Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: সফটওয়্যার রিভিউ

Software Review

মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব এপ বনাম গুগল্ ডকস

13 শুক্রবার আগস্ট 2010

Posted by Omi Azad in গুগল্, মাইক্রোসফট, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 5 Comments

Tags

অফিস, উইন্ডোজ, এক্সেল, ওয়েব এপ, ওয়েবএপস্, গুগল্, ডক্‌স, পাওয়ারপয়েন্ট, প্রেজেন্টেশন, মাইক্রোসফট, লাইভ, স্প্রেডশিট

একটা সময় ছিলো যখন ধুমধাম ওয়েব ভিত্তিক এপ্লিকেশন বের করে গুগল্ ইন্টারনের ব্যবহারকারীদের মাধা খারাপ করে রেখেছিলো। এখনো সেই ক্রেজ যায়নি, তবে সেই সাথে কোয়ালিটির বিষয়টা যোগ হয়েছে। গুগল্ আর রাইটলি দু’টি এপ্লিকেশন ছিলো শুরুতে, পরের কয়েক হাত ঘোরার পরে গুগল্ রাইটলিকে নিয়ে নেয়। আমি গুগল্ ডকস্-এর তখন যে ফিচারগুলি দেখতাম, এখনো তাই দেখছি। কারণ অনুসন্ধান করতে অনেক ঘাঁটা ঘাঁটি করে দেখলাম গুগল্ ডকস্ যারা কিনে ব্যবহার করে, তাদেরকে বেশ কিছু সুবিধা দিয়ে থাকে গুগল্। কিন্তু যারা মাগনা চালাচ্ছে তারা সেই পুরাতন জিনিসই ব্যবহার করছে।

কিছুদিন আগে মাইক্রোসফট আমাদের উপহার দিলো অফিস ওয়েব এপ। ডেস্কটপ অফিসের মতন এত সুবিধা না থাকলেও গুগল্ ডকস্-এর চাইতে অনেক বেশী ফিচার সমৃদ্ধ। আমি কয়েকটা ডকুমেন্ট আপলোড করে দু’টি সেবাই পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করি, যেটা পেলাম সেটা আপনাদের সাথে একটু শেয়ার করি:

গুগল্ ডকস্ ডকুমেন্ট

উইন্ডোস লাইভ ওয়েব এপ ডকুমেন্ট

পার্থক্যটা নিশ্চয়ই দেখে বুঝতে পারছেন। Continue reading »

নাইট্রো পিডিএফ

18 রবিবার জুলাই 2010

Posted by Omi Azad in সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 5 Comments

Tags

এডোবি, ডটনেট, নাইট্রো, পিডিএফ, বিনামূল্যে

বেশ কিছুদিন হলো আমি একটা অসাধারণ পিডিএফ রিডার+রাইটার ব্যবহার করছি। আমি এর পারফরমেন্সে এতটাই মুগ্ধ হয়েছি যে এটা ব্লগে সবার সাথে শেয়ার না করে পারলাম না। অসাধারণ পিডিএফ রিডার+রাইটারটির নাম নাইট্রোপিডিএফ।

কয়েক বছর হলো আমি এডোবি পিডিএফ ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছি, এর অস্বাভাবিক ধীর গতির জন্য। পিডিএফ ফাইল খুলতে, প্রিন্ট করতে বা তৈরী করতে অত্যাধিক সময় লাগে এডোবি সফটওয়্যারের। আমার ব্যবহার করা এডোবি পিডিএফ-এর সর্বশেষ সংস্করণটি ছিলো ৫.০, এর পরে আর কোনোদিন ঐ সফটওয়্যার ব্যবহার করি নাই। পিডিএফ তৈরীর জন্য প্রথম দিকে ব্যবহার করতাম পিডিএফ ফোর্জ, ঘোস্ট স্ক্রিপ্টের লাইসেন্সিং নিয়ে কিছু ঝামেলার কারণে সেটা ব্যবহার বাদ দেই (সম্ভবত এখন ঐ ঝামেলাগুলি আর নাই), তখন পাই ডু-পিডিএফ। এটা সুন্দর ও হালকা সফটওয়্যার। কিন্তু পিডিএফ তৈরী ছাড়া বেশী কিছু করা যায়না।

