যখন Mp3-এর যুগ শুরু হয়, তখন উইনএম্প এর পাশাপাশি অনেক মিডিয়া প্লেয়ার বাজারে আসে। এরমধ্যে জনপ্রিয় হয় সরিতং এবং সনিক। আমার মনে আছে আমি প্রথম Mp3 গান শুনতাম উইন্ডোজ ৯৫-এর এক্টিভ মুভি প্লেয়ার দিয়ে। এর পর একে একে পরিচিত হই অন্যগুলোর সাথে। যার মধ্যে সবচাইতে প্রিয় হয়ে উঠেছিলো উইনএম্প।
প্রথমে কোনো প্লেয়ারই ফ্রি ছিলোনা, অনেকের অনেক রকম কায়দা ছিলো, কিন্তু সনিক সবসময়ই ফ্রি ছিলো। উইনএম্প-এর কোম্পানী নালসফট-কে এ.ও.এল. কিনে নিয়ে ব্যবহারের জন্য ফ্রি করে দেয় এবং ওদিকে লাইকস কিনে নেয় সনিককে।
দুটোই আমেরিকার বাঘা কোম্পানী। শুরু হয় যুদ্ধ, সাথে আরও অনেকে বাজারে নামে, যার মধ্যে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার, রিয়্যাল মিডিয়া প্লেয়ার , জিঙ মিডিয়া প্লেয়ার (এখন অবশ্য জিঙ রিয়্যাল নেটওয়ার্কের সাথে মার্জ হয়ে গিয়েছে) ইত্যাদী। মিডিয়া প্লেয়ারের একটা যুদ্ধ চলে সেই সময়, কে কতরকমের টোপ দিয়ে কত ব্যবসা করতে পারে। কে কত বেশী ফিচার দিতে পারে। এরকম একটা তালিকা তৈরী করলে দেখা যাবে সবচাইতে এগিয়েছিলো সনিক, তারপরে উইনএম্প, জিঙ, রিয়্যাল প্লেয়ার এবং সব শেষে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার।
বাংলাদেশে অবশ্য সবসময়ই উইনএম্প জনপ্রিয় ছিলো। কিন্তু আমি এই প্লেয়ারটা ভিষণ পছন্দ করতাম। অনেকদিন এটা আপডেট করা হয়না দেখে আমি সেদিন এর ওয়েব সাইটে গেলাম এটার নুতন সংস্করণ ডাউনলোড করতে। গিয়ে দেখি তারা এটার সবরকম উন্নয়ন এবং বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। মনটা একটু খারাপই হলো। Continue reading »
অনেকদিন আগে আমি ইত্তেফাকের আইটি কর্নারে লিখেছিলাম 
বাংলাদেশের বাজারে ব্লুটুথ এখন খুব সহজলভ্য একটা পণ্য। মোবাইল, ক্যামেরা, এমপিথ্রি প্লেয়ার প্রায় সব পোর্টেবল ডিভাইসে ব্লুটুথ-এর ব্যবহার রয়েছে। জাপানের সনি’র আবিষ্কৃত এই প্রযুক্তিটি সত্যই মজার। আগে একটা মোবাইল থেকে ছবি কম্পিউটারে নিতে বা কম্পিউটার থেকে এমপিথ্রি প্লেয়ারে গান নিতে তার ব্যবহার করতে হতো, এখন তার ছাড়াই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব সহজে যোগাযোগের কাজগুলি করা যায়। ব্লুটুথের আরও বিবিধ ব্যবহার রয়েছে, যেমন: কম্পিউটারের মধ্যে তারবিহীন নেটওয়ার্কিং, তারবিহীন মাউস এবং কী-বোর্ড ব্যবহার, তারবিহীন হেডফোন ব্যবহার ইত্যাদী। তবে বাংলাদেশে এর ব্যবহার সবচাইতে বেশী হয়ে থাকে মোবাইলের সাথে কম্পিউটারের যোগাযোগের জন্য।