Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

বিনামূল্যে উবুন্টু ইন্ট্রেপিড আইবেক্স ডিভিডি (আবারও!!!)

02 রবিবার নভে. 2008

Posted by Omi Azad in ওপেন সোর্স, টিউটোরিয়াল

≈ 24 Comments

Tags

CD, DVD, Free, Intrepid Ibex, Kubuntu, Ubuntu, Xubuntu, ইন্ট্রাপিড আইবেক্স, উবুন্টু, উবুন্তু, কুবুন্তু, ডিভিডি, বিনামূল্য, যুবুন্তু

প্রচলিত যতগুলি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন আছে তাদের মধ্যে ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উবুন্টু ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাপী উবুন্টু লিনাক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এই বছর এপ্রিলে যখন হার্ডি রিলিজ হয় তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এই অপারেটিং সিস্টেমটি বিনামূল্যে বিতরণ করার। আর আমি প্রায় ৪০০ ডিভিডি বিতরণ করেছিলাম। কিছুদিন আগে যখন ইন্ট্রেপিড আইবেক্স রিলিজের তারিখ জানলাম, তখন বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছিলাম, যে একবারে নতুনটা বিলি করবো।

অনেকেরই ইন্টারনেটের লাইনের জোর কম, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগের মতই সহজ শর্ত সাপেক্ষে আমি ডিভিডিগুলি বিতরণ করবো এবং যে কেউ আমার কাছ থেকে এই ডিভিডি সংগ্রহ করতে পারবেন।

শর্তগুলি এরকম-

  1. ডিভিডি গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে অবশ্যই একটি ফাঁকা (Blank) ডিভিডির বিনিময়ে উবুন্তু হার্ডি হেরণ ডিভিডি সংগ্রহ করতে হবে।
  2. বিনিময়কৃত ডিভিডিতে কোনো অবস্থাতেই কোনো দাগ থাকা চলবে না, সুতরাং কেনার সময় পর্যবেক্ষণ করে ক্রয় করুন।
  3. আমার কাছ থেকে ডিভিডি নেয়ার পরে যদি সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই সেটার অনুলিপি বা কপি করে বিতরণ করতে হবে।
  4. গ্রাহককে ডিভিডি বাংলাদেশের ভেতরে যে-কোনো ঠিকানায় ডাক বা কুরিয়ার যোগে পাঠানো যাবে, সেই ক্ষেত্রে গ্রাহককে আগে ফাঁকা ডিভিডি আমার ঠিকানায় পাঠাতে হবে এবং ডাক বা কুরিয়ার মাসুল গ্রাহককেই বহন করতে হবে। এই ক্ষেত্রও দ্বিতীয় শর্তটি প্রযোজ্য হবে।
  5. বাংলাদেশের বাহিরের কোনো গাহকের অনুরোধ গ্রহণ করা হবে না। তাদের ইন্টারনেটের গতি যথেষ্ট ভালো, তাই তাদেরকে ডাউনলোড করে নিজ এলাকায় বিলি করার জন্য উৎসাহিত করা হলো।
  6. গ্রাহক শুধু ফাঁকা ডিভিডির বদলেই হার্ডি হেরণ ডিভিডি সংগ্রহ করতে পারবেন, এই লেনদেনে কোনো প্রকার টাকা-পয়সা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
  7. একজন গ্রাহক শুধু একটি ডিভিডি গ্রহণ করতে পারবেন, বন্ধ বা স্বজনের জন্য অনুরোধ গ্রহণযোগ্য না। সেই ক্ষেত্রে ডিভিডি গ্রহণের জন্য বন্ধু বা স্বজনকে আসার জন্য উৎসাহিত করা হলো।
  8. ডিভিডি বিনিময়ের সময় সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, এর পরে কোনো রকম সাক্ষাত বা ফোন কল না করার জন্য অনুরোধ করা হলো
  9. (ঐচ্ছিক) আমি মাঝারি মানের ডিভিডি সরবরাহ করি, তাই আপনাদের অনুরোধ করা হলো একেবারেই সস্তা দামের ফাঁকা ডিভিডি দেবেন না। কারণ আপনার দেয়া ডিভিডিটাই কিন্তু আমি রাইট করে আরেক ভাইকে দেবো। বিষয়টা অনুগ্রহ করে মাথায় রাখবেন।

