Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: ব্যক্তিগত

Personal Articles

পরিবারহীনদের পরিবার SOS Children’s Village-এ একদিন

18 রবিবার মার্চ 2012

Posted by Omi Azad in ব্যক্তিগত, মন্তব্য

≈ 8 Comments

বহুদিন ধরেই আলী ভাই আমাদের দাওয়াত দিয়ে আসছিলেন যাতে একবার গিয়ে তাদের ছোট্ট পল্লীটি ঘুরে দেখি। আমার নিজেরও খুব ইচ্ছা ছিলো গিয়ে শিশুদের জীবনধারা দেখে আসার; কিন্তু কাজের ফাঁকে সময় করে উঠতে পারছিলাম না।

গত বুধবারে ইমরান ভাই আর আমি প্ল্যান করে ফেললাম যে বৃহষ্পতিবারে দুপুরের মধ্যে সমস্থ মিটিং শেষ করে ওখানে বেড়াতে যাবো।

ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বগুড়ার এস ও ওস শিশু পল্লী’র সামনে দিয়ে যাবার সময় ওদেরকে জানার একটা আগ্রহ কাজ করতো; এত সুন্দর পরিপাটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের নেপথ্যে আসলে কি থাকতে পারে!

প্রথম যেদিন আলী ভাইয়ের সাথে দেখা হয়, সেদিন তিনি ধারনা দেন তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে, মা-বাবা হারা, বা শুধু মা হারা, অথবা শুধু বাবা হারা শিশুদের একটি পরিবারের মধ্যে রেখে, শিশুদের ভবিষ্যত গড়ে তোলে এস ও ওস শিশু পল্লী বা SOS Children’s Village. অনেকে এস ও ওস শিশু পল্লীকে এতিমখানা ভেবে ভুল করতে পারেন, আমি শুরুতেই বলে রাখি যে, এস ও ওস শিশু পল্লী আর দশটা গতানুগতির এতিমখানা না।

ভেতরে ঢুকেই আমি একটু হতভম্ব হয়ে গেলাম এর বিশালত্ব দেখে। আমরা গিয়েছিলাম ঢাকাস্থ শ্যামলী শাখায়। খেলার মাঠ, মসজিদ, বাচ্চাদের খেলার আলাদা আলাদা জায়গা, সব কিছু এত গোছানো যে চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয়না। আমাদের শহুরে বাচ্চারাই এতকিছু কল্পনাই করতে পারেনা।

একটি পল্লীর ভেতরে তারা কয়েকটি বাড়ি নিয়ে তারা আলাদা আলাদা গ্রাম তৈরী করেছে। প্রতিটি বাড়ী ডুপ্লেক্স, যার উপর তলায় শিশুরা থাকে এবং নীচে থাকে তাদের মা। একটি বাড়িতে সর্বোচ্চ ১২ জন শিশু নিয়ে তৈরী পরিবার। একটি পরিবারে মা থাকেন, যিনি বাচ্চাদের দেখাশোনা এবং পরিচর্যা করেন, আর মা’কে সাহায্য করেন খালাম্মা। ছোট্ট সোনামনির যত্নের দরকার হলে বড় ভাই-বোনেরারও পিছিয়ে থাকেনা, যেমনটি হয় একটি স্বাভাবিক পরিবারে। অসাধারণ পারিবারিক কনসেপ্ট নিয়ে সেই ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে এই সংস্থাটি।

একটি সাধারণ পরিবারের শিশু যেভাবে তার পরিবারে বেড়ে ওঠে এই পল্লীতেও শিশুরা ঠিক সেভাবেই বেড়ে ওঠে। লেখাপড়া, খেলাধুলা, বিনোদন, কোনোকিছুতেই ফাঁকি দেবার কোনো সুযোগ নেই। আর দশটা মানুষের মতন এই শিশুরা বড় হয়, নিজেদের পায়ে দাঁড়ায় এবং জীবন সংগ্রামে যোগ দিতে চলে যায় পল্লী ছেড়ে। ইচ্ছে হলে বেড়াতে আসতে পারে নিজের বেড়ে ওঠা বাড়িতে, সাথে নিয়ে আসতে পারে জীবনসঙ্গীকে 🙂

