Brown রিভিউ

Karisma Kapoor-এর কামব্যাক + কলকাতার প্লট + প্রোমোশনাল হাইপ — তিনটা মিলে Brown দেখতে বসলাম। ফলাফল: হতাশা।

গল্প সোজা!
কোলকাতায় এক খুন, ইন্সপেক্টর রিতা ব্রাউন নামে কারিশমা ইনভেস্টিগেশনে নামে। নিও-নোয়ার বানাতে চেয়েছে, কিন্তু কলকাতার “নোংরামি” দেখাতে গিয়ে আটকে গেছে। বৃষ্টি, অন্ধকার গলি, ভাঙা বাড়ি — ক্লিশে ভিজ্যুয়াল। এর বাইরে শহরটার কোনো ক্যারেক্টার নাই।

সবচেয়ে চোখে লাগে — সারাক্ষণ মদ-সিগারেট।
রিতা ব্রাউন ইনভেস্টিগেশন করছে, ডিপ্রেসড, তাই হাতে হুইস্কি-সিগারেট। সাপোর্টিং কাস্টও একই। “রাফ এন্ড টাফ” দেখাতে গিয়ে সিরিজটা বারে পরিণত হয়েছে। মদ-সিগারেট মানেই ইন্টেন্স না। বরং একঘেয়ে লাগে, আগ্রহ মরে যায়। কারিশমার মতো গ্ল্যামারাস ফেসে এই লুক জোর করে বসানো — বিশ্বাস হয় না।

পেস মারাত্মক স্লো!!
৮ এপিসোডের মালমশলা ৪ এপিসোডে শেষ করা যেতো। প্রথম ২০ মিনিটেই ২-৩ জনকে সন্দেহ হয়, এবং হ্যাঁ, তাদের মধ্যেই কিলার। মাঝের ৫টা এপিসোড শুধু ঘোরাঘুরি, ফ্ল্যাশব্যাক, আর সিগারেটের ধোঁয়া। থ্রিলার যেখানে দম বন্ধ হওয়ার কথা, সেখানে হাই তুলতে হয়।

কারিশমা চেষ্টা করেছে
ডায়লগ ডেলিভারি, বডি ল্যাঙ্গুয়েজে এফোর্ট আছে। কিন্তু স্ক্রিপ্ট তাকে হেল্প করে না। ব্যাকস্টোরি দুর্বল, ইমোশনাল কানেক্ট হয় না। Surya Sharma, Helen — ওয়েস্টেড।

কলকাতাকে ব্যাকড্রপ না বানিয়ে ক্যারেক্টার বানানো যেতো। Kahaani পেরেছিলো, Brown পারলো না। নোংরা গলি + মদ + সিগারেট = নোয়ার — এই ফর্মুলা ২০২৬-এ চলে না।

রেটিং: ২/১০
কারিশমার জন্য, কলকাতার দুই-একটা শটের জন্য, বাকি শুধু শেষ করেছি বলে। প্রোমোশন দেখে বসলে হোঁচট খাবে। ক্রাইম থ্রিলার বানাতে গেলে গল্প লাগে, ধোঁয়া না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top