Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Author Archives: Omi Azad

মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট কতটুকু নির্ভরযোগ্য….

08 বুধবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম

≈ 54 Comments

আমরা এখন অস্থির হয়ে গিয়েছি মোবাইল ইন্টারনেটের বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে অস্থির হয়ে গিয়েছি। বাংলাদেশের প্রতিটি মোবাইল কোম্পানীই এখন মোবাইলে ভয়েস সেবার পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। সিটিসেল, গ্রামীণ, একটেল, বাংলালিঙ্ক, টেলিটক এবং ওয়ারিদ টেলিকম হচ্ছে আমাদের মোট মোবাইল কোম্পানী। এদের মধ্যে প্রথম ইন্টারনেট সেবা নিয়ে আসে গ্রামীণফোন। বিভিন্ন ধরণের ঘাপলা করে সার্ভিস লঞ্চ করছে। শুরুতে এরা অনেক ভাষণ দিয়েছে, EDGE দিয়ে এটা হয়ে ওটা হয়, এটা GPRS থেকে এই এই সেবা বেশী দেবে ইত্যাদী। এক কনফারেন্সে আমি ওদেরকে বলতেও শুনেছিলাম যে EDGE নাকি CDMA থেকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়, কি বলে না বলে ঠিক নাই। এর পরে আসলো একটেল, যার সেবা আজ দুই বছর পরেও পর্যন্ত বাংলাদেশের সব এলাকায় পৌছাতে পারেনি। তারপর বাংলালিঙ্ক ও টেলিটক, এদের কথা বলতে গেলে বলতে হয়, সার্ভিস থাকা আর না থাকা একই কথা। বাকী থাকলো সিটিসেল। অনেক কাঠ খঁড় পুড়ে প্রায় একবছর আগে তারা অনটেস্ট ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা শুরু করে। কিন্তু সেবার মূল্য এত বেশী যে সাধারণ মানুষ এর ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থেকে যায়। কিছুদিন আগে প্রতিযোগিতার সন্মুখীন হয়ে তারা আবার মূল্য নির্ধারণ করে, কিন্তু সেটাও সাধারণভাবে ব্যবহারের যোগ্য না। ওয়ারিদ টেলিকম সার্ভিস লঞ্চ করার সাথে সাথেই ওয়েব সাইটে EDGE/GPRS-এর কথা লিখে রাখলেও বাস্তবে সেবার মান টেলিটক এবং বাংলালিঙ্কের মতই জঘন্য।

সেবার মানের দিক দিয়ে আপাতত সিটেসেল এবং গ্রামীনফোনের সেবাই ব্যবহারযোগ্য, কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে এদের সেবা কতটুকু ব্যবহারযোগ্য! আমি নিজে এই দুই কোম্পানীর সেবা ব্যবহার করেছি, সেবার মান খারাপ না, কিন্তু সত্যি কথা বলতে এই সেবার উপরে ভরসা করা যায়না। মাঝে মাঝেই গ্রামীণফোনের ইন্টারনেটের গতি ঠিক থাকেনা। ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাটি করে GSM প্রযুক্তি সম্পর্কে শিখলাম। এই প্রযুক্তিটা TDMA নামে পরিচিত, যার অর্থ হচ্ছে Time Division Multiple Access. এটা কাজ করে সময়ের উপরে। সোজা সাপ্টা অর্থ হচ্ছে একটা টাওয়ারে নীচে যতগুলি মোবাইল থাকবে টাওয়ারটা তাদেরকে অল্প অল্প সময়ের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি প্রদান করবে আবার অল্প সময়ের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি বন্ধ করে রাখে। এভাবে ভাগাভাগী করে মোবাইলগুলি কিছু সময়ের জন্য নেটওয়ার্ক পায় আর কিছু সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। এটা এত দ্রুত হয় যে গ্রাহকরা টের পায়না। তবে প্রযুক্তিটা জনপ্রিয় হলেও টেকনিকালি সুবিধার না। Continue reading »

ফায়ারফক্সে আসছে আরও সুন্দর বাংলা সমর্থন….

