Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: মন্তব্য

Personal Comments

বাংলালায়নের কপাল!

20 বুধবার জানু. 2010

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 27 Comments

Tags

Banglalion, Wimax, ওয়াইম্যাক্স, বংলালায়ন

বানিজ্য মেলাতে অনেক পায়তাড়া করছে বাংলালায়ন প্যাভেলিয়ানের মেয়েগুলি। শুধু হাসি আর চেহারা ছাড়া আর কিছু নাই, ফার্মের মুরগীর মতন। এবার আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করলাম না, শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামশা দেখছি। একজন গত কয়েকদিন আগে লাইন নিয়েছে, অসম্ভব বিরক্ত, মোহাম্মদপুর বা শ্যামলী এলাকায় ব্যবহার করেন, কিন্তু সেবার বেহাল অবস্থা দেথে আবার মেলায় এসেছেন এই বিষয়ে কথা বলতে। উনার কথা বার্তা থেকে জানলাম যে বাংলালায়নের কাস্টমার কেয়ার বলতে গেলে নেই, কতগুলা নাম্বার দেয়া আছে ইচ্ছা হলে ধরে না হলে ধরেনা। তবে যেই মেয়েটার সাথে কথা বলছিলো, সেই মেয়েটা আবার কিছু জানে বলে মনে হলোনা, পাশ থেকে মেয়েটার বন্ধু এসে বললো বিগত কিছুদিন থেকে ওয়েদার খারাপ থাকার জন্য গতি ওঠা নামা করছে। আমি হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারলাম না। শুধু বললাম ঠান্ডায় লায়ন বেড়াল হয়ে গ্যাছে, তাই স্পিড ওঠা নামা করছে। 🙂

আমার কথা শুনে মেয়েটা ক্ষেপে গেলো, তাড়াহুড়ো করে একটা ব্রশিওর নিয়ে এসে দেখিয়ে একদম ঝগড়া করার মত করে বলতে লাগলো, “এই দেখেন, এতো কম সময়ে এতো কাভারেজ দিয়েছে এটাই অনেক বেশী না! আমাদের জন্য তো এটা ভাগ্যের ব্যাপার!”

আমি সত্যই অবাক হলাম। বাংলালায়নের সংযোগ যারা নিচ্ছে তাদের কি কপাল খুলছে না পুড়েছে!

কিউবি ময়না তদন্ত

08 শুক্রবার জানু. 2010

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 22 Comments

Tags

Augere, Broadband, High, Internet, Qubee, Service, Speed, ইন্টারনেট, উচ্চ, কিউবি, গতি, ব্রডব্যান্ড, সেবা, হাই

এই মাসের ২ তারিখ থেকে ফোনের পর ফোন পাচ্ছি কিউবি ব্যবহারকারীদের কাছে থেকে, সবারই একই কথা এটা কি! কিউবি’র বিল পেয়ে সবাই একটু হলেও হতভম্ব হয়েছে। এদের মধ্যে বেশীরভাগেরই অভিযোগ হচ্ছে; কিউবি ভ্যাটের কথা বলেনি সংযোগ বিক্রি করার সময়। কিন্তু এরকম অভিযোগ আনার আমি কোনো যুক্তি দেখিনা। ওদের ওয়েব সাইটে পরিস্কার বলা আছে সকল চার্জের সাথে ভ্যাট প্রযোজ্য, সাইটে লেখা থাকলে মুখেও নিশ্চয়ই বলবে ওদের সেলস্ পারসনরা, যদি বাংলা লায়নের মতন অজ না হয়ে থাকে।

এর পরের অভিযোগ হলো গত মাসের ১৫ তারিখের দিকে কিউবি ২৫৬ এবং ৫১২ প্যাকেজকে স্কাই লিমিট করে দেয়। অর্থাৎ যদি ভালোভাবে ব্রাউজ না করে সারাদিন বসে পর্ণ ডাউনলোড করেন বা ওদের লাইন নিয়ে নিজেই আইএসপি খুলে না বসেন, তাহলে আপনি উক্ত প্যাকেজগুলি উপভোগ করতে পারবেন। কিন্তু যখন বিল এলো, তথন সবারই মাথায় হাত! তারা আগের মতন কিলোবাইট হিসেবে বিল ধার্য্য করেছে। শুধু তাই না, যারা নতুন লাইন নিয়েছে তাদের ঐ মাসের অতিরিক্ত টাকা এই মাসের বিল থেকে বিয়োগ না করে যোগ করে দিয়েছে।