ঘুরতে ঘুরতে আমরা একটি বাড়িতে ঢুকলাম তাদের অবস্থা দেখার জন্য, তাদেরকে জানার জন্য। কথা হলো মা আর বড় মেয়ের সাথে; মেয়ে সদ্য লালমাটিয়া কলেজে ভর্তি হয়েছে। মা মেয়ে মিলে অনেক পদের নাশ্তা বানিয়ে খাওয়ালো আমাদের। মেয়ের চাঞ্চল্য ও আধুনিকতা দেখে বোঝাই যায় এই মেয়ে বহমান সমাজের স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে নিতে পারবে। ১৯৭২ সালে তৈরী হলেও বাড়ীগুলির প্ল্যানিং সত্যই প্রশংসনীয়। অসম্ভব গোছানো, একসময় মনে হচ্ছিলো, এত গোছানো কেন!

সত্যি বলতে এটা ছিলো এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা। আমরা যারা যান্ত্রিক জীবনের ঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছি, তাদের আমি এরকম পল্লী একবার ঘুরে আসার পরামর্শ দেবো। আশাকরি খারাপ লাগবেনা।

আমার নতুন গ্যাজেট কিন্ডল ফায়ার নিয়ে ১৯ ঘন্টা

30 শুক্রবার ডিসে. 2011

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 9 Comments

Tags

Android, Gadget

২০১১ সালে বেশ কিছু গ্যাজেট নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার সুযোগ হয়েছে। এর মধ্যে এন্ড্রোয়েডের বেশ কিছু ডিভাইস ছিলো। এন্ড্রয়েড নিয়ে যত ঘেঁটেছি, তিক্ততা ততই বেড়েছে। অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতা কোনো লিমিটেশন নির্ধারণ করে না দিলে হার্ডওয়্যার কিনে ক্রেতাদের বিপদে পড়তে হয়।

আমি কেনো এন্ড্রোয়েডের জিভাইসগুলি নিয়ে বিরক্ত সেটি একটা বলার প্রয়োজন মনে করছি। এই বছর শুরুর দিকেই এন্ড্রোয়েড মার্কেটের কোনো কনসিসটেন্সি ছিলোনা। একজন একটা ভালো এ্যপ্লিকেশন বানালে বোঝার উপায় নেই, যতক্ষণ সেই ডেভলপার বা কোম্পানী ঐ এ্যপ্লিকেশনের প্রচার না করছে বা ব্যবহারকারীরা ব্যবহার না করে রেটিং না করছে। শত শত এ্যপ্লিকেশন প্রতিদিন আসছে মার্কেটপ্লেসে, কিন্তু কেউ জানেনা কোথায় যায় সেগুলি। তাছাড়া ডিভাইসের কোনো স্ট্যান্ডার্ড না থাকায় কোথায় কি চলবে বলা মুশকিল! একই এ্যংগ্রি বার্ডস্ কোনো ডিভাইসে চলে, কোনোটায় চলেনা। ডিভাইস কেনার বা ব্যবহার করার আগে বলা মুশকিল কোনটায় কি চলবে। একটায় বাংলা সমর্থন করে, আরেকটায় করেনা! এই ঝামেলাগুলির জন্য আমি অনেকটা বিরক্ত। আর নিম্নমানের ডিভাইস দিয়ে বাজার সয়লাব!

