মজার বিষয় নিয়ে ছবি

Tags

, , , , ,

প্রতিদিন চলতে ফিরতে আমরা মজার অনেক কিছু দেখি। দেখে মজা পাই। কিন্তু অন্যের সাথে শেয়ার করা হয়না। এরকম অনেক ছবি আমি সংগ্রহ করেছি বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে যা আমার ব্লগের পাঠকদের সাথে শেয়ার করতে চাই।

এই ছবিটা দেখুন:

কতবড় আবুল হলে একটা স্কুলের বিজ্ঞাপনে এরকম একটা ভুল লিখতে পারে! Continue reading »

চট্‌জলদি খুলুন বিঙ

Tags

, , , , , ,

বেশীদিন হয়নি মাইক্রোসফট এমএসএন এর সার্চ বন্ধ করে উপস্থাপন করে লাইভ সার্চ বা উইন্ডোস লাইভ সার্চ। আবার কয়েকদিন আগে লাইভ বন্ধ করে দিয়ে নিয়ে এলো বিঙ। গুগল্-এর মতো সাধারণ ও শক্তিশালী না হলেও বিঙ কিন্তু বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিভিন্ন সব ফিচারের জন্য। কিন্তু এরই মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করছেন যে বিঙ ব্যবহার করতে অনেক বেশী ব্যান্ডউইড্‌থ লাগে, কারণ বিঙ-এর মূল পাতাটি একটি বিরাট চিত্র ও ঐ চিত্র সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে লোড হয়। আমরা যদি এই বিশাল চিত্র দেখা বন্ধ করে দেই, তাহলে বিঙ এর মূল পাতা চট্‌পট্ খুলে যাবে।

বিঙ এর মূল পাতার চিত্র বন্ধ করতে আমাদের যেতে হবে এই ঠিকানায়: http://www.bing.com/?rb=0 (উল্লেখ্য যে, আমরা যদি ব্রাউজারের ক্যাশ মুছে ফেলি, তাহলে আবার এই লিঙ্কে গিয়ে চিত্র বন্ধ করতে হবে)

চিত্র দেখানো পুনরায় চালু করতে চাইলে যেতে হবে এই ঠিকানায়: http://www.bing.com/?rb=1

মাইক্রোসফট বিঙকে শক্তিশালী করার জন্য অনেক পায়তাড়া করছে, এখন দেখা যাক ভবিষ্যতে কি দাঁড়ায়!

উইন্ডোস সেভেন বের হওয়ার তারিখ ঘোষণা!

Tags

, , , , ,

স্টিভেন সিনোফস্কাই ও স্টিভ বালমার উইন্ডোস সেভেনের গোল্ড ডিভিডি হাতে

গতকালকে আটলান্টায় মাইক্রোসফট গ্লোবাল এক্সেস অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্টিভেন সিনোফস্কাই ও স্টিভ বালমার উইন্ডোস সেভেনের বের হবার তারিখ ঘোষণা করেন। উইন্ডোস সেভেনের বিল্ড সংস্করণ হবে ৭৬০০ যাকে আমরা আরটিএম (Released to manufacturing বা সংক্ষেপে RTM) নামে চিনবো।

উইন্ডোস সেভেনের প্রযুক্তিগত কাজ শেষ করা হয়েছে গত ১৩ জুলাই। এখন এটা উৎপাদনের জন্য উন্মোচন করা হয়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া শেষে ব্যবহারকারীদের জন্য বাজারে ছাড়া হবে উইন্ডোস সেভেন আগামী ২২ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে। তবে এর আগেই বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন ব্যবহারকারীরা হাতে পাবেন উইন্ডোস সেভেন, দেখে নেয়া যাক কে কবে হাতে পাচ্ছেন সেভেন।

