ফায়ারফক্স ডাউনলোড করার জন্য সনদ পেলাম

Tags

, , , , ,

🙂

আমার মনে হয় সকলেই জানেন যে কিছুদিন আগে মোজিলা এক দিনে সর্ব্বোচ্চ ডাউনলোড করার রেকর্ড সৃষ্টি করতে চাইছিলো। আন-অফিসিয়ালি ওরা রেকর্ড সৃষ্টি করেছেও, কিন্তু এখনো অফিসিয়াল হতে বাকি আছে। গিনিজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের লোকজন এটা যাচাই করে পরে অফিসিয়াল ঘোষণা দিবে।

Firefox Download Certificate

এই আয়োজনের শুরুতে সবাইকে মোজিলা ইমেইলের মাধ্যমে নিবন্ধিত হবার জন্য আহ্বান জানায়। যারা ইমেইল ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধিত হয়েছে, তাদের ডাউনলোডের দিন সকাল বেলা (বাংলাদেশ সময় রাত) ইমেইল করে জানিয়ে দেয়া হয়েছিলো যে এখন আপনারা ডাউনলোড শুরু করতে পারেন। ৫/৬ দিন পরে দেখি আমার জাঙ্ক ফোল্ডারে একটা মেইল, সেটাতে লিখা যে আপনি ডাউনলোড করার সনদ পেতে চাইলে এই লিঙ্কে গিয়ে নাম লিখান, নাম লিখালাম এবং পরে একটা PDF সনদ আমাকে মেইল করে দিলো।

আমি খুশি 🙂

আমার নতুন গ্যাজেট ঘড়িতে মোবাইল!

Tags

, , , , , , ,

মোবাইল পকেটে নিয়ে বেড়ানোটা একটা যন্ত্রনা। আমি মোবাইল শুধু কথা বলার জন্যই ব্যবহার করি। এছাড়া মোবাইল ব্যবহারকে এড়িয়ে যেতে চাই। আর সেটা যদি পকেটে নিয়ে না বেড়িয়ে হাতে পড়ে বেড়ানো যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

ছোটোবেলা টিভি সিরিজ নাইট রাইডার দেখতাম। মাইকেল নাইট তার গাড়ী কিট্ এর সাথে ঘড়ি দিয়ে কথা বলতো দূরে থেকে। বাপীকে জিজ্ঞেস করতাম এটা কি সম্ভব, বাপী সোজা সাপ্টা উত্তর দিতো, যত্ত সব গাঁজিখড়ি গল্প। হাঃ হাঃ হাঃ

এখন ২০ বছর পরে কিন্তু এটা সম্ভব। মানুষের কল্পনা প্রবণতার কারনেই আজকে এত কিছু উদ্ভাবন করেছে। জুলভার্ণ আমার দাদার আমলে যা লিখেছে বা ভিঞ্চি সেই সময় যা লিখেছে, সেগুলি কিন্তু পরে বাস্তব হয়েছে। আজকে আমি যেমন হাতে পেলাম V2 সিরিজের এই চাইনিজ মোবাইল ফোনটি। চাইনিজ হবার জন্য দামও সস্তা (US$250.00 প্রায়) আর ফিচারও অনেক।

প্রায় ১৫ দিন আগে আমি প্রথম এটি আমেরিকার একটি অনলাইন দোকানে দেখি। ওদেরকে বললে ওরা বলে এটা নাকি তখনি বাজারে এসেছে এবং হট কেকের মতন বিক্রি হচ্ছে। ঐ দোকান থেকে আমার কেনার ক্ষমতা থাকলেও ওরা বাংলাদেশে পাঠাবে না। ইন্টারনেটে আরও খুঁজতে খুঁজতে দেখি মালয়শিয়ার একটি অনলাইন দোকান এটি বিক্রি করছে এবং এরা বাংলাদেশেও পাঠায়।

আর কি, অনলাইনে অর্ডার করলাম। তারপরে ভেরিফিকেশন, প্রসেসিং ইত্যাদী মিলায়ে ১ সপ্তাহ চলে গেলো প্রায়। আজকে সকালে ডিএইচএল থেকে কাগজপত্র দিয়ে গেলে আমি সাথে সাথে জিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আমার পরিচিত এক সিএন্ডএফ এজেন্ট আছেন, উনাকে কাগজপত্র দিয়ে একটু ঘোরাঘুরি করে আবার জিয়ায় আসলাম। উনি ফোনে জানালেন আপনারটা নিয়ে ক্যারা লাগছে। মোবাইল যত দামীই হোক শুল্ক ৳১৩০০.০০ এর উপরে না। কিন্তু অফিসাররা বলে এটার উপরে ঘড়ির শুল্ক আরোপ করবে এবং ১০০% শুল্ক নিবে। যাই হোক আমার এজেন্ট বেশ ঝানু ছিলেন, ওটা সিম লাগিয়ে চালু করে কথা বলিয়ে দিলেন অফিসারকে। 🙂

