Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

doPDF contains a VIRUS?

04 রবিবার মে 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 5 Comments

doPDF and Bitdefender

I’m using doPDF from a long time now and I was thinking to recommend it to my blog readers by writing a blog on it.

It’s a good software for creating PDF files without any hassle and from any application of Windows that ables to print. Some days ago I downloaded the new version 6 from their site. Now when I went to install this, just after executing the installer, my Bitdefender alerted me saying a virus on my computer is blocked.

Well I tried the same on 2 of my computers and the same thing is happening. As soon as I execute the installer, Bitdefender says there was some virus and that has been blocked.

Now I’m thinking if I don’t have Bitdefender installed, this doPDF would pissed me off. How many people are being attacked by this free software?

Well think again before you use the (possibly) killer application.

বিনামূল্যে উবুন্তু ডিভিডি সংগ্রহ করুন

30 বুধবার এপ্রিল 2008

Posted by Omi Azad in ওপেন সোর্স, টিউটোরিয়াল

≈ 41 Comments

Tags

CD, DVD, Free, Hardy Heron, Kubuntu, Ubuntu, Xubuntu, উবুন্টু, উবুন্তু, কুবুন্তু, ডিভিডি, বিনামূল্য, যুবুন্তু, হার্ডি হেরণ

আমি মাইক্রোসফটের এমভিপি হলেও লিনাক্স ব্যবহার করার জন্য আমি সকলকে উৎসাহিত করি এবং নিজেও লিনাক্সে কাজ করি। অন্যরা যাতে নিত্যদিনের কম্পিউটিং এ লিনাক্স ব্যবহার করতে পারে সেজন্য আমি আমার ব্লগে এবং বিভিন্ন ফোরামে অনেক রকম সাহায্যও করে থাকি।

আমি উবুন্তুর সর্বশেষ সংষ্করণ ৮.০৪ (যা হার্ডি হেরণ নামে পরিচিত) ডাউনলোড করেছি এবং বন্ধু বান্ধবের কাছে ইতিমধ্যে সেটা বিতরণ করেছি। আমি চাই সকলেই হার্ডি ব্যবহার করুক নিত্যদিনের কম্পিউটিং এ এবং অন্যকে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করুক।

তাই আমি বিনামূল্যে উবুন্তু ডিভিডি বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সহজ শর্ত সাপেক্ষে আমি ডিভিডিগুলি বিতরণ করবো এবং যে কেউ আমার কাছ থেকে এই ডিভিডি সংগ্রহ করতে পারবেন।

শর্তগুলি এরকম-

  1. ডিভিডি গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে অবশ্যই একটি ফাঁকা (Blank) ডিভিডির বিনিময়ে উবুন্তু হার্ডি হেরণ ডিভিডি সংগ্রহ করতে হবে।
  2. বিনিময়কৃত ডিভিডিতে কোনো অবস্থাতেই কোনো দাগ থাকা চলবে না, সুতরাং কেনার সময় পর্যবেক্ষণ করে ক্রয় করুন।
  3. আমার কাছ থেকে ডিভিডি নেয়ার পরে যদি সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই সেটার অনুলিপি বা কপি করে বিতরণ করতে হবে।
  4. গ্রাহককে ডিভিডি বাংলাদেশের ভেতরে যে-কোনো ঠিকানায় ডাক বা কুরিয়ার যোগে পাঠানো যাবে, সেই ক্ষেত্রে গ্রাহককে আগে ফাঁকা ডিভিডি আমার ঠিকানায় পাঠাতে হবে এবং ডাক বা কুরিয়ার মাসুল গ্রাহককেই বহন করতে হবে। এই ক্ষেত্রও দ্বিতীয় শর্তটি প্রযোজ্য হবে।
  5. বাংলাদেশের বাহিরের কোনো গাহকের অনুরোধ গ্রহণ করা হবে না। তাদের ইন্টারনেটের গতি যথেষ্ট ভালো, তাই তাদেরকে ডাউনলোড করে নিজ এলাকায় বিলি করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
  6. গ্রাহক শুধু ফাঁকা ডিভিডির বদলেই হার্ডি হেরণ ডিভিডি সংগ্রহ করতে পারবেন, এই লেনদেনে কোনো প্রকার টাকা-পয়সা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
  7. একজন গ্রাহক শুধু একটি ডিভিডি গ্রহণ করতে পারবেন, বন্ধ বা স্বজনের জন্য অনুরোধ গ্রহণযোগ্য না। সেই ক্ষেত্রে ডিভিডি গ্রহণের জন্য বন্ধু বা স্বজনকে আসার জন্য উৎসাহিত করা হলো।
  8. ডিভিডি বিনিময়ের সময় সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, এর পরে কোনো রকম সাক্ষাত বা ফোন কল না করার জন্য অনুরোধ করা হলো