  • মাইক্রোসফটের পার্টনার এবং অরিজিনাল ইকুইপমেন্ট ম্যানুফেকচারার (OEM): ISV ইন্ডিপেন্ডেন্ট সফটওয়্যার ভেন্ডর এবং IHV ইন্ডিপেন্ডেন্ট হার্ডওয়্যার ভেন্ডর পার্টনাররা মাইক্রোসফট কানেক্ট ও এমএসডিএন সাইট থেকে উইন্ডোস সেভেন আরটিএম-এর ইংরেজী সংস্করণ ডাউনলোড করতে পারবেন আগামী ৬ আগস্ট ২০০৯ তারিখ থেকে, অন্যান্য ভাষাগুলি অক্টোবরের ১ তারিখের পরে ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • ব্যবসায়িক ব্যবহারকারী: ব্যবসায়িক ব্যবহারকারীরা আগামী ৬ আগস্ট ২০০৯ তারিখ থেকে আরটিএম ইংরেজী সংস্করণ-এর ইনস্টলার পেয়ে যাবেন, অন্যান্য ভাষাগুলি অক্টোবরের ১ তারিখের পরে পাবেন।
  • সফটওয়্যার ডেভলপার এবং আইটি প্রফেশনাল: সফটওয়্যার ডেভলপার এবং আইটি প্রফেশনালরা টেক্‌নেট এবং এমএসডিএন থেকে আগামী ৬ আগস্ট ২০০৯ তারিখ থেকে আরটিএম ইংরেজী সংস্করণ-এর ইনস্টলার পেয়ে যাবেন, অন্যান্য ভাষাগুলি অক্টোবরের ১ তারিখের পরে ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • বেটা টেস্টার: দুঃখের বিষয় হলো, যেসব বেটা টেস্টার তেমন কোনো ফিডব্যাক দেননি এবং মাইক্রোসফট কানেক্টে সংযুক্ত হতে পারেননি, তাদের জন্য মাইক্রোসফট বিনামূল্যে আরটিএম দিচ্ছেনা।
  • সাধারণ ব্যবহারকারী: আগামী ২২ অক্টোবর ২০০৯ সাধারণ ব্যবহারকারীরা বাজার থেকে উইন্ডোস সেভেন কিনতে পারবেন। আর যেসব সাধারণ ব্যবহারকারী এর মধ্যে অনলাইনে প্রি-অর্ডার করেছেন, তাদের কাছে ২২ অক্টোবরের মধ্যেই উইন্ডোস সেভেন পাঠানো হবে।

উইন্ডোস সেভেন বাজারজাত করার জন্য মাইক্রোসফট ইতিমধ্যে সুন্দর সুন্দর পরিকল্পনা করেছে। যেমন উইন্ডেস সেভেন হোম ইউজাররা একটি ফ্যামিলি প্যাক লাইসেন্স কিনবেন এবং পরিবারের সকলেই ব্যবহার করবেন নিজের নিজের কম্পিউটারে। অফিসের সকল ব্যবহারকারীরা একটি লাইসেন্স কিনে সকলে ব্যবহার করতে পারবেন। আগে কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের জন্য এই জাতীয় অফার আগেও ছিলো, কিন্তু অল্প ব্যবহারকারীদের জন্য এবারই এরকম উদ্দ্যোগ নিয়েছে মাইক্রোসফট।

মোজিলা ফায়ারফক্স ৩.৭ সংস্করণের নতুন চেহারা!

Tags

, , , , ,

এইতো কিছুদিন হলো মোজিলা ফায়ারফক্স ৩.৫ সংস্করণ বের হয়েছে। আমাদের মধ্যে অনেকে ব্যবহারও শুরু করে দিয়েছে আবার যারা অনেক এড-অন ব্যবহার করে, তারা ৩.৫-এ উন্নিত করেনি, কারণ এখনো বহু এড-অন ৩.৫ সমর্থন করছেনা।

যাই হোক ৩.৫ সংস্করণ বের করেই কিন্তু মোজিলার ডেভলপাররা বসে নাই। তারা কাজ করেই যাচ্ছে এবং তাদের পরবর্তী সংস্করণ হলো ৩.৭। এই ৩.৭ নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক গুণকীর্তন শুরু হয়ে গিয়েছে ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে, আমারও মনে হলো একটু দেখি হাতিয়ে কি এমন জিনিস বানাচ্ছে! উইন্ডোসে ইনস্টল করে তো চোখ ধাঁধা লেগে গেলো। ইন্টারফেইস অনেক ঝাকানাকা করেছে উইন্ডোসের এরো এপিআই ব্যবহার করে।

  • এমব্রাসিং গ্লাস (Embracing Glass) ইফেক্টের বদৌলতে টুলবার আর ট্যাবগুলি কাঁচের ইফেক্ট দিচ্ছে। বাটনগুলি চক্‌চকা এবং ঝিলিক্ দিচ্ছে, যেটা দেখে একটা থ্রিডি ইফেক্ট পাওয়া যায়।
  • সেই পুরাতন মেন্যুবার আর থাকছেনা।
  • পেইজ বোতাম যোগ করা হয়েছে ট্যাবের বাম দিকে, যা সরাসরি পেইজের সাথে সম্পৃক্ত।
  • কিছুটা গুগল্ ক্রোমের মতন টুলস্/বুকমার্ক বার যোগ করা হয়েছে ডান দিকে।

গুগল্ ক্রোমে অবশ্য এরকম ইন্টারফেইস শুরু থেকেই ছিলো, তবে ফায়ারফক্সের এরকম চেহারা সত্যই আমাকে চমকে দিয়েছে। তবে এই ইফেক্টগুলি এরো ইফেক্ট সম্বলিত উইন্ডোস ভিস্তা আর সেভেনে দেখা যাবে। এরো বন্ধ করে দিলে দেখা যাবে এরকম:

আর উইন্ডোস এক্সপিতে এর চেহারা হবে এরকম:

Click to see larger size

ম্যাক ওএস আর লিনাক্সে কি হবে তা আপাতত আমি জানিনা।

দেশের ভেতর আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা হতে পারে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নতুন ব্যবসার ও গ্রাহকদের জন্য নতুন সেবার সম্ভাবনা