আর এডোবি রিডার বাদ দেয়ার পর থেকেই ব্যবহার করে আসছি ফক্স আইটি পিডিএফ রিডার। ওটাও দুর্দান্ত একটা এপ্লিকেশন ছিলো।

কিছুদিন আগে নাম জানতে পারলাম নাইট্রো পিডিএফ রিডার-এর। প্রথমে ভেবেছিলাম এটা একটা পিডিএফ রিডার। পরে ফিচারগুলি পড়ে দেখি এডোবি পিডিএফ-কে টেক্কা দিতেই তৈরী হয়েছে এই সফটওয়্যার। ডটনেট ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে এই সফটওয়্যারটি। যেটাতে আমরা পাবো:

  • পিডিএফ ফাইল পড়া
  • পিডিএফ ফাইলের যে-কোনো স্থানে এডিট করা
  • পিডিএফ ফাইল থেকে লেখা বা ছবি এক্সট্রাক্ট করা
  • ৩০০-এর বেশী ফাইল ফরমেট থেকে পিডিএফ তৈরী করা
  • পিডিএফ ফাইলের বিভিন্ন স্থানে মন্তব্য করা এবং মন্তব্যের জবাব লেখা
  • নিজের স্বাক্ষর ব্যবহার করা
  • পিডিএফ ফর্ম তৈরী এবং সম্পাদন করা
  • পাসওয়ার্ড দিয়ে পিডিএফ ফাইল বন্ধ করা সহ হাজারও ফিচার!

উইন্ডোসের ৩২/৬৪ বিটের জন্য আলাদা আলাদা ইনস্টলার ডাউনলোড করা যাবে এই পাতা থেকে। আশাকরি আমার মতন আপনাদেরও কাজে লাগবে নাইট্রো পিডিএফ রিডার। 🙂

টাকা দেয়া ছাড়াই ঝামেলামুক্ত ডাউনলোড

03 শনিবার জুলাই 2010

Posted by Omi Azad in টিউটোরিয়াল, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 15 Comments

Tags

ডাউনলোড, ড়্যাপিডশেয়ার, প্রিমিয়াম একাউন্ট, বিনামূল্যে, মেগাআপলোড, মেগাশেয়ার

ইদানিং আমাদের মধ্যে একটা চল শুরু হয়েছে, আমরা টিভি সিরিয়াল, সিনেমা বা কম্পিউটার গেইমস্ ডাউনলোড করি। কেনো? বাজারের সিনেমার ডিভিডিগুলিতে কথা কাজের মিল থাকেনা, বেশীরভাগই ভালো কোয়ালিটির হয়না। আর গেইমস্ কিনে আনলে দেখা যায় ভেতরে শত শত ভাইরাস দিয়ে ভরা। তাই অগত্যা ডাউনলোড করতেই হয়। ডাউনলোড করার জন্য আছে দুই রকম প্রযুক্তি, একটি বিট্‌টরেন্ট, অন্যটি এইচটিটিপি। আমাদের দেশের ইন্টারনেট থেকে বিট্‌টরেন্টে তুলনামূলক কম গতি পাওয়াযায় বিধায় আমরা এইচটিটিপি ব্যবহার করি। এখন এইচটিটিপি আবার আরেক ঝামেলা। ডারা ফাইলগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করে, তারা ফাইল হোস্ট করার জন্য বিভিন্ন সেবা ব্যবহার করে; যেমন: ড়্যাপিডশেয়ার, মেগাআপলোড, নেটলোড, মেগাশেয়ার ইত্যাদী।

এখন এই সেবাগুলি ব্যবহার করার আবার কিছু সমস্যা আছে। আপনি যদি টাকা দিয়ে একাউন্ট না করেন, তাহলে এক আইপি থেকে একের বেশী ডাউলোড করতে গেলে বাঁধা দিবে। আবার আপনি যদি একটি আইপি শেয়ার করেন (যেমন: আপনার অফিসে বা গ্রামীণফোন ইন্টারনেটে বা পাড়ার ছোটো আইএসপিতে), তাহলেও বলবে আপনি বর্তমানে একটি ডাউনলোড করছেন এবং সেটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি আরেকটি ডাউনলোড করতে পারবেন না। অথচ আপনি ডাউনলোড করছেন না।

