Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: মন্তব্য

Personal Comments

যানজোট কমাতে স্কুলের সময় পরিবর্তন না করে স্কুলবাস বাধ্যতামূলক করলে কাজ বেশী হতে পারে

05 শনিবার সেপ্টে. 2009

Posted by omiazad in বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 10 Comments

Tags

কলেজ, ঢাকা, বাস, বিশ্ববিদ্যালয়, যানজোট, স্কুল

পত্রপত্রিকায় দেখছি সরকার যানজোট কমানোর জন্য অফিস আদালত এবং স্কুল কলেজের সময়সূচী পরিবর্তনের বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন। আমার কাছে বিষয়টা অযৌক্তিক মনে হচ্ছে। এভাবে যানজোট কমবে কি-না, তবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে বেশী।

আমার কাছে মনে হয় বেসরকারী স্কুলগুলি ঢাকা শহরে যানজোট সৃষ্টি করার পেছনে একটা বিশাল ভুমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলগুলি। ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলিতে অপেক্ষাকৃত উচ্চবিত্তদের সন্তানেরা লেখাপড়া করে। লেখাপড়া করুক এতে সমস্যা নাই, বাবা-মা অর্থ উপার্জন করেই সন্তানদের ভালো ভবিষ্যত তৈরী করার জন্য, ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া করে যদি ভবিষ্যত উজ্জ্বল হয় তাহলে সমস্যা কি।

কিন্তু ঝামেলা অন্যখানে। যারা ঢাকা শহরে ইংরেজি মাধ্যমে সন্তানদের লেখাপড়া করান, তারা অন্য অবিভাবকদের যার যার টাকার পরিমান দেখানোর চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন। তার একটি পন্থা হলো দামী গাড়ী প্রদর্শন। কে কি গাড়ী চালান, সেটা দেখানোর কিন্তু তেমন কোনো উপায় নেই। তাই তারা দামী গাড়ী নিয়ে স্কুলে সন্তানদের রাখতে এবং নিতে যান। বিশাল এক হামার গাড়ী নিয়ে নার্সারি শ্রেণীতে পড়া ৫ বছর বয়সের সন্তানকে স্কুলে দিতে বা নিতে যাচ্ছেন অবিভাবকেরা। অনেকে আবার দিতে যান এক গাড়ীতে আবার নিতে যান অন্যটিতে।

একটা স্কুলে যদি ৫০০ ছাত্র/ছাত্রী থাকে, তাহলে তার সামনে এবং আশ পাশের রাস্তায় ৫০০টি গাড়ী বিরাজ করে। আবার ধরা যাক সকালের শিফটের শেষ আর দিনের শিফট শুরু, তাহলে ৫০০+৫০০=১০০০ গাড়ী ঐ এলাকায় বিরাজ করছে। আমার কথা পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরার ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল পাড়ায় স্কুল শুরু/শেষ হবার সময় একবার ঘুরে আসুন।

কিন্তু এই স্কুলগুলিতে যদি গাড়ী নিষিদ্ধ করে দেয়া হয় আর তার পরিবর্তে স্কুল বাস চালু করা হয়, তাহলেই কিন্তু ল্যাটা চুকে যায়। বাধ্যতামূলক ছাত্র/ছাত্রী/শিক্ষক/শিক্ষিকাদের স্কুলের বাসে ভ্রমণ করতে হবে। স্কুল বাসের জন্য যদি কিছু টাকা বেশীও দিতে হয় তা কিন্তু জ্যামে বসে গাড়ীর তেল/গ্যাস পুড়ার খরচের চাইতে অনেক কম হবে।

কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনে করলে আশাকরি জ্বালানি সংরক্ষণ সহ ৩০-৪০% যানজোট নিরাসন করা সম্ভব হবে। শুধু স্কুলেই না, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যায়গুলিতেও একই আইন কার্যকর করা উচিৎ।

দেশের ভেতর আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা হতে পারে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নতুন ব্যবসার ও গ্রাহকদের জন্য নতুন সেবার সম্ভাবনা

15 বুধবার জুলাই 2009

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 14 Comments

Tags

একটেল, ওয়ারিদ টেলিকম, গ্রামীণফোন, টেলিটক, বাংলাদেশ, বাংলালিঙ্ক, মোবাইল অপারেটর, রোমিং, সিটিসেল

