এনটিভি’র সকল দর্শকই গাধা!

শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী কে নিয়ে গানের অনুরোধের আসর চলছে, বিজ্ঞাপণ বিরতির পরে অনুষ্ঠানের ফিরে আসার সাথে সাথে পরিচালক উপস্থাপিকার চুলের নীচে লুকানো এয়ারফোনের মধ্যে ৬ বছর পুর্তির ঘোষণা দেবার নির্দেশ দিলেন। ঘোষণা শেষ হলো, শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী Happy Birth Day গান করলেন এবং তার পরে একটা এনিমেশন এলো ৬ বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে।

ঐ এনিমেশনে দেখানো হলো যে এক ব্যক্তি এন্টিনা হাতে নিয়ে একটা গাধার পিঠে বসে গাধার সামনে একটা টেলিভিশন ধরে আছে (গাধার সামনে মূলা ধরার মতন করে) আর সেটা অনুসরণ করে গাধা এগিয়ে যাচ্ছে।

এর অর্থ এই যে আমরা সবাই সেই গাধা আর পিঠের সেই বাহক হলো এনটিভি’র কলাকুশলীরা। এনিমেশনের সাথে কি সুন্দর সব মিলে যায় এই চ্যানেল এবং দর্শকের সম্পর্ক। গাধার সামনে মূলা ঝুলানোর মতন করে যেমন এনটিভি প্রদর্শিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি আমাদের সামনে ভালো অনুষ্ঠান দেখাবার নাম করে (বা অনুষ্ঠানের সৌজন্যে বলা যেতে পারে) বিজ্ঞাপণ প্রচার করে যাচ্ছে। তারা যে আমাদের গাধা বানাতে সার্থক হয়েছে সেটা ঐ এনিমেশন দিয়ে প্রমাণ করলো!

হায় এনটিভি’র দর্শক, আমরা সবাই গাধা!

মাইক্রোসফট ডে @ ঢাকা

Tags

, , , , , , ,

আজ (২০ জুন ২০০৯) বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে মাইক্রোসফট কমিউনিটি (বাংলাদেশ) সারাদিনব্যাপী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে এরকম একটি ইভেন্ট আয়োজন করলো। আইডিবি ভবনের অডিটরিয়াম এবং মিটিং রুমে সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে এই ইভেন্ট চলে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রায় আড়াইশজনের বেশী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনাল। একসাথে দু’টি ট্র্যাকে পরিচালিত হওয়া এই ইভেন্টটি মাইক্রোসফটের মোস্ট ভেল্যুয়েবল প্রফেসনাল (এমভিপি) এবং মাইক্রোসফট প্রযুক্তিবিদরা পরিচালনা করেন। একটি ট্র্যাক ছিলো ডেভলপারদের জন্য যেখানে মাইক্রোসফটের বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রযুক্তির উপরে আলোকপাত করা হয় এবং পাশাপাশি অন্য ট্র্যাকটি ছিলো সম্পুর্ণ আইটি প্রফেশনালদের জন্য।

সকাল নয়টায় ইভেন্টের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার ফিরোজ মাহমুদ এবং মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া থেকে আগত এমভিপি লিড অভিষেক কান্ত। সূচনা বক্তব্য শেষে ইভেন্টের দু’টি ট্র্যাক আলাদা হয়ে যায়। ডেভলপারদের ট্র্যাকে শুরুতেই তানজিম সাকিব এএসপি ডট নেটের এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের উপরে বক্তব্য রাখেন এবং তারপর এমভিপি মেহফুজ হোসেইন এএসপি ডট নেট প্ল্যাটফর্মে এমভিসি ফ্রেমওয়ার্কের ব্যবহারের উপরে বক্তব্য রাখেন। তারপর এমভিপি কাজী মনজুর রশিদ এমভিসি ব্যবহার করে ইউনিট টেস্টিং প্রদর্শন করেন এবং ওপেনসোর্স এএসপি ডট নেট এমভিসি এপ্লিকেশন ডটনেটসাউটের আভ্যন্তরীন বিষয় আলোচনা করেন। পরে ফয়সাল হোসেন খান মাইক্রোসফটের নতুন ওয়েব প্রযুক্তি সিলভারলাইট ব্যবহারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেন।

