Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: উদ্ভট

Strange Stuffs :)

আপনার মাউস ক্যালিব্রেট করুন

29 শনিবার নভে. 2008

Posted by Omi Azad in উদ্ভট

≈ 37 Comments

Tags

ঠাট্টা, হাসি তামশা

একবার ভেবে দেখেছেন কি, যে আপনি শেষ কবে আপনার মাউস ক্যালিব্রেট করেছেন? বিশেষজ্ঞদের মতে বছরে অন্তত একবার অবশ্যই আপনার মাউস ক্যালিব্রেট করা উচিৎ। এতে করে আপনার মাউসের পারফরমেন্স যেরকম বাড়বে, সেরকম আপনার কম্পিউটারেরও পারফরমেন্স বাড়বে।

তাহলে আর দেরী কেনো? এক্ষুণি আপনার মাউস ক্যালিব্রেট করে ফেলুন। নীচে যে আ এবং ন দেখতে পাচ্ছেন, আ এর বাম দিকে মাউসের বাম বোতাম ক্লিক্ করে ধরে রেখে ন পর্যন্ত নিয়ে যান। তাহলেই হয়ে যাবে। ক্লিক্ ছেড়ে দিলে কিন্তু হবে না।

আপনি কোন আবুল! যে যা বলে তাই বিশ্বাস করে বসেন

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন – পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!

01 শনিবার নভে. 2008

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 28 Comments

Tags

horlicks, বিজ্ঞাপণ, হরলিকস্

আসলেই, আমাদের দেশের বিজ্ঞাপনের এই দশা (!) এখন। এক মোবাইল কোম্পানি বলে “কাছে থাকুন” আবার ঐ কোম্পানিই আরেকটি বিজ্ঞাপনে বলে “হারিয়ে যাও।” তাহলে কি বলা ভুল হলো “পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!”

ঘটনার শুরু লন্ডনে। সেখানকার এক টেলিভিশন চ্যানেল ভুল করে একটা বিজ্ঞাপন প্রচার করে হরলিকস্ নামের একটি পণ্যের। সেখানে দেখানো হয় যে হরলিকস্ খেলে আপনার বাচ্চারা হয়ে উঠবে আরও লম্বা, আরও কঠিন এবং আরও ধুর্ত। ওরে বাবা! আর বাকি থাকলো কি!!!

এই বিজ্ঞাপন প্রচারের সাথে সাথে ওখানে একটা হাঙ্গামা হয়ে গেলো, সাধারণ জনগনের একটাই প্রশ্ন যে এরকম কিভাবে হয়। এবং এই প্রশ্নের জবাবে হরলিকস নির্মাতা জানায় যে ঐ বিজ্ঞাপনটি বাংলাদেশের জন্য তৈরী করা হয়েছে এবং ভুল করে ওখানে প্রচারিত হয়ে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু আমাকে লন্ডন থেকে দৈনিক মেট্রোতে প্রকাশিত একটি সংবাদের ছবি পাঠায়, যেটা আপনারা দেখতে পাবেন এখান থেকে।

আমি সেদিন উইকিপিডিয়াতে গিয়ে হরলিকস্ সম্পর্কে পড়ে তো অবাক হলাম এবং সত্যই তো, আমি যখন ছোট ছিলাম, হরলিকসের বিজ্ঞাপনে তাই বলা হতো, যে এটা ঘুমের সময় পান করলে ভালো ঘুম হয় এবং শরীরকে রাখে চাঙ্গা। ভারতে যখন হরলিক উৎপাদন শুরু হলো, তখন বলা হতো পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটায় হরলিকস্। আমি একটা জিনিসই বুঝলাম না, মল্ট যা কি-না গমের মতই একটা দানা এবং সাধারণত বিয়ার তৈরীতে ব্যবহৃত হয়, এটা দিয়ে তৈরী পানীয় আবার পরিবারের কি পুষ্টি যোগাবে!!!

যাই হোক, এর পরে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রক সংস্থা – অ্যাডভারটাইজিং স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এএসএ) সেদেশে স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ব্যাপারে ‘প্রমাণিত নয়’ এমন দাবি করায় হরলিকসের বিজ্ঞাপনে প্রচার বন্ধ করেছে। আজকেও টেলিভিশনে দেখলাম যে আমাদের দেশে ঐ স্লোগান নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে এবং বিজ্ঞাপনেই দেখাচ্ছে একই স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের উপর গবেষণা করে না-কি ঐ ফল পাওয়া গিয়েছে। তাহলে কি হরলিকস্ ইয়াবা’র মতই একটা ড্রাগ! যেটা তৈরী কারা হয়েছে আমাদের বাচ্চাদের মোটা তাজা করার জন্য!!