এরকম সমস্যা থেকে বাঁচতে আমরা ড়্যাপিডশেয়ার বা মেগাআপলোডের একাউন্ট কিনে ব্যবহার করি। সেটারও সমস্যা আছে। আমি ড়্যাপিডশেয়ার কিনলাম, কিন্তু যে ফাইলটা ডাউনলোড করতে চাচ্ছি সেটা নেটলোডে দেয়া আছে। এই সব ঝামেলার সমাধান নিয়ে মিপোনি নামের একটি সমাধান এসেছে। এটা ব্যবহারের জন্য আপনার কম্পিউটারে শুধু ডননেট ফ্রেমওয়ার্ক ২ ইনস্টল করা থাকতে হবে। লিঙ্কগুলি ধরিয়ে দিলে ক্যপচা ভেরিফিকেশন থেকে শুরু করে সবকিছু মিপোনি নিজে নিজে করে। আপনি শুধু বসে বসে তামাশা দেখবেন!

তাহলে আর টাকা দিয়ে ড়্যাপিডশেয়ার ব্যবহার করার দরকার কি, মিপোনি দিয়ে কাজ সারলেই হয়। 🙂

————————–

আমি বলছিনা আসুন আমরা পাইরেসি করি, বা পাইরেডেট জিনিস ব্যবহার করি, কিন্তু এ ছাড়া আমাদের উপায় আপাতত নেই। আমি হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে পছন্দ করি, কিন্তু কয়টা হলে হলিউডের সিনেমা দেখানো হয়! আমি একটা এক্সবক্সের গেইমস্ কিনে খেলতে চাই, কোথায় পাবো অরিজিনাল গেইমস্?

মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়ালস্

20 মঙ্গলবার অক্টো. 2009

Posted by Omi Azad in মাইক্রোসফট, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 19 Comments

Tags

উইন্ডোজ, এন্টিভাইরাস, ডিফেন্ডার, ফিশিং, ভাইরাস, মলওয়্যার, মাইক্রোসফট, সিকিউরিটি, স্পাইওয়্যার

উইন্ডোস ব্যবহারকারীদের ভাইরাস নিয়ে আমাদের একটা যন্ত্রণা রয়েই গ্যাছে। আর সেই যন্ত্রণা আরও বেড়ে যায় যখন নামকরা এন্টিভাইরাসগুলি কাজ করে না।

আমি লেখা নিয়ে এগিয়ে যাবার আগে কয়েকটা কথা বলে রাখতে চাই। আমরা যারা উইন্ডোসকে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ করি ভাইরাসের যন্ত্রনায় ত্যাক্ত হয়ে, তাদের একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে আপনারা সবাই কম বেশী উইন্ডোস এক্সপি ব্যবহার করছেন যা কি-না প্রায় ৮-৯ বছর পুরাতন একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং এদের বেশীরভাগ ব্যবহারকারীই উইন্ডোস আপডেট ব্যবহার করেননা বিভিন্ন কারণে। একটা কথা মেনে নিন, যে মাইক্রোসফট যখন বোঝে যে তাদের কোনো সমস্যা আছে, তখন সেটা তারা ঠিক করে ফেলে, আমরা যদি সেই সমাধানটা উইন্ডোস আপডেটের মাধ্যমে গ্রহণ না করি, তাহলে গালি দিয়ে লাভ আছে? ৮-৯ বছর আগের অপারেটিং সিস্টেম তো জানেনা এখনকার প্রোগ্রামাররা কত পটু 🙂 এমনকি আপনি যে নতুন “কোর” মার্কা প্রোসেসরগুলি ব্যবহার করছেন, এক্সপি কিন্তু সেটিকেও ঠিকমতন ব্যবহার করতে জানেনা। তাই পরামর্শ দিচ্ছি এখন সময় নতুন অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোস ভিস্তা বা উইন্ডোস সেভেন গ্রহণ করার।

