Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: মাইক্রোসফট

মাইক্রোসফট ডে @ ঢাকা

20 শনিবার জুন 2009

Posted by Omi Azad in মাইক্রোসফট

≈ 8 Comments

Tags

Bangladesh, Dhaka, Event, microsoft, ইভেন্ট, ঢাকা, বাংলাদেশ, মাইক্রোসফট

আজ (২০ জুন ২০০৯) বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে মাইক্রোসফট কমিউনিটি (বাংলাদেশ) সারাদিনব্যাপী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে এরকম একটি ইভেন্ট আয়োজন করলো। আইডিবি ভবনের অডিটরিয়াম এবং মিটিং রুমে সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে এই ইভেন্ট চলে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রায় আড়াইশজনের বেশী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনাল। একসাথে দু’টি ট্র্যাকে পরিচালিত হওয়া এই ইভেন্টটি মাইক্রোসফটের মোস্ট ভেল্যুয়েবল প্রফেসনাল (এমভিপি) এবং মাইক্রোসফট প্রযুক্তিবিদরা পরিচালনা করেন। একটি ট্র্যাক ছিলো ডেভলপারদের জন্য যেখানে মাইক্রোসফটের বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রযুক্তির উপরে আলোকপাত করা হয় এবং পাশাপাশি অন্য ট্র্যাকটি ছিলো সম্পুর্ণ আইটি প্রফেশনালদের জন্য।

সকাল নয়টায় ইভেন্টের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার ফিরোজ মাহমুদ এবং মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া থেকে আগত এমভিপি লিড অভিষেক কান্ত। সূচনা বক্তব্য শেষে ইভেন্টের দু’টি ট্র্যাক আলাদা হয়ে যায়। ডেভলপারদের ট্র্যাকে শুরুতেই তানজিম সাকিব এএসপি ডট নেটের এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের উপরে বক্তব্য রাখেন এবং তারপর এমভিপি মেহফুজ হোসেইন এএসপি ডট নেট প্ল্যাটফর্মে এমভিসি ফ্রেমওয়ার্কের ব্যবহারের উপরে বক্তব্য রাখেন। তারপর এমভিপি কাজী মনজুর রশিদ এমভিসি ব্যবহার করে ইউনিট টেস্টিং প্রদর্শন করেন এবং ওপেনসোর্স এএসপি ডট নেট এমভিসি এপ্লিকেশন ডটনেটসাউটের আভ্যন্তরীন বিষয় আলোচনা করেন। পরে ফয়সাল হোসেন খান মাইক্রোসফটের নতুন ওয়েব প্রযুক্তি সিলভারলাইট ব্যবহারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেন।

মধ্যাহ্ন ভোজের পরে এমজে ফেরদৌস মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট সার্ভারের বিভিন্ন বিষয় প্রদর্শন করেন এবং তার পরে এমভিপি ওমর আল যাবির এএসপি ডটনেট ব্যবহার করে ডেভলপ করা এপ্লিকেশন প্রডাকশনে নিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা আলোচনা করেন। উইন্ডোস ক্লাউড কম্পিউটিং উইন্ডোস আযিউর নিয়ে আলোচনা করেন আশিক মাহতাব এবং উইন্ডোস আযিউরের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পরিদর্শন করেন। একটি চা চক্র বিরতির পরে এমভিপি মোঃ আশরাফুল আলম ভিজ্যুয়াল স্টুডিও ২০১০ টিম সিস্টেমের উপরে গভীর আলোচনা করেন।

অন্যদিকে আইটি প্রফেশনালদের ট্র্যাকে এম. মনজুরুর রহমান মাইক্রোসফট প্রজেক্ট এবং ইপিএম এর আলোচনার মধ্যমে ট্র্যাকটি শুরু করেন। তার আলোচনা শেষে আনোয়ার হোসেন উইন্ডোস সার্ভার ২০০৮ আরটু নিয়ে কথা বলেন এবং এই বিষয়ে উপস্থিত দর্শকশ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। মধ্যাহ্ন ভোজের পরে এমভিপিরা নতুন নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মের উপরে একটি ওয়ার্কশপ করেন। এরপরে অনলাইনে মাইক্রোসফট লাইভ মিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত থেকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এমভিপি ইসমাইল মোহাম্মদ এবং বক্তব্য রাখেন এক্সচেঞ্জ সার্ভার ২০১০ এর উপরে। তারপরে আবারও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবারো লাইভ মিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত থেকে এমভিপি অমিত বানসাল এসকিউএল সার্ভার ২০০৮ এর উপরে বক্তব্য রাখেন। অনলাইনে এরকম প্রজেন্টেশন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম, যা অংশগ্রহণকারীদের জন্য বেশ চাঞ্চল্যকর একটি অনুভুতি ছিলো।

