আমার ডাউনলোড সার্ভার

ডান দিকে যেই ল্যাপটপটা দেখা যাচ্ছে সেটা হচ্ছে আমার ডাউনলোড সার্ভার। কাজের জন্যই হোক আর শখের বসেই হোক, আমার তুলনামূলকভাবে প্রচুর ডাউনলোড করতে হয়। আমার ডেস্কটপ মেশিনটাও আমি এই কাজে ব্যবহার করতে পারি, কিন্তু ঝামেলা হচ্ছে বিদ্যুৎ খরচ এবং আমার পিচ্চিটা।

ল্যাপটপ ব্যবহার করলে যেমন বিদ্যুৎ খরচ কমে, তেমনি পিচ্চির নাগালের বাহিরে থাকে এবং আমার ডাউনলোড থাকে সুরক্ষিত।

আমি আগে থেকেই ল্যাপটপ ব্যবহার করে ডাউনলোড করা, এই কাজের জন্য আগে আমি আমার থিঙ্কপ্যাডটা ব্যবহার করতাম, কিন্তু সেটা ২৪ ঘন্টা চালু থাকলে আমার মনেহয় ওটার আয়ু কমে যাবে। আর তাই আমি বিকল্প হিসেবে এটাকে দাঁড় করিয়েছি। Continue reading »

বাংলাদেশের উন্নতি (!)

লোডশেডিং!
ভয়াবহ একটি শব্দ। এই গরমে লোডশেডিং হলে জীবন যেনো থেমে যায়। শুধু যে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় সমস্যা হয় তা-না। সামগ্রীকভাবে বিদ্যুতের লোডশেডিং আমাদের ক্ষতি করে। রাতে এক ঘন্টা বিদ্যুতের অনুপস্থিতি যেমন বাসায় থাকা অসহ্য করে তোলে, ঠিক তেমনি ওয়ার্কিং আওয়ারে এক ঘন্টা বিদ্যুতের অভাব বয়ে আনে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি।

বিষয়টা আমরা সকলেই কম-বেশী বুঝি। কিন্তু আমার মনেহয় যাদের বোঝা দরকার তারাই বোঝেনা। শুধু রেডিও, টেলিভিশন, পত্রিকায় লম্বা চ্যাওড়া ভাষন দিতে জানে আমাদের দেশের পরিচালকরা। বলে বিদ্যুতের না-কি উৎপাদনে ঘাটতি হচ্ছে। তাহলে আমরা ঘাটতি’র (!) কিছু নমুনা দেখি।

Continue reading »

রিক্সা কি হারিয়ে যাচ্ছে!

পত্রপত্রিকায় আমরা অনেক সংবাদ পড়ছি, অনেকগুলির আমাদের বাস্তবতার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। এই যেমন ইরাকে কি হচ্ছে, বুশ কি করছে… কিন্তু অনেক সংবাদের আমাদের প্রয়োজন থেকেও আমরা জানতে পরিনা।

বেশ কিছুদিন হচ্ছে আমরা রিক্সা নিয়ে ঝামেলায় আছি। সকালে বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সা পাইনা। আমার বাসা থেকে অফিস খুবই কাছে, মাত্র ৬ টাকা রিক্সা ভাড়া। আমি যদি ভাড়া বাড়িয়ে ৮ টাকাও বলি, তাও যেতে চায় না। দুপুরে আমি বাসায় খেতে যাই, কিন্তু দু’দিন হতে চললো দৃপুরে রাস্তায় পর্যাপ্ত রিক্সা থাকে না। একটা খালি রিক্সা আসলে গ্রাহক থাকে ১০ জন। Continue reading »

প্রদীপের সাথে এক বেলা, বাংলা উইন্ডোজ নিয়ে কিছু কথা…

গত ২১ মে ২০০৭ মাইক্রসফট উইন্ডোজ গ্লোবালাইজেশন প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রদীপ প্রাপিল বাংলাদেশে আসেন। উনার আসার উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করা। Continue reading »

হায়রে (!) ওয়ারিদ টেলিকম…

অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স পেয়েছে ওয়ারিদ – অবৈধ পথে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ – কারসাজিপূর্ণ মানদণ্ড নির্ধারণ – ভিন্ন ভিন্ন নামে কার্যক্রম পরিচালনা ওয়ারিদ টেলিকমকে লাইসেন্স দেওয়ার বিনিময়ে অবৈধ পথে প্রচুর অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ কোটি ডলারে (বাংলাদেশি টাকায় ৩৫০ কোটি) এই লাইসেন্স কেনা হলেও প্রায় সমপরিমাণ অর্থ চাঁদা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। সাবেক জোট সরকারের মন্ত্রী, সাংসদসহ বিভিন্ন ব্যক্তি এই অর্থ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন তাঁর জবানবন্দিতেও বলেছেন, জোট সরকারের সাবেক সাংসদ আলী আসগার লবী ৫০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৩৫ কোটি) ওয়ারিদ টেলিকমের মূল প্রতিষ্ঠান ধাবি গ্রুপ থেকে পেয়েছেন। একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমানও ওয়ারিদের লাইসেন্স প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে। Continue reading »