যখন প্রথমবার এমাজন কিন্ডেল ফায়ারের নাম শুনলাম, ভাবলাম এবার হাতের নাগালে একটা ভালো জিনিস আসছে। মানুষ কোয়ালিটি জিনিস পাবে। আমিও একটা কেনার ব্যবস্থা করলাম আমেরিকা থেকে। গত ২৭ তারিখে হাতে এসে পৌছায় ডিভাইসটি। চালু করেই টাসকি খেলাম! শুরুতেই ক্রেতার নাম এবং বিলিং তথ্য দেখাচ্ছে! মানে আমার যেই কাজিন এটা কিনেছে তার ক্রেডিট কার্ডের তথ্যও ভরে দেয়া আছে ভেতরে। সাথে সাথে এমাজনে গিয়ে আমার কার্ড দিয়ে একটা একাউন্ট খুলে আমার তথ্য দিয়ে ডইভাইসটি চালু করলাম। আমি আমার কার্ড দিলাম, এমাজন আমার কার্ড থেকে $০.১০ কেটে আাবার ফেরৎ দিয়ে দিলো এবং নিশ্চিত করলো যে কার্ডটা ঠিক আছে আর এরপরই শুরু হলো খেলা!

আমি এপস্ সেকশনে গিয়ে ফ্রি কিছু এপ্লিকেশন নামানোর চেষ্টা করে দেখলাম, আমাতে জানালো যে “আমাকে আমেরিকার কার্ড ব্যবহার করতে হবে ফ্রি এপ্লিকেশন ব্যবহার করার জন্য” একটু হতাশ হলাম। হাল না ছেড়ে একটু গিকি ঘাঁটাঘাঁটি করা শুরু করলাম। যখন কিন্ডেলটা নেবার চিন্তা করেছিলাম, তখনই জানতাম যে একটু হ্যাক করতে হতে পারে, কারণ কিন্ডেল এখনো সেভাবে তৈরী না।

  • থ্যাংকস গিভিং এবং ক্রিসমাসের সেল ধরার জন্য এমাজন খুব তাড়াহুড়ো করে কিন্ডেল ফায়ার রিলাজ করে,
  • এমাজনের ডেভলপার টিম এখনো তৈরী না (এখনো তারা ডেভলপার হায়ার করছে),
  • এন্ড্রোয়েডের মার্কেটপ্লেস ব্লক করে নিজেদের মার্কেটপ্লেস স্টাবলিশ করার চেষ্টা করে,
  • হার্ডওয়ার বিক্রি করার চাইতে তাদের মূল লক্ষ্য ক্লাউড সার্ভিস বিক্রি করা, যেমন মুভি ভাড়া করা, বই কেনা ইত্যাদী।

যেহেতু ক্লাউড দিয়ে ভবিষ্যতে ব্যবসা হবে, তাই ভেন্ডর লক করে কমদামে ডিভাইসগুলি বিক্রি করছে তারা। ৫/৬ ঘন্টা ঘাঁটা ঘাঁটি করে দেখলাম তাদের নতুন আপডেট ৬.২ হ্যাক করার জন্য আগের পন্থাগুলি কাজ করছে না। আরও সময় নিয়ে বসলাম এবং মনে একটা ভয় কাজ করে, যদি ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে যায়! পরে এক্সডিএ ডেভলপারদের এই থ্রেড থেকে সাহায্য নিয়ে হ্যাক করে ফেললাম কিন্ডেল ফায়ার। এমাজনের জিনিসপত্র বাদ দিয়ে গো লঞ্চার লোড করলাম। এখন এটা গ্যালাক্সি ট্যাবের মতন ব্যবহার করা যায় আর এন্ড্রোয়েড মার্কেটপ্লেস থেকে সবকিছু ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়!