এরকম চাঞ্চল্যকর প্রদর্শনীর পরে এমভিপি অমি আজাদ উইন্ডোস সেভেনের ব্যবহারিক কিছু নমুনা প্রদর্শন করেন এবং প্রতিদিনের কম্পিউটিং-এ কিভাবে উইন্ডোস সেভেন আমাদের অনেক কাজের প্রক্রিয়াকে সহজ করবে তা আলোচনা করেন, পরে ইরতিজা এ. আক্তার মাইক্রোসফটের সর্বশেষ ইন্টারনেট ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে উপরে আলোচনা করেন এবং এর বিভিন্ন উপকারী দিক প্রদর্শন করেন। সেই সাথে তিনি উইন্ডোস লাইভের অনলাইন সেবাসমূহ বর্ণনা করেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম মাইক্রোসফট কমিউনিটি সরাসরি এরকম একটি ইভেন্টের আয়োজন করলো। ইউরোপ, আমেরিকা এমনকি ভারতেও অহরহ এরকম ইভেন্ট হয়, যা সফটওয়্যার শিল্পের অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে যা আইটি প্রফেশনাল এবং ডেভলপাররা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য উদ্ভুদ্ধ্য করে। সফটওয়্যার শিল্পে সেবার মান উন্নয়ন করাই থাকে প্রযুক্তিবিদদের চেষ্টা, আর নতুন প্রযুক্তি কিভাবে সব কাজ সহজ করবে এবং এই শিল্পের অগ্রগতিতে সাহায্য করবে সেগুলোর উপর আলোচনার জন্যই বিশ্বব্যাপী এরকম ইভেন্ট এবং কর্মশালা আয়োজন হয়ে থাকে।

ইভেন্টের শেষে মাইক্রোসফট কমিউনিটির প্রতিনিধিরা ঘোষণা দেন যে এটা শুধুই শুরু, ভবিষ্যতে এরকম ইভেন্টের আয়োজন আরও ঘণ ঘণ করার চেষ্ট করা হবে। এর পর থেকে শুধু ডেভলপার বা আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে কর্মশালা করা হবেনা, সাধারণ প্রযুক্তিপ্রেমী এবং আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং ছোট পরিসরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

নতুন সময়ের সাথে উইন্ডোসের সময় নিজে থেকে পরিবর্তন হবে

18 বৃহস্পতিবার জুন 2009

Posted by Omi Azad in টিউটোরিয়াল, বাংলাদেশ, মাইক্রোসফট

≈ 13 Comments

Tags

2003, 2008, Daylight, Saving, Server, Time, vista, windows, XP, উইন্ডোজ, এক্সপি, টাইম, ডেলইট, ভিস্তা, সময়, সার্ভার

দিনের আলো সংরক্ষণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কাল ১৯ জনু মধ্যরাত থেকে দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ১৯ জুন যখন রাত ১১টা বাজবে ঘড়িতে, তখন আমরা ঘড়িকে এক ঘন্টা এগিয়ে নিয়ে যাবো, অর্থাৎ ১১টা সময় রাত বারোটা করে ফেলতে হবে।

নতুন সময়সূচির সঙ্গে মাইক্রসফটের কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত ঘড়ির সময়ও ঠিক করে নিতে হবে। এ জন্য সমাধান দিয়েছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই সমাধানটি প্রদান করছে মাইক্রোসফট। যেই কম্পিউটারে উইন্ডোজ ভিসতা, উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৮ এবং উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৩ ব্যবহৃত হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে, সেসব কম্পিউটারে এ সমাধানটি কাজে লাগাবে।