Tags

, , , , , , , ,

আমাদের দেশে এখন ছয়টি মোবাইল অপারেটর সফলভাবে কার্যক্রকম চালিয়ে যাচ্ছে। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিঃ, গ্রামীণফোন লিঃ, টিএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিঃ, ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ লিঃ, টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ এবং ওয়ারিদ টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল লিঃ। এদের মধ্যে কারও কারও দেশব্যাপি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কাভারেজ রয়েছে আবার এখনো কারও কারও নেটওয়ার্ক দুর্বল। আবার এখনো এমন দেখা যায় যে অনেক স্থানে কোনো কোম্পানীর নেটওয়ার্ক কাভারেজ আছে আবার অনেক স্থানে নেই। শুধু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেই না, খোদ ঢাকার অনেক বহুতল ভবনে ঢুকলে দেখা যায় এই মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক পাচ্ছে আবার ঐ অপারেটরের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন না। কারণ অনেক অপারেটররা ঐ ভবনগুলিতে ইনডোর মাইক্রো বিটিএস লাগিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কিন্তু দেশের ভেতরে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে। ভারতের কথা ধরা যাক, সেখানে আইডিয়া নামের অপারেটর শুধু দুই থেকে তিনটা রাজ্যে সেবা প্রদান করে থাকে। এর অর্থ এই না যে আপনা আইডিয়ার গ্রাহক হলে আইডিয়ার প্রদেশগুলির বাহিরে অন্য প্রদেশে গিয়ে নেটওয়ার্ক পাবেন না। অন্য প্রদেশের অপারেটরের নেটওয়ার্কে আপনি রোমিং করতে পারবেন এবং এরজন্য হয়তো মূল কল চার্জের সাথে সামান্য কিছু পয়সা বেশী দিতে হবে আপনাকে।

ঠিক সেভাবেই ধরা যাক আমি টেলিটকের গ্রাহক, দিলকুশার জীবন বীমা ভবনে অবস্থিত বোর্ড অফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসে একটা কাজে গিয়েছি, সেখানে দেখি আমার মোবাইলে নেটওয়ার্ক নাই। কিন্তু ওয়ারিদ বা বাংলালিঙ্ক গ্রাহকরা দিব্বি মোবাইল ব্যবহার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানলাম একটেল, ওয়ারিদ ও বাংলালিঙ্ক ঐ ভবনের ভেতরে ইনডোর মাইক্রো বিটিএস স্থাপন করেছে সেবা প্রদানের জন্য।

এখন যদি আমাদের দেশে আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকতো, তাহলে আমি দিব্বি ঐ তিনটি অপারেটরের একটিকে নির্বাচন করে নিয়ে আমার মোবাইল ব্যবহার করতে পারতাম সেই সাময়িক সময়ের জন্য। অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য আমাক হয়তো ইনকামিং বা আউডগোইং উভয় ক্ষেত্রে মিনিট প্রতি অতিরিক্ত ০.০৫ টাকা বিল দিতে হতো। আর আমি যেই অপারেটরকে নির্বাচন করেছি রোমিং কারার জন্য, এই ০.০৫ টাকা ঐ অপারেটর পেতো।

এভাবেই ধরুণ আমি একটা গ্রামে গেলাম, যেখানে টেলিটকের নেটওয়ার্ক নেই, কিন্তু গ্রামীণফোনের আছে। আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকলে আমি ঐ নেটওয়ার্ক নির্বাচন করে আমার মোবাইল ব্যবহার করতে পারতাম। এই ক্ষেত্রে হয়তো কল করার জন্য আমার কল চার্জের সাথে মিনিটপ্রতি ০.০৫ টাকা অতিরিক্ত এবং কল গ্রহণ করার জন্য মিনিটপ্রতি ০.০৫ টাকা হারে চার্জ দিতে হতো। এই অতিরিক্ত চার্জটা কিন্তু পেতো গ্রামীণফোন।

এই যে গ্রামীণফোন কত রকমের প্রচার করছে যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের নেটওয়ার্ক আছে ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু বিল বেশী হওয়ায় অনেকেই ওদের সেবা নিতে আগ্রহী না। কিন্তু যদি আজকে আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকতো, তাহলে গ্রামীণফোন খুব সুন্দর রোমিং নেটওয়ার্ক ভাড়া বাবদ অনেক টাকা উপার্জন করতে পারতো।

যাই হোক, আমাদের আশা ভালো সেবা পাওয়া। আমার কাছে মনে হয়েছে এই সুবিধা থাকলে আমাদের উপকার হতো এবং সেই সাথে মোবাইল অপারেটরদেরও একটা নতুন ব্যবসার দুয়ার উন্মোচিত হতো। এখন দেখা যাক কি হয়। দেশ যতই ছোটো হোক, ১০০% নেটওয়ার্ক কাভারেজ কিন্তু এখনো কোনো অপারেটর দিতে পারেনি।