Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

সিটিসেলের গ্রাহক নেই সেটা দেখানোর কি দরকার ছিলো!

08 শুক্রবার আগস্ট 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 21 Comments

Tags

Citycell, Mobile, মোবাইল অপারেটর, সিটিসেল

সিটিসেল বিজ্ঞাপন

সিটিসেলের এই নতুন বিজ্ঞাপণটা আমরা বেশ কিছুদিন থেকেই দেখছি। আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যে ওরা বিজ্ঞাপণের মধ্যে নিজেদের অজান্তে একটা সত্য দেখিয়ে ফেলেছে। আর সেটা হলো, ওদের গ্রাহক নাই।

বিজ্ঞাপনে দেখা যায় দু’টো স্কুল ফেরা ছেলে খেলনা মোবাইল দিয়ে কথা বলে এবং এর মধ্যে একটি ছেলে সিটিসেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যায় এবং সেবাদাতা ভদ্রলোক তাকে মোবাইল দেখায়; ভালো থিম। কিন্তু এই থিমের মধ্যেই সেই সত্যটি লুকিয়ে আছে। ছেলেটি ঐ গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে ঢোকা থেকে বের হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ঐ কেন্দ্রে ৩য় কোনো প্রাণী নেই। অর্থাৎ তাদের কেন্দ্রের লোকেরা সারাদিন মাছি মারছে, যেহেতু তাদের কোনো কাজ নেই এবং যে বা যারা আসছে তাদেরকেই সময় দিচ্ছে।

উপরে যেই ছবিটি আমি দিয়েছি, সেটা ওদের ওয়েব সাইট থেকে নেয়া। সেখানেও একটা ভুল আছে। ওরা লিখেছে “No customer’s need is too small for us…” না আমরা কেউই ভুল পড়ছি না। আমরা যখন মোবাই/ইন্টারনেট ইত্যাদির গ্রাহক হই, তখন কিন্তু আমরা ক্রেতা না, গ্রাহক। তাহলে Customer এবং Subscriber দু’টো শব্দের মধ্যে পার্থক্য আছে। সেটা কি তারা বুঝতে পারেনি! আমার ভুল হতে পারে, তবে কথাটা এরকম হতে পারতো, “No subscriber’s need is too small for us… Even those who are not our subscriber yet.” এছাড়াও আরেকটা খটকা লাগছে এই TOO শব্দটা। No customer’s need is too small for us, which means some needs are small for them. অনেক শিক্ষিত লোক নিয়ে এরা কাজ করে, কিন্তু এরকম কথা লিখে কেনো যেটার অর্থ বিপরীত হয়।

এর আগেও একটা বিজ্ঞাপণে বলছিলো পাহাড়ের গায়ের সব কথা না-কি বসে বসে শুনবে। তাহলে কি আর কেউ তাদের সেবা নিতে চাইবে? কে যেচে ব্যক্তিগত কথা আরকজনকে শুনতে দিতে চাইবে বলুন।

মোদ্যা কথা সিটিসেলের অবস্থা ১৯৯৫ সালে যা ছিলো আজও তাই আছে। আর এর জন্য দায়ী হচ্ছে তাদের ওভার স্মার্ট ম্যানেজমেন্ট, যারা মানুষকে মানুষ মনে করেনা। ওদের ধারণা মানুষ তাদের সেবা নেবেই! আরে ভাই, তোর এমন কি আহামরি সুবিধা আছে যে তোর সেবা মানুষ গ্রহণ করবেই? আমি নিজে অনেকদিন ওদের গ্রাহক ছিলাম, শেষে কিছু ফালতু সমস্যার জন্য সেবা বাদ দিয়ে দিলাম। বিদেশে এসএমএস পাঠালে সেটা যায় ইউকে’র নম্বর হয়ে আর তার ভেতরে আমার নম্বর দেয়া থাকে। এমনকি বেশিরভাগ বিদেশী অপারেটর থেকেই কোনো এসএমএস সিটিসেলে আসেনা। ইন্টারন্যাশনাল কল ঠিকমতো আসে না। আমি নিজে স্কাইপি দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছি। তারপরে ফেলে দিয়ে অন্য অপারেটরে সুইচ করেছি এবং ভালো আছি।