উক্ত শর্তগুলি গ্রহণ করতে পারলে অনুগ্রহ করে ০১৭ ১৭৫২ ৩০৫২ নম্বরে ফোন করে “রুশো” এর সাথে যোগাযোগ করে স্থান এবং সময় নির্ধারণ করে ডিভিডি সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনি যদি রাজশাহী বা আশে পাশে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে ০১৯ ১২৮৯ ১৫৫০ নম্বরে রাজু’র সাথে যোগাযোগ করুন।

উল্লেখ্য যে আমার কাছে উবুন্তু ৮.১০ এর ডিভিডি ছাড়াও কুবুন্তু ৮.১০ এর ডিভিডি আছে। এইগুলি সংগ্রহ করতে হলে “রুশো” এর সাথে যোগাযোগ করে প্রথমদিন ফাঁকা সিডি দিয়ে যেতে হবে এবং পরেরদিন সেই সিডি (বিষয়বস্তু সম্বলিত) ফেরৎ নিতে হবে। তবে সিডির ক্ষেত্রেও উপরোক্ত শর্তগুলি প্রযোজ্য হবে।

এবার ইন্ট্রেপিড আইবেক্সের নতুন কিছু ফিচার উল্লেখ করা যাক-

  • নোম ২.২৪
    • ট্যাব সমর্থন যুক্ত নটিলাস
    • ট্র্যাস থেকে এখন ফাইল উদ্ধার করা যায়
    • আর্কাইভ ম্যানেজার হিসেবে থাকছে ফাইল রোলার যা p7zip ব্যবহার করে ইঞ্জিন হিসেবে।
    • এপ্লিকেশন চালু রেখে হঠাৎ করে কম্পিউটার থেকে লগ অফ বা বন্ধ করতে গেলে আপনাকে এপ্লিকেশন বন্ধ করার সতর্কবার্তা দেখানো হবে।
    • “Quit…” মেনুটি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে Mac OS X-এর মেনুর মতন করে, যেটা আগে এক্সপির মতন ছিলো।
  • আলফা ৪ ব্যবহার করে থিম চকচকা করা হয়েছে।
  • ওপেন অফিস ৩ থাকছে (আলাদা ইনস্টল করতে হয়) যা দিয়ে মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ এর ফাইল ব্যবহার করা যায়।
  • লিনাক্স কার্নেল ২.৬.২৭ (আমি এটা ইন্টারনেট থেকে জেনেছি, নিজে নিশ্চিত হতে পারিনি যে এটা আছে কি না)
  • কম্পিজ ০.৭.৭ দিয়ে চোখ ধাঁধানো ইফেক্ট দেয়া হয়েছে।
  • নতুন নেটওয়ার্ক ম্যানেজার।
  • এডোবি ফ্লাশ প্লেয়ার আগে থেকেই দেয়া থাকছে।
  • হার্ডওয়্যার ম্যানেজার দেয়া হয়েছে।
  • ইউএসবি থেকে ইনস্টল করার জন্য usb-creator প্যাকেজ দেয়া হয়েছে।
  • X.Org 7.4 এবং X Server 1.5 ও Mesa 7.1 যুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও যেগুলো পরিবর্তন চোখে সহজভাবে পড়বে সেগুলি হলো প্যানেলগুলো আরও উজ্জ্বল হয়েছে। বাটনগুলো আরও সুন্দর গ্লসি। ডিফল্ট মেন্যুও উজ্জ্বল হয়েছে এবং কাজের জন্য সুবিধাজনক। রিমুভেবল মিডিয়া মাউন্ট-আনমাউন্ট করা। কিছু ছোটখাটো বিষয় অনেক সহজ করে দিয়েছে সবকিছু। যেমন ডিফল্ট গেস্ট একাউন্ট। সেই সাথে রিস্টার্ট/সাটডাউন/লগআউট/সুইচ ইউজার ইত্যাদি একটা মেন্যুতে নিয়ে এসেছে। নেটওয়ার্ক ম্যানেজারকে আরও উন্নত করেছে। বিভিন্ন ধরনের কানেকশন সেটআপ একটি ম্যানেজারের আওতায় এনেছে। মোবাইল ইন্টারনেট কানেকশন এখন অনেক সহজ।

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন – পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!

