Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: বাংলাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তি: বাংলাদেশ ২০০৭

02 বুধবার জানু. 2008

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ Leave a Comment

ইন্টারনেট ছড়িয়ে পড়ার বছর
২০০৭ সালে জিপিআরএস মডেম প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেট-সেবা দেওয়া শুরু করেছে দেশের একাধিক মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এতে ইন্টারনেট দেশের প্রায় জায়গায় পৌঁছে গেছে। আর ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়াটাও হয়েছে সহজ। জিএসএম ও সিডিএমএ−দুই ঘরানার মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই এ সেবা পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এখনো এর খরচ অনেক বেশি, তবু এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের বিস্তৃতি বাড়াটা জরুরি ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাড়ে চার লাখ। তবে এ সংখ্যা এখনো মোট জনসংখ্যার মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ।

দীর্ঘদিন ধরে নানা কথা, নানা আলোচনার পর ২০০৭ সালে ইন্টারনেটের মাধ্যমে টেলিফোন করার সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গত বছর ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসট্যান্স টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসেস (আইএলডিটিএস) নীতিমালা ঘোষণা করে। উন্নুক্ত ডাকের মাধ্যমে তিন ধরনের লাইসেন্স দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে এ প্রক্রিয়া অনেকখানি এগিয়েছে। দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে শুরু করে বছরের শেষ পর্যন্ত অবৈধ ভিওআইপি বন্ধ করার ব্যাপক উদ্যোগ দেখা গেছে।

২০০৭-এ বারবার আলোচনায় এসেছে সাবমেরিন ফাইবার অপটিক কেবলের সংযোগ প্রসঙ্গটি। সাগরতলে থাকা সাবমেরিন কেবলের মূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগের তার বারবার কাটা পড়ায় বিঘ্নিত হয়েছে দেশের ইন্টারনেট ও আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রতিবার তার কাটার পর ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত সংযোগ বিচ্ছিন্ন থেকেছে। তার বেশি কাটা পড়েছে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সংযোগে। তার কাটার পর সীমিত আকারে কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট-ব্যবস্থা চালু থেকেছে। এই সংযোগের একটি বিকল্প সংযোগ রাখার বিষয়টি বারবার আলোচনায় এলেও বছরের শেষ দিন পর্যন্ত বিকল্প সংযোগ চালু হয়নি। বছরের শেষ মাসে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিটিটিবি একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। Continue reading »

অনলাইনে ‘ডিভি ২০০৯’ -এর নিয়মকানুন

19 সোমবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in টিউটোরিয়াল, বাংলাদেশ

≈ 9 Comments

বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লটারির মাধ্যমে ভাগ্যবান বিজয়ীদের সুযোগ দেয়া হয় আমেরিকার নাগরিকত্ব। বছর ঘুরে আবার শুরু হয়েছে আমেরিকা যাবার ২০০৯ সালের ডিভি লটারি কার্যক্রম। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ‘ডাইভারসিটি ভিসা ২০০৯’ ঘোষণা করেছে। এবার ভারত, পাকিস্তানসহ অনেক দেশ এই ভিসা কর্মসূচী থেকে বাদ পড়লেও বাংলাদেশকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে। যারা লটারিতে অংশ নিতে চান, তাদের ইন্টারনেটে থাকা নির্দিষ্ট আবেদপত্র পূরণ করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে ছবি। সেটিও রাখতে হবে ইন্টারনেটেই।৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা পর্যন্ত। এই সময়ের পর আর আবেদন গ্রহণ করা হবে না। হাতে লেখা কোনো আবেদনপত্রও গ্রহণ করা হবে না। তবে আবেদন করার জন্য শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা না করাই ভালো। কারণ শেষ দিকে সার্ভারে বেশি চাপ পড়ায় আবেদনপত্র পাঠানোর প্রক্রিয়া ধীরগতির হতে পারে।

ডিভি ২০০৯ লটারিতে আবেদনপত্র পাঠানোর একটিই মাত্র পথ রয়েছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই ইলেকট্রনিক ডাইভারসিটি ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে হবে, যা পাওয়া যাবে http://dvlottery.state.gov ঠিকানায়। তবে সব তথ্য সম্পূর্ণ ও সঠিক না হলে আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে।

