Tags

, ,

হ্যাঁ, এখন বাংলাদেশে বসেই আপনি র‍্যাপিডশেয়ারের একাউন্ট কিনতে পারছেন, আর কোনো ঝাক্কি ঝামেলা নেই। বেশ কিছুদিন হলো র‍্যাপিডশেয়ারের রিসেলারের পাতায় বাংলাদেশের দুই এজেন্টের নাম দেখা যাচ্ছে..

তাদের একটি হলো টেকনোবিডি অপরটি থ্রিডিপ্লেক্স। টেকনোবিডি অনেকদিন থেকে উচ্চমূল্যে ডেমেইন/হোস্টিং বিক্রি করে থাকে, বাজারে ডেমেইন/হোস্টিং বিক্রি করার জন্য তাদের একটা সুনামও আছে কিন্তু এই থ্রিডিপ্লেক্সকে আমি চিনিনা। তাদের ইমেইল ঠিকানাটাও খোঁড়া, জিমেইলে। কোনো প্রফেশনাল কাজে কারও ইয়াহু/হটমেইল/জিমেইল ব্যবহার করাটা ঠিক না, এরা করছে।

বাংলাদেশে যারা হোস্টিং/ডোমেইন বিক্রির কাজ করে, তাদের বিদেশে টাকা পাঠাবার কিছু তারিকা আছে। তারিকাগুলি বৈধ। কিন্তু র‍্যাপিডশেয়ারে একাউন্ট কেনার কোনো বৈধ তারিকা নেই। আমার এক বন্ধুর অনুরোধে আমি নিজে র‍্যাপিডশেয়ারে যোগাযোগ করেছিলাম যে তাদের কিভাবে টাকা দেয়া যায়, যেগুলি আমাদের দেশে বৈধ, কিন্তু সরাসরি টাকা পাঠানোর জন্য আমাদের সেরকম কোনো উপায় নেই।

যেমন ধরুন আপনার বন্ধু ভারতে থাকে, ভারতে পে-প্যাল কাজ করে, তাকে আপনি হুন্ডি করে টাকা পাঠালেন (কারন বৈধ পথে টাকা পাঠালে যে খরচ হবে, তাতে একটা ১ মাসের রেপিডশেয়ার একাউন্টের দাম হবে ১২০০ টাকা প্রায়) এবং তখন সে পে-পেল দিয়ে র‍্যাপিডশেয়ারকে টাকা পরিশোধ করে দিলো।

আমি উক্ত রিসেলারগুলির সাইট ভালো ভাবে দেখেছি, সেখানে পরিস্কার লেখা আছে র‍্যাপিডশেয়ারকে তারা না-কি পে-পেলের মাধ্যমে টাকা দিচ্ছে। আপনারা যদি একটু কষ্ট করে পে-পেলের এই পাতাটি দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন যে বাংলাদেশের সাথে পে-পেলের কোনো লেন-দেন নাই। তাহলে এই রিসেলাররা কিভাবে পে-পেলে টাকা পাঠাচ্ছে?

আমরা যারা আগে থেকে র‍্যাপিডশেয়ার ব্যবহার করি, আমাদের টাকা দেবার একটা উপায় আছে, আমরা বা আমাদের বন্ধু বান্ধবের মধ্যে যারা আউটসোর্সিং করে, তারা বিদেশে অবস্থিত তাদের ক্লায়েন্টদেরকে অনুরোধ করে একটি একাউন্ট কিনে দেবার জন্য এবং পরে সেই টাকা পেমেন্ট থেকে বিয়োগ করা হয়। কিন্তু যারা আজকে বাংলাদেশে রিসেলার হয়েছেন, তারা নিশ্চয়ই এমন কিছু করছেন না।

এখানে কি আমাদের সরকারের রাজস্ব নষ্ট হচ্ছে না? ভিওআইপি করলে রাজস্ব নষ্ট হয়, এভাবে রাজস্ব নষ্ট হয়না?