এর চাইতে বাজে কি আর কোনো পরিস্থিতি হতে পারে? আমার মনে হয়না হতে পারে। এই লেখাটি লেখা পর্যন্ত ৮ দিন হতে চললো কিন্তু এখনো গ্রাহকরা বিলের আপডেট পায়নি। আমি আশাকরবো যে তারা এসব ফাউল সফটওয়্যার ফেলে দিয়ে প্রফেশনাল জিনিসপত্র চালাবে এবং প্রফেশনাল মানের সেবা দেবে।

এ তো গেলো সাময়িক (!) সমস্যার কথা, যেটা ঠিক হয়ে যাবে বলে আমরা সবাই আশা করি। কিন্তু একটা জিনিস আমার ভালো লাগেনি, সেটা হলো এদের আপলোড পলিসি। ডাউনলোড গতির এক চতুর্থাংশ আপলোডের গতি। এই কথাটি কিন্তু কোথাও বলা নেই। এরা বড় গলায় বলছে যে বিটিআরসি-এর দেয়া নিয়ম অনুযায়ী এরকম করা হয়েছে। যদি আপলোড/ডাউনলোড সমান লাগে, তাহলে মাসিক ট্রান্সফার লিমিটেড করে ফেলতে হবে, যেমন মাসে ৬ গিগা বা ১০ গিগা। এই বিষয়টা আমার যাচাই করে দেখার সুযোগ হয়নি, আমি বিটিআরসি’র কয়েকজনকে চিনি কিন্তু আমার ধারণা উনারা এর জবাব দিতে পারবেন না। বাংলালায়ন কিন্তু ডাউনলোডের অর্থেক আপলোড দিচ্ছে, কিন্তু ওদের আবার মাসিক ট্রান্সফার লিমিটেড।

কিউবির গ্রাহকদের মাঝে মাঝেই অপটিমাইজেশন নামের অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে যেতে হচ্ছে। তারা দিনে দুপুরে নেটওয়ার্কের কাজ করছে এবং সেই সময় গ্রাহকদের ডাউনলোডের গতি ১/২ কিলোবাইট/সেকেন্ডে নেমে আসছে, ঠিক ঢাকা শহরের গ্যাস লাইনের মতন। এই সমস্যা ছাড়া আপটাইম নিয়ে আপাতত ঝামেলা দেখা যাচ্ছেনা। যাদের রিসিভার দিন-রাত ২৪ ঘন্টা ধরে চলছে ৩-৪ দিন পরে দেখা যায় তাদের ডাটা ট্রান্সফার বন্ধ হয় যায়, তখন রিসিভারটা বন্ধ করে চালু করলেই সব ঠিক হয়ে যায়। বিটিসিএল যে এডিএসএল সেবা দেয়, সেগুলি দিয়ে ডাউলোড চালালে কিছুক্ষণ পর পর সেগুলি হ্যাঙ্গ করে, কিউবিরটা তার থেকে অনেক ভালো। তবে গরমকালে এটার পরিমাণ বাড়তেও পারে। কিন্তু সত্য কথা বলতে সিমেন্স গিগাসেটের এই রিসিভারগুলি আমার ভালো লেগেছে। রিসিভারগুলি নিজেই রাউটার হিসেবে কাজ করতে পারে, তাই রিসিভার থেকে একটা সংযোগ নিয়ে একটা হাব/সুইচে লাগিয়ে দিলেই অনায়াসে যত খুশি তত কম্পিউটারে সংযোগ ব্যবহার করা যায় একসাথে।

পাকিস্তানে অবশ্য কিউবির সংযোগ নিতে টাকা দিতে হয়না। আবার পাকিস্তানে ওরা আরও একটা রিসিভারটা দিচ্ছে, যেটা ওয়াইম্যাক্স গ্রহণ করে ওয়াইফাইতে পরিবর্তন করতে পারে, মানে অফিস/বাসায় লাগালে তারের ঝামেলা ছাড়াই সুন্দর কাজ করা যাবে। আমি আশা করবো আমাদের এখানে ঐ মাল শিঘ্রই চলে আসবে।