আবেদনপত্রে যা দিতে হবে:
পুরো নাম: নামের শেষাংশ/পারিবারিক নাম, প্রথম অংশ, মাঝের অংশ।
জন্মতারখি: দিন, মাস, বছর।
লিঙ্গ: পুরুষ/নারী।
জন্মস্থান: কোন শহরে জন্ম হয়েছে। আবেদনকারী যে দেশে জন্ম গ্রহণ করেছে। যে যোগ্য ভৌগোলিক অঞ্চলের দেশের বাসিন্দা তার নাম।
সঠিক ছবি: ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি অবশ্যই জেপ্যাগ ফরম্যাটের হতে হবে দৈর্ঘ্যে ৩২০ এবং প্রস্থে ২৪০ পিক্সেল। এছাড়া ছবির ইমেজ ডেপথ কালার হবে ২৪ বিট কালার, ৮ বিট কালার অথবা ৮ বিট গ্রে স্কেলের। আর স্ক্যান করা ছবি হলে সেটার সাইজ হবে ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি বা (দৈর্ঘ্যে ৩০০ এবং প্রস্থে ৩০০ পিক্সেল)। প্রতি ইঞ্চিতে ১০ ডট (ডিপিআই) রেজ্যুলেশনে ছবিটি স্ক্যান করতে হবে। ছবির আকার হবে সর্বোচ্চ ৬২.৫০০ বাইট। ছবির পেছনের দিকে সাদা বা হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি হওয়া উচিত। কালো বা খুব গাঢ় বা কোন নকশা করা জমকালো ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে মাথা ঢাকা, টুপি বা হ্যাট পরা ছবি গ্রহণ করা হবে যদি তা আবেদনকারীর মুখমন্ডল আড়াল না করে। অন্য কোন কারণে মাথা ঢাকা বা হ্যাট পরা থাকলে ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং আবেদনপত্রও বাতিল হয়ে যাবে।
পূর্ণ ঠিকানা: ঠিকানা, শহর, জেলা, পোস্টাল কোড/জিপ কোড, দেশ। যে দেশে এখন বসবাস করছেন, তার নাম। Continue reading »

আমাদের দেশে ইন্টারনেটের এত ভেজাল কেনো?

13 মঙ্গলবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 18 Comments

কথা শুরু করার আগে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর থেকে নেয়া দু’টি খবর শেয়ার করি:

সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য বিটিটিবি-ই দায়ী

বারবার সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য বিটিটিবির অদক্ষতাকে দায়ী করেছেন সফটওয়্যার ব্যবসায়ী ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা। ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, হরতালের কারণে প্রতিদিন যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হতো এতে তার চেয়েও বেশি ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের কাছে বিটিটিবির সাবমেরিন কেবলের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার দাবি করেছেন তারা।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বেসিসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, “২০০৬ সালের মে মাসে সাবমেরিন কেবল স্থাপনের পর দেশে ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে- এটাই আশা করেছিলাম। অথচ চালু হওয়ার পর থেকে ২৭ বার সাবমেরিন কেবলের কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। যার ফলে দেশের আইটি সেক্টর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে আমাদের অর্থনীতির ওপর।” সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য বিটিটিবিকে দায়ী করে তিনি বলেন, “তাদের অযোগ্যতাই এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে বলে আমরা মনে করি।”

সরকারের কাছে সাবমেরিন কেবলের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান রফিকুল ইসলাম। দেশে বেসরকারি সংস্থার কাছেও সাবমেরিন কেবল সংযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে এজন্য প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে তা লীজ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। বেসিস সভাপতি জানান, সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন থাকলে একদিনেই তথ্য প্রযুক্তি খাতে আড়াই লাখ ডলার ক্ষতি হয়।

আরেকটি খবর:

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বারবার কাটা পড়ায় হুমকির মুখে রপ্তানি বাণিজ্য

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ৯৫০ কোটি ডলারের রপ্তানি বাণিজ্য। রপ্তানির অনেক অর্ডার বাতিল হওয়ার পাশাপাশি তা চলে যাচ্ছে অন্য দেশে। বিটিটিবি জানিয়েছে, ২০০৬ সালের ২১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত ৪৩৭ কিলোমিটারের অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল এ যাবৎ ২২ বার কাটা পড়ে। এরমধ্যে নাশকতামূলকভাবে আটবার এবং অবকাঠামো উন্নয়নের সময় অসাবধানতা, ভূমিধস, চুরি ও যানবাহনের দুর্ঘটনার কারণে বাকি সময়গুলোতে লাইন কাটা পড়েছে। Continue reading »

বাংলাদেশে সফটওয়্যার প্যাটেন্ট ও পাইরেসি

29 সোমবার অক্টো. 2007

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 7 Comments

নকল সফটওয়্যার ব্যবহার বা কপিরাইট প্রসঙ্গ অধুনা বেশ আলোচিত বিষয়। আসছে নভেম্বরে প্রথমবারের মতো বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স (বিএসএ) নামক একটি আন্তর্জাতিক পাইরেসিবিরোধী সংস্থা এ বিষয়ে ঢাকায় একটি সেমিনারেরও আয়োজন করছে। সংস্থাটি সারা দুনিয়ায় সফটওয়্যার পাইরেসির বিরুদ্ধে রিতিমতো যুদ্ধ করে আসছে। পাইরেসির ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়াচ লিস্ট’ এ থাকার প্রেক্ষিতে এই সেমিনার অবশ্যই অনেক গুরুত্ব বহন করে। ধারণা করা যেতে পারে, পাইরেসির ‘স্বর্গ’ থেকে বাংলাদেশের পতনের দিন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু যারা সফটওয়্যার শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে কেবলমাত্র কপিরাইটই কি যথেষ্ট? কপিরাইট ভায়োলেশনের এই ভয়ঙ্কর সময়ে প্যাটেন্টের সঙ্গে সফটওয়্যারের সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন মোস্তাফা জব্বার।