01 শনিবার নভে. 2008

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 28 Comments

Tags

horlicks, বিজ্ঞাপণ, হরলিকস্

আসলেই, আমাদের দেশের বিজ্ঞাপনের এই দশা (!) এখন। এক মোবাইল কোম্পানি বলে “কাছে থাকুন” আবার ঐ কোম্পানিই আরেকটি বিজ্ঞাপনে বলে “হারিয়ে যাও।” তাহলে কি বলা ভুল হলো “পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!”

ঘটনার শুরু লন্ডনে। সেখানকার এক টেলিভিশন চ্যানেল ভুল করে একটা বিজ্ঞাপন প্রচার করে হরলিকস্ নামের একটি পণ্যের। সেখানে দেখানো হয় যে হরলিকস্ খেলে আপনার বাচ্চারা হয়ে উঠবে আরও লম্বা, আরও কঠিন এবং আরও ধুর্ত। ওরে বাবা! আর বাকি থাকলো কি!!!

এই বিজ্ঞাপন প্রচারের সাথে সাথে ওখানে একটা হাঙ্গামা হয়ে গেলো, সাধারণ জনগনের একটাই প্রশ্ন যে এরকম কিভাবে হয়। এবং এই প্রশ্নের জবাবে হরলিকস নির্মাতা জানায় যে ঐ বিজ্ঞাপনটি বাংলাদেশের জন্য তৈরী করা হয়েছে এবং ভুল করে ওখানে প্রচারিত হয়ে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু আমাকে লন্ডন থেকে দৈনিক মেট্রোতে প্রকাশিত একটি সংবাদের ছবি পাঠায়, যেটা আপনারা দেখতে পাবেন এখান থেকে।

আমি সেদিন উইকিপিডিয়াতে গিয়ে হরলিকস্ সম্পর্কে পড়ে তো অবাক হলাম এবং সত্যই তো, আমি যখন ছোট ছিলাম, হরলিকসের বিজ্ঞাপনে তাই বলা হতো, যে এটা ঘুমের সময় পান করলে ভালো ঘুম হয় এবং শরীরকে রাখে চাঙ্গা। ভারতে যখন হরলিক উৎপাদন শুরু হলো, তখন বলা হতো পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটায় হরলিকস্। আমি একটা জিনিসই বুঝলাম না, মল্ট যা কি-না গমের মতই একটা দানা এবং সাধারণত বিয়ার তৈরীতে ব্যবহৃত হয়, এটা দিয়ে তৈরী পানীয় আবার পরিবারের কি পুষ্টি যোগাবে!!!

যাই হোক, এর পরে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রক সংস্থা – অ্যাডভারটাইজিং স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এএসএ) সেদেশে স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ব্যাপারে ‘প্রমাণিত নয়’ এমন দাবি করায় হরলিকসের বিজ্ঞাপনে প্রচার বন্ধ করেছে। আজকেও টেলিভিশনে দেখলাম যে আমাদের দেশে ঐ স্লোগান নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে এবং বিজ্ঞাপনেই দেখাচ্ছে একই স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের উপর গবেষণা করে না-কি ঐ ফল পাওয়া গিয়েছে। তাহলে কি হরলিকস্ ইয়াবা’র মতই একটা ড্রাগ! যেটা তৈরী কারা হয়েছে আমাদের বাচ্চাদের মোটা তাজা করার জন্য!!