আর কি সেটা নিয়ে মনের ফুর্তিতে বাসায় আসলাম। সেটটা ভালই হয়েছে…

ফায়ারফক্স ৩ বের হলো

Tags

, , ,

অনেক প্রতিক্ষার পরে শেষ পর্যন্ত গতকালকে মোজিলা ফায়ারফক্স ৩ সাধারণ ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করলো। সবাই হুড়োহুড়ি করে ডাউনলোড করেছে ফায়ারফক্স ত এবং এখনো করছে, কিন্তু আমি একটু জানাতে চাই কি আছে এই নতুন সংস্করণে…

প্রথমে জানা যাক কি কি নতুন থাকছে এখানে-

আরও নিরাপদ

  • ফায়ারফক্স ৩ এখন আরও নিরাপদ। কোনো সিকিওর সাইটে গেলেই ঠিকানার পাশেই দেখা যাবে সার্টিফিকেট গ্রাহকের নাম এবং আপনি বুঝতে পারবেন সেটা ব্যবহার করা ঠিক হবে কি-না। আর যদি ঝামেলা মনে হয় সেখানেই লাল চিহ্ন দিয়ে দেখাবে এই সাইটটি নিরাপদ নয়।
  • কোনো প্লাগইন যদি নিরাপত্তাজনক সমস্যায় ভোগে বা নিরাপত্তায় সমস্যা তৈরী করে, তাহলে সেটা ব্যবহার থেকে সংয়ক্রিয়ভাবে বিরত থাকবে।
  • সাধারণত ফায়ারফক্স এক্সিকিউটেবল ফাইল ডাউনলোড করে খুলতে দিতে চায়না। অনেক ব্যবহারকারীর জন্য এটা নিরাপদ আবার অনেকেই এটা পছন্দ করেননা। তবে এখন তা ডাউনলোড করে খোলা যাবে যদি আপনার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকে।
  • অনেক সাইট আছে যারা অন্য সাইটের মত চেহারা করে আপনার তথ্য চুরি করতে চায়। যাকে আমরা ফিশিং বলি। এবার এই ফিশিং ফিল্টার আর উন্নত করা হয়েছে।
  • নোংরা সাইট ব্যবহার থেকে বঞ্চিত রাখার জন্যও ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্যবহারে আরও সহজ

  • পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সহজ করা হয়েছে এবং ওখন সহজেই পুরাতন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড উন্নয়ন করা যাবে।
  • অ্যড অন বা প্লাগ-ইন এবং স্কিন আগের চাইতে অনেক সহজে ইনস্টল করা যাবে।
  • ডাউনলোড ম্যানেজার আরও উন্নত করা হয়েছে। সহজেই জানা যাবে কোথা খেকে কি নামিয়েছেন এবং কোথায় রেখেছেন। ডাউনলোড রিজিউম আগের চাইতে উন্নত।
  • কী-বোর্ড সর্টকাট দিয়ে ইমেজ, ম্যানু ইত্যাদী জুম করা যাবে।

এরকম বহুত সুযোগ সুবিধা নিয়ে আসলো ফায়ারফক্স ৩ আর এখনো কিছু কিছু ছোটো খাটো সমস্যা রয়ে গ্যাছে যেগুলি তারা মাইনর রিলিজে ভবিষ্যতে ঠিক করে ফেলবে। আপনি যদি এখনো ফায়ারফক্স ডাউনলোড না করে থাকেন, তাহলে এখনই এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।

আজকে আমার ইবানের ৪র্থ জন্মদিন

Tags

, ,

আমার পিচ্চি পরিবারহ্যপি বার্থডে টু ইবান। আজ থেকে চার বছর আগে এই দিনে ইবান এই পৃথিবীতে আসে। গতবছর অবশ্য এটা নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম। তাই আর নতুন করে কিছু বলছিনা। আজও বৃষ্টি হয়েছে, যেমন হয়েছিলো ওর জন্মের দিন।

আশেপাশের প্রতিবেশীদের নিয়ে ছোট্ট একটা অনুষ্ঠান করলাম। খুবই মজা হয়েছে। যারা এসেছে তাদেরকে আসার জন্য ধন্যবাদ আর যাদের অনুষ্ঠানে ডাকতে পারি নাই, তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। আর যারা আসতে পারেন নাই, তারা দূর থেকেই আমার ইবানের জন্য দোয়া করবেন।