মাত্র ১৯ ঘন্টা ব্যবহার করেছিলাম ডিভাইসটা (পরে এক ছোট ভাই নিয়ে নিয়েছে, অবশ্যই টাকার বিনিময়ে), হ্যাক করে লোড করেছিলাম বাংলা ফন্ট, কিন্তু ঠিক মতন কাজ করেনি। বাংলা দেখার জন্য ওপেরা মোবাইল ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে আপাতত। হ্যাক করার পরে মুভি চালানোর সফটওয়্যার লোড করেছি এবং কাজ করেছে খুব সুন্দর। হার্ডওয়্যার রেন্ডারিং সমর্থন করে মৃভি প্লেব্যাক করার ক্ষেত্র। হ্যাক করে ব্যবহার করলে, এটা ইন্টারনেট ব্যবহার আর এন্টেরটেইনমেন্টের একটা ডিভাইস হিসেবে ভালো কাজে দিতে পারে। এর সাথে আসা সিল্ক ব্রাউজার আমার কাছে ভালো লেগেছ। দামের সাথে তুলনা করলে ঠিকই আছে, কিন্তু হাতে টাকা থাকলে আমি এখনো আইপ্যাড কেনার পরামর্শ দেবো…

শেষে একটা কথা বলতে চাই, কেউ যদি কারও জন্য কিনে দেয়, সেই ক্ষেত্র অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে নিজের ক্রেডিটকার্ডের মতন তথ্য ডিভাইসে দিয়ে না দেয়। আমি এমাজনে দেখেছি এই অপশন আছে, অন্যের জন্য কেনা যায় এবং তখন ওরা তথ্যগুলি লোড করে দেয়না। 🙂

আমার নতুন গ্যাজেট ZTE AC30

17 শনিবার ডিসে. 2011

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 9 Comments

Tags

3G, AC30, Broadband, CDMA, Fivespot, GSM, Hotspot, MiFi, Mobile, Network, Router, Verizon, WiFi, Wireless, ZTE

নিত্য-নতুন গ্যাজেট ব্যবহার করতে কে না চায়! অনেকে নতুন গ্যাজেটের খবর পায়না, অনেকে আবার ব্যবহার করে দেখার রিস্ক নিতে চায়না। আমি সুযোগ হলে ব্যবহার করে দেখতে দ্বিধা করিনা। আমি আজকে থেকে নতুন একটা ক্যাটাগরি আরম্ভ করলাম আমার ব্লগে। “গ্যাজেট” নামের এই ক্যাটাগরিতে আমি যেসব ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট ব্যবহার করি, সেগুলি নিয়ে কিছু লিখবো। হয়তো অন্যান্যদের কাজে লাগবে ভবিষ্যতে।

কিছুদিন আগে ZTE AC30 MiFi ডিভাইসটা হাতে পেলাম। ভেতরে যাবার আগে একবার জেনে নেই এই বস্তুর কাজ কি।

প্রায় দুই বছর আগে MiFi নামটা শিখেছিলাম আমেরিকার Verizon কোম্পানির কাছ থেকে। ইন্টারনেটে ঘোরাফিরা করলে এই জিনিসগুলি সম্পর্কে জানা যায় এবং ব্যবহারের ইচ্ছা জাগে। মোবাইল ইন্টারনেট এখন জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছে, ইন্টারনেট নির্ভর গ্যাজেটগুলির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মোবাইল ইন্টারনেটকেও বহনযোগ্য করার প্রয়োজন বেড়ে গেছে; আর তারই সমাধান নিয়ে এসেছে MiFi; চলার পথে সব ডিভাইসে ইন্টারনেট!

MiFi এর কথা জানার পরে একটা ইচ্ছা ছিলো ব্যবহার করার। কিন্তু Verizon-এর টা আনালে যদি না চলে! সেই সময় হাতে পাই D-Link DIR-412 রাউটার। বাজারে পাওয়া যায় এরকম যে-কোনো USB মডেম লাগিয়ে দিলেই সেটা WiFi নেটওয়ার্কে শেয়ার করা যায়।

কিন্তু মনের স্বাধ তো মেটেনা, মন চায় গাড়ীতে চলমান অবস্থায় যাতে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় 🙂 আর তখনই খবর পেলাম ZTE AC30 ডিভাইসটির। পৃথিবীতে বর্তমান সমস্থ মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি এতে সমর্থন করে।