সফটওয়্যারের জন্য কপিরাইটই যথেষ্ট –
আমাদের ধারণা এমনটাই। কিন্তু সারা দুনিয়ার পরিস্থিতি এবং বাস্তব অবস্থা অবলোকন করলে এটি নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, কপিরাইট হচ্ছে কোন সফটওয়্যারের কপি, বিক্রি, বিতরণ, ব্যবহার এককথায় পাইরেসির বিরুদ্ধে একটি ব্যবস্থা মাত্র। কিন্তু সফটওয়্যারের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে প্যাটেন্টের ওপর। প্রযুক্তিবিশ্বে এখন সফটওয়্যার উন্নয়নকারীরা তাই কপিরাইটের পাশাপাশি প্যাটেন্টের প্রতিও নজর দিচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রথম সফটওয়্যার প্যাটেন্ট –
সুদীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর সংগ্রামের পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে ‘বাংলা স্ক্রিপ্ট ইন্টারফেস সিস্টেম’ নামক একটি প্যাটেন্টের প্রত্যয়ণপত্রে স্বাক্ষর করেছেন প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস-এর নিবন্ধক জনাব মেসবাহউদ্দিন আহমেদ। ২০০৪ সালের ২৯ জুলাই এই ব্যতিক্রমী প্যাটেন্টটির অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, ১৯৯২ সালে প্রথম এই প্যাটেন্টটির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে প্যাটেন্ট অধিদপ্তর এই আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, এটি সফটওয়্যার হিসেবে কিভাবে প্যাটেন্ট অনুমোদন পাবে সেটি তখন নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এমনকি এই প্যাটেন্টটি পরীক্ষা করার মতো জ্ঞানী কোন কর্মকর্তাও তখন ছিল না।

কিন্তু ২০০৪ সালের আবেদনটি বিবেচনা করা হয়। সুদীর্ঘ সময় পরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১০ মে ২০০৭ তারিখে এই প্যাটেন্টটির গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১২০ দিনের মধ্যে এর ব্যাপারে কোন আপত্তি না ওঠায় এর প্রত্যয়ণপত্র প্রদান করা হয়। আপাতদৃষ্টে এটি একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা মনে হলেও বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য এটি একটি গুরুত্ব্বপূর্ণ ঘটনা। Continue reading »

Omi Azad’s Identity

09 সোমবার জুলাই 2007

Posted by Omi Azad in বাংলাদেশ, ব্যক্তিগত, মন্তব্য

≈ 12 Comments

Omi Azad’s Identity ছাড়া এই রচনার আর কোনো ভালো নাম খুঁজে পেলাম না। আজকে আমার নতুন ডোমেইন পেলাম omi.net.bd আমার দেশের নামের পাশে।

সাধারণভাবে BTTB ৩ অক্ষরের নাম দিতে চায়না সেটার জন্য অবশ্য একটু কাঠ খঁড় পুড়তে হয়েছে, তাছাড়া .bd ডোমেইন কেনা খুবই সহজ। প্রথমে ইন্টারনেট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। সেটা পূরণ করে প্রিন্ট করে নিয়ে যেতে হবে মগবাজারস্থ BTTB অফিসে। সেথানে ভীড় যদি বেশী থাকে তাহলে জমা দিয়ে চলে আসতে হবে এবং খোঁজ নিতে হবে ৫-৭ দিন পরে।

ততদিনে ডিমান্ড নোট তৈরী হয়ে যায় এবং গেলে সাথে সাখেই দিয়ে দেয়। সেটা নিয়ে নিকটস্থ বেসিক ব্যাংকে (গুলিস্তান শাখা সেখান থেকে কাছে) টাকা জমা দিয়ে আবার কাগজটা নিয়ে এসে মগবাজারে জমা নিতে হয়। আর কোনো হাঙ্কি পাঙ্কি নাই। আমি যেহেতু রেজিস্ট্রেশনের সময় নাম-ঠিকানা সব দিনাজপুরের দিয়েছিলাম, ওরা আমাকে এমনো বলেছিলো যে আপনি টাকি দিয়ে যান, আমরা সব প্রসেসিং করে পাঠিয়ে দেবো। বুঝেনইতো বাঙ্গালীর চরিত্র, আমি ভরসা করতে পরি নাই। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.