Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

কমিউনিটির জন্যই কাজ করে যেতে চাই

07 বৃহস্পতিবার জুন 2012

Posted by Omi Azad in ব্যক্তিগত, মাইক্রোসফট

≈ 15 Comments

গতকাল ছিলো ইবানের জন্মদিন, আর মাইক্রোসফট বাংলাদেশের সাথে কাজ না করার সিদ্ধান্তটাও বাস্তবায়ন করলাম গতকালকে। বেশ কিছু পত্রিকা/অনলাইন মাধ্যমের বদৌলতে এই খবর এখন পুরাতন, কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন করছে কেন এই সিদ্ধান্ত আর ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি।

মাইক্রোসফটের সাথে কাজ করে আসছি সেই ২০০২ সাল থেকে, মাইক্রোসফটের তৈরী করা ছোট বড় প্রায় ১২০টি পণ্য ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২০০৯ সালে যখন সুযোগ হয়, তখন  এক্সপ্লোর করার সুযোগটা হাতছাড়া হতে দেইনি। কাছে থেকে গত আড়াই বছরে বহু কিছু দেখেছি এবং শিখেছি। সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আমার পরিচিত অনেক ডেভলপার আছে, যারা কি করবে, কিভাবে করবে বুঝতে পারছেনা। অথচ মাইক্রোসফটের একটি প্রযুক্তির উপরে অভিজ্ঞতা অর্জন করলেই ভবিষ্যত নিয়ে আর চিন্তা করতে হয়না। গত জানুয়ারি মাসের একটা ছোট্ট জরিপে দেখানো হয়েছে যে উন্নতবিশ্বে প্রায় দেড়লাখ ডায়নামিক্স ন্যাভ ডেভলপার দরকার ছিলো ২০১১ সালে এবং তিনগুন ডেভলপার দরকার ২০১২ সালে, একই জরিপে শেয়ারপয়েন্টের কথাও এরকম বলা হয়েছে; তবে শেয়ারপয়েন্টের ডেভলপার দরকার আরও বেশী। এদের পারিশ্রমিকও কিন্তু কম না, নবীনদেরই প্রতি মাসের বেতন হতে পারে দুই হাজার থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত! সাথে পারিবারিক স্বাস্থ্য বীমা, ভিসা স্পন্সার সহ থাকে নানান সুবিধা। আমার জানা মতে বাংলাদেশ থেকে ৩/৪ জনের বেশী এই সুবিধাগুলি নিতে পারেনি। শুধু বাংলাদেশেই ১০জন মানুষ দরকার যারা মাইক্রোসফটের লাইসেন্স এক্সপার্ট, কিন্তু এরকম মানুষ পাওয়া কঠিন।

যেজন্য এই কথাগুলি বললাম, আমার লক্ষ্য ছিলো এই জিনিসগুলি আমাদের দেশের নব্য-ডেভলপারদের সামনে তুলে ধরা, যাতে তারা অনায়াসে একটা ভালো ক্যারিয়ার গঠন করতে পারে। আমার শক্তি আমাদের দেশের ডেভলপাররা। আমাদের কিন্তু বিশাল একটা ডেভলপার কমিউনিটি আছে যাদের মন মানসিকতা অত্যন্ত খোলামেলা। একজন প্রতিষ্ঠিত ডেভলপারের কাছে একজন নবীন ডেভলপার কোনো সাহায্য চেয়েছে, কিন্তু পায়নি এমনটা হয়না। শুধু এদের এক ছাদের নিচে নেয়ার প্রয়োজন ছিলো। আমাদের খুবই পরিচিত গ্রুপ পিএইচপিএক্সপার্টস, সারা বিশ্বের ওয়েব ডেভলপাররা সেখানে কোলাবরেট করছে এবং উপকৃত হচ্ছে। পিএইচপিএক্সপার্টসের যাত্রা কিন্তু ভারত বা আমেরিকা থেকে শুরু হয়নি, হয়েছে এই বাংলাদেশ থেকে। ছোট ছোট এরকম আরও উদাহরণ আছে যা প্রমাণ করে আমরা কত শক্তিশালী এবং একটু সাহায্য পেলেই আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারি।