সময়-সংক্রান্ত সমাধানটি পেতে এই ঠিকানা থেকে ইনস্টলারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। এবার কন্ট্রোল প্যানেলে ডেট অ্যান্ড টাইম অপশনে গিয়ে Time Zone Settings-এ গিয়ে (GMT + 06.00) Astana, Dhaka-এর পরিবর্তে (GMT + 06.00) Dhaka নির্বাচন করতে হবে। দিনের আলো সংরক্ষিত সময় (DST) কার্যকর করতে Automatically adjust clock for Daylight Saving Time ঘরে টিক্ দিন। ফলে ১৯ জুন রাত ১১টা থেকে সময় আপনা আপনি পরিবর্তিত হয়ে এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে আবার আগের অবস্থানে ঘড়ির সময় ফিরে যাবে।

সবচাইতে সুন্দর বাংলা ফন্ট উইন্ডোস সেভেনে

18 সোমবার মে 2009

Posted by Omi Azad in বাংলা কম্পিউটিং, মাইক্রোসফট, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 38 Comments

Tags

Bangla, Best, Font, Seven, windows, উইন্ডোজ, ফন্ট, বাংলা, মাইক্রোসফট, সেভেন

বাংলা নিয়ে মাইক্রোসফট কাজ করছে বেশী দিন হয়নি। উইন্ডোস এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২ এর সাথে প্রথম বাংলা ফন্ট দিয়েছিলো মাইক্রোসফট, পরে সেটার মান আমাদের বেশ হতাশ করে। কিন্তু সেখানেই শেষ না, বৃন্দা নামের সেই ফন্টটিকে মাইক্রোসফট এরই মধ্যে অনেক ঘষা মাজা করে ভিস্তায় সুন্দরভাবে উপস্থিত করে। উইন্ডোস ভিস্তা ব্যবহারকরীরা কোনো বাংলা ফন্ট ইনস্টল করা ছাড়াই বাংলা ব্যবহার করা যায়, কিন্তু উইন্ডোস সেভেন দিচ্ছে আশার চাইতে আরেকটু বেশী।

উইন্ডোস সেভেনের সাথে আসছে সোনার বাংলা নামের একটি ফন্ট। এক কথায় আমি বলতে চাই This is the best Bangla font ever created on earth so far.

মাইক্রোসফট চাইলে অনেক আগে এই ফন্টটা আমাদের দিতে পারতো। কারণ এই ফন্টে যেই অক্ষরগুলি ব্যবহার করা হয়েছে,  মনোটাইপের তৈরী করা সেই অক্ষরগুলি Arial Uni MS নামের ফন্টের মধ্যে অফিস ২০০০ থেকেই ছিলো। নয় বছর পরে সেটাকে ব্যবহার উপযোগী করে “সোনার বাংলা” নামে উপস্থিত করেছে মাইক্রোসফট।

ফন্টটির নমুনা:

মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার ২০০৭ এক্কেবারে বিনামূল্যে

05 রবিবার এপ্রিল 2009

Posted by Omi Azad in মাইক্রোসফট, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 11 Comments

Tags

2007, ২০০৭, Designer, Explorer, Free, Frontpage, Internet, Micrsoft, Office, Sharepoint, windows, অফিস, ইন্টারনেট, উইন্ডোজ, এক্সপ্লোরার, ডিজাইনার, ফ্রন্টপেইজ, বিনামূল্যে, মাইক্রোসফট, শেয়ারপয়েন্ট

খুব সহজে মাইক্রোসফট বিনামূ্ল্যে কিছু দেয়না। আর দিলেও তা সীমিত সংখ্যক মানুষ বা কোম্পানি পেয়ে থাকে।

তবে মাইক্রোসফটও মাঝে মাঝে একটু পাগলামী করে। তার নমুনা হচ্ছে অফিস শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার ২০০৭ তারা এক্কেবারে বিনামূল্যে বিতরণ শুরু করেছে গত ২ এপ্রিল ২০০৯ থেকে। আমি জানিনা কতদিন এরা এই কার্যক্রম চালাবে, তাই সময় ফুরিয়ে যাবার আগেই ডাউলোড করে নেয়া উচিৎ হবে।

ডাউনলোড করার আগে একবার জেনে নেয়া দরকার কি এই শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার।