উক্ত শর্তগুলি গ্রহণ করতে পারলে অনুগ্রহ করে ০১১ ৯৯ ৩৮১ ০০৫ নম্বরে ফোন করে “রুশো” এর সাথে যোগাযোগ করে স্থান এবং সময় নির্ধারণ করে ডিভিডি সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য যে আমার কাছে উবুন্তু ৮.০৪ এর ডিভিডি ছাড়াও উবুন্তু ৮.০৪, কুবুন্তু ৮.০৪ এবং যুবুন্তু ৮.০৪ এর সিডি আছে। এইগুলি সংগ্রহ করতে হলে “রুশো” এর সাথে যোগাযোগ করে প্রথমদিন ফাঁকা সিডি দিয়ে যেতে হবে এবং পরেরদিন সেই সিডি (বিষয়বস্তু সম্বলিত) ফেরৎ নিতে হবে। তবে সিডির ক্ষেত্রে্ও উপরোক্ত শর্তগুলি পাত্র হিসেবে প্রযোজ্য হবে।

ফ্যান্টাসি কিংডমে জীবনে প্রথম – ওরা যেভাবে আমাদের ছিল দিয়ে দিলো

19 শনিবার এপ্রিল 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 17 Comments

Tags

Fantasy, Kingdom, Water, ওয়াটার, কিংডম, ফ্যান্টাসি

সকালে ঘুমের মধ্যে বৌ এসে মোবাইল হাতে দিয়ে বললো, “হাসিন ভাই’র ফোন, বলে জরুরী।” আমি মোবাইল নিতেই হাসিন বললো, “চলো একসাথে ফ্যান্টাসি কিংডমে যাই, মজা হবে।” আমি রাজি হয়ে গেলাম এবং ফ্রেশ হয়ে নাশ্তা করে দুই বন্ধু মিলে রওনা হলাম ফ্যান্টাসি কিংডমের উদ্দেশ্যে।

আমি এর আগে কখনো ফ্যান্টাসি কিংডমে যাই নাই। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ওয়াটার কিংডমে যাওয়া। ফ্যান্টাসি কিংডমের গেটে পৌছে টিকেট কাউন্টারে মেজাজ গরম হয়ে গেলো। ওয়াটার কিংডমে যেতে হলে আমাদের ফ্যান্টাসি কিংডমের টিকেট করতে হবে। কিন্তু কেনো!!! কাউন্টারের মেয়েটি অতি বিনয়ের সাথে জানালো আমরা যদি ফ্যান্টাসি কিংডমে না প্রবেশ করি, তাহলে ওয়াটার কিংডম বা হ্যারিটেজ ওয়ার্ল্ডে যাবো কেমন করে। অগত্যা ডবল টিকেট কিনতে হলো।

এখানে একটা খবর না দিলেই নয়, রেডিওতে এবং পত্রিকায় কিছুদিন থেকে ফ্যান্টাসি কিংডমের নববর্ষ অফারের বিজ্ঞাপণ দিচ্ছে। ১০০ টাকায় প্রবেশ করলে সব রাইড ফ্রি। কিন্তু কাউন্টারের মেয়েটি এই ভুলটিও ভেঙ্গে দিলো। আমাদেরকে ১০০ টাকায় সব রাইড দেয়া হবে ঠিকই, কিন্তু আমাদের প্রবেশের মূল্য আলাদা দিতে হবে। আমি বেশ বিরক্ত হলাম।