07 মঙ্গলবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in ওপেন সোর্স, বাংলা কম্পিউটিং, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 5 Comments

বড় করে দেখবার জন্য ক্লিক্ করুন...মোজিলা ফায়ারফক্স আমাদের সবারই পছন্দের ব্রাউজার।  অনেকে যদিও এটা ব্যবহার এখনো শুরু করেনি, তার পারও যারা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করে, তাদের বিশ্বাস যে পৃথিবীর ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী খুব কম সময়ের মধ্যেই ফায়ারফক্স ব্যবহার শুরু করবে।

লেখা দেখাবার জন্য অপারেটিং সিস্টেম বা সফটওয়্যারের মধ্যে কিছু প্রযুক্তি থাকে যার জন্য আমরা এভাবে লেখা দেখতে পাই। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে এটা বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়। এটাই ভালো লাগেনি মোজিলা দলের। তাই তারা নিজেরাই লেখা প্রদর্শন করার প্রযুক্তিকে নিজেদের আয়ত্বে আনছে। ফায়ারফক্স ৩-এর পরীক্ষামূলক একটি সংস্করণ আমি উইন্ডোজে ব্যবহার করে দেখেছিলাম, সেরকম কোনো পরিবর্তন আছে বলে মনে হয়নি। কিন্তু আজকে ম্যাক ওএস ১০-এ চালিয়ে দেখলাম। জটিল!!!

বাংলা খুব সুন্দরভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে। আশাকরি লিনাক্সের সংস্করণেও ঠিক এভাবে কাজ করবে। কেউ লিনাক্সে পরীক্ষা করে থাকলে মন্তব্যে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্টিভেশন সমস্যা

04 শনিবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, মাইক্রোসফট, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 6 Comments

মাইক্রোসফট যখন আমাদের (এম.ভি.পি.-দের) উইন্ডোজ দেয়, সেটাও কিছু শর্তের ভেতর দিয়ে দেয়। তবে আমাদের অনেক স্বাধীনতা থাকে। সাধারণত একজন ব্যবহারকারী একটা উইন্ডোজ কিনলে সেটা একটা মেশিনে ব্যবহার করতে পারে, অন্য মেশিনে ব্যবহার করতে চাইলে বা মেশিনের বড় ধরণের পরিবর্তন করলে তাকে আবার মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে সেটা জানাতে হয়। উইন্ডোজ থাকা অবস্থায় হার্ডওয়্যারের পরিবর্তন সাধন করলে উইন্ডোজ নিজেই সেটা জানিয়ে দেয়, আর পরিবর্তন সাধনের পরে উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরে এক্টিভেট করতে গেলে সেটা মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে জানিয়ে করতে হয়। আমাদের স্বাধীনতাটা হলো আমরা একটি উইন্ডোজের ভার্সন দশটি ভিন্ন মেশিনে যতবার খুশি এক্টিভেট করতে পারবো।

আগে আমাদের যেই প্রডাক্ট কী দেয়া হতো সেটা ছিলো VLK মানে Volume License Key আর এবারও ভিস্তার সাথে সেরকমই কিছু দেয়া আছে। কিন্তু শুধু ভিস্তা এন্টারপ্রাইজ এডিশনে এবার তারা MAK নামের একটি নিয়ম চালু করেছে যাকে বলা হচ্ছে Multiple Activation Key. এই কী দিয়ে ভিস্তা এন্টারপ্রাইজ এডিশন মাত্র ১৫ বার এক্টিভেট করা যাবে। বিভিন্ন পরীক্ষামূলক কাজের জন্য আমাদের উইন্ডোজ মুছতে হয়ই। আর বার বার যদি এক্টিভেট করতে তাদের অনুমতি নিতে হয়, তাহলে ঝামেলা। কিন্তু এবার এই ঝামেলাটা হলো এবং আমি মনে করি এটা মাইক্রসফটের একটা সমস্যা। Continue reading »

