জাগরণের গান – ৭১টি দেশের গান নিয়ে একটি সংকলন

Tags

, , , , , , , , , , , , ,

অনেকেই জানেননা যে আমার ক্যরিয়ার (টাকা কামাই করার) শুরু করেছিলাম আমার শহরের ক্যাসেটের একটি দোকানে কাজ করে। যখন আমাদের বিশেষ দিনগুলি আসতো, (যেমন ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর) তখন অনেকেই দেশাত্ববোধক গান খোঁজ করতেন এবং কিনতেন। তখন (কিছুদিন আগ পর্যন্ত) একটাই ক্যাসেট বাজারে পাওয়া যেতো। অনেক পুরাতন রেকোর্ডিং, সেটাকে কপি করতে করতে আরও খারাপ অবস্থা। সেগুলি মাইকে বাজানোর জন্য ঠিক আছে, কিন্তু কালেকশন করে রাখার মতন অবস্থায় নাই। বিশ্বাস করতে খারাপ লাগে, কিন্তু আমাদের জাতীয় সঙ্গীতেরই কোনো ভালো রেকোর্ডিং সংগ্রহে ছিলো না।

এই জাগরণের গান এলবামটি বাংলাদেশী সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য সত্যই চরম ভালো একটি উদ্দ্যোগ হয়েছে। লোম দাঁড় করানো এই দেশের গানগুলি এভাবে পেয়ে যে আমি কত খুশি হয়েছি তা বলে বোঝাতে পারবো না। বাংলার জন্য, দেশের জন্য একটি দুটি নয়, ৭১টি গানের সংকলন নিয়ে তৈরী এই এলবামটি।

পরীক্ষামূলক শোনার জন্য মাত্র 96kbps-এ গানগুলি এখানে দিলাম, আমি আশা করবো গানগুলি ভালো লাগলে অবশ্যই ছয় সিডির এই এলবামটি কিনে শুনবেন এবং কোনো অবৈধ উৎস থেকে ডাউনলোড করে শুনবেন না।

Continue reading »

Brigade 71 – The Echoes of 71 দারুন একটা এলবাম

Tags

, , , , , , , , , , , , , , , , , ,

মহান বিজয়ের এই দিনে এর চাইতে বড় আর কি উপহার হতে পারে! বাংলার বিভিন্ন সংগ্রামে বাংলার জন্য যেসব গান হয়েছিলো সেগুলিকে যুগের চাহিদায় নতুন করে তৈরী করেছে ব্রিগেড সেভেন্টিওয়ান নামের একটি ব্যান্ড। শোনার জন্য গানগুলি আমি এখানে দিচ্ছি

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/01.mp3]
১ – তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর-

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/02.mp3]
২ – আবার যুদ্ধ

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/03.mp3]
৩ – সাদা কালো

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/04.mp3]
৪ – নোঙ্গর তোল

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/05.mp3]
৫ – রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/06.mp3]
৬ – সোনায় মোড়ানো বাংলা

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/07.mp3]
৭ – একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/08.mp3]
৮ – দূর্গম গিরি

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Echos/09.mp3]
৯ – পূর্ব দিগন্তে

পাঠকদের কাছে অনুরোধ থাকলো গানগুলি ডাউনলোড করে শুনবেননা। একটি সিডির দাম মাত্র ৬০ টাকা, অনুগ্রহ করে কিনে গান শোনার অভ্যাস করুন।

ওয়াইম্যাক্স – আশায় গুড়েবালি!

Tags

,

অনেক হৈ চৈ পড়েছিলো দেশে যে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি আসছে! আগা মাথা না বুঝেই লাফা লাফি শুরু হলো পাবলিকের (যেটা হয় সবসময়)। সবার ধারণা হলো, গরীব এই দেশে অল্প টাকায় অনেক দ্রুত গতির ইন্টারনেট পাবার এটাই একটা উপায়! কেউ এটা বুঝলো না যে ব্যান্ডউইড্‌থ নামে একটা জিনিস এই সেবার সাখে জড়িত, যা আমাদের দেশে এখনো অনেক মূল্যবান এবং ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে সেটাই গ্রহণ করতে হবে। তাই সেটার দাম বেশী থাকলে কখনো কম দামে সেবা পাওয়া যাবে না।

ঐ যে বললাম, আগা মাথা কোনো জ্ঞান নাই, আজাইরা লাফা লাফি। আমাদের সরকার আবার প্রায় দুইশত পনেরো কোটি টাকার নিয়ে লাইসেন্স নিলাম করে একে অপরের পিঠ চাপড়ায় নিজেদেরকে বাঘের বাচ্চা মনে করে। এটা একবারও মাথায় আসলোনা যে এই টাকা কোম্পানী ব্যবসা শুরু করে সাধারণ মানুষদের চিপা দিয়ে বের করে নিবে। অনেকে কথাটা বলেছিলো শুরুতে, আমাদের দেশে কে কার কখা শোনে!

