Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

আমার নতুন গ্যাজেট ZTE AC30

17 শনিবার ডিসে. 2011

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 9 Comments

Tags

3G, AC30, Broadband, CDMA, Fivespot, GSM, Hotspot, MiFi, Mobile, Network, Router, Verizon, WiFi, Wireless, ZTE

নিত্য-নতুন গ্যাজেট ব্যবহার করতে কে না চায়! অনেকে নতুন গ্যাজেটের খবর পায়না, অনেকে আবার ব্যবহার করে দেখার রিস্ক নিতে চায়না। আমি সুযোগ হলে ব্যবহার করে দেখতে দ্বিধা করিনা। আমি আজকে থেকে নতুন একটা ক্যাটাগরি আরম্ভ করলাম আমার ব্লগে। “গ্যাজেট” নামের এই ক্যাটাগরিতে আমি যেসব ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট ব্যবহার করি, সেগুলি নিয়ে কিছু লিখবো। হয়তো অন্যান্যদের কাজে লাগবে ভবিষ্যতে।

কিছুদিন আগে ZTE AC30 MiFi ডিভাইসটা হাতে পেলাম। ভেতরে যাবার আগে একবার জেনে নেই এই বস্তুর কাজ কি।

প্রায় দুই বছর আগে MiFi নামটা শিখেছিলাম আমেরিকার Verizon কোম্পানির কাছ থেকে। ইন্টারনেটে ঘোরাফিরা করলে এই জিনিসগুলি সম্পর্কে জানা যায় এবং ব্যবহারের ইচ্ছা জাগে। মোবাইল ইন্টারনেট এখন জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছে, ইন্টারনেট নির্ভর গ্যাজেটগুলির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মোবাইল ইন্টারনেটকেও বহনযোগ্য করার প্রয়োজন বেড়ে গেছে; আর তারই সমাধান নিয়ে এসেছে MiFi; চলার পথে সব ডিভাইসে ইন্টারনেট!

MiFi এর কথা জানার পরে একটা ইচ্ছা ছিলো ব্যবহার করার। কিন্তু Verizon-এর টা আনালে যদি না চলে! সেই সময় হাতে পাই D-Link DIR-412 রাউটার। বাজারে পাওয়া যায় এরকম যে-কোনো USB মডেম লাগিয়ে দিলেই সেটা WiFi নেটওয়ার্কে শেয়ার করা যায়।

কিন্তু মনের স্বাধ তো মেটেনা, মন চায় গাড়ীতে চলমান অবস্থায় যাতে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় 🙂 আর তখনই খবর পেলাম ZTE AC30 ডিভাইসটির। পৃথিবীতে বর্তমান সমস্থ মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি এতে সমর্থন করে।

মোবাইলের মতো দেখতে এই ডিভাইসটিতে GSM/CDMA সিমকার্ড লাগিয়ে দিলেই ডিভাইসটি নিজে থেকে মূল কনফিগারেশনের কাজগুলি করে নেয়। একসাখে পাঁচটি ডিভাইস সংযুক্ত করা যায় এর সাথে, পাঁচটাই বা কম কি! আবার USB পোর্ট দিয়ে কম্পিউটারে সংযুক্ত করলে একই সাখে ডিভাইসটি চার্জ হয় এবং USB দিয়েই নেটওয়ার্ক শেয়ার করে।

যাদের একাধিক ডিভাইসে মোবাইল ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য এটা বেশ কাজের বলে মনে হয়েছে আমার। ও, আমি এটা দিয়ে PC-to-PC গেইম খেলে ও ফাইল শেয়ার করে দেখেছি। চমৎকার কাজ করে এই পিচ্চি রাউটার দিয়ে!

MiFi-এর কনসেপ্টটা উপরের ছবির মতন। মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট নিয়ে WiFi-এর মাধ্যমে বিতরণ করা…

আমাদের কিউবি এবং লাগাম ছাড়া একটি প্রতিযোগীতা!

