Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: রিভিউ

Review

একটা ১৬ গিগা স্যামসং ওমনিয়া নিলাম

21 রবিবার ডিসে. 2008

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 19 Comments

Tags

উইন্ডোজ, ওমনিয়া, মোবাইল অপারেটর, স্যামসং

সবার মুখে মুখে এই মোবাইলের কথা। এত্ত ভালো মোবাইল না-কি আর হয়না। আমার ব্লগ যারা পড়ে, তারা ইতিমধ্যেই জানে যে আমি বেশ কিছু ভালো মোবাইল ফোন ইতিম্যধের ব্যবহার করেছি। যেমন: এইচটিসি টাচ্, এপল আইফোন, মোটোরোলা রকার ইত্যাদি।

কিন্তু শান্তিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে চাইলে আমার মতে একটা সাধারণ মোবাইল ব্যবহার করা উচিৎ। সেজন্য কিছুদিন আগে একটা নোকিয়া ৫৩২০ কিনে ব্যবহার করছিলাম।

এর মধ্যে সবাই স্যামসং ওমনিয়ার কথা বলছিলো, ভাবলাম এটা একটু চালিয়ে দেখা দরকার। ১৬ গিগা বিল্ট-ইন মেমরী সহ একটা কিনে ফেললাম, আর আমেরিকা থেকে আসতে বেশ সময় লাগলো ওখানকার খারাপ আবহাওয়ার জন্য।

যাই হোক, আমার মোবাইলা বেশ পছন্দ হয়েছে। ওজনে আইফোন থেকে অ-নে-ক হালকা। টাচ্ স্ক্রিনটা ব্যবহার করা অনেক মজার। আইফোনের চাইতেও হালকা ছোঁয়ায় কাজ করে।

একবার জেনে নেই এর ফিচার গুলি।

  • উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চলে এই মোবাইল
  • ৮ গিগা এবং ১৬ গিগা মেমরির দু’টি আলাদা সংস্করণ উপলব্ধ আছে
  • এক্সেলেরোমিটার দেয়া আছে, যাতে সিনেমা দেখার সময় কাৎ করলে স্ক্রিন ঘুরে যায়
  • টিভি আউট দেয়া আছে, ছবি বা ভিডিও টিভিতে দেখার জন্য
  • এডজ, ওয়াইফাই আছে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য
  • ডিআইভিএক্স মোবাইল দেয়া আছে
  • ভেতরেই জিপিএস ডিভাইস দেয়া আছে, যেটা গুগল ম্যাপ-এর সাথে কাজ করে
  • ব্লুটুথ, A2DP সবই আছে এর সাথে
  • এর সাথের ক্যামেরাটি ৫ মেগা পিক্সেল

ক্যমেরাটা সত্যই জটিল। হেডফোনটাও যা-তা। কিন্তু আমার ভালো না লাগার মধ্যে ভালো লাগেনি এর কানেক্টরটা। বাদবাকী সবই সুন্দর।

আর ভালো একটা বিষয় হলো এর ব্যাটারী বদল করা যায় এবং আরও বেশী মেমরি দরকার হলে এর মধ্যে মেমরি কার্ড লাগানো যায়।

ওমনিয়ার ক্যামেরা দিয়ে একটা ছবি তুলিয়েছিলাম আমার, বিটিআরসির দেয়া কল সেন্টারের লাইসেন্স হাতে নিয়ে..

MobaLiveCD একটি দূর্দান্ত অ্যাপ্লিকেশন

20 বুধবার আগস্ট 2008

Posted by Omi Azad in সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 18 Comments

Tags

Linux, MobaLiveCD, মোবালাইভ সিডি, লিনাক্স

আজকে একটা জটিল অ্যপ্লিকেশন দেখলাম। MobaLiveCD বা মোবালাইভ সিডি।

লিনাক্স চালাতে এখনো অনেকেরই একটা ভীতি এখনো কাজ করে আর তাই লিনাক্স নির্মাতারা লিনাক্সকে জানার জন্য তৈরী করে থাকে লাইভ সিডি/ডিভিডি, যাতে করে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা কোনো কিছু বদল না করেই উক্ত সিডি/ডিভিডি ব্যবহার করে অপারেটিঙ সিস্টেমটি সম্পর্কে জানতে পারে।