এই চিন্তা মাথায় রেখেই শুরুকরেছিলাম যাত্রা মাইক্রোসফটের সাথে। যাত্রার অভিজ্ঞতা অসাধারণ; চমৎকার একটা দল ছিলো মাইক্রোসফট বাংলাদেশে আর এর বাহিরে মাইক্রোসফট স্টুডেন্ট পার্টনারদের নিয়ে আমার দলটা ছিলো আরও শক্তিশালী। অনেক চড়াই উৎরই-এর মধ্যেও আমরা কাজ করে গিয়েছি স্বাভাবিকভাবে এবং জয়ের মুখ দেখেছি। কিন্তু হঠাৎ করেই আমাদের দলটিতে ভাঙ্গে যেতে শুরু করলো! এই বছর জানুয়ারী মাসে আমাদের কান্ট্রি ম্যানেজার ফিরোজ মাহমুদ আমাদের অনেকটা চমকে দিয়েই পদত্যাগ করলেন, সাথে সাথে মাইক্রোসফট শ্রীলঙ্কার কান্ট্রি ম্যানেজার আমাদের দেখাশোনার দ্বায়িত্ব নিলেন কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছিলো যে মাইক্রোসফটের এই সিদ্ধান্তটা সঠিক না। শ্রীলঙ্কার কান্ট্রি ম্যানেজারের নিজেরই অনেক বড় দ্বায়িত্ব, সে নিজের কাজের পাশাপাশি কিভাবে আমাদের সহায়তা করবে সেটা ছিলো সবার প্রশ্ন। বিভিন্ন দিক থেকে আমাদের চ্যালেঞ্জ বেড়ে যেতে লাগলো। সবকিছু কেমন যেনো এলোমেলো হয়ে যেতে লাগলো এবং দলের লোকেরা একে একে বিভিন্ন দিকে চলে যেতে থাকলেন।

লোক কমে যাওয়ায়, শেষে আমার কাজের বাহিরে অনেক কাজ বেড়ে গেলো! একটা কিছু করতে হলে সেটার কোটেশন নেয়া থেকে শুরু করে পেমেন্টের ভ্যাট/ট্যাক্স হিসাবও আমাকে করতে হচ্ছিলো, এবং হাঁপিয়ে গিয়ে গত মার্চ মাসে আমার কান্ট্রি ম্যানেজারকে এসব কথা বললে উনি আমার কাছে সময় চান। গত ৫ তারিখে আমাকে নতুন কিছু অফার করেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- টাকা পয়সা বেশী হয়তো পেতে পারি, কিন্তু সেটা দিয়েতো আর দু’টা হাত আর একটা মাথা কিনতে পারবোনা, তাই না? তাই আমি অনুরোধ করলাম আমাদের চুক্তির ইতি ঘটাতে এবং উনি কথা না বাড়িয়ে আমার অনুরোধ রাখেন।

আমি চাইলে মার্চেই ছেড়ে দিতে পারতাম, কিন্তু কমিউনিটির কাছে আমার যে প্রতিশ্রুতি আছে সেটা নষ্ট হয়ে যেতো। তাই ইমাজিন কাপ শেষ করে, তাদের সকল দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে শেষ করলাম মাইক্রোসফটের সাথে আমার যাত্রা।

আমি শুরু থেকেই কমিউনিটির কাছে প্রতিশ্রতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যাই করি, চেষ্টা করবো তা হবে কমিউনিটির জন্যই কাজ করে যেতে। আশা করবো আমার বন্ধু এবং শুভাকাঙ্খীরা আমার জন্য তাই দোয়া করবেন; আর পক্ষান্তরে আমিও মাইক্রোসফট বাংলাদেশের শুভকামনা করি, আশাকরি সকল জটিলতা পার করে আগামীতে তারা অনেক বড় হয়ে উঠবে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দৃষ্টান্তমূলক ভুমিকা পালন করবে।

শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ

26 সোমবার মার্চ 2012

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 10 Comments

Tags

জন্মদিন, বাংলাদেশ, সম্ভাবনা

আজ বাংলাদেশ নামটির ৪১তম জন্মদিন। আমরা কম বেশী সকলেই এই ইতিহাস জানি এবং ইতিহাসের পাশাপাশি আরও একটা কথা আমরা শুনে আসছি, আর সেটা হচ্ছে, “বিপুল সম্ভাবনার দেশ, বাংলাদেশ।”

৪১ বছরে এসে কারও কি জানতে ইচ্ছে হয়না যে কিসের এই সম্ভাবনা? আর কারজন্য এই সম্ভাবনা?