যাই হোক, মূল বিষয়ে ফিরে যাই। উইন্ডোস ভিস্তার সাথে মাইক্রোসফট দিয়েছিলো উইন্ডোস ডিফেন্ডার। যা স্পাইওয়্যার ধরার জন্য ভালো একটি সমাধান ছিলো। এবার এক ধাপ এগিয়ে ভাইরাস ও সেরকম যে-কোনো সমস্যার প্রতিবন্ধক হিসেবে নিয়ে এসেছে মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়ালস্। চমৎকার একটি সফটওয়্যার বানিয়েছে এবার মাইক্রোসফট। একদম হালকা, রিয়েলটাইম প্রটেকশন, প্রতিদিন আপডেট। হালকা বলতে আমি বোঝাচ্ছি অনেক এন্টিভাইরাস আছে যেগুলি মেশিনের সর্বচ্চ মেমরি গ্রহণ করে বসে আছে, স্বাভাবিকভাবে কম্পিউটার চালাতেই ঝামেলা হচ্ছে আপনার। এটা সেরকম না, অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী বুঝতেই পারবেন না যে একটা এন্টিভাইরাস চালো আছে। শুধু তাই না, কোনো কারণে এটা যদি আপনার ভাইরাস ধরতে না পারে বা আপনি একটি ফাইলকে ভাইরাস হিসেবে ধারণা করছেন, তাহলে টেকনেট গ্রুপে জানিয়ে দিন, ওরা দ্রুত আপনার সমস্যার সমাধান করে আপডেটে যুক্ত করে ফেলবে।

অনেকেই জানতে চাইতে পারেন যে এতই যদি ভালো কিছু হবে, তাহলে উইন্ডোসের সাথে বিনামূ্ল্যে আসলোনা কেনো। উইন্ডোসের সাথে বিনামূল্যে জিনাসপত্র দিতে গিয়ে মাইক্রোসফটকে বহু ঝামেলা পোহাতে হয়েছে অতীতে। যেমন উইন্ডোস ডিফেন্ডার ভিস্তার সাথে এসেছিলো বিনামূল্যে আর সেজন্য ইউরোপীয় উইনিয়নের কাছে আইনি সমস্যায় জড়াতে হয়েছে এবং জরিমানা দিতে হয়েছে অনেক টাকা। সেই ঝামেলা এবার আর করেনি মাইক্রোসফট, ছোট্ট ইনস্টলার, চাইলে ডাউনলোড করে নিন। 🙂

গুগল্ ক্রোম অপারেটিং সিস্টেম – নকল হতে সাবধান!

03 শনিবার অক্টো. 2009

Posted by Omi Azad in ওপেন সোর্স, গুগল্, সফটওয়্যার রিভিউ

≈ 14 Comments

Tags

অপারেটিং সিস্টেম, ক্রোম, গুগল্, লিনাক্স

গত জুলাই মাসে গুগল্ ঘোষণা দিয়েছিলো যে তারা লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে ক্রোম নামের একটি অপারেটিং সিস্টেম বের করতে যাচ্ছে। এই অপারেটিং সিস্টেমটির কাঙ্খিত বাজার হবে নেটবুক জাতীয় কম্পিউটার, যেগুলিতে বেশীরভাগ সময় ইন্টারনেট বিষয়ক কাজ করা হয়।

আজকে এই ঠিকানায় হঠাৎ দেখতে পেলাম দুই নম্বর ক্রোম অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এসেছে। আমি অবাক, গুগলের দেয়া সময় অনুযায়ী এখনি ক্রোম অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে আসার সময় হয়নি। সেই তথাকথিত ক্রোম-এর সাইটটের ডাউনলোডের পাতার নীচের দিকে দেখি:

হায়! হায়!! গুগল্ আবার সুসি’র সাথে হাত মেলালো কবে! পরে সুসি স্টুডিও’র লিঙ্কে গিয়ে দেখলাম বেশ ভালো উদ্দ্যোগ। আপনি আপনার মতন লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম সাজিয়ে নিয়ে তা বিতরণ করতে পারবেন। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের মতন করে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সেটা উইন্ডোসই হোক আর লিনাক্সই হোক (যেমন: গুগল্ গোওবন্টু ব্যবহার করে যা উবুন্টুকে ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে)।

আমি ক্রোমের নাম ব্যবহার করে এরকম ফজলামো করার কোনো যুক্তি দেখলাম না। তাই এই ভুয়া অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার থেকে সাবধান! এটার সাথে গুগলের কোনো সম্পর্ক নেই!

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.