আমাদের দেশে এখন ছয়টি মোবাইল অপারেটর সফলভাবে কার্যক্রকম চালিয়ে যাচ্ছে। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিঃ, গ্রামীণফোন লিঃ, টিএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিঃ, ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ লিঃ, টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ এবং ওয়ারিদ টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল লিঃ। এদের মধ্যে কারও কারও দেশব্যাপি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কাভারেজ রয়েছে আবার এখনো কারও কারও নেটওয়ার্ক দুর্বল। আবার এখনো এমন দেখা যায় যে অনেক স্থানে কোনো কোম্পানীর নেটওয়ার্ক কাভারেজ আছে আবার অনেক স্থানে নেই। শুধু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেই না, খোদ ঢাকার অনেক বহুতল ভবনে ঢুকলে দেখা যায় এই মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক পাচ্ছে আবার ঐ অপারেটরের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন না। কারণ অনেক অপারেটররা ঐ ভবনগুলিতে ইনডোর মাইক্রো বিটিএস লাগিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কিন্তু দেশের ভেতরে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে। ভারতের কথা ধরা যাক, সেখানে আইডিয়া নামের অপারেটর শুধু দুই থেকে তিনটা রাজ্যে সেবা প্রদান করে থাকে। এর অর্থ এই না যে আপনা আইডিয়ার গ্রাহক হলে আইডিয়ার প্রদেশগুলির বাহিরে অন্য প্রদেশে গিয়ে নেটওয়ার্ক পাবেন না। অন্য প্রদেশের অপারেটরের নেটওয়ার্কে আপনি রোমিং করতে পারবেন এবং এরজন্য হয়তো মূল কল চার্জের সাথে সামান্য কিছু পয়সা বেশী দিতে হবে আপনাকে।

ঠিক সেভাবেই ধরা যাক আমি টেলিটকের গ্রাহক, দিলকুশার জীবন বীমা ভবনে অবস্থিত বোর্ড অফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসে একটা কাজে গিয়েছি, সেখানে দেখি আমার মোবাইলে নেটওয়ার্ক নাই। কিন্তু ওয়ারিদ বা বাংলালিঙ্ক গ্রাহকরা দিব্বি মোবাইল ব্যবহার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানলাম একটেল, ওয়ারিদ ও বাংলালিঙ্ক ঐ ভবনের ভেতরে ইনডোর মাইক্রো বিটিএস স্থাপন করেছে সেবা প্রদানের জন্য।

এখন যদি আমাদের দেশে আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকতো, তাহলে আমি দিব্বি ঐ তিনটি অপারেটরের একটিকে নির্বাচন করে নিয়ে আমার মোবাইল ব্যবহার করতে পারতাম সেই সাময়িক সময়ের জন্য। অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য আমাক হয়তো ইনকামিং বা আউডগোইং উভয় ক্ষেত্রে মিনিট প্রতি অতিরিক্ত ০.০৫ টাকা বিল দিতে হতো। আর আমি যেই অপারেটরকে নির্বাচন করেছি রোমিং কারার জন্য, এই ০.০৫ টাকা ঐ অপারেটর পেতো।

এভাবেই ধরুণ আমি একটা গ্রামে গেলাম, যেখানে টেলিটকের নেটওয়ার্ক নেই, কিন্তু গ্রামীণফোনের আছে। আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকলে আমি ঐ নেটওয়ার্ক নির্বাচন করে আমার মোবাইল ব্যবহার করতে পারতাম। এই ক্ষেত্রে হয়তো কল করার জন্য আমার কল চার্জের সাথে মিনিটপ্রতি ০.০৫ টাকা অতিরিক্ত এবং কল গ্রহণ করার জন্য মিনিটপ্রতি ০.০৫ টাকা হারে চার্জ দিতে হতো। এই অতিরিক্ত চার্জটা কিন্তু পেতো গ্রামীণফোন।

এই যে গ্রামীণফোন কত রকমের প্রচার করছে যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের নেটওয়ার্ক আছে ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু বিল বেশী হওয়ায় অনেকেই ওদের সেবা নিতে আগ্রহী না। কিন্তু যদি আজকে আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকতো, তাহলে গ্রামীণফোন খুব সুন্দর রোমিং নেটওয়ার্ক ভাড়া বাবদ অনেক টাকা উপার্জন করতে পারতো।

যাই হোক, আমাদের আশা ভালো সেবা পাওয়া। আমার কাছে মনে হয়েছে এই সুবিধা থাকলে আমাদের উপকার হতো এবং সেই সাথে মোবাইল অপারেটরদেরও একটা নতুন ব্যবসার দুয়ার উন্মোচিত হতো। এখন দেখা যাক কি হয়। দেশ যতই ছোটো হোক, ১০০% নেটওয়ার্ক কাভারেজ কিন্তু এখনো কোনো অপারেটর দিতে পারেনি।

এনটিভি’র সকল দর্শকই গাধা!