আমার অনেকদিনের শখের অ্যাপল ম্যকবুক

02 বৃহস্পতিবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in ব্যক্তিগত

≈ 10 Comments

বেশ কিছুদিন আগে আমি কতগুলি উপহার পেয়েছিলাম (যেখান থেকে পেয়েছিলাম সেটা প্রকাশ করলে উনাদের ভালো নাও লাগতে পারে বলে প্রকাশ করছিনা), তার মধ্যে ছিলো একটা অ্যাপল ম্যাক বুক। আইটি প্রফেশনালরা অ্যাপলের প্রতি একটু দুর্বল হয়েই থাকে। সবসময়ই এটা ব্যবহার করতে চায়, কিন্তু সবসময় বাজেটে কুলায়না। স্বাভাবিকভাবে অ্যাপলের দাম অন্য ল্যাপটপের তুলনায় বেশী হয়। কেনো হয় আমার জানা নেই, তবে অনেক ক্ষেত্রই দেখা যায় ম্যাকের পারফরমেন্স অনেক ভালো, তাই সম্ভব দাম একটু বেশী হয়।

এটা পেয়ে আমার মন একটু খারাপ হয়েছিলো, কারণ পেয়েই দেখি অন হয়না। পরে ব্যাটারী চার্জ করে অনেক কায়দা করে অন করলাম, কিন্তু দেখি কী-বোর্ডের কয়েকটা কী কাজ করেনা। USB-তে কী-বোর্ড লাগিয়ে অবশ্য প্রাথমিক কাজ করা গেলো, কিন্তু সেটা কি আর মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে! Continue reading »

বিটিআরসির নির্দেশ – নিজ নেটওয়ার্কে গ্রাহকদের বোনাস টকটাইম দিতে পারবে না মোবাইল অপারেটররা

29 রবিবার জুলাই 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম

≈ 15 Comments

নিজ নেটওয়ার্কে গ্রাহকদেরকে আর বোনাস টকটাইম দিতে পারবে না মোবাইল অপারেটররা। এটি দিতে হলে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রেই কেবল দেয়া যাবে। প্যাকেজের জন্য প্রমোশনাল পুরস্কার হিসাবে সোনার কয়েন, বিদেশ ভ্রমণের খরচ বা গাড়ির মতো পুরস্কারও দেয়া যাবে না। প্যাকেজের সময়সীমা হবে সর্বোচ্চ দুইমাস। দেশের ঐতিহ্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়-এমন কোনো ভাষা ও বিষয়বস্তুর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনসহ প্রচারণামূলক কোনো কার্যক্রমও চালানো যাবে না। আর কলচার্জ হবে সর্বোচ্চ ২ টাকা এবং সর্বনিম্ন ২৫ পয়সা মাত্র। মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই আদেশ জারি করেছে।

গতকাল বিটিআরসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সম্পর্কে বলা হয়, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে অন্যান্য যোগাযোগের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ তথা মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। পরিবর্তিত পরিসিহতিতে দেশের জনগণের কাছে মোবাইল ফোন আগের তুলনায় সহজলভ্য হলেও কলচার্জ প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই। জনগণের দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা, কম খরচে মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ দেয়ার জন্য বিটিআরসি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষেই বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন-২০০১-এর বিধান অনুযায়ী বিটিআরসি দেশের দ্রুত বিকাশমান টেলিযোগাযোগ শিল্পে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক ব্যবসা প্রতিরোধ ও অবসানে প্রতিযোগিতামূলক এবং বাজারমুখী ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ট্যারিফ ও বিভিন্ন চার্জের হার নির্ধারণ সম্পর্কে নির্দেশনামূলক ‘ট্যারিফ রেগুলেশন’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এ রেগুলেশনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হবে গ্রাহকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবাপ্রদানকারীর বিদ্যমান কিংবা সম্ভাব্য পীড়ন বা বৈষম্যমূলক আচরণ বা কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ ও দূর করার ব্যবসহা করা। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.