উইন্ডোস সেভেনের বাক্স পেলাম

Tags

, ,

এই মাত্র মাইক্রোসফট থেকে পাঠানো উইন্ডোস সেভেনের বাক্সটি পেলাম। বাক্সটিতে যা যা আছে..

উইন্ডোস সেভেন বাক্সটি খোলা অবস্থায়

উইন্ডোস সেভেন বাক্সটি খোলা অবস্থায়

উইন্ডোস সেভেন (সিগনেচার এডিশন)

উইন্ডোস সেভেন (সিগনেচার এডিশন)

উইন্ডোস সেভেন ডেক্সটপ পাযল

উইন্ডোস সেভেন ডেক্সটপ পাযল

উইন্ডোস সেভেন বাক্সের সবকিছু একত্রে

উইন্ডোস সেভেন বাক্সের সবকিছু একত্রে

মোট কথা, এখানে আছে উইন্ডোস সেভেন আলটিমেট এডিশন যাকে ওরা বলছে সিগনেচার এডিশন, তবে কার সিগনেচার সেটাই রহস্য :), আছে উইন্ডোস সেভেন মনোগ্রাম যুক্ত কিছু টেবিল ন্যাপকিন, ১০টি উইন্ডোস সেভেন ব্যাগ, বিশাল একটা উইন্ডোস সেভেন পোস্টার, একটা উইন্ডোস সেভেন ডেস্কটপ পাযল, এই তো!

উইন্ডোস সেভেন কমিউনিটি লঞ্চ ওয়েবকাস্ট

Tags

, , , ,

মাইক্রোসফট কমিউনিটি আগামী ২৩ অক্টোবর ২০০৯ থেকে শুরু করে ৩০ অক্টোবর ২০০৯ তারিখ পর্যন্ত উইন্ডোস সেভেনের শুভমুক্তি উপলক্ষে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ওয়েবকাস্টের আয়োজন করেছে।

উইন্ডোস সেভেন ব্যবহারকারীরা এই ওয়েবকাস্টে অংশগ্রহন করতে পারবেন। মাইক্রোসফট কমিউনিটির সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ওয়েবকাস্ট পরিচালনা করবেন। আলেচ্য বিষয়গুলি ও কিভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে, তা জানতে চলে যান এই লিঙ্কে। এই ওয়েবকাস্টগুলিতে অংশগ্রহণ করে যেমন অনেক অজানা বিষয় জানা যাবে, তেমনি অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এক্সপার্টদের কাছ থেকে।

তাহলে দেখা হবে ওয়েবকাস্টে 🙂

গুগল্ ক্রোম অপারেটিং সিস্টেম – নকল হতে সাবধান!

Tags

, , ,

গত জুলাই মাসে গুগল্ ঘোষণা দিয়েছিলো যে তারা লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে ক্রোম নামের একটি অপারেটিং সিস্টেম বের করতে যাচ্ছে। এই অপারেটিং সিস্টেমটির কাঙ্খিত বাজার হবে নেটবুক জাতীয় কম্পিউটার, যেগুলিতে বেশীরভাগ সময় ইন্টারনেট বিষয়ক কাজ করা হয়।

আজকে এই ঠিকানায় হঠাৎ দেখতে পেলাম দুই নম্বর ক্রোম অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এসেছে। আমি অবাক, গুগলের দেয়া সময় অনুযায়ী এখনি ক্রোম অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে আসার সময় হয়নি। সেই তথাকথিত ক্রোম-এর সাইটটের ডাউনলোডের পাতার নীচের দিকে দেখি:

হায়! হায়!! গুগল্ আবার সুসি’র সাথে হাত মেলালো কবে! পরে সুসি স্টুডিও’র লিঙ্কে গিয়ে দেখলাম বেশ ভালো উদ্দ্যোগ। আপনি আপনার মতন লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম সাজিয়ে নিয়ে তা বিতরণ করতে পারবেন। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের মতন করে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সেটা উইন্ডোসই হোক আর লিনাক্সই হোক (যেমন: গুগল্ গোওবন্টু ব্যবহার করে যা উবুন্টুকে ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে)।

আমি ক্রোমের নাম ব্যবহার করে এরকম ফজলামো করার কোনো যুক্তি দেখলাম না। তাই এই ভুয়া অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার থেকে সাবধান! এটার সাথে গুগলের কোনো সম্পর্ক নেই!

সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্প সংকটে

Tags

, ,

দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশসমূহে কলসেন্টার শিল্পে যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে তখন বাংলাদেশের কলসেন্টার শিল্পে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক দেরি হলেও বাংলাদেশ কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশ করায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন কলসেন্টার শিল্পে অচিরেই বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক অবস্থায় উপনীত হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে কতটা কার্যকর এই বিষয়ে এখনও তেমন সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে পারেনি আগ্রহী অনেক ব্যক্তি।

এই কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জোরগলায় বলা হলেও আমাদের দেশের দুর্বল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কতটুকু সহায়ক এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি। কেননা গত বছর লাইসেন্স প্রদান করা হলেও তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে শর্ত প্রদান করা হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানই পরবর্তী পর্যায়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানেরই কলসেন্টার শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশদ জ্ঞান না থাকায় প্রাথমিকভাবেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক দুর্বল অবকাঠামো বিষয়টিকে করে তুলেছে জটিল অবস্থায়। কেননা, উচ্চমূল্যের বিনিময়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় তা নিরবিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষ করে বিদেশের ক্লায়েন্ট নির্ভর এই কলসেন্টার শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি বর্তমানে কলসেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যতিত কলসেন্টার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কলসেন্টার শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জেনারেটর ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গ্রহণ করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানী তেলের উচ্চমূল্য বিষয়টি করে তুলেছে ব্যয়বহুল। Continue reading »

যানজোট কমাতে স্কুলের সময় পরিবর্তন না করে স্কুলবাস বাধ্যতামূলক করলে কাজ বেশী হতে পারে

Tags

, , , , ,

পত্রপত্রিকায় দেখছি সরকার যানজোট কমানোর জন্য অফিস আদালত এবং স্কুল কলেজের সময়সূচী পরিবর্তনের বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন। আমার কাছে বিষয়টা অযৌক্তিক মনে হচ্ছে। এভাবে যানজোট কমবে কি-না, তবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে বেশী।

আমার কাছে মনে হয় বেসরকারী স্কুলগুলি ঢাকা শহরে যানজোট সৃষ্টি করার পেছনে একটা বিশাল ভুমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলগুলি। ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলিতে অপেক্ষাকৃত উচ্চবিত্তদের সন্তানেরা লেখাপড়া করে। লেখাপড়া করুক এতে সমস্যা নাই, বাবা-মা অর্থ উপার্জন করেই সন্তানদের ভালো ভবিষ্যত তৈরী করার জন্য, ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া করে যদি ভবিষ্যত উজ্জ্বল হয় তাহলে সমস্যা কি।

কিন্তু ঝামেলা অন্যখানে। যারা ঢাকা শহরে ইংরেজি মাধ্যমে সন্তানদের লেখাপড়া করান, তারা অন্য অবিভাবকদের যার যার টাকার পরিমান দেখানোর চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন। তার একটি পন্থা হলো দামী গাড়ী প্রদর্শন। কে কি গাড়ী চালান, সেটা দেখানোর কিন্তু তেমন কোনো উপায় নেই। তাই তারা দামী গাড়ী নিয়ে স্কুলে সন্তানদের রাখতে এবং নিতে যান। বিশাল এক হামার গাড়ী নিয়ে নার্সারি শ্রেণীতে পড়া ৫ বছর বয়সের সন্তানকে স্কুলে দিতে বা নিতে যাচ্ছেন অবিভাবকেরা। অনেকে আবার দিতে যান এক গাড়ীতে আবার নিতে যান অন্যটিতে।

একটা স্কুলে যদি ৫০০ ছাত্র/ছাত্রী থাকে, তাহলে তার সামনে এবং আশ পাশের রাস্তায় ৫০০টি গাড়ী বিরাজ করে। আবার ধরা যাক সকালের শিফটের শেষ আর দিনের শিফট শুরু, তাহলে ৫০০+৫০০=১০০০ গাড়ী ঐ এলাকায় বিরাজ করছে। আমার কথা পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরার ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল পাড়ায় স্কুল শুরু/শেষ হবার সময় একবার ঘুরে আসুন।

কিন্তু এই স্কুলগুলিতে যদি গাড়ী নিষিদ্ধ করে দেয়া হয় আর তার পরিবর্তে স্কুল বাস চালু করা হয়, তাহলেই কিন্তু ল্যাটা চুকে যায়। বাধ্যতামূলক ছাত্র/ছাত্রী/শিক্ষক/শিক্ষিকাদের স্কুলের বাসে ভ্রমণ করতে হবে। স্কুল বাসের জন্য যদি কিছু টাকা বেশীও দিতে হয় তা কিন্তু জ্যামে বসে গাড়ীর তেল/গ্যাস পুড়ার খরচের চাইতে অনেক কম হবে।

কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনে করলে আশাকরি জ্বালানি সংরক্ষণ সহ ৩০-৪০% যানজোট নিরাসন করা সম্ভব হবে। শুধু স্কুলেই না, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যায়গুলিতেও একই আইন কার্যকর করা উচিৎ।