আমরা সম্ভাবনাময় যেই কথাগুলি শুনে আসছি, সেগুলি কিছুটা এরকম-

  • তৈরী পোষাক শিল্পে আমারদের ব্যপক সম্ভাবনা,
  • আইটি সেক্টরে আমাদের ব্যপক সম্ভবনা,
  • টেলিকম খাতে আমাদের সম্ভাবনা অস্থির,
  • সফটওয়্যার রপ্তানী দেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে ব্যপক ভূমিকা পালন করবে,
  • আউটসোর্সিং-এ আমাদের ব্যপক সম্ভাবনা, ইত্যাদি।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে এক শ্রেণীর মানুষ সম্ভাবনার কথা বলছে আর সেই কথা শুনে গ্রাম-গঞ্জ থেকে হাজার হাজার কর্মী শহরে এসে পরিশ্রম করছে দিনের পর দিন। বিনিময়ে সত্যই কি সেই পারিশ্রমিক পাচ্ছে?

৪১তম জন্মদিনে নেতানেত্রীরা যখন ছাঁয়ায় বসে কুচকাওয়াচ দেখছেন, তখন আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে-

  • ক’জন তৈরী পোষাক কারিগর এক গ্লাস ভালো পানি পান করতে পারে তাদের বাসস্থানে?
  • ক’জন তৈরী পোষাক কারিগর দু’বেলা সুষম আহার করতে পারে?
  • আইটি/টেলিকম খাত কি সত্যই আমাদের কৃষি খাতের পরিবর্তনে কোনো ভূমিকা রাখতে পেরেছে?
  • ক’জন দেশী সফটওয়্যার শ্রমিক তার পারিশ্রমিকের টাকায় আজ দেশের ভেতর এক টুকরো জমি কিনতে পেরেছে?
  • যারা আজকে বিভিন্ন ক্ষ্যাপে আউটসোর্সিং করছে, তাদের বয়স ৫০ হলে তারা কি করবে?

ভীষণ সাধারণ কিছু প্রশ্ন, কেউ কি এর জবাব দেবে?

পরিবারহীনদের পরিবার SOS Children’s Village-এ একদিন

18 রবিবার মার্চ 2012

Posted by Omi Azad in ব্যক্তিগত, মন্তব্য

≈ 8 Comments

বহুদিন ধরেই আলী ভাই আমাদের দাওয়াত দিয়ে আসছিলেন যাতে একবার গিয়ে তাদের ছোট্ট পল্লীটি ঘুরে দেখি। আমার নিজেরও খুব ইচ্ছা ছিলো গিয়ে শিশুদের জীবনধারা দেখে আসার; কিন্তু কাজের ফাঁকে সময় করে উঠতে পারছিলাম না।

গত বুধবারে ইমরান ভাই আর আমি প্ল্যান করে ফেললাম যে বৃহষ্পতিবারে দুপুরের মধ্যে সমস্থ মিটিং শেষ করে ওখানে বেড়াতে যাবো।

ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বগুড়ার এস ও ওস শিশু পল্লী’র সামনে দিয়ে যাবার সময় ওদেরকে জানার একটা আগ্রহ কাজ করতো; এত সুন্দর পরিপাটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের নেপথ্যে আসলে কি থাকতে পারে!

প্রথম যেদিন আলী ভাইয়ের সাথে দেখা হয়, সেদিন তিনি ধারনা দেন তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে, মা-বাবা হারা, বা শুধু মা হারা, অথবা শুধু বাবা হারা শিশুদের একটি পরিবারের মধ্যে রেখে, শিশুদের ভবিষ্যত গড়ে তোলে এস ও ওস শিশু পল্লী বা SOS Children’s Village. অনেকে এস ও ওস শিশু পল্লীকে এতিমখানা ভেবে ভুল করতে পারেন, আমি শুরুতেই বলে রাখি যে, এস ও ওস শিশু পল্লী আর দশটা গতানুগতির এতিমখানা না।

ভেতরে ঢুকেই আমি একটু হতভম্ব হয়ে গেলাম এর বিশালত্ব দেখে। আমরা গিয়েছিলাম ঢাকাস্থ শ্যামলী শাখায়। খেলার মাঠ, মসজিদ, বাচ্চাদের খেলার আলাদা আলাদা জায়গা, সব কিছু এত গোছানো যে চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয়না। আমাদের শহুরে বাচ্চারাই এতকিছু কল্পনাই করতে পারেনা।