মধ্যাহ্ন ভোজের পরে এমজে ফেরদৌস মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট সার্ভারের বিভিন্ন বিষয় প্রদর্শন করেন এবং তার পরে এমভিপি ওমর আল যাবির এএসপি ডটনেট ব্যবহার করে ডেভলপ করা এপ্লিকেশন প্রডাকশনে নিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা আলোচনা করেন। উইন্ডোস ক্লাউড কম্পিউটিং উইন্ডোস আযিউর নিয়ে আলোচনা করেন আশিক মাহতাব এবং উইন্ডোস আযিউরের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পরিদর্শন করেন। একটি চা চক্র বিরতির পরে এমভিপি মোঃ আশরাফুল আলম ভিজ্যুয়াল স্টুডিও ২০১০ টিম সিস্টেমের উপরে গভীর আলোচনা করেন।

অন্যদিকে আইটি প্রফেশনালদের ট্র্যাকে এম. মনজুরুর রহমান মাইক্রোসফট প্রজেক্ট এবং ইপিএম এর আলোচনার মধ্যমে ট্র্যাকটি শুরু করেন। তার আলোচনা শেষে আনোয়ার হোসেন উইন্ডোস সার্ভার ২০০৮ আরটু নিয়ে কথা বলেন এবং এই বিষয়ে উপস্থিত দর্শকশ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। মধ্যাহ্ন ভোজের পরে এমভিপিরা নতুন নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মের উপরে একটি ওয়ার্কশপ করেন। এরপরে অনলাইনে মাইক্রোসফট লাইভ মিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত থেকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এমভিপি ইসমাইল মোহাম্মদ এবং বক্তব্য রাখেন এক্সচেঞ্জ সার্ভার ২০১০ এর উপরে। তারপরে আবারও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবারো লাইভ মিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত থেকে এমভিপি অমিত বানসাল এসকিউএল সার্ভার ২০০৮ এর উপরে বক্তব্য রাখেন। অনলাইনে এরকম প্রজেন্টেশন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম, যা অংশগ্রহণকারীদের জন্য বেশ চাঞ্চল্যকর একটি অনুভুতি ছিলো।

এরকম চাঞ্চল্যকর প্রদর্শনীর পরে এমভিপি অমি আজাদ উইন্ডোস সেভেনের ব্যবহারিক কিছু নমুনা প্রদর্শন করেন এবং প্রতিদিনের কম্পিউটিং-এ কিভাবে উইন্ডোস সেভেন আমাদের অনেক কাজের প্রক্রিয়াকে সহজ করবে তা আলোচনা করেন, পরে ইরতিজা এ. আক্তার মাইক্রোসফটের সর্বশেষ ইন্টারনেট ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে উপরে আলোচনা করেন এবং এর বিভিন্ন উপকারী দিক প্রদর্শন করেন। সেই সাথে তিনি উইন্ডোস লাইভের অনলাইন সেবাসমূহ বর্ণনা করেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম মাইক্রোসফট কমিউনিটি সরাসরি এরকম একটি ইভেন্টের আয়োজন করলো। ইউরোপ, আমেরিকা এমনকি ভারতেও অহরহ এরকম ইভেন্ট হয়, যা সফটওয়্যার শিল্পের অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে যা আইটি প্রফেশনাল এবং ডেভলপাররা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য উদ্ভুদ্ধ্য করে। সফটওয়্যার শিল্পে সেবার মান উন্নয়ন করাই থাকে প্রযুক্তিবিদদের চেষ্টা, আর নতুন প্রযুক্তি কিভাবে সব কাজ সহজ করবে এবং এই শিল্পের অগ্রগতিতে সাহায্য করবে সেগুলোর উপর আলোচনার জন্যই বিশ্বব্যাপী এরকম ইভেন্ট এবং কর্মশালা আয়োজন হয়ে থাকে।