লাইভ সিডির ব্যবহার আরও সহজ করে দিতে বের হয়েছে মোবালাইভসিডি। উইন্ডোজ কম্পিউটারে ইনস্টল করে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোডকৃত লাইভ সিডি/ডিভিডি-এর ISO ইমেজ সিডি/ডিভিডিতে রাইট না করেই সরাসরি চালানো যায়। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে অ্যাপ্লিকেশনটি।

মোবালাইভ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এখানে,
আর কোনো লিনাক্সের লাইভ ইমেজ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে এখান থেকে।

আশাকরি এই অ্যাপ্লিকেশনটি অনেকের অনেক কাজে দেবে। লাইভ লিনাক্স চালানোর জন্য আর সিডি/ডিভিডি নষ্ট করার দরকার নাই!

একটা এইচটিসি টাচ্ নিলাম

01 মঙ্গলবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in গ্যাজেট, ব্যক্তিগত, রিভিউ

≈ 21 Comments

Tags

Bluetooth, HTC, Sonyericsson, Touch, windows, আইফোন, উইন্ডোজ, এইচটিসি, টাচ্, ব্লুটুখ, ব্ল্যাকবেরি, সনিএরিকসন

এইচটিসি মোবাইল ফোন, কল্পনার চাইতে অনেক বেশী! উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত ঝামেলাবিহীন স্মার্ট মোবিলিটি। আমি যেটা নিলাম সেটার মডেল হলো HTC Touch 3452.

এর হার্ডওয়্যার:
প্রসেসর: OMAP850, গতি: 233 MHz
মেমরি: 128MB
ফ্ল্যাশ মেমরি: 400MB
ডেটা বাস: 16 bit
মনিটরের রঙ: 65536
রেজ্যুলেশন: 240×320
মাপ: ২.৮ ইঞ্চি
ধরণ: টিএফটি টাচ্ স্ক্রিণ
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল (দেখতে অনেকটা ভিস্তার মতন 🙂 )

আমি সত্যি এটা ব্যবহার করে আনন্দিত। এক বৈচিত্র আমি আইফোনেও দেথি নাই। এবার আসি এতে কি কি বৈশিষ্ঠ্য আছে:
ওয়েব ব্রাউজার: মাইক্রসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (পকেট এডিশন)
অফিস: পকেট অফিস – Word, Excel, Outlook, Adobe PDF viewer
ভিএম: জাভা MIDP 2.0
EDGE: Class 32
WLAN: Wi-Fi 802.11b/g
Bluetooth: Yes, v2.0 (A2DP সহ)

এইচটিসির টার্গেট হচ্ছে নিত্য নতুন গ্যাজেট উপহার দেয়া তাও আবার অনেক সস্তায়। আমাদের বাংলাদেশে গ্লোবাল ব্রান্ড এইচটিসি টাচ্-এর একটা মডেল বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। দামটা খারাপ না।

আমি আইফোন ব্যবহার করেছি আগে, এটা আইফোনের থেকে অনেক ভালো বলা যেতে পারে কিছু কিছু ফিচারের দিক দিয়ে। যেমন এর জন্য হাজার হাজার এপ্লিকেশন পাওয়া যায়, স্কাইপি, গুগল্ ম্যাপ, ডিআইভিএক্স প্লেয়ার, আরও কত কি! আছে মোজিলার ব্রাউজার মিনিমো। এতে ব্লুটুথ বা কেবল দিয়ে গান বা ভিডিও ঢুকিয়ে দিলেই চলে, যেটা আইফোনে আইটিউন্স দিয়ে করতে হয়। আইফেনো ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে কি করতে হবে আমার জানা নাই। এটার ব্যাটারি পরিবর্তনযোগ্য এবং মেমরি কার্ড নিজের ইচ্ছা মতন ব্যবহার করা যায়। আমি একটা ৮ গিগা লাগিয়ে নিয়েছি। সবচাইতে ভালো বিষয় হলো আইফোনের চাইতে এর সাইজ অনেক ছোটো এবং হালকা।