একটি পল্লীর ভেতরে তারা কয়েকটি বাড়ি নিয়ে তারা আলাদা আলাদা গ্রাম তৈরী করেছে। প্রতিটি বাড়ী ডুপ্লেক্স, যার উপর তলায় শিশুরা থাকে এবং নীচে থাকে তাদের মা। একটি বাড়িতে সর্বোচ্চ ১২ জন শিশু নিয়ে তৈরী পরিবার। একটি পরিবারে মা থাকেন, যিনি বাচ্চাদের দেখাশোনা এবং পরিচর্যা করেন, আর মা’কে সাহায্য করেন খালাম্মা। ছোট্ট সোনামনির যত্নের দরকার হলে বড় ভাই-বোনেরারও পিছিয়ে থাকেনা, যেমনটি হয় একটি স্বাভাবিক পরিবারে। অসাধারণ পারিবারিক কনসেপ্ট নিয়ে সেই ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে এই সংস্থাটি।

একটি সাধারণ পরিবারের শিশু যেভাবে তার পরিবারে বেড়ে ওঠে এই পল্লীতেও শিশুরা ঠিক সেভাবেই বেড়ে ওঠে। লেখাপড়া, খেলাধুলা, বিনোদন, কোনোকিছুতেই ফাঁকি দেবার কোনো সুযোগ নেই। আর দশটা মানুষের মতন এই শিশুরা বড় হয়, নিজেদের পায়ে দাঁড়ায় এবং জীবন সংগ্রামে যোগ দিতে চলে যায় পল্লী ছেড়ে। ইচ্ছে হলে বেড়াতে আসতে পারে নিজের বেড়ে ওঠা বাড়িতে, সাথে নিয়ে আসতে পারে জীবনসঙ্গীকে 🙂

ঘুরতে ঘুরতে আমরা একটি বাড়িতে ঢুকলাম তাদের অবস্থা দেখার জন্য, তাদেরকে জানার জন্য। কথা হলো মা আর বড় মেয়ের সাথে; মেয়ে সদ্য লালমাটিয়া কলেজে ভর্তি হয়েছে। মা মেয়ে মিলে অনেক পদের নাশ্তা বানিয়ে খাওয়ালো আমাদের। মেয়ের চাঞ্চল্য ও আধুনিকতা দেখে বোঝাই যায় এই মেয়ে বহমান সমাজের স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে নিতে পারবে। ১৯৭২ সালে তৈরী হলেও বাড়ীগুলির প্ল্যানিং সত্যই প্রশংসনীয়। অসম্ভব গোছানো, একসময় মনে হচ্ছিলো, এত গোছানো কেন!

সত্যি বলতে এটা ছিলো এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা। আমরা যারা যান্ত্রিক জীবনের ঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছি, তাদের আমি এরকম পল্লী একবার ঘুরে আসার পরামর্শ দেবো। আশাকরি খারাপ লাগবেনা।

আমার নতুন গ্যাজেট কিন্ডল ফায়ার নিয়ে ১৯ ঘন্টা

30 শুক্রবার ডিসে. 2011

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 9 Comments

Tags

Android, Gadget

২০১১ সালে বেশ কিছু গ্যাজেট নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার সুযোগ হয়েছে। এর মধ্যে এন্ড্রোয়েডের বেশ কিছু ডিভাইস ছিলো। এন্ড্রয়েড নিয়ে যত ঘেঁটেছি, তিক্ততা ততই বেড়েছে। অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতা কোনো লিমিটেশন নির্ধারণ করে না দিলে হার্ডওয়্যার কিনে ক্রেতাদের বিপদে পড়তে হয়।

আমি কেনো এন্ড্রোয়েডের জিভাইসগুলি নিয়ে বিরক্ত সেটি একটা বলার প্রয়োজন মনে করছি। এই বছর শুরুর দিকেই এন্ড্রোয়েড মার্কেটের কোনো কনসিসটেন্সি ছিলোনা। একজন একটা ভালো এ্যপ্লিকেশন বানালে বোঝার উপায় নেই, যতক্ষণ সেই ডেভলপার বা কোম্পানী ঐ এ্যপ্লিকেশনের প্রচার না করছে বা ব্যবহারকারীরা ব্যবহার না করে রেটিং না করছে। শত শত এ্যপ্লিকেশন প্রতিদিন আসছে মার্কেটপ্লেসে, কিন্তু কেউ জানেনা কোথায় যায় সেগুলি। তাছাড়া ডিভাইসের কোনো স্ট্যান্ডার্ড না থাকায় কোথায় কি চলবে বলা মুশকিল! একই এ্যংগ্রি বার্ডস্ কোনো ডিভাইসে চলে, কোনোটায় চলেনা। ডিভাইস কেনার বা ব্যবহার করার আগে বলা মুশকিল কোনটায় কি চলবে। একটায় বাংলা সমর্থন করে, আরেকটায় করেনা! এই ঝামেলাগুলির জন্য আমি অনেকটা বিরক্ত। আর নিম্নমানের ডিভাইস দিয়ে বাজার সয়লাব!