মোবাইলের মতো দেখতে এই ডিভাইসটিতে GSM/CDMA সিমকার্ড লাগিয়ে দিলেই ডিভাইসটি নিজে থেকে মূল কনফিগারেশনের কাজগুলি করে নেয়। একসাখে পাঁচটি ডিভাইস সংযুক্ত করা যায় এর সাথে, পাঁচটাই বা কম কি! আবার USB পোর্ট দিয়ে কম্পিউটারে সংযুক্ত করলে একই সাখে ডিভাইসটি চার্জ হয় এবং USB দিয়েই নেটওয়ার্ক শেয়ার করে।

যাদের একাধিক ডিভাইসে মোবাইল ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য এটা বেশ কাজের বলে মনে হয়েছে আমার। ও, আমি এটা দিয়ে PC-to-PC গেইম খেলে ও ফাইল শেয়ার করে দেখেছি। চমৎকার কাজ করে এই পিচ্চি রাউটার দিয়ে!

MiFi-এর কনসেপ্টটা উপরের ছবির মতন। মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট নিয়ে WiFi-এর মাধ্যমে বিতরণ করা…

আমার ব্লগ এখন আইফোন সহ অন্যান্য মোবাইল ফোনে!

29 বুধবার জুন 2011

Posted by Omi Azad in বাংলা কম্পিউটিং, ব্যক্তিগত

≈ 2 Comments

Tags

Android, Bangla, Bengali, Blog, Browser, iPad, iPhone, iPod, Mobile, Opera, Platform, Plugin, WordPress, আইপড, আইপ্যাড, আইফোন, এন্ড্রোয়েড, ওপেরা, ওয়ার্ডপ্রেস, প্লাগইন, প্লাটফর্ম, বাংলা, ব্রাউজার, ব্লগ, মোবাইল

আইফোন, আইপ্যাড, এন্ড্রোয়েড ফোন, আইপড দিয়ে কিছু সাইটে গেলে মুগ্ধ হয়ে যাই, সাইটগুলি এত সুন্দর আসে মোবাইল প্লাটফর্মে! আমার ব্লগের ক্ষেত্রে মোবাইল থেকে সমস্যা হলো, আমার ব্লগের মূল ভাষা বাংলা আর বাংলা মোবাইল প্লাটফর্মের সেভাবে এখনো উপলব্ধ না।

এক বছরের বেশী হলো আইফোন, আইপড, আইপ্যাড-এ বাংলা সমর্থন এসেছে এবং প্রায় সমস্থ ব্যবহারকারীর (আই) ডিভাইসেই এখন বাংলা সমর্থন আছে। এছাড়া বাংলা সমর্থন আছে ওপেরা মিনি ব্রাউজারে, যেটা বেশীরভাগ মোবাইলের জন্য উপলব্ধ + বেশীরভাগ ব্যবহারকারী সেটা ব্যবহার করে দৈনন্দিন ওয়েব ব্রাউজের জন্য।

সেদিন একটু ঘাঁটা ঘাঁটি করে দেখলাম অনেক সলিউশন আছে যা ব্লগকে মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য উপলব্ধ করবে। এর মধ্যে আমার কাছে সবচাইতে সহজ মনে হয়েছে ইমতিয়াযের তৈরী প্লাগইন। অসাধারণ কাজ করেছে ইমতিয়ায, শুধু প্লাগইন টা ওয়ার্ডপ্রেসে যোগ করে এনেবল করে নিলেই নিলেই হলো, বাকী কাজ সে নিজে নিজে করে নেবে। পাতা বদল বা অন্যান্য নেভিগেশনের ক্ষেত্রে সুন্দর এনিমেশনও হয় 🙂