মোটা তাজার কথা বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেলো যে আমাদের গ্রামে বেশ কয়েকটি Beef Fattening (গরু মোটাতাজা করণ) প্রকল্প রয়েছে। সেখানে ছয় থেকে সাত মাস বয়সের বাচ্চা গরু কেনা হয় এবং এক থেকে দেড় বছর ধরে যত্ন নেয়া হয়, ভালো ভালো খাবার দেয়া হয় এবং খাবারে মেশানো হয় ইউরিয়া সার। যারা ইউরিয়া সার সম্পর্কে জানেননা, তাদের একটু সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেই। এটি একটি খুব শক্তিশালী সার। আমি যতদুর জানি, মাটিতে এই সারের প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ/ফসল দ্রুত বেড়ে উঠে আর তাই এই সার ব্যপকহারে এই উপমহাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। একটা বাঁধাকপি বা একটা টমেটো গাছের জীবনে ৩/৪টা ইউরিয়া সারের দানাই যথেষ্ট। তো ঐ গরু মোটাতাজা করণ প্রকল্পের খাবারে একটি গরুকে সপ্তাহে ২টি দানা খাওয়ানো হয়, এবং সেটাই না-কি ভীষণ কাজ করে গরুর বেড়ে এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠায়!

উপরের বিশ্লেষণটি দেবার কারণ এই যে, যদি হরলিকস্ খাইয়েই বাচ্চাকে লম্বা, কঠিন এবং ধুর্ত করতে হবে, তাহলে এত টাকা দিয়ে হরলিকস কেনার দরকার কি, ইউরিয়া সার খাওয়াই।

আমাদের বিজ্ঞাপণে কি দেখায় আর কি বলে, ৯৯% মানুষ লক্ষ্য করেনা। এক সময় বলা হতো, “লেমন ডিউ সাবানে রয়েছে প্রকৃতিক উপাদান অয়েল-অফ-কেট।” যার বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় Oil-of-Cat, তার মানে লেমন ডিউ সাবানে বিড়ালের চর্বি রয়েছে এবং সেটা প্রাকৃতিক। হাঃ হাঃ হাঃ

যাই হোক, আমরা অনেকে বুঝলেও কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। আমি বুঝেছি, আমার এই লেখার পাঠকেরা বুঝেছে, কিন্তু বলবে কাকে? আমাদের কথা শুনবে কে। এই লেখাও পেছনের পাতায় হারিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের নতুন পাঠকেরা জানবেও না যে এরকম একটা লেখা ছিলো। আমরা কোনোদিন কিছুই করতে পারবো না এরকম বিষয়গুলি নিয়ে।

তাহলে একটা গল্প বলে শেষ করি। বাসের এক সিটে দুই জন যাত্রী বসে আছেন। একজন এমনি বসে আছেন এবং আরেকজন সিগারেট টানছেন। অপর যাত্রী সিগারেটখোরকে বাসের ভেতরের একটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “ভাই দেখেন না, লেখা আছে, ধূমপান নিষেধ?” সেটা শুনে সিগারেটখোর আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে চালককে বলুন।” সেটা দেখে অপর যাত্রী চালকের কাছে গিয়ে বলছে, “চালক ভাই, আমার পাশের সিটের ঐ ভদ্রলোক ধূমপান করছেন এবং আমার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বিষয়টা দেখবেন।” তাই শুনে চালক বাসের ভেতরের আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “চলন্ত গাড়ীতে চালকের সাথে কথা বলবেন না।”

অর্ণবকে ফোন করেছিলাম

29 বুধবার অক্টো. 2008

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, ব্যক্তিগত

≈ 7 Comments

Tags

অর্ণব, গান, মোবাইল অপারেটর, সঙ্গীত

আজকে কি মনে হলো মোবাইলের ফোনবুক দেখতে দেখতে দেখি অর্ণবের নাম্বার। আমাদের অর্ণব যার গান আমাদের অনেকেরই চরম ভালো লাগে।

মাথায় একটা দুষ্টুমি খেলে গেলো, মনে হলো একটা কল দেই। আমাকে নম্বরটা দিয়েছিলো এক ছোটোভাই বর্ণ, দিলাম ফোন, ওদিক থেকে মাল খাওয়া এক মাতালের মতন একজন হ্যালো বললো। আমি বেশ জোরেই বললাম “অর্ণবদা” বলে অর্ণব দেশে নাই, আমি বললাম, ভাই আপনি কে। বলে আমি অর্ণবের বাবা। আমি বললাম কাকু দাদা কৈ? বলে দেশের বাইরে, আমি বললাম সেটাতো বললেনই, কোথায় গ্যাছে। বলে জানিনা। আমি বললাম কবে আসবে, বলে সেটাও জানিনা। আমি বললাম দাদার না-কি নতুন একটা এলবাম বেরিয়েছে, জানেন কিছু, বলে জানিনা। আমি গুডনাইট বলে রেখে দিলাম।