কাস্টমার সার্ভিসের ব্যবহার ভীষণ ভালো, কিন্তু বেচারাদের হাতে কিছু নেই, মানে তারা চাইলেও একটা সাপোর্ট বা অভিযোগ লেখা ছাড়া কিছু করতে পারে না। যেসব পোলাপাইন ফিল্ডে কাজ করে, তারা শিক্ষিত এবং সন্মান করে। কোনো সমস্যা হলে আপ্রাণ চেষ্টা করে সেটা সারানোর।

মোট কথা –

  • আমি মাঝে মাঝে অনেক আপলোডের কাজ করি, যেটা কিউবি দিয়ে ভালোভাবে করা যাবে না। আমার ৫১২ প্যাকেজে আপলোডের গতি মাত্র ১২৮।
  • এখন পর্যন্ত ওরা যে গতি দেবার কথা বলছে সেটাই দিচ্ছে এবং সেটা থাকছে।
  • কাস্টমার সাপোর্ট ভালো।
  • মাঠ কর্মীদের ব্যবহার ভালো এবং ওরা শিক্ষিত। ডিসের লাইনের পোলাপাইন দিয়ে ইন্টারনেট লাইনের কাজ করাচ্ছে না।
  • নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী, তাই আশা করা যায় ঢাকার বাহিরেও এদের অবস্থান থাকবে।

এখন দেখা যাক সামনে কি হয়!

বাংলালায়নে ফোনে একদিন

31 বৃহস্পতিবার ডিসে. 2009

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 22 Comments

Tags

Banglalion, Internet, Service, Wimax, ইন্টারনেট, ওয়াইম্যাক্স, বাংলালায়ন, সেবা

গতকালকে প্রথম আলোতে বিশাল বিজ্ঞাপণ দিয়েছে বাংলালায়ন। আমি কিউবি ব্যবহার করছি, কিন্তু চিন্তা করলাম দেখি এদের কি অবস্থা। ফোন দিলাম ওদের নম্বরে (হট্‌লাইনে), এক মহিলা ধরলেন গলার স্বর সেক্সি না। কেনাকাটার ব্যপারে কোথাও ফোন করে যদি সেক্সি স্বরের মেয়ের সাথে কথা না হয় ভালো লাগেনা। এখানে একটা পরামর্শ দিয়ে রাখতে চাই, কেউ যদি ভালো ব্যবসা করতে চান, তাহলে টেলিফোন অপারেটরের কন্ঠ অবশ্যই সেক্সি দেখে নিয়োগ দেবেন এবং শো-রুমেও সেক্সি মেয়েদের (চিকন, খানিকটা লম্বা এবং ফর্সা হলেই চলে আমাদের দেশে) নিয়োগ দেবেন; ব্যবসা ভালো হবে। যাই হোক, আলাপ আলোচনা কি হলো সেটা বলি-