02 বৃহস্পতিবার জুলাই 2009

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, মন্তব্য

≈ 17 Comments

শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী কে নিয়ে গানের অনুরোধের আসর চলছে, বিজ্ঞাপণ বিরতির পরে অনুষ্ঠানের ফিরে আসার সাথে সাথে পরিচালক উপস্থাপিকার চুলের নীচে লুকানো এয়ারফোনের মধ্যে ৬ বছর পুর্তির ঘোষণা দেবার নির্দেশ দিলেন। ঘোষণা শেষ হলো, শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী Happy Birth Day গান করলেন এবং তার পরে একটা এনিমেশন এলো ৬ বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে।

ঐ এনিমেশনে দেখানো হলো যে এক ব্যক্তি এন্টিনা হাতে নিয়ে একটা গাধার পিঠে বসে গাধার সামনে একটা টেলিভিশন ধরে আছে (গাধার সামনে মূলা ধরার মতন করে) আর সেটা অনুসরণ করে গাধা এগিয়ে যাচ্ছে।

এর অর্থ এই যে আমরা সবাই সেই গাধা আর পিঠের সেই বাহক হলো এনটিভি’র কলাকুশলীরা। এনিমেশনের সাথে কি সুন্দর সব মিলে যায় এই চ্যানেল এবং দর্শকের সম্পর্ক। গাধার সামনে মূলা ঝুলানোর মতন করে যেমন এনটিভি প্রদর্শিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি আমাদের সামনে ভালো অনুষ্ঠান দেখাবার নাম করে (বা অনুষ্ঠানের সৌজন্যে বলা যেতে পারে) বিজ্ঞাপণ প্রচার করে যাচ্ছে। তারা যে আমাদের গাধা বানাতে সার্থক হয়েছে সেটা ঐ এনিমেশন দিয়ে প্রমাণ করলো!

হায় এনটিভি’র দর্শক, আমরা সবাই গাধা!

ভাওতাবাজির চরমে সিটিসেল (ShittyCell)

26 মঙ্গলবার মে 2009

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 50 Comments

Tags

Citycell, Mobile, Samsung, মোবাইল অপারেটর, সিটিসেল, স্যামসং

একটা কোম্পানি কত বাটপার হতে পারে তা সিটিসেলকে দেখলে বোঝা যায়। এই সপ্তাহে ওরা একটা নতুন হ্যান্ডসেট বাজারে ছেড়েছে যার নাম স্যামসং এবসোলিউট। সেটটির বর্তমান মূল্য ১০,৪৫০ টাকা আর ব্লুটুথ হেডফোন সহ এর দাম ১১,৮৫০ টাকা। ফকির মিসকিন ছাড়া ভালো মানুষের কথাও মনেহয় এরা এখন নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে! কারণ কিছুদিন আগে আমার বৌকে সিটিসেলের ZTE C332 সেটটা দিতে চাইলে আমাকে বলে, ইবানের স্কুলের সামনে এক মহিলা পুঁথির মালা বিক্রি করতে আসে, সে এই সেট চালায় আমি কিভাবে এটা চালাবো।” এই তো সিটিসেলের অবস্থা!

যে কারণে এই পোস্টটি লিখছি সেটাতে আসি। আমার ধারণা সিটিসেল এই সেটটা তাদের অফিসে বসে বানিয়েছে বা দেশের কোথাও কারখানা ভাড়া করে সেখানে বানাচ্ছে। কারণ সেটটা সম্পর্কে অনেক ধরণের কীওয়ার্ড ব্যবহার করে গুগলে খোঁজাখুঁজি করলাম, কিন্তু কোনো লাভ হলো না। গুগল্ এটা চেনে না। ভাবলাম এক্কেবারে নতুন সেট তাই গুগল্ এটা চেনে না। তাই এই সেটের পেছনে দেয়া ইউআরএল samsungmobile.com-এ গিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আমি এই সেটের কোনো হদিস পেলাম না। তার পরেও আমি ভারতের CDMA সেবা প্রদানকারী কোম্পানিদের ওয়েব সাইটে গিয়ে এই ফোন বের করার চেষ্টা করলাম, কোনো লাভ হলো না। সুতরাং আসলেই এই নামে পৃথিবীতে কোনো সেট নাই।

এরপরে লক্ষ্য করলাম এক আজিব জিনিস সেটটার হেডফোনের কন্ট্রোলে মিরর ইমেজে Samsung লেখা এবং হেডফোনের জ্যাকেও Made in China মিরর ইমেজে লেখা। নিজের চোখে দেখার জন্য এখানে ক্লিক্ করুন।

ব্যাস আমার ধারণাই সত্য হয়ে গেলো। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড স্যামসং এবসোলিউট নামে যে মোবাইলটি বাজারে বিক্রি করছে সেটার সাথে স্যামসং কোম্পানির আদৌ কোনো সম্পর্ক নাই। এরা কোনো চাইনিজ কোম্পানিকে দিয়ে এটা বানিয়ে নিয়ে ঐ নামে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণা করছে যার সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত না।