আমার ধারণা নম্বরটা ভুল। কারন, অর্ণব এমন গরীব না যে বাহিরে গিয়েছে আর মোবাইল বাবাকে দিয়ে গ্যাছে। আর বাবাও এমন আহাম্মক হবেন না যে ছেলে কৈ সেটাও জানেন না। যদি ছেলের সাথে যোগাযোগ না থাকতো তাহলে কথা ছিলো, ছেলের মোবাইল যখন চালাচ্ছে, তখন নিশ্চয়ই জানা দরকার ছিলো কোন দেশে গিয়েছে আর কবে আসবে।

যাই হোক, জিনিসটা তেমন ভালো লাগলো না। 🙁

দি সিটি ব্যাংক – Making No Sense of Money

14 রবিবার সেপ্টে. 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 19 Comments

Tags

ATM, Bank, Business, এটিএম, ব্যবসা, ব্যাংক

দি সিটি ব্যাংকের এটিএম মেশিনঅনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম যে এদের সেবা নিয়ে কিছু বলা দরকার। আমি আমার জীবনে অনেক ব্যাংক ব্যবহার করেছি। এই “দি সিটি ব্যাংক” তাদের মধ্যে একজন। বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ব্যাংক না-কি এরা। কিন্তু সেবার মান সরকারী ব্যাংকের থেকেও খারাপ। নেই এমন কোনো সেবা নেই এদের কিন্তু হায়! সেবার যদি কোনো মান থাকে।

প্রথমে আসি এদের এসএমএস ব্যাংকিং সেবা নিয়ে। একাউন্ট থাকলে আপনি এসএমএস ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন, তবে যে মোবাইল নম্বর দিয়ে একবার সেবা নিবেন, সেটা আর পরিবর্তন করতে পারবেন না। আমি আমার মোবাইল নম্বরটি বদলানোর জন্য অন্তত মোট ২০ বার আবেদন করেছি এবং অভিযোগ করেছি। হেড অফিসের আইটি বিভাগ থেকে আমাকে এবং আমার শাখাকে জানানো হয় যে হয়ে গ্যাছে, কিন্তু মোবাইল দিয়ে ম্যাসেজ পাঠালে বলে “You are not authorized to use this services” কিন্তু আগের নম্বর দিয়ে ম্যাসেজ পাঠালে আবার ঠিকই কাজ করে।

এর পরে আসি এদের এটিএম সেবায়। প্রথমে সেবার মান ভালো ছিলো। আমরা যারা পুরাতন একাউন্ট হোল্ডার, তাদের কার্ড খুব দ্রুত দিয়ে দিয়েছিলো এরা। কিন্তু এখন একাউন্ট খোলার পর মাসের পর মাস কার্ডের অপেক্ষায় থাকতে হয়। এই কার্ড এখন ডুমুরের ফুলের মতন।

ঠিক এমনটি হয় এদের কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে গেলে। ঢাকা শহরে হাতে গোনা ১০ টার মতন এটিএম মেশিন আছে আর বাংলাদেশে আছে মনে হয় ১৬ টা মেশিন। সেখানে টাকা তুলতে যেতে হবে ব্যাংকিং আওয়ারে। অন্য সময় টাকা না বের হলে অভিযোগ করবেন কোথায়। একবার পিন নম্বর দিয়ে ১০-১৫ মিনিট লাগে লেনদেন সম্পন্ন করতে। বেশীরভাগ সময় টাকা বের হয় না। কিন্তু স্লিপ দিয়ে দেয় যে টাকা দিয়ে দিয়েছে।

আপনার একাউন্ট খোলার দরকার নাই। আপনি একবার এদের একটা শাখায় গিয়ে আধা ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন। দেখবেন যে কত জনের কত সমস্যা। কখনো ইন্টারনেটের লাইন নাই, কখনো মেশিনে বিদ্যুৎ নাই। কার্ড ঢোকনো মাত্র মেশিন বন্ধ হয়ে গ্যাছে। আরও কত কি!