শুরুতে তিনটা কোম্পানী লাইসেন্স নিলেও এখন টিকে আছে দু’টা। এই বছর শুরুর দিকে বাংলা লায়ন (সাইটটিতে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৬ দিয়ে যাবেন না, ভাইরাস আছে) অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু করে, কিন্তু অপারেশনে আসার খবর নাই। কয়েকজন এরই মধ্যে বাংলা লায়নের পরীক্ষামূলক সংযোগ পেয়াছে। এদের সেবার মান সত্যই সবার জন্য হতাশা জনক। এই লাইন থাকার চাইতে না থাকা ভালো। ল্যাপটপে ইউএসবি ডঙ্গল লাগিয়ে রাস্তায় চলমান অবস্থায় নেটওয়ার্ক থাকে না যেসব এলাকায় নেটওয়ার্ক আছে। স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে নেটওয়ার্ক আসে। কি হাস্যকর!

পরে অওগের নামের একটি কোম্পানী কিউবি ব্র্যান্ড নাম নিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করে। এরাও ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বলে দাবি করে। একবার যদি আমরা ওয়াইম্যাক্স নিয়ে লেখাপড়া করি তাহলে বুঝতে পারবো এই প্রযুক্তি আসলে কি। ওয়াইম্যাক্স অর্থ হলো, আপনি উচ্চ গতির ইন্টারনেট বা ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন চলমান অবস্থায়। কিউবি সেখানে প্রথমবার হতাশ করলো। তাদের বিশাল সাইজের মোডেম নাকি জানালার কাছে রাখতে হবে, নাইলে কাজ করেনা। ইন্টেল যখন আইইইই-এর একটি কনফারেন্সে ওয়াইম্যাক্স বর্ণনা করছিলো, তখন বলেছিলো, যত বাঁধাই থাকুক, ওয়াইম্যাক্স দেবে লাস্ট মাইল পারফরমেন্স। তাহলে জানালায় কেনো!

আবার ট্যারিফ দেখলে মাথা নষ্ট! লাইন নিতেই দিতে হবে সাত হাজার টাকা। পারে মাসে মাসে সস্তা কোনো প্যাকেজ নাই, নাই আনলিমিটেড প্যাকেজ। আসলে ওদেরও তেমন কোনো দোষ নেই। একে তো চড়া দামে লাইসেন্স কিনেছে, তার উপরে এক মেগা ব্যান্ডউইড্‌থের দাম প্রায় একুশ হাজার টাকা। ওরাই বা কি করবে, কতই বা গতি দেবে, কতই বা টাকা কম নেবে। ব্যবসা করে তো চলতে হবে।

আমাদের দেশেই ইন্টারনেটের অবস্থা শোচনীয়। সেদিন আমার এক বন্ধু বললো, “বাংলাদেশে ইন্টারনেট এখনো বড়লোকদের বিলাসিতা।” কথাটা মাঝে মাঝে খুবই সত্য মনে হয়। আমি বলছিনা আমাকে ট্রান্সফার লিমিট ছাড়া পাঁচশত টাকায় এক মেগা লাইন দিক। কিন্তু সেবার একটা ন্যুনতম মান থাকা দরকার। আজকে কিন্তু আমরা যে কেবল টিভি দেখি, সেটারও একটা মান আছে, একটা নীতিমালা আছে। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো ইন্টারনেটের ন্যুনতম কোনো নীতিমালা নেই। যে যেমন চাইছে তেমন লাইন দিচ্ছে, অনেক টাকা দিয়ে সংযোগ নিলেও সেবা পাওয়া যায় না, ঝামেলার শেষ নাই। সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও কেউ মানে, কেউ মানে না।

আইটি লাইনের সবাই অনেক আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছে যে এটার একটা সমাধান আসবে, আমরাও একসময় আলো’র মুখ দেখবো।

উইন্ডোস সেভেনের জন্য নতুন নতুন থিম

Tags

, , , , , ,

গত ২১ তারিখে উইন্ডোস সেভেন ছেড়ে দেয়া হলো সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য। ক্রেতাদেরকে কথা আরেকটু চিন্তা করে মাইক্রোসফট নিজেদের উদ্দ্যোগে তৈরী করছে উইন্ডোস সেভেনের থিম।

এই পর্যন্ত ১৪টি নতুন এবং ২০টি রিজিওনাল খিম তৈরী করেছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট বলেছে ব্যবহারকারীরা পছ্ন্দ করলে তারা ভবিষ্যতে একের পর এক থিম তৈরী করে ব্যবহারকারীদের উপহার দেবে।