আপনিও যদি আপনার সাইট মোবাইল ব্রাউজারের জন্য উপলব্ধ করতে চান, তাহলে WordPress PDA & iPhone প্লাগইনটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। প্লাগইনটি ওয়ার্ডপ্রেসের সাইটেও রয়েছে।

চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে

31 সোমবার মে 2010

Posted by Omi Azad in ব্যক্তিগত

≈ 10 Comments

Tags

ক্যাব, ট্যাক্স, ঢাকা, বাংলাদেশ

আজ সকাল থেকে মনটা একটু খারাপ কারণটা সবার সাথে শেয়ার করা দরকার, তাই ব্লগটা লিখছি।

সকালে উঠে দেখি বৃষ্টি হচ্ছে। গাড়ী যেহেতু কেনা হয়নি এখনো অফিস যেতে হয় আমার মটর সাইকেলে করে, আর বৃষ্টিতে একমাত্র ভরসা ট্যাক্সি ক্যাব। বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সা নিয়ে ক্যাব খুঁজছি। উত্তরা থেকে গুলশান দূরত্ব কম হওয়ায় ক্যাব/সিএনজি কেউ সহজে যেতে চায়না। এক ক্যাব চালক নিজে থেকেই রাজি হলেন নিয়ে যেতে এবং সুন্দর করেই চালিয়ে নিয়ে এলেন। আমি অফিস পর্যন্ত যদি গাড়ী নিয়ে আসি তাহলে অনেকটুকু রাস্তা গিয়ে উই-টার্ন নিয়ে আসতে হয়। তাই চিন্তা করলাম রাস্তার এপাড়েই গাড়ী ছেড়ে দিয়ে পার হয়ে অফিসে যাই। ক্যাবের বিল হয়েছে প্রায় ১৩০ টাকা। আমি ২০০ টাকা দিতেই চালক বললেন উনার কাছে ভাঙতি নাই। আমার কাছেও ভাঙতি নাই, আছে ৬ টাকা, তিনটা ২ টাকার নোট 🙁

চালক আমাকে বললেন, “ভাঙতি যা আছে দিয়ে চলে যান।” আমি বললাম, “একটু অপেক্ষা করেন, আমি ব্যাংক থেকে ভাঙিয়ে আনি,” উনি বললেন, “থাক দিতে হবেনা, ১০০ টাকা দিয়েই যান।” আর আমি নির্বোধের মতন নেমে অফিসে চলে আসলাম। লিফটে উঠতে উঠতে মনে হলো আরে, আমিতো উনার মোবাইল নম্বরটা নিয়ে রাখলেও পারতাম। মোবাইলে টপ-আপ করে দিতাম টাকাটা, বা আমার বিজনেস কার্ড দিয়ে ২০০ টাকা দিয়ে আসতে পারতাম, উনি আমাকে ৭০ টাকা টপ-আপ করে দিতে পারতেন। খুব মনটা খারাপ হলো ভেবে। ভাঙতি ৬ টাকাও দেয়া হলোনা।

একটা সময় ছিলো যখন ভাড়া ছাড়া বাসে চড়তাম, টিকেট ছাড়া ট্রেনে চড়তাম, মজা করার জন্য। এখন কিন্তু ঐ সময় বা ঐ মানসিকতা নেই। আমি এখন অসম্ভব লজ্জিত ড্রাইভারকে ৩০ টাকা কম দেয়ার জন্য। ভীষণ খারাপ লাগছে নিজের কাছে, কেনো আমার মাথায় বুদ্ধি এলোনা তার মোবাইল নম্বরটা রেখে দেয়ার। যখন কোনো ট্যাক্সি/সিএনজি আসছিলোনা, তখন সে যেঁচে আমাকে নিয়ে এসেছে, অবশ্যই উপকার করেছে। আমার ৭০ টাকা বেশী দিলেও তো মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেতো না 🙁

চোর পালানোর পরেই আসলে বুদ্ধি বাড়ে আমাদের!

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.