মোটা তাজার কথা বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেলো যে আমাদের গ্রামে বেশ কয়েকটি Beef Fattening (গরু মোটাতাজা করণ) প্রকল্প রয়েছে। সেখানে ছয় থেকে সাত মাস বয়সের বাচ্চা গরু কেনা হয় এবং এক থেকে দেড় বছর ধরে যত্ন নেয়া হয়, ভালো ভালো খাবার দেয়া হয় এবং খাবারে মেশানো হয় ইউরিয়া সার। যারা ইউরিয়া সার সম্পর্কে জানেননা, তাদের একটু সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেই। এটি একটি খুব শক্তিশালী সার। আমি যতদুর জানি, মাটিতে এই সারের প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ/ফসল দ্রুত বেড়ে উঠে আর তাই এই সার ব্যপকহারে এই উপমহাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। একটা বাঁধাকপি বা একটা টমেটো গাছের জীবনে ৩/৪টা ইউরিয়া সারের দানাই যথেষ্ট। তো ঐ গরু মোটাতাজা করণ প্রকল্পের খাবারে একটি গরুকে সপ্তাহে ২টি দানা খাওয়ানো হয়, এবং সেটাই না-কি ভীষণ কাজ করে গরুর বেড়ে এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠায়!

উপরের বিশ্লেষণটি দেবার কারণ এই যে, যদি হরলিকস্ খাইয়েই বাচ্চাকে লম্বা, কঠিন এবং ধুর্ত করতে হবে, তাহলে এত টাকা দিয়ে হরলিকস কেনার দরকার কি, ইউরিয়া সার খাওয়াই।

আমাদের বিজ্ঞাপণে কি দেখায় আর কি বলে, ৯৯% মানুষ লক্ষ্য করেনা। এক সময় বলা হতো, “লেমন ডিউ সাবানে রয়েছে প্রকৃতিক উপাদান অয়েল-অফ-কেট।” যার বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় Oil-of-Cat, তার মানে লেমন ডিউ সাবানে বিড়ালের চর্বি রয়েছে এবং সেটা প্রাকৃতিক। হাঃ হাঃ হাঃ

যাই হোক, আমরা অনেকে বুঝলেও কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। আমি বুঝেছি, আমার এই লেখার পাঠকেরা বুঝেছে, কিন্তু বলবে কাকে? আমাদের কথা শুনবে কে। এই লেখাও পেছনের পাতায় হারিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের নতুন পাঠকেরা জানবেও না যে এরকম একটা লেখা ছিলো। আমরা কোনোদিন কিছুই করতে পারবো না এরকম বিষয়গুলি নিয়ে।

তাহলে একটা গল্প বলে শেষ করি। বাসের এক সিটে দুই জন যাত্রী বসে আছেন। একজন এমনি বসে আছেন এবং আরেকজন সিগারেট টানছেন। অপর যাত্রী সিগারেটখোরকে বাসের ভেতরের একটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “ভাই দেখেন না, লেখা আছে, ধূমপান নিষেধ?” সেটা শুনে সিগারেটখোর আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে চালককে বলুন।” সেটা দেখে অপর যাত্রী চালকের কাছে গিয়ে বলছে, “চালক ভাই, আমার পাশের সিটের ঐ ভদ্রলোক ধূমপান করছেন এবং আমার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বিষয়টা দেখবেন।” তাই শুনে চালক বাসের ভেতরের আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “চলন্ত গাড়ীতে চালকের সাথে কথা বলবেন না।”

অর্ণবকে ফোন করেছিলাম

29 বুধবার অক্টো. 2008

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, ব্যক্তিগত

≈ 7 Comments

Tags

অর্ণব, গান, মোবাইল অপারেটর, সঙ্গীত

আজকে কি মনে হলো মোবাইলের ফোনবুক দেখতে দেখতে দেখি অর্ণবের নাম্বার। আমাদের অর্ণব যার গান আমাদের অনেকেরই চরম ভালো লাগে।