যখন প্রথমবার এমাজন কিন্ডেল ফায়ারের নাম শুনলাম, ভাবলাম এবার হাতের নাগালে একটা ভালো জিনিস আসছে। মানুষ কোয়ালিটি জিনিস পাবে। আমিও একটা কেনার ব্যবস্থা করলাম আমেরিকা থেকে। গত ২৭ তারিখে হাতে এসে পৌছায় ডিভাইসটি। চালু করেই টাসকি খেলাম! শুরুতেই ক্রেতার নাম এবং বিলিং তথ্য দেখাচ্ছে! মানে আমার যেই কাজিন এটা কিনেছে তার ক্রেডিট কার্ডের তথ্যও ভরে দেয়া আছে ভেতরে। সাথে সাথে এমাজনে গিয়ে আমার কার্ড দিয়ে একটা একাউন্ট খুলে আমার তথ্য দিয়ে ডইভাইসটি চালু করলাম। আমি আমার কার্ড দিলাম, এমাজন আমার কার্ড থেকে $০.১০ কেটে আাবার ফেরৎ দিয়ে দিলো এবং নিশ্চিত করলো যে কার্ডটা ঠিক আছে আর এরপরই শুরু হলো খেলা!

আমি এপস্ সেকশনে গিয়ে ফ্রি কিছু এপ্লিকেশন নামানোর চেষ্টা করে দেখলাম, আমাতে জানালো যে “আমাকে আমেরিকার কার্ড ব্যবহার করতে হবে ফ্রি এপ্লিকেশন ব্যবহার করার জন্য” একটু হতাশ হলাম। হাল না ছেড়ে একটু গিকি ঘাঁটাঘাঁটি করা শুরু করলাম। যখন কিন্ডেলটা নেবার চিন্তা করেছিলাম, তখনই জানতাম যে একটু হ্যাক করতে হতে পারে, কারণ কিন্ডেল এখনো সেভাবে তৈরী না।

  • থ্যাংকস গিভিং এবং ক্রিসমাসের সেল ধরার জন্য এমাজন খুব তাড়াহুড়ো করে কিন্ডেল ফায়ার রিলাজ করে,
  • এমাজনের ডেভলপার টিম এখনো তৈরী না (এখনো তারা ডেভলপার হায়ার করছে),
  • এন্ড্রোয়েডের মার্কেটপ্লেস ব্লক করে নিজেদের মার্কেটপ্লেস স্টাবলিশ করার চেষ্টা করে,
  • হার্ডওয়ার বিক্রি করার চাইতে তাদের মূল লক্ষ্য ক্লাউড সার্ভিস বিক্রি করা, যেমন মুভি ভাড়া করা, বই কেনা ইত্যাদী।

যেহেতু ক্লাউড দিয়ে ভবিষ্যতে ব্যবসা হবে, তাই ভেন্ডর লক করে কমদামে ডিভাইসগুলি বিক্রি করছে তারা। ৫/৬ ঘন্টা ঘাঁটা ঘাঁটি করে দেখলাম তাদের নতুন আপডেট ৬.২ হ্যাক করার জন্য আগের পন্থাগুলি কাজ করছে না। আরও সময় নিয়ে বসলাম এবং মনে একটা ভয় কাজ করে, যদি ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে যায়! পরে এক্সডিএ ডেভলপারদের এই থ্রেড থেকে সাহায্য নিয়ে হ্যাক করে ফেললাম কিন্ডেল ফায়ার। এমাজনের জিনিসপত্র বাদ দিয়ে গো লঞ্চার লোড করলাম। এখন এটা গ্যালাক্সি ট্যাবের মতন ব্যবহার করা যায় আর এন্ড্রোয়েড মার্কেটপ্লেস থেকে সবকিছু ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়!