ইভেন্টের শেষে মাইক্রোসফট কমিউনিটির প্রতিনিধিরা ঘোষণা দেন যে এটা শুধুই শুরু, ভবিষ্যতে এরকম ইভেন্টের আয়োজন আরও ঘণ ঘণ করার চেষ্ট করা হবে। এর পর থেকে শুধু ডেভলপার বা আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে কর্মশালা করা হবেনা, সাধারণ প্রযুক্তিপ্রেমী এবং আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং ছোট পরিসরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

নতুন সময়ের সাথে উইন্ডোসের সময় নিজে থেকে পরিবর্তন হবে

Tags

, , , , , , , , , , , , , , ,

দিনের আলো সংরক্ষণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কাল ১৯ জনু মধ্যরাত থেকে দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ১৯ জুন যখন রাত ১১টা বাজবে ঘড়িতে, তখন আমরা ঘড়িকে এক ঘন্টা এগিয়ে নিয়ে যাবো, অর্থাৎ ১১টা সময় রাত বারোটা করে ফেলতে হবে।

নতুন সময়সূচির সঙ্গে মাইক্রসফটের কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত ঘড়ির সময়ও ঠিক করে নিতে হবে। এ জন্য সমাধান দিয়েছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই সমাধানটি প্রদান করছে মাইক্রোসফট। যেই কম্পিউটারে উইন্ডোজ ভিসতা, উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৮ এবং উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৩ ব্যবহৃত হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে, সেসব কম্পিউটারে এ সমাধানটি কাজে লাগাবে।

সময়-সংক্রান্ত সমাধানটি পেতে এই ঠিকানা থেকে ইনস্টলারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। এবার কন্ট্রোল প্যানেলে ডেট অ্যান্ড টাইম অপশনে গিয়ে Time Zone Settings-এ গিয়ে (GMT + 06.00) Astana, Dhaka-এর পরিবর্তে (GMT + 06.00) Dhaka নির্বাচন করতে হবে। দিনের আলো সংরক্ষিত সময় (DST) কার্যকর করতে Automatically adjust clock for Daylight Saving Time ঘরে টিক্ দিন। ফলে ১৯ জুন রাত ১১টা থেকে সময় আপনা আপনি পরিবর্তিত হয়ে এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে আবার আগের অবস্থানে ঘড়ির সময় ফিরে যাবে।

পিওরটেক্সট্ – ভীষণ কাজের একটা কপি পেস্ট টুল

আমাদের প্রয়োজনে আমরা অনেক সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে লেখা কপি পেস্ট করি। যেমন একটি ওয়েব পেইজ থেকে আমারা প্রয়োজনে কিছু লেখা কপি করতে চাই একটি ওয়ার্ড ডকুমেন্টে। ঝামেলাটা হয় লেখার সাথে লেখার সাথে থাকা অপ্রয়োজনীয় জিনিস চলে আসে (যেমন ইউআরএল), যেটা আমরা রাখতে চাইনা। আবার দেখা যায় আমরা এক ডকুমেন্টের লেথা আরেক ডকুমেন্টে নিতে চাই, কিন্তু লেখার সাথে যে ফরম্যাটিং আছে সেটা আমি রাখতে চাইনা।

এই পরিস্থিতিগুলিতে সাধারণত আমরা লেখা আগে নোটপ্যাডে পেস্ট করি আবার সেখান থেকে কপি করে নিয়ে ওয়ার্ডে বা অন্যখানে পেস্ট করি, যাতে লেখার সাথে ফরম্যাটিং বা অন্যান্য আবর্জনা চলে না আসে।

এই জটিলতার অবসান ঘটাতে আমরা একটা ছোট্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারি, যার নাম পিওরটেক্সট্। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে এখান থেকে। সফটওয়্যারটি চালিয়ে রাখলে উইন্ডোসের সিস্টেম-ট্রে’র মধ্যে বসে থাকে আর কোনো ঝামেলা করে না। স্বাভাবিকভাবে Ctrl+C দিয়ে কপি করে নেয়া যে কোনো লেখা Windows Key+V দিয়ে পেস্ট করলেই পরিস্কার টেক্সট্ পেস্ট হয়ে যাবে।