মাথায় একটা দুষ্টুমি খেলে গেলো, মনে হলো একটা কল দেই। আমাকে নম্বরটা দিয়েছিলো এক ছোটোভাই বর্ণ, দিলাম ফোন, ওদিক থেকে মাল খাওয়া এক মাতালের মতন একজন হ্যালো বললো। আমি বেশ জোরেই বললাম “অর্ণবদা” বলে অর্ণব দেশে নাই, আমি বললাম, ভাই আপনি কে। বলে আমি অর্ণবের বাবা। আমি বললাম কাকু দাদা কৈ? বলে দেশের বাইরে, আমি বললাম সেটাতো বললেনই, কোথায় গ্যাছে। বলে জানিনা। আমি বললাম কবে আসবে, বলে সেটাও জানিনা। আমি বললাম দাদার না-কি নতুন একটা এলবাম বেরিয়েছে, জানেন কিছু, বলে জানিনা। আমি গুডনাইট বলে রেখে দিলাম।

আমার ধারণা নম্বরটা ভুল। কারন, অর্ণব এমন গরীব না যে বাহিরে গিয়েছে আর মোবাইল বাবাকে দিয়ে গ্যাছে। আর বাবাও এমন আহাম্মক হবেন না যে ছেলে কৈ সেটাও জানেন না। যদি ছেলের সাথে যোগাযোগ না থাকতো তাহলে কথা ছিলো, ছেলের মোবাইল যখন চালাচ্ছে, তখন নিশ্চয়ই জানা দরকার ছিলো কোন দেশে গিয়েছে আর কবে আসবে।

যাই হোক, জিনিসটা তেমন ভালো লাগলো না। 🙁

মাইক্রোসফট যুন ফোন

15 বৃহস্পতিবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in উদ্ভট

≈ 3 Comments

তাইলে মাইক্রোসফট যুন ফোন বের করেই ফেলছে!! একবার দেখি নীচের ভিডিওটাতে সেটা কিরকম হতে পারে:

খিক্

Continue reading »

ইউক্যালিপটাসের পাতা দিয়ে মোবাইল সেট চার্জ হচ্ছে!

02 রবিবার সেপ্টে. 2007

Posted by Omi Azad in উদ্ভট

≈ 10 Comments

অবিশ্বাস্য হলেও (নাকি) সত্য! সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় শত শত মোবাইল ব্যবহারকারী ইউক্যালিপটাস গাছের পাতা দিয়ে তাদের মোবাইল চার্জ করছেন। মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের দাবি, ওই গাছের পাতা দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করে ৩ দিন ধরে নির্বিঘ্নে তারা ব্যবহার করতে পারছেন।

তারা জানান, মোবাইল ফোন সেটের ভেতর ব্যাটারির সংযোগস্থলে ইউক্যিালিপটাস গাছের কচি পাতার বোঁটা ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড লাগিয়ে রাখলে সেটের ব্যাটারিটি পুরো চার্জ হয়ে যায়। 🙂

৪ দিন আগে কাজিপুর উপজেলার জোমার খুকশিয়া গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম পাশ্ববর্তী বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে বিষয়টি প্রথম জানতে পারেন। পরে তার এলাকায় বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
কাজিপুর উপজেলা সদরের চায়ের দোকানদার খোকন তালুকদার জানান, ৩ দিনে ৫ শতাধিক মোবাইল ফোন সেটে ব্যাটারি ইউক্যালিপটাস গাছের পাতা দিয়ে চার্জ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগ্রহী মানুষের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে।

এনডিপির সমন্বয়কারী আবদুল হালিম, দোয়েল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম, এনায়েত করীম ষ্টল মালিক আবদুল কাদের, নৌকার মাঝি আজিবর, ব্যবসায়ী আলামিন, সুমন, ছাত্র শরীফ, রুহুল, বাস ড্রাইভার রানা ও শফিকুল ইসলাম পৃথকভাবে জানান, এভাবে ইউক্যালিপটাস গাছের কচি পাতা দিয়ে তারা মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ করে ব্যবহার করছেন। তবে ব্যাটারি মোবাইল থেকে খুলে ফেললে ব্যাটারির চার্জ পুরোটাই নষ্ট হয়ে যায়। কাজিপুর উপজেলার মোবাইল ফোন দোকানদাররা বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন, যদিও তারা নিজেরাও বিষয়টি দেখেছেন।

খবরটি আজকে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা থেকে নেয়া 🙂

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.