এখন বিষয় হলো ওদের এই উপলব্ধিটা হওয়া উচিৎ যে ১৭ বছর ব্যবসা করেও যাদের গ্রাহকের পরিমান যাদের ব্যবসার ২য় বছর চলছে তাদের থেকে কম হয়, তাহলে তাদের সেবা কি নেয়া ঠিক হবে? যে কোম্পানী ঐ ১৭ বছরে ৪ বার নাম পরিবর্তন করেছে (সূত্র) এই কোম্পানিতো ভাই যে-কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

মামা গ্রামীণফোন তো গোয়া মেরে দিলো

24 বৃহস্পতিবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 38 Comments

Tags

Grameenphone, Mobile, গ্রামীণফোন, মোবাইল অপারেটর

আমার এক বন্ধু, টেলিভিশনে অভিনয় করে। নামটা বলছিনা (নাম বললেই সবাই চিনে ফেলবেন), আমাকে মামা ডাকে। আমি উনাকে নিয়ে ১১টার মত নাটিকা করেছিলাম পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের জন্য। চলতি মাসের শুরুর দিকে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় শুটিং চলছিলো আমার বন্ধুর প্রোডাকশন হাউজের। আমি সকাল সকাল গেলাম সেখানে, অনেকদিন কোথাও যাওয়া হয়না দেখে। ওখানে পৌছাতেই আমার ঐ বন্ধু দুর থেকে আমাকে ট্যাক্সি থেকে নামতে দেখে চিৎকার করে আমাকে বলছে “মামা গ্রামীণফোন তো গোয়া মেরে দিলো।” আমি ট্যাক্সি ভাড়া চুকিয়ে দিয়ে উনার কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম কি হয়েছে, উনার মোবাইলের সংযোগ বন্ধ হয়ে গ্যাছে এবং উনি ২ দিন থেকে সবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

বেশকিছুদিন ধরে ভাবছি এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলা দরকার। সময় করে উঠতে পারছিলাম না। গ্রামীণফোন আমাদের দেশের সবচাইতে বড় মোবাইল অপারেটর। উনাদের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি (!) এবং উনাদের দাবী একসাথে ২ কোটি গ্রাহকই কথা বলছেন, কেউ সিম ফেলে দেন নাই। কথাটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য না। আমার নিজের গ্রামীণ সিমটাইতো আমি চালাচ্ছি না। সেই সাথে আছে পরিচিত অনেকেই। তাই ভুয়া কথা বলার লিমিট নাই গ্রামীণ ফোনের বলে ধরে নিচ্ছি আপাতত।

দেশের সবচাইতে খারাপ নেটওয়ার্ক এখন গ্রামীনের। কি কারণে আমি জানিনা। তবে আমার একটা মন্তব্য আছে যেটা শেষে লিখছি। আমাদের দেশে অনেকদিন থেকেই চলছিলো মোবাইল ব্যবহারকারীদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি। সেটা নিয়ে আমি আমার ব্লগে ২/১ টা পোস্ট এর আগেও দিয়েছি। আমার সূত্রের দেয়া খবরে গ্রামীনফোনের গ্রাহকরাই ঠিকমতন তাদের নম্বরগুলি রেজিস্ট্রেশন করছিলো না, যার জন্য বার বার পুনরায় রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বিটিআরসি’র হাত পা ধরে তারিখ বর্ধিত করিয়েছে তারা এবং শেষে রেজিস্ট্রেশন করলে টাকা পাবেন, এরকম লোভ দেখিয়েছে তারা। শেষের দিকে গ্রামীণ পান দোকান বা মোবাইল টু মোবাইল টং দোকানেও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করে, যাতে মানুষ রেজিস্ট্রেশন করে। তারা মানতেই নারাজ যে অনেকে তাদের সিম ফেলে দিয়েছে এবং অন্য অপারেটর ব্যবহার করছে এবং শান্তিতে আছে। যাই হোক রেজিস্ট্রেশনের তারিখ শেষ হবার পরে একে একে বিভিন্ন নম্বর বন্ধ হয়ে গেলো। এর মধ্যে আমার সেই অভিনেতা বন্ধু একজন, আমার নিজের একটি সিম, আমার এক ছোটোবোন এবং আমার বস্ও আছে।