আমার জানা মতে প্রথম বিনামূল্যে WYSIWYG (What You See Is What You Get)
HTML এডিটর হিসেবে মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৪-এর সাথে ফ্রন্টপেইজ এক্সপ্রেস সফটওয়্যারটি দেয়। উইন্ডোস ৯৮ ব্যবহারকারীরা সেটা ব্যবহার করতো। সঠিকভাবে কাজ না করার জন্য অনেকেই একে বলতো WYSIWTF (What You See Is What The Fuck!) এবং এর ব্যবহারে ভাটা পড়তে থাকে।

তবুও খোঁড়া ডিজাইনাররা এটার ব্যবহার করতো। পরে প্রফেশনালদের জন্য আসে মাইক্রোসফট ফ্রন্টপেইজ ৯৭ এবং তখন থেকেই ব্যপক জনপ্রিয় হতে থাকে ফ্রন্টপেইজ এবং তার সর্বশেষ সংস্করণ ২০০৩। কিন্তু এর পরে মাইক্রোসফট ফ্রন্টপেইজকে দুটো আলাদা ভাগ করে ফেলে। একটা মাইক্রোসফট এক্সপ্রেশন ওয়েব যেটা সাধারণ ডিজাইনারদের জন্য এবং অন্যটি মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার, যেটাতে এক্সপ্রেশন ওয়েবের বৈশিষ্ঠ্য ছাড়াও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরীর জন্য বিশেষ ক্ষমতা দেয়া আছে।

আমরা অনেকেই ওয়েব ডিজাইনের জন্য এডোবি ড্রিমউয়েভার ব্যবহার করি, শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার সেরকম কাজই করে থাকে এবং এর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা হলো এটা বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। তাহলে পাইরেটেড ড্রিমউয়েভার বাদ দিয়ে একবার এটা ব্যবহার করে দেখি। 🙂

  • শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার ২০০৭ বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানা থেকে।
  • শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার ২০০৭ সম্পর্কে কিছু প্রশ্নোত্তর পাওয়া যাবে এই ঠিকানা থেকে।
  • মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার কাস্টমারদের উদ্দেশ্য করে লিখা একটি চিঠি দেখা যাবে এই ঠিকানা থেকে।

আশাকরি মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট ডিজাইনার ২০০৭ ওয়েব ডিজাইনারদের কাজে দেবে।

কোথা থেকে এলো উইন্ডোস সেভেন নামটি!

26 সোমবার জানু. 2009

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, মাইক্রোসফট

≈ 7 Comments

Tags

৭, উইন্ডোজ, মাইক্রোসফট, সেভেন

এরই মধ্যে উইন্ডোস সেভেন নামটি বেশ পরিচিত হয়ে গিয়েছে আমাদের কাছে। অনেকে ব্যবহারও করছি, কিন্তু আমাদের সবারই মনে একটা প্রশ্ন, কেনো এই নাম ব্যবহার করলো মাইক্রোসফট। অন্য কিছুও তো ব্যবহার করতে পারতো।

প্রথমে মাইক্রোসফট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে উইন্ডোসের নাম আগের মতন করেই করা হবে, যেমন প্রথম উইন্ডোসের নাম ছিলো ১.০, এর পরে আসে ২.০, তারপরে আসে এনটি। উইন্ডোস এনটি ছিলো আসলে উইন্ডোস ৩.০। এর পরে ব্যবহারকারীদের জন্য পরিমার্জিত একটি সংস্করণ আসে যার নাম ৩.১ এবং ৩.১১। কিন্তু তার পরে ৯৫ – ৯৮ – ২০০০ এভাবে আসতে থাকে। পরে আবার সেই ধারা বাদ দিয়ে নাম দেয়া শুরু করে, যেমন এক্সপি, ভিস্তা।

মাইক্রোসফট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা তাদের আগের নামের ধারাবাহিকতায় ফিরে যাবে। কেনো? আমি জানিনা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছে, মাইক্রোসফট যেহেতু অনেক কিছু অ্যাপল থেকে নকল করে আসছে (যেমন ইউজার ইন্টারফেইসে অ্যাপলের ম্যাক ওএস এর অনেক কিছু নকল করেছে), সেরকম নামের ধারাবাহিকতায় ফিরে যাওয়াটাও এরকম একটা কারণ হতে পারে।