  • অপারেটর: হ্যালো!
    • যখন আমি কিছু কেনার উদ্দেশ্যে ফোন দিয়েছি আমি আশা করছিলাম আমাকে গুড মর্নিং বা আসসালামুআলাইকুম জাতীয় কিছু বলবে, শুধু হ্যালো আমি আশা করি নাই।
  • আমি: আচ্ছা আপনাদের সেলস্ বা মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের সাথে কথা বলতে পারি?
  • কোথা থেকে বলছেন?
    • সাথে প্লিজ বললে ভালো করতেন, কিন্তু বলেন নাই।
  • অমি আজাদ বলছি, মাইক্রোসফট থেকে।
    • ভাবলাম আমার প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলে একটু বেশী গুরুত্ব পাবো, কিন্তু পরবর্তী আলোচনায় সেরকম কোনো লক্ষণ দেখলাম না।
  • আপনি আমাকেই বলতে পারেন, আমি প্রয়োজন মনে করলে ফরোয়ার্ড করবো টিমের কাছে।
  • আচ্ছা আপনারা যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপণ দিয়েছেন, আপনারা কি কার্যক্রম শুরু করেছেন?
  • জ্বী।
  • আপনারা কি উত্তরাতে লাইন দিচ্ছেন বা গুলশানে?
  • দিচ্ছি কিন্তু সবখানে ঠিকমতন লাইন পৌছেনি, আমাদের কাজ চলছে, আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে দেখতে পারেন আপনার এলাকা আমাদের আওতায় আছে কি-না।
  • আপু, আমার তো এখন ইন্টারনেট সংযোগ নেই, আপনি যদি একটু দেখে বলতেন।
    • মিথ্যা বলার জন্য দুঃখিত, আমার টার্গেট ছিলো ওদেরকে যাচাই করা, তাই বলতে হয়েছে।
  • আপনাকে আমাদের সাইটে গিয়েই দেখতে হবে, এটাই সিস্টেম করেছি আমরা।
  • আমার যে এখন ইন্টারনেটের লাইন নাই!
  • আপনি অফিস বা সাইবার ক্যাফে থেকে বাংলালায়নওয়াইম্যাক্স ডট কম সাইটে গিয়ে দেখতে হবে।
    • এখানে আমি লক্ষ্য করলাম মেয়েটা প্লিজ বললো না, প্লিজ বললেই কিন্তু ল্যাটা চুকে যায়!
  • আচ্ছা, আপনারা কি কি মডেম দিচ্ছেন আর কিভাবে সংযোগ নিবো?
  • আমরা তিন রকমের মডেম দিচ্ছি, ডিপেন্ড করে আপনার অবস্থান এবং আমাদের কাভারেজের উপরে। ইউএসবি ৩৫০০ টাকা, ইনডোর মডেম ৪০০০ এবং আউটডোর মডেম ১০০০ টাকা দাম।
  • আচ্ছা ইনডোর আর আউটডোর মডেমে কি রাউটার বিল্ট-ইন?
  • এটা ঠিক বলতে পারবো না।
  • না মানে কিউবি যেই সিমেন্স গিগাসেটের মডেমটা দিচ্ছে সেটা রাউটার হিসেবে কাজ করে, আপনি ওখান থেকে লাইন নিয়ে একটা সুইচ বা হাবে লাগিয়ে অনেকগুলি মেশিনে একসাথে চালাতে পারবেন। আপনাদের কি সেরকম সুবিধা আছে?
  • আমি ঠিক বলতে পারছি না।
  • আপনি কি এরকম কাউকে দেবেন যে বলতে পারবে?
  • এটা আপনি সচাইতে ভালো জানতে পারবেন আমাদের যে প্রমোশনাল এক্সপিরিয়েন্স কার আছে সেখানে জিজ্ঞেস করলে।
    • এক্সপিরিয়েন্স কার কথাটা হুবহু নাও মিলতে পারে, কি নাম বলেছিলো হুবহু মনে পড়ছেনা।
  • সেটা আবার কি?
  • বিভিন্ন এলাকায় আমরা আমাদের প্রমোশনাল এক্সপিরিয়েন্স কার পাঠাচ্ছি, একটা মাইক্রোবাসের মধ্যে আমাদের ডিভাইস, কম্পিউটার ইত্যাদি দিয়ে। আপনি সেখানে আমাদের সেবা ব্যবহার করে দেখতে পারেন এবং ওখানে অনেক তথ্য দেয়া আছে, আশাকরি ওরা আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে পারবে।
  • আচ্ছা, আমি লাইন নিতে কোথায় যাবো?
  • আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বরটা কত?
  • কোন রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানতে চাইছেন?
  • আপনি কি অনলাইনে আমাদের ওয়েব সাইটে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন?
  • করেছিলাম বছরখানেক আগে, নম্বরটাতো লিখে রাখিনি।
  • যাই হোক সমস্যা নাই, আপনি যেই এলাকা থেকে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, সেই এলাকা ধরে আমরা লটারি করবো। লটারিতে যাদের নাম উঠবে আমরা তাদের ফোন করে জানাবো তাদের এলাকায় বা কাছাকাছি কোখায় কবে আমাদের এক্সপিরিয়েন্স কার থাকবে, তারা সেখানে গিয়ে লাইন নিতে পারবেন।
    • এমন মনে হলো বাংলালায়ন লটারি করে নির্বাচন করবে কোন কোন দরিদ্র/দুস্থ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী(দের)কে লাইন দেয়া যায়। দয়া করে তাদেরকে লাইন দেবে এবং সেই দয়া পেয়ে দরিদ্র/দুস্থ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জীবনধারা পাল্টে যাবে।
  • আচ্ছা।
  • আর কি কিছু জানতে চান?
  • না ঠিক আছে, আমার এলাকায় লাইন আসলেতো আমি জানতেই পারছি। ঠিক আছে, আপনাকে ধণ্যবাদ।
    • কিছু বোঝার আগেই খটাস্ করে ফোন রেখে দিলেন ভদ্রমহিলা!