উইন্ডোস সেভেন ব্যবহারকারীরা উইন্ডোস সেভেন পার্সোনালাইজেশন গ্যালারি থেকে থিমগুলি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়ালস্

Tags

, , , , , , , ,

উইন্ডোস ব্যবহারকারীদের ভাইরাস নিয়ে আমাদের একটা যন্ত্রণা রয়েই গ্যাছে। আর সেই যন্ত্রণা আরও বেড়ে যায় যখন নামকরা এন্টিভাইরাসগুলি কাজ করে না।

আমি লেখা নিয়ে এগিয়ে যাবার আগে কয়েকটা কথা বলে রাখতে চাই। আমরা যারা উইন্ডোসকে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ করি ভাইরাসের যন্ত্রনায় ত্যাক্ত হয়ে, তাদের একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে আপনারা সবাই কম বেশী উইন্ডোস এক্সপি ব্যবহার করছেন যা কি-না প্রায় ৮-৯ বছর পুরাতন একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং এদের বেশীরভাগ ব্যবহারকারীই উইন্ডোস আপডেট ব্যবহার করেননা বিভিন্ন কারণে। একটা কথা মেনে নিন, যে মাইক্রোসফট যখন বোঝে যে তাদের কোনো সমস্যা আছে, তখন সেটা তারা ঠিক করে ফেলে, আমরা যদি সেই সমাধানটা উইন্ডোস আপডেটের মাধ্যমে গ্রহণ না করি, তাহলে গালি দিয়ে লাভ আছে? ৮-৯ বছর আগের অপারেটিং সিস্টেম তো জানেনা এখনকার প্রোগ্রামাররা কত পটু 🙂 এমনকি আপনি যে নতুন “কোর” মার্কা প্রোসেসরগুলি ব্যবহার করছেন, এক্সপি কিন্তু সেটিকেও ঠিকমতন ব্যবহার করতে জানেনা। তাই পরামর্শ দিচ্ছি এখন সময় নতুন অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোস ভিস্তা বা উইন্ডোস সেভেন গ্রহণ করার।

যাই হোক, মূল বিষয়ে ফিরে যাই। উইন্ডোস ভিস্তার সাথে মাইক্রোসফট দিয়েছিলো উইন্ডোস ডিফেন্ডার। যা স্পাইওয়্যার ধরার জন্য ভালো একটি সমাধান ছিলো। এবার এক ধাপ এগিয়ে ভাইরাস ও সেরকম যে-কোনো সমস্যার প্রতিবন্ধক হিসেবে নিয়ে এসেছে মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়ালস্। চমৎকার একটি সফটওয়্যার বানিয়েছে এবার মাইক্রোসফট। একদম হালকা, রিয়েলটাইম প্রটেকশন, প্রতিদিন আপডেট। হালকা বলতে আমি বোঝাচ্ছি অনেক এন্টিভাইরাস আছে যেগুলি মেশিনের সর্বচ্চ মেমরি গ্রহণ করে বসে আছে, স্বাভাবিকভাবে কম্পিউটার চালাতেই ঝামেলা হচ্ছে আপনার। এটা সেরকম না, অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী বুঝতেই পারবেন না যে একটা এন্টিভাইরাস চালো আছে। শুধু তাই না, কোনো কারণে এটা যদি আপনার ভাইরাস ধরতে না পারে বা আপনি একটি ফাইলকে ভাইরাস হিসেবে ধারণা করছেন, তাহলে টেকনেট গ্রুপে জানিয়ে দিন, ওরা দ্রুত আপনার সমস্যার সমাধান করে আপডেটে যুক্ত করে ফেলবে।

অনেকেই জানতে চাইতে পারেন যে এতই যদি ভালো কিছু হবে, তাহলে উইন্ডোসের সাথে বিনামূ্ল্যে আসলোনা কেনো। উইন্ডোসের সাথে বিনামূল্যে জিনাসপত্র দিতে গিয়ে মাইক্রোসফটকে বহু ঝামেলা পোহাতে হয়েছে অতীতে। যেমন উইন্ডোস ডিফেন্ডার ভিস্তার সাথে এসেছিলো বিনামূল্যে আর সেজন্য ইউরোপীয় উইনিয়নের কাছে আইনি সমস্যায় জড়াতে হয়েছে এবং জরিমানা দিতে হয়েছে অনেক টাকা। সেই ঝামেলা এবার আর করেনি মাইক্রোসফট, ছোট্ট ইনস্টলার, চাইলে ডাউনলোড করে নিন। 🙂