মাইক্রোসফট যখন আমাদের (এম.ভি.পি.-দের) উইন্ডোজ দেয়, সেটাও কিছু শর্তের ভেতর দিয়ে দেয়। তবে আমাদের অনেক স্বাধীনতা থাকে। সাধারণত একজন ব্যবহারকারী একটা উইন্ডোজ কিনলে সেটা একটা মেশিনে ব্যবহার করতে পারে, অন্য মেশিনে ব্যবহার করতে চাইলে বা মেশিনের বড় ধরণের পরিবর্তন করলে তাকে আবার মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে সেটা জানাতে হয়। উইন্ডোজ থাকা অবস্থায় হার্ডওয়্যারের পরিবর্তন সাধন করলে উইন্ডোজ নিজেই সেটা জানিয়ে দেয়, আর পরিবর্তন সাধনের পরে উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরে এক্টিভেট করতে গেলে সেটা মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে জানিয়ে করতে হয়। আমাদের স্বাধীনতাটা হলো আমরা একটি উইন্ডোজের ভার্সন দশটি ভিন্ন মেশিনে যতবার খুশি এক্টিভেট করতে পারবো।
আগে আমাদের যেই প্রডাক্ট কী দেয়া হতো সেটা ছিলো VLK মানে Volume License Key আর এবারও ভিস্তার সাথে সেরকমই কিছু দেয়া আছে। কিন্তু শুধু ভিস্তা এন্টারপ্রাইজ এডিশনে এবার তারা MAK নামের একটি নিয়ম চালু করেছে যাকে বলা হচ্ছে Multiple Activation Key. এই কী দিয়ে ভিস্তা এন্টারপ্রাইজ এডিশন মাত্র ১৫ বার এক্টিভেট করা যাবে। বিভিন্ন পরীক্ষামূলক কাজের জন্য আমাদের উইন্ডোজ মুছতে হয়ই। আর বার বার যদি এক্টিভেট করতে তাদের অনুমতি নিতে হয়, তাহলে ঝামেলা। কিন্তু এবার এই ঝামেলাটা হলো এবং আমি মনে করি এটা মাইক্রসফটের একটা সমস্যা। Continue reading »

বাংলাদেশের বাজারে ব্লুটুথ এখন খুব সহজলভ্য একটা পণ্য। মোবাইল, ক্যামেরা, এমপিথ্রি প্লেয়ার প্রায় সব পোর্টেবল ডিভাইসে ব্লুটুথ-এর ব্যবহার রয়েছে। জাপানের সনি’র আবিষ্কৃত এই প্রযুক্তিটি সত্যই মজার। আগে একটা মোবাইল থেকে ছবি কম্পিউটারে নিতে বা কম্পিউটার থেকে এমপিথ্রি প্লেয়ারে গান নিতে তার ব্যবহার করতে হতো, এখন তার ছাড়াই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব সহজে যোগাযোগের কাজগুলি করা যায়। ব্লুটুথের আরও বিবিধ ব্যবহার রয়েছে, যেমন: কম্পিউটারের মধ্যে তারবিহীন নেটওয়ার্কিং, তারবিহীন মাউস এবং কী-বোর্ড ব্যবহার, তারবিহীন হেডফোন ব্যবহার ইত্যাদী। তবে বাংলাদেশে এর ব্যবহার সবচাইতে বেশী হয়ে থাকে মোবাইলের সাথে কম্পিউটারের যোগাযোগের জন্য।