আমার অভিনেতা বন্ধুর শেষ পর্যন্ত কি হয়েছে তা জানিনা। সে কিন্তু আমাকে অনেক জোর দিয়েই বলেছিলো যে সে রেজিস্ট্রেশন করেছে এবং গ্রামীণ শালাদের ঢাকায় গিয়ে দেখে নেবে। সেদিনো ওর ঐ নম্বর বন্ধ দেখলাম, মনেহয় সেও ৯ বছরের ব্যবহৃত সিমের মায়া ভুলে গিয়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করছে। আমার বস্ কানাডা গিয়েছে, সেখান থেকে জার্মানি যাবেন, লম্বা সফরে আছেন। উনি যাবার আগেরদিন দুপুর থেকে নম্বরটা বন্ধ, গ্রামীণে ফোন করে জানতে চাইলে বলে রেজিস্ট্রেশন না করায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ সিমের রি-রেজিস্ট্রেশনের কাগজ আমাদের অফিসেই আছে। বস্ যেহেতু চলে গেছেন, তাই ঐ বিষয়টাও এখনো সমাধান করা হয়নি।

আমার যেই ছোটো বোনটার কথা বললাম সে ঢাকার উত্তরায় এক বেসরকারী মেডিকেল কলেজে পড়ে। ৩/৪ মাস আগে নর্থ টাওয়ারের গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে ঐ সিমটা কিনেছিলো। ছবি, আইডি কার্ডের কপি, সব দিয়েছে। কিন্তু ওর নম্বর তো বন্ধ হবার কথা না, যেহেতু নতুন নম্বর। গ্রামীণের কাছ থেকে জানা গেলো যে গ্রামীণ নাকি সমস্থ ব্যবহারকারীদের বলেছিলো পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে। নতুন পুরাতন যেই হোক, সবাইকে নাকি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরকম কবে বললো সেটাই বুঝলাম না, আর কাগজপত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সিম কিনে কি আবার ওদের ওখানে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে!!! যাই হোক, সেই সিমের কাগজ নিয়ে আমি গেলাম জসিমউদ্দিন রোডের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে। বিশা-আ-আ-আ-আ-ল লাইন। সবারই একই সমস্যা, রেজিস্ট্রেশন করেছে লাইন বন্ধ। যাদের কাগজ আছে সেই কাগজের কপি গ্রামীণের কর্মীরা নিয়ে বলছে ৭২ ঘন্টার মধ্যে লাইন চালু হয়ে যাবে। তাহলে তো আমার ঐ বন্ধুর মতো বলতেই হয়, এই ৭২ ঘন্টা কি পাবলিক গোয়া মারাবে?