অনুষ্ঠানের ছবিগুলি দেখা যাবে এখান থেকে। 🙂

ইবান এখন বেশ বড় হয়েছে। ভালো লাগা মন্দ লাগা প্রকাশ করতে পারে। ওর জন্য পৃথিবীর সবচাইতে কষ্টকর বিষয় হলো খেতে বসা। সব বাচ্চারা যা পছন্দ করে, ও তা করে না, সবাই যেটা করতে বলে, সেটা ও করেনা। নিজে যেটা ভালো বলবে সেটা ভালো, যেটা ভালো বলবে না, সেটা শত চেষ্টা করলেও ভালো করা যাবেনা ওর কাছে।

আমরা কেমন কম্পিউটার কিনছি!

Tags

, , , , , , , ,

Click to see larger sizeআমরা সস্তা কম্পিউটার কিনতে পছন্দ করি! কথাটা গত বিসিএস কম্পিউটার মেলায় এক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেছিলেন। উনার প্রতিষ্ঠান মাত্র প্রায় ৳১২,০০০/- তে একটা সিপিউ বিক্রি করছে। ভেতরে কি আছে দেখতে পারি নাই ব্যাস্ততার কারণে। তবে প্রচুর দর্শকদের আগ্রহ ছিলো সেই কম্পিউটার সিপিউটির প্রতি।

যখন মাত্র ৳১২,০০০/- তে একটি সম্পুর্ণ সিপিউ কিনতে পারা যায়, তার অর্থ এই না যে পৃথিবীতে সিলিকনের দাম কমে গিয়েছে আর আমরা সেজন্য কমদামে জিনিস পাচ্ছি। কমদামে জিনিস কেনার অর্থ এই যে আমরা একটি নিম্নমানের পণ্য কিনছি।

কিভাবে একটু বিশ্লেষণ করি। আমি সাধারণত আমার ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারের মালামাল বিদেশ থেকে আমদানী করি (এর জন্য আমি আমার মাইক্রোসফটের বন্ধুরা এবং আমার বন্ধুদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে কৃতজ্ঞ)।পাশের ছবিতে যেই রেমগুলি দেখা যাচ্ছে সেগুলি আমার বাসার কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হয়। উপরেরটা OCZ Reaper HPC Edition যার একজোড়ার দাম $১৭৫ (আমেরিকান), বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১২,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়াতে ৪ গিগা মেমরি হয়।

২য়টি নাম US Modular Coldfusion, যার একজোড়ার দাম $১৯৮ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১৩,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়ায় ৪ গিগা মেমরি হয়।

তার পরেরটা সবচাইতে দামী Crucial Ballistix, এক জোড়ার দাম $৪৫৬ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳৩১,০০০/- এবং এর এক প্যাকেটে এক জোড়া থাকে এবং এক জোড়ায় ২ গিগা মেমরি হয়।

আমাদের দেশে মাত্র ৳৩,০০০/- দিয়ে চার গিগা মেমরি কেনা সম্ভব এবং সেটা লাগিয়ে উইন্ডোস ভিস্তার মত অপারেটিং সিস্টেম ইসন্টল করে আমরা মন্তব্য করি, “শালা কি অপারেটিং সিস্টেম বানাইছে, চরম স্লো!” আসলেই কি তাই? আপনি কি কিনেছেন আর কি চালাচ্ছেন সেটা একটু বিবেচনা করবেন না?

বেশ কিছুদিন আগে আমার এক কলিগ মন্তব্য করেছিলো যে বাংলাদেশে কম্পিউটারের যা মাল পাওয়া যায় সেগুলার শুধু অঙ্কই বেড়েছে, পারফরমেন্স বাড়েনি। উনার বক্তব্য হচ্ছে আমাদের এখানে বর্তমান বাজারের ২ গিগা মেমরি, উনার ৫১২ মেগার সমান পারফরমেন্স দিতে পারে না। কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি।

তবে আমাদের বাজারে যে ভালো জিনিস পাওয়া যায়না তা কিন্তু না। কিন্তু যারা বিক্রি করে এরা কুড়াল দিয়ে কোপ দেয়ার মত দাম চায়। যেটা $৪০০ দাম সেটা চায় $১৪০০, যাতে একবারের সব লগ্নি ফেরৎ আসে। একটু সততার সাথে ব্যবসা করলেই কিন্তু আমরা ভালো জিনিস কিনতে পারি।