মাত্র ১৯ ঘন্টা ব্যবহার করেছিলাম ডিভাইসটা (পরে এক ছোট ভাই নিয়ে নিয়েছে, অবশ্যই টাকার বিনিময়ে), হ্যাক করে লোড করেছিলাম বাংলা ফন্ট, কিন্তু ঠিক মতন কাজ করেনি। বাংলা দেখার জন্য ওপেরা মোবাইল ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে আপাতত। হ্যাক করার পরে মুভি চালানোর সফটওয়্যার লোড করেছি এবং কাজ করেছে খুব সুন্দর। হার্ডওয়্যার রেন্ডারিং সমর্থন করে মৃভি প্লেব্যাক করার ক্ষেত্র। হ্যাক করে ব্যবহার করলে, এটা ইন্টারনেট ব্যবহার আর এন্টেরটেইনমেন্টের একটা ডিভাইস হিসেবে ভালো কাজে দিতে পারে। এর সাথে আসা সিল্ক ব্রাউজার আমার কাছে ভালো লেগেছ। দামের সাথে তুলনা করলে ঠিকই আছে, কিন্তু হাতে টাকা থাকলে আমি এখনো আইপ্যাড কেনার পরামর্শ দেবো…

শেষে একটা কথা বলতে চাই, কেউ যদি কারও জন্য কিনে দেয়, সেই ক্ষেত্র অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে নিজের ক্রেডিটকার্ডের মতন তথ্য ডিভাইসে দিয়ে না দেয়। আমি এমাজনে দেখেছি এই অপশন আছে, অন্যের জন্য কেনা যায় এবং তখন ওরা তথ্যগুলি লোড করে দেয়না। 🙂

হাত ধরে কাজ করলে আরও উন্নত হতে পারে আমাদের আইটি!

27 মঙ্গলবার ডিসে. 2011

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 10 Comments

বহুবছর থেকে একটা জিনিস লক্ষ্য করে আসছি, আজকে ভাবলাম এটা নিয়ে লেখা দরকার। ২০০১ থেকে একটা চেষ্টার মধ্যে আছি, কমিউনিটির জন্য কিছু করার। বিভিন্ন কাজ করার চেষ্টা করেছি যাতে অন্যদের কাজে লাগে, বিভিন্ন গ্রুপের সাথে মিশেছি, অনেকে এক হয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় যা কিছু করেছি কারও ক্ষতি হয়নি তাতে বরং লাভ হয়েছে। যত কাজ করেছি, তত নতুন জিনিস শিখেছি, নেটওয়ার্ক বড় হয়েছে, সর্বোপরি অভিজ্ঞতা বেড়েছে।

কমিউনিটির জন্য প্রথম কাজ করি লোকালাইজেশন নিয়ে। নিজের ভাষায় সবকিছু হবে, সবাই নিজের ভাষায় সব ব্যবহার করতে পারবো। ভাবতেই ভালো লাগতো। ছোট্ট একটা আইএসপি চালাতাম আর বসে বসে অনুবাদের কাজ করতাম, ফন্ট তৈরীর কাজ করতাম। এই কাজ করতে পরিচিত হয়েছি অসাধারণ কিছু মানুষের সাথে। ম্যাক ভাই, জামিল ভাই, সুজন, আলমগীর সহ অনেকে; ভারতেরও দুই একজনের সাথে কাজ করা হতো, চমৎকার সিংক্রোনাইজেশন ছিলো আমাদের মধ্যে। কেউ সরাসরি হয়তো কাজ করতনা, কিন্তু পাশে থেকে ব্যপক সহযোগীতা দিয়েছে, যেমন ইরু ভাই, মোজাহেদুল ভাই, রাসেল ভাই, মুনির ভাই, সহ অনেক অনেক মানুষের। আর কাজের পথেই বন্ধু হিসেবে পেয়েছি হাসিন হায়দারের মতন মানুষকে।

প্রথম থেকে ওপেনসোর্সের প্রতি একটা ঝোঁক ছিলো, ধারণা ছিলো সব কিছু নিজের মতন করে ঢেলে সাজানো যাবে, আর তাই লিনাক্সের এডভোকেসি করেছি প্রচুর। সঙ্গে থেকেছি অঙ্কুর, বিডিলাগ ও বিডিলুয়ার মত সংগঠনের, প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ দিয়েছি বিডিওএসএন-এর।