যাই হোক, প্রায় এক ঘন্টার মতন অপেক্ষা করে আসলাম কাউন্টারে। কাগজ যেহেতু আছে, লাইন তো আমার বোনেরটাও চালু হয়ে যাবে। কাগজ হাতে নিয়ে কম্প্যুটারে কি টিপা টিপি করে বলছে এই কাগজ নকল। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। ওদের সেন্টার থেকে কেনা সিমের কাগজ দেখে বলছে এটা বলে নকল কাগজ। আমি অনেক কষ্টে নিজেকে স্বাভাবিক রেখে বললাম কি সমস্যা ভাই, বলে আপনার কাগজের নাম আর আমাদের ইনফরমেশন ঠিক নাই!!! আমি বললাম আপনাদেরও তো ভুল হতে পারে। বলে অসম্ভব। আমি কথা না বাড়িয়ে বের হয়ে আসছি এই সময় আমার পরিচিত ইউএনডিপি’র গাড়ির এক ড্রাইভার আমাকে জিজ্ঞেস করলো ভাই কি হলো। আমি ঘটনা বললাম। উনি তখন উনার এক্সপেরিয়েন্স বললো। উনি নাকি সিম রেজিস্ট্রেশন করেছিলো ঐ টাকা দেবার সময়। কি একটা অফার ছিলো না, এখন সিম রেজিস্টার করলে পাবেন ১০০ টাকা আর অন্যজনদের করিয়ে দিলে ৫০ টাকা। উনি সেই সময় রেজিস্ট্রেশন করেছেন। কিন্তু টাকা পায়নি আর লাইনও বন্ধ হয়ে গ্যাছে। 🙂 আমি আমার বোনটাকে একটা ওয়ারিদের সিম কিনে দিলাম।

কি অবস্থা!!!

গ্রামীণের এই সব সমস্যার পাশাপাশি আছে ভয়েসের সমস্যা। আপনি জিপি থেকে জিপ কথা বললে শুধু কথা কেটা কেটে যায়। অভিযোগ করলে বলে আমাদের সমস্যা নাই, আপনি হ্যান্ডসেট বদলান। আমার হ্যন্ডসেট দিয়ে সব অপারেটর ঠিক চলে ওদেরই সমস্যা। আরেকটা মজার খবর দেই। গ্রামীণফোন ক্রস কানেকশন। আমার বৌ এর ছোটোভাই আমাদের সাথেই থাকে। ও আবার ডিজুস ফ্যান। কয়েকদিন আগে ওর মোবাইলে একটা কল আসে, রিসিভ করে দেখে দু’জন কথা বলছে (প্রেমালাপ করছে)। অনেক চেষ্টা করেও ওদেরকে কিছু বলতে পারলাম না, আমার কথা ওরা শুনতে পাচ্ছে না, আমরা শুধু ওদের কথা শোনা যাচ্ছে। গতকালকের কথা। অফিস থেকে টিএন্ডটি দিয়ে আমাদের অফিসের এক ড্রাইভারকে ফোন করা হলো, আবার ক্রস কানেকশন। এক ম্যানেজার তার নিম্নপদস্ত কর্মচারীকে ঝাড়ছে। 🙂

এই হলো গ্রামীণের সার্ভিসের অবস্থা! এরা বলে কাছে থাকুন, এতই কাছে যে একজনের সিম আরেকজনের নামে রেজিস্টার হয়। এতই কাছে যে দু’জনের কথা অন্যজন শুনছে। একসময় দেখা যাবে ২ কোটি (!) গ্রাহক সবাই সবার কথা শুনতে পাচ্ছে। 🙂 কে কাকে কি বলছে বোঝা যাচ্ছে না। তবে সবাই কিন্তু কাছে থাকছে। এক বাসের ভেতর যখন ৪০ জনের জায়গায় ৮০ জন ঠুকে তখন যেমন কাছে থাকে, এখানেও তাই হয়েছে মনে হয়।

উপরে বলেছিলাম যে ওদের সেবা সম্পর্কে আমার একটা মন্তব্য আছে, সেটা হচ্ছে- আমার ধারণা গ্রামীণের ইঞ্জিনারদের ঘুষ খাবার অভ্যাস হয়ে গেছে এবং সেই সুযোগ নিয়ে অন্য অপারেটররা তাদের ঘুষটুস দিয়ে সার্ভিস খারাপ করে রেখেছে যাতে মানুষ বিরক্ত হয়ে ওদের সার্ভিস বাদ দিয়ে দেয় (পরিচিত অনেকেই দিচ্ছে এবং দিয়েছে এর মধ্যে), আর আমার দৃড় বিশ্বাস যে এরকম পরিকল্পনা যে করেছে সে সম্পুর্ণ সফল।