এরকম ব্যবসা আজ থেকে ৫/১০ বছর আগে করলে একটা কথা ছিলো, কিন্তু এখন আমরা অনেক সচেতন। যোগাযোগ আজকে উন্মুক্ত চাইলেই এই বাটপারদের ধাপ্পাবাজী থেকে আমরা অবগত
থাকতে পারি।

সুতরাং আপনার যতই প্রয়োজন থাক, আগে সত্যতা যাচাই করুণ এবং তারপরে এই তৃতীয় শ্রেণীর সেটটি কিনবেন কি-না ভাবুন।

বাংলাদেশ থেকে র‍্যাপিডশেয়ার বিক্রি, কতটুকু বৈধ?

01 রবিবার ফেব্রু. 2009

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 9 Comments

Tags

টাকা, রেপিডশেয়ার, হুন্ডি

হ্যাঁ, এখন বাংলাদেশে বসেই আপনি র‍্যাপিডশেয়ারের একাউন্ট কিনতে পারছেন, আর কোনো ঝাক্কি ঝামেলা নেই। বেশ কিছুদিন হলো র‍্যাপিডশেয়ারের রিসেলারের পাতায় বাংলাদেশের দুই এজেন্টের নাম দেখা যাচ্ছে..

তাদের একটি হলো টেকনোবিডি অপরটি থ্রিডিপ্লেক্স। টেকনোবিডি অনেকদিন থেকে উচ্চমূল্যে ডেমেইন/হোস্টিং বিক্রি করে থাকে, বাজারে ডেমেইন/হোস্টিং বিক্রি করার জন্য তাদের একটা সুনামও আছে কিন্তু এই থ্রিডিপ্লেক্সকে আমি চিনিনা। তাদের ইমেইল ঠিকানাটাও খোঁড়া, জিমেইলে। কোনো প্রফেশনাল কাজে কারও ইয়াহু/হটমেইল/জিমেইল ব্যবহার করাটা ঠিক না, এরা করছে।

বাংলাদেশে যারা হোস্টিং/ডোমেইন বিক্রির কাজ করে, তাদের বিদেশে টাকা পাঠাবার কিছু তারিকা আছে। তারিকাগুলি বৈধ। কিন্তু র‍্যাপিডশেয়ারে একাউন্ট কেনার কোনো বৈধ তারিকা নেই। আমার এক বন্ধুর অনুরোধে আমি নিজে র‍্যাপিডশেয়ারে যোগাযোগ করেছিলাম যে তাদের কিভাবে টাকা দেয়া যায়, যেগুলি আমাদের দেশে বৈধ, কিন্তু সরাসরি টাকা পাঠানোর জন্য আমাদের সেরকম কোনো উপায় নেই।

যেমন ধরুন আপনার বন্ধু ভারতে থাকে, ভারতে পে-প্যাল কাজ করে, তাকে আপনি হুন্ডি করে টাকা পাঠালেন (কারন বৈধ পথে টাকা পাঠালে যে খরচ হবে, তাতে একটা ১ মাসের রেপিডশেয়ার একাউন্টের দাম হবে ১২০০ টাকা প্রায়) এবং তখন সে পে-পেল দিয়ে র‍্যাপিডশেয়ারকে টাকা পরিশোধ করে দিলো।

আমি উক্ত রিসেলারগুলির সাইট ভালো ভাবে দেখেছি, সেখানে পরিস্কার লেখা আছে র‍্যাপিডশেয়ারকে তারা না-কি পে-পেলের মাধ্যমে টাকা দিচ্ছে। আপনারা যদি একটু কষ্ট করে পে-পেলের এই পাতাটি দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন যে বাংলাদেশের সাথে পে-পেলের কোনো লেন-দেন নাই। তাহলে এই রিসেলাররা কিভাবে পে-পেলে টাকা পাঠাচ্ছে?

আমরা যারা আগে থেকে র‍্যাপিডশেয়ার ব্যবহার করি, আমাদের টাকা দেবার একটা উপায় আছে, আমরা বা আমাদের বন্ধু বান্ধবের মধ্যে যারা আউটসোর্সিং করে, তারা বিদেশে অবস্থিত তাদের ক্লায়েন্টদেরকে অনুরোধ করে একটি একাউন্ট কিনে দেবার জন্য এবং পরে সেই টাকা পেমেন্ট থেকে বিয়োগ করা হয়। কিন্তু যারা আজকে বাংলাদেশে রিসেলার হয়েছেন, তারা নিশ্চয়ই এমন কিছু করছেন না।

এখানে কি আমাদের সরকারের রাজস্ব নষ্ট হচ্ছে না? ভিওআইপি করলে রাজস্ব নষ্ট হয়, এভাবে রাজস্ব নষ্ট হয়না?

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.