কিন্তু সেই শুরু থেকে একটা জিনিস লক্ষ করেছি যে আমাদের কমিউনিটিতে কিছু মানুষ আছে যারা সাহায্য করার নাম করে আসে, অনেক উঁচা লম্বা কথা বলে এবং পরে কুলশিত করে ফেলে কমিউনিটিকে। ক্ষতিগ্রস্থ হয় ফ্রেশাররা, হরিয়ে ফেলে দিক নির্দেশনা। একসময় লিনাক্সের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফোরামগুলিতে কথা হতো, এখন কি হয়েছে জানিনা! চমৎকার অনেকগুলি ফোরম এখন মৃত, এখন আলোচনা কোথায় হয় আমার জানা নাই! আবার আরেক ধরণের মানুষ আছে, যারা “কমিউনিটির জন্য কিছু করছি” বলে কিছু মেনে নিতে পারেনা। একটা ফোরাম করলে সেটার মালিক হয়ে থাকতে চায়; পরে মালিক হিসেবে স্বিকৃতী না দিলে, রাগ করে সব বন্ধ করে দেয়। আরও একদল মানুষ আছে যারা সবসময় উশখুশ করতে থাকে, ও না জানি কি বললো, এ নাজানি কি বলবে এবং না বুঝে মন্তব্য করে, এরকম কথা বলে ফেলে যেটা আরেকজনের বিরুদ্ধে যায় এবং কমিউনিটিতে ঝামেলা লেগে যায়!

এগুলি ছিলো শুরু থেকে, এখন দেখাযায় অনলাইন/অফলাইন মিডিয়াতে কাদা ছেটানো, কে কাকে কত কাদা ছেটাতে পারে। মোস্তফা জব্বার এবং অভ্র’র ঝগড়াটা মনে থাকবে অনেকদিন। অযথা একটা ঝামেলা এতদূর গিয়েছিলো। প্রথমেই যদি মোস্তফা জব্বার রাগ না করে বিষয়টা মেটানোর চেষ্টা করতেন আমার মনেহয় বেশী ঝামেলা হতোনা। এখন অনলাইন মাধ্যমগুলিতে বিভিন্ন বিষয়নিয়ে অনেক নোংরা নোংরা কথা হচ্ছে, কেউ কাজ করছে কমাউনিটি ডেভলাপ করার, কারও গা জ্বলছে অকারণে; শুরু হচ্ছে কাদা ছোঁড়া ছুঁড়ি! কেউ কারও বিরুদ্ধে কথা বললেই যেনো বীর আর কেউ গালি দিয়ে বীর!

একটা ছোট্ট উদাহরণ দি, আমরা শত শত শব্দ অনুবাদ করেছি লিনাক্স, মোজিলা, গুগল্-এর জন্য। এখন গুগল্ ওয়েবদুনিয়া নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিয়ে অনুবাদের কাজগুলি করায়!  আমরা যারা প্রথমদিকে গুগল্-এর বিভিন্ন সেবার অনুবাদ করেছি, তারা কি আজকে গুগল্-কে গিয়ে প্রশ্ন করছি যে আমাদের কাজের টাকা না দিয়ে কেন এখন টাকা দিয়ে ওয়েবদুনিয়ার কাছ থেকে অনুবাদ করাচ্ছে! ঠান্ডা মাথায় বসে বসে অনেক কিছু বিলুপ্ত হয়ে যেতে দেখেছি। ভুল করেছি, বকা খেয়েছি, তবে কমিউনিটির ক্ষতি হয়ে এরকম কিছু করিনি।

আমি আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করি যে টোট্‌কা ফোট্‌কা আইটি প্রফেশনালরা একে অন্য প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে কথা বলছে। ওপেনসোর্স নিয়ে যারা কাজ করছে তারা ক্লোজ্‌ড সোর্স প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে কথা বলে যাচ্ছে কোনো কারণ ছাড়া; আবার উল্টোটাও হচ্ছে। আবারও কনফিউজ হচ্ছে ফ্রেশাররা। আমি যদি ওপেনসোর্সের সাকসেস নিয়ে কথা বলি, এক হাজারটা কথা বলতে পারবো, আবার ক্লোজ্‌ড সোর্স প্ল্যাটফর্মে নিয়ে বলতে পারবো হয়তো তারও বেশী। ফায়ারফক্স দিয়ে যেমন কনজিউমার ওয়েব ব্রাউজিং ভালো হয়, সেরকম এন্টারপ্রাইজ এপ্লিকেশন দিনের পর দিন চালাতে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার লাগে। কিন্তু দরকার টা কি এভাবে একটা, আরেকটার সাথে তুলনা করার? যে যার স্থানে শ্রেষ্ঠ!