06 রবিবার নভে. 2011

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, টেলিকম

≈ 4 Comments

কিউবি ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশে একটা ভালো অবস্থা করে নিয়েছে। সম্প্রসারিত করেছে সারা দেশে তাদের নেটওয়ার্ক, হাজার হাজার মানুষের কাছে ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য করেছে। বাংলালিঙ্ক আসার পরে যেমন মোবাইলফোন জগতে একটা ভুতুড়ে পরিবর্তন হয়েছে, ঠিক সেরকম ওয়াইম্যাক্স, তথাপি কিউবি আসার পরে ইন্টারনেটের চেহারা পাল্টে গিয়েছে বলে আমি মনে করি।

ছোট ছোট কয়েকটা সমস্যা অগ্রাহ্য করলে কিউবি কিন্তু ভালোই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আমার আরেকটা জিনিস ভালো লাগে যে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ইন্টারনেটের ঝোঁক বজায় রাখার জন্য এরা মাঝে বিভিন্ন প্রোগ্রাম করে। আমি সত্যই তাদের এই প্রোগ্রামগুলিকে এপ্রিশিয়েট করি।

সম্প্রতি তাদের Seen And Be Seen প্রতিযোগীতাটি আমার ভালো লাগলেও তাদের অপরিকল্পিত প্রচেষ্টা আমার ভালোলাগেনি। কিউবিতে কাজ করে এরকম এক বন্ধ আমাকে বললনে, “ইন্টানেটে যে মাজার কিছু করা যেতে পারে, সেটার একটা ধারণা দেবার জন্যই আমাদের এই আয়োজন।” এটা আমিও বুঝি যে যত বেশী ইন্টারনেটে ব্যাস্ত থাকবে, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির লাভ ততবেশী। এরকম চিন্তা এর আগে কারও মাথায় আসেনি। এই প্রোগামগুলির কিন্তু ভালো দিক আছে, দুষ্টামির পাশাপাশি যে ভালো কিছু করা যায়, তা সম্পর্কে ব্যবহারকারীরা অবগত হচ্ছে, এটা ১৯৯৫ সালে করলে আজকে ইন্টারনেট ব্যবহারের চেহারাই পাল্টে যেতো দেশে!

যাই হোক, আসি আসল কথায়। প্রতিযোগীতা থাকবে এবং প্রতিযোগীতার নিয়ম-কানুন (আমরা যেটাকে Terms and Conditions বলে থাকি) থাকবে। আমি কিন্তু এই প্রতিযোগীতাটির কোনো নিয়ম-কানুন খুঁজে পেলাম না। অক্টবরের শুরুতে তারা যখন এই প্রতিযোগীতা ঘোষণা দিলো, তখন এটাও বলেনি যে ছবির সাবজেক্ট কি হবে। লঞ্চ করার প্রায় ৬ দিন পরে বলে, Two Categories of pictures are valid in the competition:

  • Unseen Bangladesh: any part of our country, a landscape, a story, an event which truely (বানান ভুল) depicts Bangladesh would be considered by the judges.
  • Candid Shots: A moment with friends, families, near ones, or an event that portrays an intriguing story will be considered in the category.

এছাড়া আর কিছু কিন্তু বলেনি। আমি যখন একটা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করবো, তখন কিছু জিনিস পরিস্কারভাবে জানতে হবে; যেমন: আমি কি কি ভুল করলে বাদ পড়ে যাবো, বা আমাকে সর্বনিম্ন কি মেইনটেইন করতে হবে, বা আমি যা নিয়ে অংশগ্রহণ করবো, সেটার কি হবে। মাইক্রসফটের একটা প্রতিযোগীতার উদাহরণ দেখা যাবে এখান থেকে। এখানে পরিস্কার বলা আছে যে কি করলে কি হবে, কি ব্যবহার করা যাবে, যারা অংশগ্রহণ করবে তাদের স্বত্ত কি হবে, সর্বনিম্ন বয়স কত হতে হবে ইত্যাদী।

এই ছবিতে পরিস্কার দেখা যাচ্ছে যে কিউবির এই প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের কি দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু উপরের লিঙ্কের মতন কিছুই বলছেনা। একজন ফটোগ্রাফারের ছবি কিন্তু অমূল্য, একটা ম্যাকবুক দিয়ে সেটার মূল্যায়ন করা সম্ভব বলে আমি মনে করিনা। কালকে যদি কিউবি প্রতিযোগীতায় ব্যবহৃত একটি ছবি তাদের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করে, তাহলে আমদের কিছুই বলার নেই।

এক জায়গায় তারা বলেছে-

In the App, register with your valid Name, Phone, Email and organization (your university, School, college or workplace),select the category of picture you are submitting, upload the link of the picture and then submit.