আজ শনিবার হওয়ার সত্ত্বেও কোনো মানুষ নাই। প্রায় ফাঁকা পরিবেশ। ফ্যান্টাসি কিংডমের সীমানা পার হয়ে ঢুকলাম ওয়াটার কিংডমে। সেখানকার প্রথম বিরক্তিকর বিষয়টি হলো ওদের ফ্লোর সিমেন্টের এবং রোদের কারণে চরম গরম হয়ে আছে এবং একটু হাঁটতেই পায়ে ফোসা পড়ে যাবার উপক্রম। পানিতে লাফালাফি করার পরে আমরা গেলাম রাইডগুলিতে চড়তে। হায় আল্লাহ্! রাইডে ওঠার সিড়ি লোহার পাটাতন, ওটা দিয়ে উঠতে পা শিক কাবাব হয়ে যাবার উপক্রম। হেঁটে হেঁটে ৫০ ফিট উপরে উঠলাম টিউব নিয়ে। স্লিপার টানেল দিয়ে নামতে বেশ মজা হলো, কিন্তু নীচে এসে যেই হাউজে পড়লাম, সেটার পানিও গরম। উল্লেখ্য যে এরা কখনো পানি বদল করে না, পানির জীবাণু (যার মধ্যে অনেকের মূত্র মিশ্রিত আছে বলে আমার মনে হয়) মারার জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে এবং সেটারও উগ্র গন্ধ।

একটা হাউজ আছে যেখানে কৃত্তিম উপায়ে সমুদ্রের মতন ঢেউ তৈরী করা হয়, সেটা চালু হচ্ছে না। ১টার আগে না-কি চালু হয় না। ঐ হাউজে প্রেমিক প্রেমিকারা গলা পর্যন্ত ডুবে হাতে দিয়ে সেক্সের একটা অংশ সেরে নিচ্ছে, তাই ওদের বিরক্ত না করে অগত্যা অন্যখানে সময় অপচয় করলাম। এরই মধ্যে মাইকে বলা হলো সেই ঢেউ কিছুক্ষণের মধ্যে চালু হতে যাচ্ছে। আমরা সেখানে গিয়ে হাজির হলাম, বড় সাউন্ড সিস্টেমে গান বাজিয়ে সমূদ্র তৈরী করা হচ্ছে, ভালোই, সেক্সি মেয়েরা নাচছে, আমরা ভাসছি।

কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের অবাক করা দিয়ে ঢেউ বন্ধ হয়ে গেলো এবং পাশে ঝর্ণা চালু হলো। আমি বুঝলাম এদের সিস্টেম হচ্ছে ওরা যেখানে চাইবে, পাবলিক সেখানে গেজাবে। ঝর্ণার পাশে একটা রকিং জোন আছে যেখানে শিরশির করে পানি পড়ছে আর জোরে গান বাজছে। সেখানে ছেলেরা এবং সেক্সি মেয়েরা নাচছে। সুন্দর লাগছে, কিন্তু আমরা আগ্রহ পেলাম না। চললাম খাবারের সন্ধানে।

সে-কি! ভারী খাবারের মাত্র ২টা ম্যানু এবং চড়া দাম। খেলে খাবেন না খেলে জাহান্নামে যান। হালকা খাবারের ম্যানু থেকে নান আর গ্রিল চিকেন খেলাম, একই খাওয়া ঢাকায় যে-কোনো স্থানে খেলা ৩০০ টাকা বিল হতো ম্যাক্সিমাম, সেখানে প্রায় ৭০০ টাকা দিয়ে খেলাম সেগুলি। কিছু করার নেই, আপনি বাহির থেকে খাবার আনতে পারবেন না। এমন কি সিগারেডও আনতে পারবেন না (যদিও অনেকে চুরি করে এনে খাচ্ছেন)।

খাবার শেষে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার রাইডগুলির দিকে ফিরে গেলাম, সে-কি! এখন তো পানি সিদ্ধ হওয়ার মতন গরম। খুবই বাজে অবস্থা।

এখানে ঢোকার আগে অবশ্য হাসিন একবার বলছিলো নন্দনে যেতে, আমি যেহেতু এখানে আগে আসি নাই, তাই এখানে এলাম। ভীষণ বাজে পরিবেশে এক গাদা টাকা নষ্ট করে এলাম। এরা বিজ্ঞাপণে বলে এক কথা, আর বাস্তবে আরেক! এখানে আসার আগে অবশ্যই দুই বার ভাববেন এবং একগাদা টাকা বেশী নিয়ে আসবেন।

কলসেন্টারের নামে কেউ যেন প্রতারিত না হন?