আইটি নিয়ে আমাদের দেশে ব্যপক সম্ভাবনা, এটা নতুন কিছু না। আমাদের উচিৎ হবে আমারা যে যেখানে আছি, সেই পরিধীর মধ্যে থেকে আমাদের অভিজ্ঞতা নতুনদের সাথে শেয়ার করা, তাদের উৎসাহিত করা। উৎসাহিত করা সবকিছু এক্সপ্লোর করে দেখার জন্য। আমাদের কখনই উচিৎ হবেনা নিজেদের মধ্যে কে কি করলো, কে কি বললো এসব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানো। আমরা যারা কমিউনিটির উন্নয়ন করার চেষ্টা করি বা করছি, তারা একটু পরচর্চায় কান না দিলে কিন্তু অনেক প্রডাক্টিভ হতে পারি। আর যারা কিছু করতে পরিনা, তারা পরনিন্দা বা পরচর্চাটা উপেক্ষা করে সেই সময়টা কিছু শেখার জন্য কাজে লাগাতে পারি। সেদিন কাকে যেনো বলছিলাম যে দু’লক্ষ টাকা প্রতিমাসে বেতন দিতে চায়, এরকম কোম্পানী ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু লোক পাচ্ছে না শেয়ারপয়েন্টের। কারণ আমরা কখনো এটা নিয়ে আলাপ করিনি, কেউ জানেনা এরকম একটা বাজার আছে। ভাই যেমনই হোক, একটা কর্মশালা বা আলোচনা সভা করলে মানুষ নামটাতো জানতে পারবে; উপস্থিত ২০০ জনের মধ্য থেকে ২০ জন তো এক্সপ্লোর করবে। ২০ জনের মধ্যে থেকে ২ জন এই প্ল্যাটফর্মকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেবে। এটাইতো আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ; আর উপস্থিতদের মধ্যে একটা দল নানারকম মন্তব্য করবে, কিছু মন্তব্য থেকে অনেক কিছু শেখা যায়; সেগুলিকে পজেটিভ ভাবে নিলেই কিন্তু পরেরবার ঝামেলা হয়না। আর আমরা এই চেষ্টাগুলি করি নতুনদের জন্য। যারা জানে, তাদের জন্য এই আয়োজনগুলি হয়না, তাই চেষ্টা করা উচিৎ নতুনদের ফিডব্যাক নেয়ার।

আমি মনে করি আইটি প্রফেশনে যারা আছে, সে একটা কম্পিউটারের দোকানের বিক্রতা হতে পারে আবার গ্রামীণফোনের সিইও হতে পারে, এদের বুদ্ধিমত্তা সাধারণ মানুষের থেকে অনেক বেশী। আমরা কেন আমাদের বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার না করে বোকার মতন নোঙরা কাজ করবো! কেনো আমরা কারও কথা না ভেবে, কিছু চিন্তা না করে একটা পদক্ষেপ নেবো বা একটা মন্তব্য করবো!

শেষে একটা কথা বলতে চাই নতুনদের জন্য। পৃথিবীতে অপশন সবসময় থাকবে, এসকিউএল সার্ভার জেনেছি দেখে ওরাকল জানা যাবেনা, এই ধারণা রাখা ঠিক না। নিজের জ্ঞানের পরিধী যত থাকবে কর্মক্ষেত্রে অপশন তত বেশী হবে। পিএইচপি শিখলে যে উইন্ডোসে কাজ করা যাবেনা এরকম ধারণা নিয়ে বেশীদূরে যাওয়া যায়না। নিজেকে সবসময় ওপেন রাখতে হবে অপশনের জন্য আর হাতের কাছে যা পাওয়া যায় একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলেই অনেক কিছু শেখা যায়। তথ্য-প্রযুক্তিকে ক্যরিয়ার হিসেবে নিতে যে পিএইচডি ডিগ্রি নিতে হবে, এমন কথা নেই। আশে পাশে দেখা শীর্ষ তথ্য-প্রযুক্তিবিদরা বেশীরভাগই কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে লেখাপাড় করেননি। আর যেহেতু আমরা রাজনীতিবিদ নই, আসুননা একে অপরের হাত ধরে, এক কমিউনিটি অন্য কমিউনিটির সাথে মিশে একত্রিত হয়ে নিজেদের উন্নত করি!

🙂

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.