Do not forget to press upload and submit button for a successful registration. Without registration emailed photographs will not be considered.

কিন্তু এটা কি কোথাও বললো যে এই তথ্য তারা কোথায় ব্যবহার করবে? এটাকে আমরা বলি Privacy Policy (একটা উদাহরণ দেখা যাবে এখানে), আমরা যে তথ্য তাদেরকে দেবো, তারা সেটা কি কাজে ব্যবহার করবে সেটা পরিস্কার জানানো দরকার। তারা তো সেটা বিক্রিও করে দিতে পারে! আমি ধরে নিচ্ছি তারা ছবি বা তথ্যের অপব্যবহার করবে না, কিন্তু সেটা পরিস্কার লেখা থাকা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

কালকে যদি ১৬ বছরের একজন প্রতিযোগী বিজয়ী হয়, আর পুরস্কার পায়, আমি চাইলেই কিউবির উপরে একটা মামলা ঠুকে দিয়ে বলতেপারি যে তারা শিশুশ্রম উৎসাহিত করছে! আমি নিশ্চিত যে এই মামলায় কিউবি হেরে যাবে। তাই এইসব বিষয়ে অতি সাবধান হওয়া দরকার।

আমি আশা করবো যে ভবিষ্যতে কিউবির মত একটি কর্পোরেট ব্র্যান্ড এরকম ভুল করবে না। প্রতিযোগীতা না হলে মেধার বিকাশ অনিশ্চিত, কিন্তু এটার যাতে অপব্যবহার না হয়, সেই বিষয়টাওতো নিশ্চিত করতে হবে।

Truth of Touch – ইয়ানির আরেকটি অসাধারণ সৃষ্টি

26 বুধবার অক্টো. 2011

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, রিভিউ

≈ 5 Comments

আমরা বই পড়ি, সিনেমা দেখি, গান শুনি, কোথাও বেড়াতে যাই মনকে স্বতস্ফুর্ত করার জন্য; এখন যেনো মানুষ কেমন হয়ে যাচ্ছে! বই পড়ে না, গান টান শোনে না! আর যেসব যারা গান শোনে, তারা দেখা যায় সারাদিন আজাইড়া হিন্দী গান শুনছে। আমি বলছিনা যে হিন্দীতে ভালো গান হয়না, পৃথিবীর সব ভাষাতেই ভালো গান আছে, তাই বলে সারাক্ষণ সস্তা হিন্দী গানের ঘ্যানর ঘ্যানর ভালো লাগেনা!

আমাদের বাড়ীতে ডিশ এন্টিনা লাগানো হয় ১৯৯৩ সালে, তখন স্টার প্লাসে ইংরেজী অনুষ্ঠান হতো। সেই সময় স্টার প্লাসে একটা অনুষ্ঠান দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছলাম আমি আর আমার আব্বা। অনুষ্ঠানটি ছিলো ইয়ানি লাইভ এট এক্রপোলিস। মিউজিকের কম্পোজিশন শুনে আমাদের বাবা-ছেলের চোখে পানি চলে এসেছিলো! আদ্ধাতিক আনন্দ তাঁর সৃষ্টিতে।

অনেকদিন থেকেই ইয়ানির গানগুলি শুনে আসছি, অন্ধ ভক্তের মতন আমি বলবনা যে সবই ভালো কাজ, ভালো মন্দ মিলিয়ে কাজ করেছে সে। শেষ এলবাম শুনেছিলাম এথনিসিটি; খুব একটা ভালো লাগেনি আমার কাছে। মিউজিক টেলিভিশনের দর্শক না হবার জন্য হয়তো জানতামনা যে ইয়ানি যে এর মধ্যে আরও তিনটা এলবাম বের করেছে। এই বছর সে বের করেছে ট্রুথ অফ টাচ্, বাংলায় বলা যায় স্পর্শের সত্যতা। নামের মধ্যেই একটা ভাব আছে 🙂

তার কম্পোজিশনের টেস্ট বোঝানোর জন্য কয়েকটা গান শেয়ার করলাম এলবাম থেকে-
Continue reading »