একটা ৩২ গিগা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ নিলাম

06 রবিবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত

≈ 12 Comments

Tags

32GB, Drive, Flash, OCZ, Pen, Thumb

জিনিসটা অনেক নামে পরিচিত, যখন বের হয়েছিলো তখন সবাই ডাকতো থাম্ব ড্রাইভ। পরে ডাকতে শুরু করলো ইউএসবি পেন ড্রাইভ (আমাদের দেশে এখনো এই নামেই ডাকে) আর এখন ডাকা হয় ফ্ল্যাশ ড্রাইভ নামে।

আমি আমার জীবনের প্রথম ফ্ল্যাশ ড্রাইভ কিনেছিলাম ১৬ মেগাবাইটের। আমার তখন কি ভাব যে আমার ১৬ মেগাবাইট ফ্ল্যাশ ড্রাইভ আছে যেটা নিয়ে চিন্তা করতে হয়না। ফ্লপির মতন বার বার নষ্ট হয়ে যায়না আর চালাতে ফ্লপির মতন আলাদা ড্রাইভো লাগে না। 🙂

সেটা কিনেছিলাম মনেহয় ২০০১ সালে, তখন সেটার দিম নিয়েছিলো ৩,৭০০ টাকা। কিছুদিন পরে সেটা নষ্ট হয়ে যায় এবং ওদের কাছে নিয়ে গেলে সেটা বদলে আরও ১,০০০ টাকা নিয়ে একটা ৩২ মেগাবাইটের ফ্ল্যাশ ড্রাইভ দেয়। সেটা আজও আছে আমার। এখনো চলে!

আমি আমার জীবনে আর কোনোদিন ফ্ল্যাশ ড্রাইভ কিনে ব্যবহার করিনাই। এরপরে মাইক্রোসফট দিলো ১ গিগা একটা, সেটা ব্যবহার করতে করতে মুসা ভাই (এক বড় ভাই যার প্রজেক্টে অনেকদিন কাজ করেছি) দিলো একটা ২ গিগা বাইট। পরে মাইক্রোসফট থেকে আবার ভিস্তা রিলিজ উপলক্ষে রেডিবুস্ট ক্ষমতা সম্পন্ন একটা ২ গিগাবাইটের ফ্ল্যাশ ড্রাইভ। মুসা ভাই’র দেয়াটা হারিয়ে যাবার পরে মাইক্রোসফটের দেয়া ২ গিগাটা বহুদিন ব্যবহার করেছি।

এবার পেলাম এই ৩২ গিগা ফ্ল্যাশ ড্রাইভটা। একলাফে অনেকদুর। 🙂
আমার এক ছোটোভাই আছে, নাম বর্ণ। নর্খ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রকৌশলী বিষয়ে লেখাপড়া করছে। এবার সে এটা গিফ্ট করলো আমাকে। আমেরিকাস্থ বিশ্বের উচ্চ মানের মেমরী নির্মাতা OCZ এর পণ্য এটা। এটা OCZ ATV নামে পরিচিত এবং বিরূপ আবহাওয়ার জন্য তৈরী করা হয়েছে বলে এর নাম দেয়া হয়েছে ATV.

বিশ্বের বাজারে এটা ২য় ৩২ গিগা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, এর আগেরটা বের করেছিলো কর্সএয়ার এবং গতি ভালো না হওয়ায় ওদেরটা বাজারে তেমন চলেনা।