13 রবিবার এপ্রিল 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 10 Comments

Tags

Bangladesh, Call, Center, India, UK, USA, আমেরিকা, ইন্ডিয়া, কল, বাংলাদেশ, ব্যবসা, ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সেন্টার

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে মাঝেমধ্যে যেমন হইহই পড়ে যায়, একইভাবে প্রযুক্তি খাতেও মাঝেমধ্যে রইরই পড়ে যায়। আর সেই সুযোগে ঘোলা পানিতে কেউ কেউ আমাদের অসহায় মানুষগুলোকে ঠকিয়ে প্রচুর টাকা বানিয়ে সটকে পড়েন। বর্তমান সময়ে আবার তেমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য লাইসেন্স প্রদান করতে যাচ্ছে; এবং বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শত কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে সক্ষম হবে। এমনও বলা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে। এ ধরনের কথা প্রচারিত হওয়ার পর, অনেকেই ই-মেইল ও ফোন করে জানতে চেয়েছেন, কীভাবে তাঁরা এই শত কোটি ডলারের ভাগিদার হতে পারেন। তাঁদের জন্য এই কলসেন্টার ব্যবসার কিছু দিক তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাস বেশি দিনের ইতিহাস নয়। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে কম্পিউটার জনপ্রিয় হতে শুরু করে। আর নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকেই দেশে একটি হুলস্থুল পড়ে যায় এই বলে যে, বাংলাদেশ ডাটা এন্ট্রি কাজ করে কোটি কোটি ডলার উপার্জন করতে পারে। সেই হইহই মিছিলে আমরা অনেকেই যোগ দিয়েছিলাম। দীর্ঘ এক দশক ধরে সেটা চলল। তখন বলা হলো, দেশে সাবমেরিন কেব্ল নেই। তাই এই ব্যবসাটি ঠিকমতো হচ্ছে না। অনেকে বললেন, যদি ভিস্যাট উন্নুক্ত করে দেওয়া হয়, তাহলে আমরা সেই ব্যবসা করতে পারব। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ভিস্যাট উন্নুক্ত করে দেওয়া হলো। কিন্তু আমাদের সেই ডাটা এন্ট্রি ব্যবসার কিছুই হলো না। অনেকেই ভিওআইপির (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট) ব্যবসা শুরু করে দিলাম। দেশ কোটি কোটি ডলার উপার্জনের বদলে হাজার কোটি ডলার হারিয়ে ফেলল।

ডাটা এন্ট্রির স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর শুরু হলো মেডিকেল ট্রান্সক্রিপ্টের ব্যবসা। আমেরিকার ডাক্তারদের ব্যবস্থাপত্র ক্যাসেট থেকে শুনে শুনে কম্পিউটারে এন্ট্রি করার কাজ হলো এটি। আমরা সেটাও করতে পারিনি। কিন্তু এই ডাটা এন্ট্রির কাজে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে, এই কথা বলে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলো। বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি পার্টনার নিয়ে সেই লুটপাটে অংশ নিল।

তারপর এই শতকের শুরুতে শুরু হলো সফটওয়্যার রপ্তানির ব্যবসা। কিছু কিছু লোক বাজারে প্রচার করতে শুরু করল, বাংলাদেশ সফটওয়্যার রপ্তানি করে ভারতের মতো শত কোটি ডলার উপার্জন করতে পারে। পুরো জাতি তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কয়েকটি ভারতীয় প্রশিক্ষন কেন্দ্র বাংলাদেশে এসে পাড়ায় পাড়ায় দোকান খুলে বসল। তারপর আমাদের হাজার হাজার মানুষকে ঠকিয়ে তারা কোটি কোটি টাকা নিয়ে এই দেশ থেকে চলে গেছে।
এখন কলসেন্টারের নামে আবারও শত কোটি ডলারের স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে দেশের মানুষকে। কয়েকটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ঘোরাঘুরি শুরু করেছে। যাঁরা ভাবছেন কয়েকটি টেলিফোন লাইন আর ইন্টারনেট নিয়ে কিছু স্নার্ট ছেলেমেয়েকে বসিয়ে দিলেই একটি কলসেন্টার করা যাবে, তাঁরা একটি মূর্খ গন্ডির ভেতর বাস করছেন। বর্তমান সময়ের কলসেন্টারকে আর কলসেন্টার বলা হয় না, বলা হয় কনটাক্ট সেন্টার। আর এগুলো এখন হয়ে গেছে আরো পরিশীলিত। এখন আর শুধু কথা বলে কলসেন্টার হয় না, সেখানে যোগ হয়েছে ডাটা, ভিডিও, চ্যাট, পুশ টু টক, কল-ব্যাক, প্রেজেন্স ইত্যাদি। বাংলাদেশে কনটাক্ট সেন্টার ব্যবসার বড় চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করছি।