You are FUPed! (ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালার কথা বলছি)

14 শুক্রবার অক্টো. 2011

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 3 Comments

Tags

ISP

অনেকদিন থেকেই ভাবছি এই ইস্যুটা নিয়ে লেখা দরকার, কিন্তু সময়ের অভাবে লেখা হয়ে ওঠেনি।

বিষয়টা হলো আমাদের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা আইএসপি-গুলিকে নিয়ে। বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো আমাদের আইএসপি-গুলি ফেয়ার ইউজ পলেসি বা ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা আরম্ভ করেছে; বিশেষ করে মোবাইল ইন্টারনেট কোম্পানিগুলি। সরকারী লাইসেন্সধারী কোনো কোম্পানি কি ধুম করে একটা নীতিমালা আরম্ভ করে দিতে পারে? আমার মনেহয় তাদের পারার কথা না, লাইসেন্সে সবসময় শর্ত দেয়া থাকে, সেই শর্তে কিছু উল্লেখ করা না থাকলে সেটার জন্য লিখিত সম্মতি নিতে হয়। মোবাইল ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি বা তাদেরকে যারা লাইসেন্স দিয়েছে সেই বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটারি কমিশন (বিটিআরসি) কি সেভাবে কাজ করেছে?

আমার কাছে সবসময় মনে হয় সরকার চলছে সরকারের মতন আর কোম্পানি চলছে তাদের মতন। লাইসেন্স দিয়েই সরকারের কাজ শেষ!  ফেয়ার ইউজ পলেসি আরম্ভ করার পরে আমার খুব জানতে ইচ্ছে হয়, এই পলেসি বা নীতিমালায় কি বিটিআরসির অনুমোদন আছে! একটা নীতিমালা পাশ হয়ে গেলো, দেশের জনগনের উপরে  সেটা চাপিয়ে দেয়া হবে, সেটা থেকে কার কতটুকু লাভ হবে, কতটুকু ক্ষতি হবে সেটা কি অনুমোদন দেবার আগে কেউ খতিয়ে দেখেছে? অন্তত বিটিআরসির কাছ থেকে আমি এটা আশা করিনা।

আমার ধারণা বিটিআরসি আমাদের ভালো মন্দ বোঝে এবং ধরে নিচ্ছি নীতিমালার অনুমোদন তারা দিয়েছে। এবার একটু নীতিমালাগুলি জানি-

  • গ্রামীণফোন – ৫ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • বাংলালিংক – এক সপ্তাহে ৩ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করে “পে এজ ইউ গো” করে দেয়া হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • সিটিসেল – ৭ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • কিউবি – ৩০ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • এরকম অনেক নীতিমালা আছে।

নীতিমালার ধরণ দেখে কিন্তু মনে হয়না যে বিটিআরসি এরকম উদ্ভট  নীতিমালার অনুমোদন দিতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কিন্তু এই নীতিমালা নিয়ে কোনো সমস্যা নাই, সমস্যা হলো অন্যখানে। একটা আইএসপি বলছে তারা সর্বোচ্চ XX কেবিপিএস বা YY এমবিপিএস গতির সংযোগ দেবে; তারা কিন্তু এটা বলছেনা যে সর্বনিম্ন কত গতি থাকবে। আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্কে যা ঢুকে তাতে আমি বুঝি আমাদের সেবার মানের নিশ্চিত করার কাজ বিটিআরসির। উদ্ভট নীতিমালায় অনুমোদন বা এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে ব্যবসা করার অনুমতি দেবার সময় তারা কি একবারও ভাবেনা যে গ্রাহকদের অবস্থানটা কোথায় থাকবে! অনেক টাকায় লাইসেন্স দিয়ে দিলেই হলো, না লাইসেন্সে উল্লেখ করতে হবে যে সেবার বিস্তৃতি কিরকম হবে, খরচ কত হবে, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাপ কত ইত্যদি! একটা পাগল তার নিজের ভালো মন্দ বোঝে, বিটিআরসি যখন বিদেশী কোম্পানিগুলির কাছে লাইসেন্সের জন্য ফাটাফাটি রকমের অর্থ চার্জ করে, তখন টাকা গ্রহণ করার পাশাপাশি সুদুরপ্রসারী চিন্তা করে দেখা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

যে কোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্র নিজেকে মাঝে মাঝে এত অসহায় মনে হয়! কি করে আমাদের জন্য আমাদের সরকার!