বিডিজবস্ দের একটু ভদ্র হওয়া বা ভদ্রতা শেখা উচিৎ

04 শুক্রবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 20 Comments

Tags

BDjobs, বিডিজবস্

অনেকদিন থেকেই পরিচিত অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ শুনছি যে বিডিজবস্-এ সাইন-আপ করার পর থেকে তাদের ইমেইল বক্স আলতু ফালতু মেইল দিয়ে ভরে যাচ্ছে। হয়তো কিছুটা বেশী বলেছে, আমি সত্যতা যাচাই করার জন্য চার পাঁচ মাস আগে একটা ভুয়া একাউন্ট খুলি। এর পরে দেখি সত্যি সত্যি বিডিজবস্-এর মেইল ছাড়া আলতু ফালতু মেইল আসছে। অমুকটা দেখুন, তমুক করুন। এই সেমিনারে আসুন, ঐ ট্রেনিং-এ যান। আর কোনো মেইলি বিডিজবস্-এর ইমেইল থেকে না।

আমি ঘটনা বুঝে ফেললাম এবং বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখলাম। এরা দেশের প্রথম জব সাইট হলেও আশানুরূপ কিন্তু ব্যবসা নাই। এখন আবার অনেক জব সাইটও হয়ে গ্যাছে। বিডিজবস্-এর সাইটে গেলে দেখা যায় জঘণ্য ডিজাইনের বমির মতো বিজ্ঞাপন পড়ে আছে সাইটের প্রথম পাতায়। জাভাস্ক্রিপ্ট সেট করা আছে যাতে আপনার ব্রাউজার আপনা থেকে বড় হয়ে যায় (যদি ছোট থাকে) এবং সব বিজ্ঞাপণ আপনি দেখতে পান। আপনি চাইলেও সেটা বন্ধ করতে পারবেন না।

এরা কি আসলেই বিজ্ঞাপণের জন্য টাকা পায়, না। এরা বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন লাগাতেই থাকে যতক্ষণ লাগানো যায়। পরে কিছুদিন হয়ে গেলে এদের মার্কেটিং থেকে ঐ কোম্পানিতে গিয়ে অনুরোধ করে ভাই এতদিন ধরে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে রেখেছি কিছু টাকা দেন। ফকির যখন কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করে রাস্তায়, তখন আপনি কি করেন? এই ক্ষেত্রেও কিন্তু তেমন কোনো ব্যতিক্রম হয়না। কিছু টাকা আয় হয়ই।

আবার দেশের অনেক ছেলেপেলে ভালো একটা সুযোগের সন্ধানে এখানে রেজিস্ট্রেশন করে, সেই ইমেইল ঠিকানাগুলি এরা সংগ্রহ করে। মনে করেন আপনি একটা কিছু করতে যাচ্ছেন, ঠিক আপনার যেই ক্যাটাগরির লোককে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রন জানানো দরকার ঠিক সেই ক্যাটাগরির পাবলিকদের ইমেইল ঠিকানাগুলিতে মেইল পাঠিয়ে তাদেরকে আমন্ত্রন জানাতে পারছেন। তাই আপনার দরকার হলে বিডিজবস্-কে টাকা দিয়ে ঐ ঠিকানাগুলিতে মেইল পাঠাবেন।

বিডিজবস্-এ প্রোফাইল খুলে যদি এরকম অশান্তি হয়, তাহলে কিন্তু ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যাবে। এমন একটা সময় ছিলো যখন মানুষ এই স্প্যাম বিষয়টা বুঝতো না। আমি একটা নতুন ইমেই ঠিকানা খুললাম, সেটা দিয়ে বিডিজবসে রেজিস্ট্রেশন করলাম, আর সাথে সাথে আমার মেইলবক্সে অবাঞ্চিত মেইল আশা শুরু হলো, এটা কেমন কথা।

আপনি যদি সেরকম মেইল পাঠাতেই চান, তাহলে রেজিস্ট্রেশনের সময় বলে দিলেই পারেন যে আপনারা এমন করবেন, বা ব্যবহারকারীদেরও পছন্দ দিতে পারেন যে আপনি এরকম মেইল চান কি না। বা মেইলগুলি পাঠিয়ে শেষে লিখে দিতে পারেন যে আর এরকম মেইল পেতে না চাইলে এখানে ক্লিক্ করুন। কিন্তু বিডিজবস্ কোনোটাই করছেন না।