আপনি চাইলে Windows Key+V এর বদলে অন্য কিছুও ব্যবহার করতে পারেন। আামার খুব কাজে লেগেছে, আশাকরি আপনাদেরও কাজে লাগবে সফটওয়্যারটি।

ভাওতাবাজির চরমে সিটিসেল (ShittyCell)

Tags

, , , , ,

একটা কোম্পানি কত বাটপার হতে পারে তা সিটিসেলকে দেখলে বোঝা যায়। এই সপ্তাহে ওরা একটা নতুন হ্যান্ডসেট বাজারে ছেড়েছে যার নাম স্যামসং এবসোলিউট। সেটটির বর্তমান মূল্য ১০,৪৫০ টাকা আর ব্লুটুথ হেডফোন সহ এর দাম ১১,৮৫০ টাকা। ফকির মিসকিন ছাড়া ভালো মানুষের কথাও মনেহয় এরা এখন নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে! কারণ কিছুদিন আগে আমার বৌকে সিটিসেলের ZTE C332 সেটটা দিতে চাইলে আমাকে বলে, ইবানের স্কুলের সামনে এক মহিলা পুঁথির মালা বিক্রি করতে আসে, সে এই সেট চালায় আমি কিভাবে এটা চালাবো।” এই তো সিটিসেলের অবস্থা!

যে কারণে এই পোস্টটি লিখছি সেটাতে আসি। আমার ধারণা সিটিসেল এই সেটটা তাদের অফিসে বসে বানিয়েছে বা দেশের কোথাও কারখানা ভাড়া করে সেখানে বানাচ্ছে। কারণ সেটটা সম্পর্কে অনেক ধরণের কীওয়ার্ড ব্যবহার করে গুগলে খোঁজাখুঁজি করলাম, কিন্তু কোনো লাভ হলো না। গুগল্ এটা চেনে না। ভাবলাম এক্কেবারে নতুন সেট তাই গুগল্ এটা চেনে না। তাই এই সেটের পেছনে দেয়া ইউআরএল samsungmobile.com-এ গিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আমি এই সেটের কোনো হদিস পেলাম না। তার পরেও আমি ভারতের CDMA সেবা প্রদানকারী কোম্পানিদের ওয়েব সাইটে গিয়ে এই ফোন বের করার চেষ্টা করলাম, কোনো লাভ হলো না। সুতরাং আসলেই এই নামে পৃথিবীতে কোনো সেট নাই।

এরপরে লক্ষ্য করলাম এক আজিব জিনিস সেটটার হেডফোনের কন্ট্রোলে মিরর ইমেজে Samsung লেখা এবং হেডফোনের জ্যাকেও Made in China মিরর ইমেজে লেখা। নিজের চোখে দেখার জন্য এখানে ক্লিক্ করুন।

ব্যাস আমার ধারণাই সত্য হয়ে গেলো। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড স্যামসং এবসোলিউট নামে যে মোবাইলটি বাজারে বিক্রি করছে সেটার সাথে স্যামসং কোম্পানির আদৌ কোনো সম্পর্ক নাই। এরা কোনো চাইনিজ কোম্পানিকে দিয়ে এটা বানিয়ে নিয়ে ঐ নামে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণা করছে যার সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত না।

এরকম ব্যবসা আজ থেকে ৫/১০ বছর আগে করলে একটা কথা ছিলো, কিন্তু এখন আমরা অনেক সচেতন। যোগাযোগ আজকে উন্মুক্ত চাইলেই এই বাটপারদের ধাপ্পাবাজী থেকে আমরা অবগত
থাকতে পারি।

সুতরাং আপনার যতই প্রয়োজন থাক, আগে সত্যতা যাচাই করুণ এবং তারপরে এই তৃতীয় শ্রেণীর সেটটি কিনবেন কি-না ভাবুন।