ওল্লো – চলেন গিনিপিগ হয়ে যাই…

13 বৃহস্পতিবার অক্টো. 2011

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 34 Comments

Tags

Bangladesh, Broadband, BTRC, Internet, Telecom, Wimax, Wireless, ইন্টারনেট, ওয়াইম্যাক্স, ওয়্যারলেস

বেশ কিছু কোম্পানি নতুন করে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগ দেবার লাইসন্স পেয়েছে বলে জেনেছি। এদের মধ্যে পরীক্ষামূলক সেবা প্রদান করা শুরু করেছে ওল্লো ওয়্যারলেস ইন্টারনেট।

এরই মধ্যে ফেইসবুকের কিছু বন্ধু ওদের পেইজে লাইক দেয়া শুরু করায় ভাবলাম একবার দেখা দরকার এরা কি করছে; ফোন দিলাম ওদের কল সেন্টারে। প্যাকেজের কথা শুনে তো আমি ধপাস করে পড়ার অবস্থা। ওদের একটাই পণ্য, সেটাও আবার ঠিকমত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি যে কিভাবে বা কোন পরিকল্পনার মাধ্যমে বিতরণ করবে।

একটু বুঝিয়ে দেই। ওদের একটাই USB ডঙ্গল আছে ZTE AX326 এটা একটা WiMax রিসিভার সেটা ইন্টারনেটে ঘাঁটা ঘাঁটি করে বের করলাম। সংযোগ সহ এই ডঙ্গলের দাম ২৪৭৫ টাকা। আর যদি ঠিকমতন নেটওয়ার্ক না পায়, তাহলে এর সাথে একটা ZTE SX361 Wireless Cradle নামক একটা খুঁটি লাগাতে হয় যেটা ভালো সিগন্যাল গ্রহণ করতে সাহায্য করে; আর এর জন্য অতিরিক্ত ৭৫০ টাকা দিতে হবে।

এখন এটা নাহয় কিনলাম কিন্তু সাখে কি পাবো সেটা নিয়ে আলোচনা করি। মডেমের সাথে আমরা পাবো ৫১২ কেবিপিএস গতির একটি ইন্টারনেট সংযোগ যেটা দিয়ে আমরা ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪০ গিগাবাইট ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো। ৪০ গিগা শেষ হয়ে গেলে! এজেন্ট জানালেন ওল্লো’র ওয়েব সাইটে গিয়ে অনুরোধ করলে আরও ১০ গিগা বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। তবে এরপরে কি হবে সেটা জানাতে পারলেননা কল সেন্টারের এক্সিকিউটিভ।

আমি এটাই বুঝলামনা যে এত টাকা পয়সা খরচ করে একটা কোম্পানি কিভাবে সুদুর পরিকল্পনা না নিয়ে ব্যবসা করতে নেমেছে। আর আমরাই বা কেনো টাকা দিয়ে গিনিপিগ হয়ে অনিশ্চিত একটা সেবা ব্যবহার করতে যাবো; তাদের সেবার মান উন্নয়নের জন্য!

বাংলাদেশের অনেক সম্ভবনা দেখে অনেকে ব্যবসা করতে আসে। শর্ত দেয়া হয় “সারা বাংলাদেশে সেবা পৌছে দিতে হবে।” স্রেফ ঢাকাতে সেবার মান বজায় রাখতেই গোপণাঙ্গ দিয়ে রশ বের হয়ে যায়, ঢাকার বাহিরে বিস্তার করার তো প্রশ্নই আসেনা। দুই বছরের বেশী হলো অন্য দু’টি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানি ব্যবসা করছে, কিন্তু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো যেতে পারেনি। এরা কি করে সেটা দেখার আগ্রহ আছে।

শেষ কথা হলো আমার শখ নাই টাকা দিয়ে আপাতত গিনিপিগ হওয়ার। আমার বাসায় ৮-৯টার মত ডিভাইস আছে যেগুলিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। এই জঙ্গল ডঙ্গল আমার জন্য না!

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.