উইন্ডোস ৯৫ আসে ৩.১ (বা ৩.১১) এর পরে, কিন্তু তার কোড সংস্করণ ছিলো ৪। আর উইন্ডোস ৯৫ এর পরে আসে উইন্ডোস এনটি ৪, সেটারও কোড সংস্করণ ছিলো ৪। তার পরে আসে উইন্ডোস ৯৮, ৯৮ সেকেন্ড এডিশন এবং মিলেনিয়াম এডিশন যাদের কোড সংস্করণ ছিলো যথাক্রমে ৪.০.১৯৯৮, ৪.১০.২২২২ এবং ৪.৯০.৩০০০। সুতরাং এই সবগুলিই ছিলো সারিতে ৪র্খ সংস্করণ।

এর পরে আসলো উইন্ডোস ২০০০, যার কোড সংস্করণ ছিলো ৫.০ এবং এক্সপি’র কোড সংস্করণ ছিলো ৫.১। যদিও এক্সপি একটা মেজর রিলিজ ছিলো মাইক্রোসফটের এপ্লিকেশন ব্যবহারকারীদের জন্য, কিন্তু কিছু আভ্যন্তরীণ কাঠামো ২০০০ এর মতো হওয়ায়, এপিআই এর পরিবর্তন তেমন না হওয়ায় এর কোডে তেমন পরিবর্তন আনেনি মাইক্রোসফট। ঠিক সেরকমই, যখন উইন্ডোস সার্ভার ২০০৩ আসে, তার কোড সংস্করণ হয় ৫.২। তার পরে আসে উইন্ডোস ভিস্তা এবং তারপরে ২০০৮। উক্ত দুটি অপারেটিং সিস্টেমই কোড সংস্করণ ৬ ঘরানার।

সুতরাং আমাদের পরবর্তি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোস সেভেন এই কারণেই নাম পেয়েছে সেভেন মানে ৭। কিন্তু তার মানে কিন্তু এই না যে উইন্ডোস সেভেনের কোড সংস্করণ ৭। উইন্ডোস সেভেনের কোড সংস্করণ ৬.১ তার কারণ কিন্তু একই, যেই কারণে উইন্ডোস ২০০ এবং এক্সপির কোড সংস্করণে বিশেষ পরিবর্তন আসে নাই, সেরকম ভিস্তা আর সেভেনের কোড সংস্করণে তেমন পরিবর্তন আনছেনা মাইক্রোসফট।

সুতরাং সঙ্গত কারণে সেভেন নামটা ব্যবহার করছে মাইক্রোসফট।

তবে ইন্টারনেটে বেশ কিছু বুলি প্রচলিত আছে, যে কেনো মাইক্রোসফট উইন্ডোস সেভেন নামটা পছন্দ করলো। তার মধ্যে আমার ভালো লেগেছে এরকম ১০টি এখানে প্রকাশ করলাম:

  1. Want to remind users of the good old days of Windows for Workgroups 3.11 instead of Vista.
  2. Signifies the number of billions Bill Gates lost in the stock market last week. 🙂
  3. It’s the number of debuggers working on this version.
  4. Drawing comparisons to the seven deadly sins with name just too irresistible. 😉
  5. It’s the number of years before it’ll be released. 😀
  6. Instead of using release years, new editions will now be named according to years until the robot uprising.
  7. Because as they say at Microsoft, seventh time’s the charm. 🙂
  8. With so few names not trademarked, Windows 7 sounded better than Windows Popplers. 😀
  9. Product naming team wanted to leave early to beat rush hour.
  10. Proves that Windows is only three versions behind Apple.

আবার আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছে যে কেনো আমি বাংলায় উইন্ডোস সেভেন বলছি আমার তো ৭ (সাত) বলতে সমস্যা ছিলো না।আসলে একটা কথা আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে নাম সব সময় নামই, সেটার অনুবাদ করা ঠিক না। “বাংলা” শব্দটা যখন একটা ভাষার নাম, সেটার ইংরেজী অনুবাদ “বেঙ্গলি” হতে পারে না, ঠিক সেই রকম, “সেভেন” নামটা যারা ব্যবহার করছে সেটার বাংলায় সাত বলা ঠিক না।

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.