এইচটিসি বাজারে আসার পরে ভুয়া কিছু কোম্পানী আসলেই ভয় পেয়ে গিয়েছে। যেমন ব্ল্যাকবেরি, কোনো কাজ কাম নাই, হুদাই দাম।

আর এটার সাথে ব্যবহার করছি সনিএরিকসনের HBH-DS970 স্টেরিও ব্লুটুথ হেডফোন। জটিল কম্বিনেশন হয়েছে। 🙂 সাউন্ডের ক্ষেত্রে সনির বিকল্প নাই বলে আমার মনে হয়।

খুব মজায় আছি এটা নিয়ে।

ফায়ারফক্স ৩ বের হলো

19 বৃহস্পতিবার জুন 2008

Posted by Omi Azad in ওপেন সোর্স, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 5 Comments

Tags

Firefox, Mozilla, ফায়ারফক্স, মোজিলা

অনেক প্রতিক্ষার পরে শেষ পর্যন্ত গতকালকে মোজিলা ফায়ারফক্স ৩ সাধারণ ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করলো। সবাই হুড়োহুড়ি করে ডাউনলোড করেছে ফায়ারফক্স ত এবং এখনো করছে, কিন্তু আমি একটু জানাতে চাই কি আছে এই নতুন সংস্করণে…

প্রথমে জানা যাক কি কি নতুন থাকছে এখানে-

আরও নিরাপদ

  • ফায়ারফক্স ৩ এখন আরও নিরাপদ। কোনো সিকিওর সাইটে গেলেই ঠিকানার পাশেই দেখা যাবে সার্টিফিকেট গ্রাহকের নাম এবং আপনি বুঝতে পারবেন সেটা ব্যবহার করা ঠিক হবে কি-না। আর যদি ঝামেলা মনে হয় সেখানেই লাল চিহ্ন দিয়ে দেখাবে এই সাইটটি নিরাপদ নয়।
  • কোনো প্লাগইন যদি নিরাপত্তাজনক সমস্যায় ভোগে বা নিরাপত্তায় সমস্যা তৈরী করে, তাহলে সেটা ব্যবহার থেকে সংয়ক্রিয়ভাবে বিরত থাকবে।
  • সাধারণত ফায়ারফক্স এক্সিকিউটেবল ফাইল ডাউনলোড করে খুলতে দিতে চায়না। অনেক ব্যবহারকারীর জন্য এটা নিরাপদ আবার অনেকেই এটা পছন্দ করেননা। তবে এখন তা ডাউনলোড করে খোলা যাবে যদি আপনার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকে।
  • অনেক সাইট আছে যারা অন্য সাইটের মত চেহারা করে আপনার তথ্য চুরি করতে চায়। যাকে আমরা ফিশিং বলি। এবার এই ফিশিং ফিল্টার আর উন্নত করা হয়েছে।
  • নোংরা সাইট ব্যবহার থেকে বঞ্চিত রাখার জন্যও ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্যবহারে আরও সহজ

  • পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সহজ করা হয়েছে এবং ওখন সহজেই পুরাতন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড উন্নয়ন করা যাবে।
  • অ্যড অন বা প্লাগ-ইন এবং স্কিন আগের চাইতে অনেক সহজে ইনস্টল করা যাবে।
  • ডাউনলোড ম্যানেজার আরও উন্নত করা হয়েছে। সহজেই জানা যাবে কোথা খেকে কি নামিয়েছেন এবং কোথায় রেখেছেন। ডাউনলোড রিজিউম আগের চাইতে উন্নত।
  • কী-বোর্ড সর্টকাট দিয়ে ইমেজ, ম্যানু ইত্যাদী জুম করা যাবে।

এরকম বহুত সুযোগ সুবিধা নিয়ে আসলো ফায়ারফক্স ৩ আর এখনো কিছু কিছু ছোটো খাটো সমস্যা রয়ে গ্যাছে যেগুলি তারা মাইনর রিলিজে ভবিষ্যতে ঠিক করে ফেলবে। আপনি যদি এখনো ফায়ারফক্স ডাউনলোড না করে থাকেন, তাহলে এখনই এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।

আমরা কেমন কম্পিউটার কিনছি!