আমার মনেহয় এদের অনেক কাঠ খড়ি পুড়াতে হবে সেবা দিতে, তথ্য দিতে এবং ব্যবহার ঠিক করতে। এখন কিন্তু একটা রিক্সাওয়ালাও ব্যবহার বোঝে এবং ভালো ব্যবহার আশা করে। “এই ব্যাটা যাবি” বললে রিক্সাওয়ালা নিয়ে যেতে চায়না যদি খুব বাঁটে না পড়ে। আর আমি কি মনে করে এদের সেবা নিবো! যারা ফোনেই ঠিক করে কথা বলেনা।

সবচাইতে খারাপ জিনিসটা হলো এদের সাইটের স্পিড মিটার, যা কিনা আপানার ইন্টারনেট সেবার গতি পরীক্ষা করে বলবে আপনার বর্তমান সংযোগের গতি কত। চালাকি করে সেটার মাপের ধরণ কমিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে আপনর ইন্টারনেট সংযোগের গতি আপনি কম দেখেন। বিশ্বাস না করলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। 🙂

খেলা তো কেবল জমবে, মার্চে ব্র্যাকনেট কি এক আহামরি মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে আসবে শুনলাম। আমাদের কাজ দেখা আর মজা নেয়া। প্রতিযোগিতা না থাকলে মজা নাই।

ওয়াইম্যাক্স – আশায় গুড়েবালি!

14 শনিবার নভে. 2009

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 28 Comments

Tags

ইন্টারনেট, ওয়াইম্যাক্স

অনেক হৈ চৈ পড়েছিলো দেশে যে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি আসছে! আগা মাথা না বুঝেই লাফা লাফি শুরু হলো পাবলিকের (যেটা হয় সবসময়)। সবার ধারণা হলো, গরীব এই দেশে অল্প টাকায় অনেক দ্রুত গতির ইন্টারনেট পাবার এটাই একটা উপায়! কেউ এটা বুঝলো না যে ব্যান্ডউইড্‌থ নামে একটা জিনিস এই সেবার সাখে জড়িত, যা আমাদের দেশে এখনো অনেক মূল্যবান এবং ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে সেটাই গ্রহণ করতে হবে। তাই সেটার দাম বেশী থাকলে কখনো কম দামে সেবা পাওয়া যাবে না।

ঐ যে বললাম, আগা মাথা কোনো জ্ঞান নাই, আজাইরা লাফা লাফি। আমাদের সরকার আবার প্রায় দুইশত পনেরো কোটি টাকার নিয়ে লাইসেন্স নিলাম করে একে অপরের পিঠ চাপড়ায় নিজেদেরকে বাঘের বাচ্চা মনে করে। এটা একবারও মাথায় আসলোনা যে এই টাকা কোম্পানী ব্যবসা শুরু করে সাধারণ মানুষদের চিপা দিয়ে বের করে নিবে। অনেকে কথাটা বলেছিলো শুরুতে, আমাদের দেশে কে কার কখা শোনে!

শুরুতে তিনটা কোম্পানী লাইসেন্স নিলেও এখন টিকে আছে দু’টা। এই বছর শুরুর দিকে বাংলা লায়ন (সাইটটিতে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৬ দিয়ে যাবেন না, ভাইরাস আছে) অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু করে, কিন্তু অপারেশনে আসার খবর নাই। কয়েকজন এরই মধ্যে বাংলা লায়নের পরীক্ষামূলক সংযোগ পেয়াছে। এদের সেবার মান সত্যই সবার জন্য হতাশা জনক। এই লাইন থাকার চাইতে না থাকা ভালো। ল্যাপটপে ইউএসবি ডঙ্গল লাগিয়ে রাস্তায় চলমান অবস্থায় নেটওয়ার্ক থাকে না যেসব এলাকায় নেটওয়ার্ক আছে। স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে নেটওয়ার্ক আসে। কি হাস্যকর!

