Tags
সবার মুখে মুখে এই মোবাইলের কথা। এত্ত ভালো মোবাইল না-কি আর হয়না। আমার ব্লগ যারা পড়ে, তারা ইতিমধ্যেই জানে যে আমি বেশ কিছু ভালো মোবাইল ফোন ইতিম্যধের ব্যবহার করেছি। যেমন: এইচটিসি টাচ্, এপল আইফোন, মোটোরোলা রকার ইত্যাদি।
কিন্তু শান্তিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে চাইলে আমার মতে একটা সাধারণ মোবাইল ব্যবহার করা উচিৎ। সেজন্য কিছুদিন আগে একটা নোকিয়া ৫৩২০ কিনে ব্যবহার করছিলাম।
এর মধ্যে সবাই স্যামসং ওমনিয়ার কথা বলছিলো, ভাবলাম এটা একটু চালিয়ে দেখা দরকার। ১৬ গিগা বিল্ট-ইন মেমরী সহ একটা কিনে ফেললাম, আর আমেরিকা থেকে আসতে বেশ সময় লাগলো ওখানকার খারাপ আবহাওয়ার জন্য।
যাই হোক, আমার মোবাইলা বেশ পছন্দ হয়েছে। ওজনে আইফোন থেকে অ-নে-ক হালকা। টাচ্ স্ক্রিনটা ব্যবহার করা অনেক মজার। আইফোনের চাইতেও হালকা ছোঁয়ায় কাজ করে।

একবার জেনে নেই এর ফিচার গুলি।
- উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চলে এই মোবাইল
- ৮ গিগা এবং ১৬ গিগা মেমরির দু’টি আলাদা সংস্করণ উপলব্ধ আছে
- এক্সেলেরোমিটার দেয়া আছে, যাতে সিনেমা দেখার সময় কাৎ করলে স্ক্রিন ঘুরে যায়
- টিভি আউট দেয়া আছে, ছবি বা ভিডিও টিভিতে দেখার জন্য
- এডজ, ওয়াইফাই আছে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য
- ডিআইভিএক্স মোবাইল দেয়া আছে
- ভেতরেই জিপিএস ডিভাইস দেয়া আছে, যেটা গুগল ম্যাপ-এর সাথে কাজ করে
- ব্লুটুথ, A2DP সবই আছে এর সাথে
- এর সাথের ক্যামেরাটি ৫ মেগা পিক্সেল

ক্যমেরাটা সত্যই জটিল। হেডফোনটাও যা-তা। কিন্তু আমার ভালো না লাগার মধ্যে ভালো লাগেনি এর কানেক্টরটা। বাদবাকী সবই সুন্দর।

আর ভালো একটা বিষয় হলো এর ব্যাটারী বদল করা যায় এবং আরও বেশী মেমরি দরকার হলে এর মধ্যে মেমরি কার্ড লাগানো যায়।

ওমনিয়ার ক্যামেরা দিয়ে একটা ছবি তুলিয়েছিলাম আমার, বিটিআরসির দেয়া কল সেন্টারের লাইসেন্স হাতে নিয়ে..

এইচটিসি মোবাইল ফোন, কল্পনার চাইতে অনেক বেশী! উইন্ডোস মোবাইল ৬ প্রফেশনাল অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত ঝামেলাবিহীন স্মার্ট মোবিলিটি। আমি যেটা নিলাম সেটার মডেল হলো HTC Touch 3452.

অনেক প্রতিক্ষার পরে শেষ পর্যন্ত গতকালকে মোজিলা ফায়ারফক্স ৩ সাধারণ ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করলো। সবাই হুড়োহুড়ি করে ডাউনলোড করেছে ফায়ারফক্স ত এবং এখনো করছে, কিন্তু আমি একটু জানাতে চাই কি আছে এই নতুন সংস্করণে…