আমার এক বন্ধুর কার্ড মেশিনে আটকা পড়লো। ও একটু তাড়া হুড়ুর মধ্যে ছিলো তাই G4S এর যেই গার্ড দড়জায় পাহারা দিচ্ছিলো, তাকে বলে গেলো যে বিদ্যুৎ এলে আমার কার্ডটা নিয়ে রেখেন। বন্ধু এসে দেখে ডিউটি পরিবর্তন হয়েছে। এবং আর কোনো সময়ই ঐ গার্ডকে পাওয়া গেলো না। ম্যানেজারকে উক্ত বিষয়ে অভিযোগ করলে বলে, “আপনি কার্ডে জন্য অপেক্ষা করতে পারেন নাই?” সেই বন্ধ কার্ড হারিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করে প্রায় ২ মাস অপেক্ষা করছে, নতুন কার্ড পায়নি।

ওদের মেশিন থেকে টাকা যদি বের না হয়, ওদের কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলে বলে পাশের ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের এটিএম ব্যবহার করতে। সেখানে গিয়েও টাকা বের হয়না। আবার ফোন দেয়ার পরে সর্বমোট ৩০ মিনিট অপেক্ষায় থাকার পরে বলে সুইচে সমস্যা ছিলো, এখন দেখেন। এদের কার্ড দিয়ে যদি ডাচ্ বাংলার এটিএম মেশিন ব্যবহার করে টাকা তুলতে হয়, তাহলে এদের সেবা ব্যবহার করবো কোন দুঃখে?

কার্ড শুধু না, চেক দিয়ে টাকা তুলতে গেলে বলে একটু অপেক্ষা করেন, ইন্টারনেট নাই। এই কথা মনেহয় আপনাকে দিনে ১০০ বার শুনতে হবে। আমার ধারণা ওদের আইটি বিভাগ বা* ছিঁড়ে বসে বসে।

সেদিন ওদের এটিএম মেশিনের সামনে গিয়ে দেখি উইন্ডোজের ডেস্কটপ এসে বসে আছে। কোনো কাজ হচ্ছে না। আমি চট্ করে উপরের ছবিটা নিয়ে রাখলাম এবং অনেক্ষণ অপেক্ষা করে চলে এলাম।

আপনারাই বলেন এরকম ব্যাংকে কেউ একাউন্ট রাখবে?

MobaLiveCD একটি দূর্দান্ত অ্যাপ্লিকেশন

20 বুধবার আগস্ট 2008

Posted by Omi Azad in সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 18 Comments

Tags

Linux, MobaLiveCD, মোবালাইভ সিডি, লিনাক্স

আজকে একটা জটিল অ্যপ্লিকেশন দেখলাম। MobaLiveCD বা মোবালাইভ সিডি।

লিনাক্স চালাতে এখনো অনেকেরই একটা ভীতি এখনো কাজ করে আর তাই লিনাক্স নির্মাতারা লিনাক্সকে জানার জন্য তৈরী করে থাকে লাইভ সিডি/ডিভিডি, যাতে করে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা কোনো কিছু বদল না করেই উক্ত সিডি/ডিভিডি ব্যবহার করে অপারেটিঙ সিস্টেমটি সম্পর্কে জানতে পারে।

লাইভ সিডির ব্যবহার আরও সহজ করে দিতে বের হয়েছে মোবালাইভসিডি। উইন্ডোজ কম্পিউটারে ইনস্টল করে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোডকৃত লাইভ সিডি/ডিভিডি-এর ISO ইমেজ সিডি/ডিভিডিতে রাইট না করেই সরাসরি চালানো যায়। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে অ্যাপ্লিকেশনটি।

মোবালাইভ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এখানে,
আর কোনো লিনাক্সের লাইভ ইমেজ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে এখান থেকে।

আশাকরি এই অ্যাপ্লিকেশনটি অনেকের অনেক কাজে দেবে। লাইভ লিনাক্স চালানোর জন্য আর সিডি/ডিভিডি নষ্ট করার দরকার নাই!

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.