পরে অওগের নামের একটি কোম্পানী কিউবি ব্র্যান্ড নাম নিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করে। এরাও ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বলে দাবি করে। একবার যদি আমরা ওয়াইম্যাক্স নিয়ে লেখাপড়া করি তাহলে বুঝতে পারবো এই প্রযুক্তি আসলে কি। ওয়াইম্যাক্স অর্থ হলো, আপনি উচ্চ গতির ইন্টারনেট বা ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন চলমান অবস্থায়। কিউবি সেখানে প্রথমবার হতাশ করলো। তাদের বিশাল সাইজের মোডেম নাকি জানালার কাছে রাখতে হবে, নাইলে কাজ করেনা। ইন্টেল যখন আইইইই-এর একটি কনফারেন্সে ওয়াইম্যাক্স বর্ণনা করছিলো, তখন বলেছিলো, যত বাঁধাই থাকুক, ওয়াইম্যাক্স দেবে লাস্ট মাইল পারফরমেন্স। তাহলে জানালায় কেনো!

আবার ট্যারিফ দেখলে মাথা নষ্ট! লাইন নিতেই দিতে হবে সাত হাজার টাকা। পারে মাসে মাসে সস্তা কোনো প্যাকেজ নাই, নাই আনলিমিটেড প্যাকেজ। আসলে ওদেরও তেমন কোনো দোষ নেই। একে তো চড়া দামে লাইসেন্স কিনেছে, তার উপরে এক মেগা ব্যান্ডউইড্‌থের দাম প্রায় একুশ হাজার টাকা। ওরাই বা কি করবে, কতই বা গতি দেবে, কতই বা টাকা কম নেবে। ব্যবসা করে তো চলতে হবে।

আমাদের দেশেই ইন্টারনেটের অবস্থা শোচনীয়। সেদিন আমার এক বন্ধু বললো, “বাংলাদেশে ইন্টারনেট এখনো বড়লোকদের বিলাসিতা।” কথাটা মাঝে মাঝে খুবই সত্য মনে হয়। আমি বলছিনা আমাকে ট্রান্সফার লিমিট ছাড়া পাঁচশত টাকায় এক মেগা লাইন দিক। কিন্তু সেবার একটা ন্যুনতম মান থাকা দরকার। আজকে কিন্তু আমরা যে কেবল টিভি দেখি, সেটারও একটা মান আছে, একটা নীতিমালা আছে। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো ইন্টারনেটের ন্যুনতম কোনো নীতিমালা নেই। যে যেমন চাইছে তেমন লাইন দিচ্ছে, অনেক টাকা দিয়ে সংযোগ নিলেও সেবা পাওয়া যায় না, ঝামেলার শেষ নাই। সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও কেউ মানে, কেউ মানে না।

আইটি লাইনের সবাই অনেক আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছে যে এটার একটা সমাধান আসবে, আমরাও একসময় আলো’র মুখ দেখবো।

সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্প সংকটে

08 মঙ্গলবার সেপ্টে. 2009

Posted by omiazad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 4 Comments

Tags

কল, বিটিআরসি, সেন্টার

দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশসমূহে কলসেন্টার শিল্পে যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে তখন বাংলাদেশের কলসেন্টার শিল্পে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক দেরি হলেও বাংলাদেশ কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশ করায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন কলসেন্টার শিল্পে অচিরেই বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক অবস্থায় উপনীত হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে কতটা কার্যকর এই বিষয়ে এখনও তেমন সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে পারেনি আগ্রহী অনেক ব্যক্তি।

এই কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জোরগলায় বলা হলেও আমাদের দেশের দুর্বল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কতটুকু সহায়ক এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি। কেননা গত বছর লাইসেন্স প্রদান করা হলেও তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে শর্ত প্রদান করা হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানই পরবর্তী পর্যায়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানেরই কলসেন্টার শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশদ জ্ঞান না থাকায় প্রাথমিকভাবেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক দুর্বল অবকাঠামো বিষয়টিকে করে তুলেছে জটিল অবস্থায়। কেননা, উচ্চমূল্যের বিনিময়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় তা নিরবিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষ করে বিদেশের ক্লায়েন্ট নির্ভর এই কলসেন্টার শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি বর্তমানে কলসেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যতিত কলসেন্টার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কলসেন্টার শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জেনারেটর ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গ্রহণ করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানী তেলের উচ্চমূল্য বিষয়টি করে তুলেছে ব্যয়বহুল। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.