেটা প্রকাশ করলে উনাদের ভালো নাও লাগতে পারে বলে প্রকাশ করছিনা), তার মধ্যে ছিলো একটা অ্যাপল ম্যাক বুক। আইটি প্রফেশনালরা অ্যাপলের প্রতি একটু দুর্বল হয়েই থাকে। সবসময়ই এটা ব্যবহার করতে চায়, কিন্তু সবসময় বাজেটে কুলায়না। স্বাভাবিকভাবে অ্যাপলের দাম অন্য ল্যাপটপের তুলনায় বেশী হয়। কেনো হয় আমার জানা নেই, তবে অনেক ক্ষেত্রই দেখা যায় ম্যাকের পারফরমেন্স অনেক ভালো, তাই সম্ভব দাম একটু বেশী হয়।

এটা পেয়ে আমার মন একটু খারাপ হয়েছিলো, কারণ পেয়েই দেখি অন হয়না। পরে ব্যাটারী চার্জ করে অনেক কায়দা করে অন করলাম, কিন্তু দেখি কী-বোর্ডের কয়েকটা কী কাজ করেনা। USB-তে কী-বোর্ড লাগিয়ে অবশ্য প্রাথমিক কাজ করা গেলো, কিন্তু সেটা কি আর মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে! Continue reading »