  • প্রথম সমস্যা হলো সময়। আমরা এই ব্যবসায় অনেক দেরিতে নামতে যাচ্ছি। এই ব্যবসায় ভারত, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশ অনেক দুরে চলে গেছে। ওই সব দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন নতুন করে ব্যবসায় নামতে গেলে প্রচন্ড প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। সেই প্রতিযোগিতায় থেকে কোনো ক্রেতা জোগাড় করা খুবই কঠিন হবে।
  • দ্বিতীয় সমস্যা হলো, রাজনৈতিক। কলসেন্টার হলো একটি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা। ওখানে সেবা গ্রহণকারীর সমস্যা তখনই সমাধান করে দিতে হবে। কোনো একটি কলসেন্টার যদি রাজনৈতিক ডামাডোলের কারণে কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকে, তাহলে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কলসেন্টার রাখবে না। কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার আগেই এগুলো পরীক্ষা করা হবে। আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ব্যাপারে আমাদের মোটেও সুনাম নেই।
  • তৃতীয় সমস্যা হলো, টেলি-যোগাযোগ। বর্তমানে বাংলাদেশে যে অপটিক্যাল ফাইবার আছে, সেটা প্রায়শই কাটা পড়ে। আর সেটা ঠিক করতে অনেক সময় এক দিন লেগে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কলসেন্টার ভারত কিংবা বাংলাদেশে হলেও, ‘ডাটা সেন্টার’ কিন্তু আমেরিকাতেই থাকবে। তখন দ্রুত গতির ইন্টারনেট না থাকলে কলসেন্টারগুলো ব্যর্থ হবে। যতদিন এই যোগাযোগব্যবস্থা ১০০ ভাগ নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন এই ব্যবসা সফলতা লাভ করবে না।
  • চতুর্থ সমস্যা হলো, ভালো ইংরেজি জানা লোকবল। ভারতের একটি বড় সুবিধা হলো, তাদের ইংরেজি জানা বিশাল জনগোষ্ঠি। ভারতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, যোগাযোগব্যবস্থা আর ইংরেজি জানা ছেলেমেয়ের প্রতুলতার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনোভাবেই তুলনা করা যাবে না। কলসেন্টারগুলো এশিয়াতে যায় মূলত আমেরিকা, ইউরোপ আর অস্ট্রেলিয়া থেকে। আমেরিকার ইংরেজি আমরা অনেকটা বুঝলেও, ব্রিটিশ আর অস্ট্রেলিয়ার ইংরেজি বোঝা এবং একই তালে কথা বলাটা তিন মাসের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তাই যাঁরা এই ব্যবসায় নামছেন, তাঁদের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকতে হবে।
  • পঞ্চম সমস্যা হলো, বিদ্যুৎ। যদি জেনারেটরের তেল পুড়িয়ে কলসেন্টার চালাতে হয়, তবে খরচ বেড়ে যাবে। আবার যদি সাবমেরিন কেবলের পাশাপাশি ভিস্যাট রাখতে হয়, তাহলেও সেটা ব্যয়সাপেক্ষ হবে। যদি ভিস্যাট দিয়ে কেউ কলসেন্টার চালাতে পারত, তাহলে এতদিনে বাংলাদেশে কলসেন্টার চলে আসত।
  • ষষ্ঠ সমস্যাটি হলো, আকার। এই ব্যবসাটি কিন্তু আকারের ওপর নির্ভরশীল। এখানে ১০-১৫ জন মানুষ খাটিয়ে খুব একটা সুবিধা হবে না। আমেরিকাতে একেকটি কলসেন্টারে তিন-চার হাজার লোক কাজ করে। বাংলাদেশে তত বড় না হলেও, দুই-তিন’শ লোকের ব্যবস্থা না হলে, সেটা ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে বলে মনে হয় না।
  • সপ্তম সমস্যাটি হলো, সেবার মনোভাব। সেবা যে একটি পণ্য, এই ধারণাটিই আমাদের ভেতর এখনো ভালোভাবে জন্ন নেয়নি। তার ওপর আছে সরকারি খবরদারি আর চাঁদাবাজি (সরকারি ও বেসরকারি)। এমন ধরনের পরিবেশে সেবাশিল্প প্রসার হয় না।