03 মঙ্গলবার জুন 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, রিভিউ

≈ 18 Comments

Tags

Bangladesh, computer, market, memory, ram, কম্পিউটার, বাজার, বাংলাদেশ, মেমরি

Click to see larger sizeআমরা সস্তা কম্পিউটার কিনতে পছন্দ করি! কথাটা গত বিসিএস কম্পিউটার মেলায় এক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেছিলেন। উনার প্রতিষ্ঠান মাত্র প্রায় ৳১২,০০০/- তে একটা সিপিউ বিক্রি করছে। ভেতরে কি আছে দেখতে পারি নাই ব্যাস্ততার কারণে। তবে প্রচুর দর্শকদের আগ্রহ ছিলো সেই কম্পিউটার সিপিউটির প্রতি।

যখন মাত্র ৳১২,০০০/- তে একটি সম্পুর্ণ সিপিউ কিনতে পারা যায়, তার অর্থ এই না যে পৃথিবীতে সিলিকনের দাম কমে গিয়েছে আর আমরা সেজন্য কমদামে জিনিস পাচ্ছি। কমদামে জিনিস কেনার অর্থ এই যে আমরা একটি নিম্নমানের পণ্য কিনছি।

কিভাবে একটু বিশ্লেষণ করি। আমি সাধারণত আমার ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারের মালামাল বিদেশ থেকে আমদানী করি (এর জন্য আমি আমার মাইক্রোসফটের বন্ধুরা এবং আমার বন্ধুদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে কৃতজ্ঞ)।পাশের ছবিতে যেই রেমগুলি দেখা যাচ্ছে সেগুলি আমার বাসার কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হয়। উপরেরটা OCZ Reaper HPC Edition যার একজোড়ার দাম $১৭৫ (আমেরিকান), বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১২,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়াতে ৪ গিগা মেমরি হয়।

২য়টি নাম US Modular Coldfusion, যার একজোড়ার দাম $১৯৮ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১৩,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়ায় ৪ গিগা মেমরি হয়।

তার পরেরটা সবচাইতে দামী Crucial Ballistix, এক জোড়ার দাম $৪৫৬ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳৩১,০০০/- এবং এর এক প্যাকেটে এক জোড়া থাকে এবং এক জোড়ায় ২ গিগা মেমরি হয়।

আমাদের দেশে মাত্র ৳৩,০০০/- দিয়ে চার গিগা মেমরি কেনা সম্ভব এবং সেটা লাগিয়ে উইন্ডোস ভিস্তার মত অপারেটিং সিস্টেম ইসন্টল করে আমরা মন্তব্য করি, “শালা কি অপারেটিং সিস্টেম বানাইছে, চরম স্লো!” আসলেই কি তাই? আপনি কি কিনেছেন আর কি চালাচ্ছেন সেটা একটু বিবেচনা করবেন না?

বেশ কিছুদিন আগে আমার এক কলিগ মন্তব্য করেছিলো যে বাংলাদেশে কম্পিউটারের যা মাল পাওয়া যায় সেগুলার শুধু অঙ্কই বেড়েছে, পারফরমেন্স বাড়েনি। উনার বক্তব্য হচ্ছে আমাদের এখানে বর্তমান বাজারের ২ গিগা মেমরি, উনার ৫১২ মেগার সমান পারফরমেন্স দিতে পারে না। কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি।

তবে আমাদের বাজারে যে ভালো জিনিস পাওয়া যায়না তা কিন্তু না। কিন্তু যারা বিক্রি করে এরা কুড়াল দিয়ে কোপ দেয়ার মত দাম চায়। যেটা $৪০০ দাম সেটা চায় $১৪০০, যাতে একবারের সব লগ্নি ফেরৎ আসে। একটু সততার সাথে ব্যবসা করলেই কিন্তু আমরা ভালো জিনিস কিনতে পারি।

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.