সাগরের করাল গ্রাসে পড়েছে কক্সবাজার সৈকত সংলগ্ন কলাতলী গ্রাম। এ বর্ষায় সাগর এমন আগ্রাসী রূপ নিয়েছে যে, সাগরে গ্রামের ১৫টি ঘর বিলীন হয়ে গেছে। মারাত্মক ভাঙনের মুখে পড়েছে কক্সবাজারের সাবমেরিন ক্যাবলের সংযোগস্থল। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি হোটেল, মোটেল, হ্যাচারি ও আবাসিক মানুষের ঘরবাড়ি। পরিত্যক্ত মেরিন ড্রাইভ সড়কের ভাঙন এলাকা দিয়ে এখন সাগরের জোয়ারের পানি ঢুকে প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে কলাতলী গ্রামের বিরাট এলাকা। কলাতলী সমাজ পরিচালনা কমিটি সমুদ্রের করালগ্রাস থেকে গ্রাম রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের যোগাযোগ উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন দফতরে আবেদন জানিয়েছে। সাবমেরিন ক্যাবলের সংযোগ পয়েন্টে ভাঙন দেখতে গতকাল শনিবার বাংলাদেশ টিঅ্যান্ডটি বোর্ডের একটি বিশেষজ্ঞ দল কক্সবাজার এসেছেলো। টিমের সদস্যরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জরুরি বৈঠক করেন। Continue reading »
হুমকির মুখে বিটিটিবি’র সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগস্থল
08 রবিবার জুলাই 2007
Posted in আইটি বিশ্ব
বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিকস পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের নিজস্ব দোকানগুলোর সামনে হাজার হাজার মানুষের সারিবদ্ধ লাইন দেখে বলা স্বাভাবিক “ওরে! কত্ত বড় লাইন রে!”। আর রাতদিন ক্লান্তিহীনভাবে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এই সারিবদ্ধ লাইনে দাঁড়িয়ে (কখনো শুয়ে বা বসে) থাকার একটাই লক্ষ কখন হাতে আসবে বর্তমান সময়ের ক্রেজ অ্যাপলের বিশ্ব মাতানো আইফোন। বহু প্রতীক্ষার পর গত ২৯ জুন বাজারে আসে মাল্টিমিডিয়া ও ইন্টারনেট অপশন সংবলিত এই সেলফোন। বাজারে আসার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এই সেলফোনের মজুদ শেষ হয়ে যায়। তবে এশিয়ার বাজারে আইফোন পেতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছে অ্যাপল। যারা এই সেলফোন হাতে পেয়েছেন এমনকি ব্যবহারও করছেন তারা তো বড্ড খুশি কিন্তু বিপত্তি ঘটেছে অন্য জায়গায়। যারা হাতে পাননি তারা EBay-এর মতো নিলাম ওয়েবসাইটগুলোর সমমুখীন হচ্ছেন। যেখানে প্রায় ১০০০ ডলার দামে আইফোন বিক্রি করা হচ্ছে। কোম্পানি নির্ধারিত চার গিগাবাইটের আইফোনের দাম ৪৯৯ ডলার এবং আট গিগাবাইটের দাম ৫৯৯ ডলার। তারপরও থেমে নেই এই আইফোনপ্রেমীরা। 
অনেকদিন আগে আমি ইত্তেফাকের আইটি কর্নারে লিখেছিলাম
গতকালকে য়াহু আমার মেইল স্টোরেজ স্পেস আনলিমিটেড করে দিয়েছে। আমার ভীষণ ভালো লাগছে। য়াহুতে আমি এই একাউন্টটি না হলেও ১১ বছর আগে খুলেছিলাম। এর মধ্যে একবার টাকা দিয়ে এক বছরের জন্য ইয়াহু প্লাস সার্ভিস ব্যবহার করেছি। কিন্তু জিমেইলে যত সুবিধা আছে, য়াহুতে তা একেবারেই অনুপস্থিত। প্রথমে য়াহু জিমেইলের মতন এজাক্স ভিত্তিক ইন্টারফেইস করেছে (যা এখনো বেটা বা অসম্পুর্ন), পরে মেইলের সাথে একই উইন্ডোতে ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করার সুযোগ দিয়েছে (যা বর্তমানে শুধু UK’র ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন), এখন দিলো আনলিমিটেড স্পেস, সেটাও অনেক বিবেচনা করে দিচ্ছে। কেউ পাচ্ছে, আবার কেউ পাচ্ছে না। 🙂