দেশে যদি সত্যি সত্যি তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে সুবিধা নিতে হয়, তাহলে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। আর সেই পরিকল্পনাকে সবাই মিলে বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল সরকারকে সেটার পেছনে সমর্থন দিতে হবে। এমন একটি জোরালো প্রতিজ্ঞা না থাকলে, বারবার এমন হুজুগ তৈরি হবে, আর কিছু তস্কর এসে আমাদের নিরীহ মানুষগুলোকে লোভ দেখিয়ে পকেট খালি করে নিয়ে যাবে।

তবে অসম্ভব বলে তো কিছু নেই। আমি শুধু বলতে চাইলাম, কাজটি খুবই কঠিন। আর এই হুজুগে পড়ে কেউ যেন প্রতারিত না হন। চাকরির ট্রেনিং, ব্যবসার ট্রেনিং কিংবা যেকোনো কিছু করার আগে, একটু বুঝেশুনে নেবেন। আর কেউ এটাকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে প্রতারিত করছে কি না সেটা সরকারের পক্ষ থেকে একটু খেয়াল রাখতে পারলে ভালো।

জাকারিয়া স্বপন: তথ্য প্রযুক্তিবিদ
সিলিকন ভ্যালি, যুক্তরাষ্ট্র
zs [এট] zswapan.com

ব্রায়ান আডামসের নতুন এলবাম ইলেভেন

07 সোমবার এপ্রিল 2008

Posted by Omi Azad in গান বাজনা, রিভিউ

≈ 6 Comments

Tags

11, bryan adams, English, Song, ইংরেজী, ইলেভেন, গান, ব্রায়ান আডামস্

কানাডিয়ান রক্ শিল্পী ব্রায়ান আডামসের গান শোনেনি এমন কাউকে মনেহয় পাওয়া যাবে না। নাম বুঝে না শুনলেও Please Forgive Me বা Everything I do গানটা শোনেননি এমন কি কেউ আছেন!

ব্রায়ান আডামসের নতুন এলবাম “ইলেভেন” বের হয়েছে হত মার্চ মাসে। আমি কথনই উনার গান মিস করি না। তাই সংগ্রহ করে ফেললাম শিল্পীর এলবাম। তবে এলবামের প্রতিটা গান ভালো না হলেও চমৎকার করেছে এই এলবামটি। আমার কাছে সবচাইতে ভালো লেগেছে Walk on By নামের একুইস্টিক সিঙ্গেলটি। লিরিকটা এরকম-

Walk On By

I heard that you’re leavin – this sleepy little town
The bright lights must have caught your eye cuz you ain’t hangin’ round
Ya know people been talkin’ – they say you’re makin’ a mistake
Gotta get on that greyhound and forget about what they say

Just walk on by – walk on by
Don’t look over your shoulder – keep your head up high
Just walk on by

I’ve heard bad things about the city and i’m told that they’re true
Better watch out for those guys out there they’re gonna hit on you
So don’t talk to no strangers – no it ain’t your style
Don’t give up when the chips are down – just turn around and smile

Just walk on by – walk on by
Don’t look over your shoulder – keep your head up high
Just walk on by – ya walk on

You’re old enough to know why – you’re old enough to know why

Now you’re standing at the station – got a ticket in your hand
Guess you got you’re mind made up – gotta get out while you can
Don’t say i never told ya – now the rest is up to you
Those streets can be like a battlefield – when it’s hard to make it thru…

Just walk on by – walk on by
Don’t look over your shoulder – keep your head up high
Just walk on by

Walk on by – walk on by
You’re a little bit lonely you’re a little bit shy
Just walk on by

Walk on by – walk on by
Don’t look over your shoulder – keep your head up high
Just walk on by

Walk on by – walk on by
You’re a little bit lonely you’re a little bit shy
Just walk on by

এলবামটা সংগ্রহ করে শুনতে পারেন, ভালো লাগবে আশা করি। ও আরএকটা তথ্য দিয়ে রাখি, উনার গোটা নাম কিন্তু “ব্রায়ান গাই আডামস্” 🙂

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.