এটা কিন্তু অভদ্রতা।

একটা এইচটিসি টাচ্ নিলাম

01 মঙ্গলবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 21 Comments

Tags

Bluetooth, HTC, Sonyericsson, Touch, windows, আইফোন, উইন্ডোজ, এইচটিসি, টাচ্, ব্লুটুখ, ব্ল্যাকবেরি, সনিএরিকসন

এইচটিসি মোবাইল ফোন, কল্পনার চাইতে অনেক বেশী! উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত ঝামেলাবিহীন স্মার্ট মোবিলিটি। আমি যেটা নিলাম সেটার মডেল হলো HTC Touch 3452.

এর হার্ডওয়্যার:
প্রসেসর: OMAP850, গতি: 233 MHz
মেমরি: 128MB
ফ্ল্যাশ মেমরি: 400MB
ডেটা বাস: 16 bit
মনিটরের রঙ: 65536
রেজ্যুলেশন: 240×320
মাপ: ২.৮ ইঞ্চি
ধরণ: টিএফটি টাচ্ স্ক্রিণ
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল (দেখতে অনেকটা ভিস্তার মতন 🙂 )

আমি সত্যি এটা ব্যবহার করে আনন্দিত। এক বৈচিত্র আমি আইফোনেও দেথি নাই। এবার আসি এতে কি কি বৈশিষ্ঠ্য আছে:
ওয়েব ব্রাউজার: মাইক্রসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (পকেট এডিশন)
অফিস: পকেট অফিস – Word, Excel, Outlook, Adobe PDF viewer
ভিএম: জাভা MIDP 2.0
EDGE: Class 32
WLAN: Wi-Fi 802.11b/g
Bluetooth: Yes, v2.0 (A2DP সহ)

এইচটিসির টার্গেট হচ্ছে নিত্য নতুন গ্যাজেট উপহার দেয়া তাও আবার অনেক সস্তায়। আমাদের বাংলাদেশে গ্লোবাল ব্রান্ড এইচটিসি টাচ্-এর একটা মডেল বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। দামটা খারাপ না।

আমি আইফোন ব্যবহার করেছি আগে, এটা আইফোনের থেকে অনেক ভালো বলা যেতে পারে কিছু কিছু ফিচারের দিক দিয়ে। যেমন এর জন্য হাজার হাজার এপ্লিকেশন পাওয়া যায়, স্কাইপি, গুগল্ ম্যাপ, ডিআইভিএক্স প্লেয়ার, আরও কত কি! আছে মোজিলার ব্রাউজার মিনিমো। এতে ব্লুটুথ বা কেবল দিয়ে গান বা ভিডিও ঢুকিয়ে দিলেই চলে, যেটা আইফোনে আইটিউন্স দিয়ে করতে হয়। আইফেনো ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে কি করতে হবে আমার জানা নাই। এটার ব্যাটারি পরিবর্তনযোগ্য এবং মেমরি কার্ড নিজের ইচ্ছা মতন ব্যবহার করা যায়। আমি একটা ৮ গিগা লাগিয়ে নিয়েছি। সবচাইতে ভালো বিষয় হলো আইফোনের চাইতে এর সাইজ অনেক ছোটো এবং হালকা।

এইচটিসি বাজারে আসার পরে ভুয়া কিছু কোম্পানী আসলেই ভয় পেয়ে গিয়েছে। যেমন ব্ল্যাকবেরি, কোনো কাজ কাম নাই, হুদাই দাম।

আর এটার সাথে ব্যবহার করছি সনিএরিকসনের HBH-DS970 স্টেরিও ব্লুটুথ হেডফোন। জটিল কম্বিনেশন হয়েছে। 🙂 সাউন্ডের ক্ষেত্রে সনির বিকল্প নাই বলে আমার মনে হয়।

খুব মজায় আছি এটা নিয়ে।

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.