মোজিলা ফায়ারফক্স আমাদের সবারই পছন্দের ব্রাউজার। অনেকে যদিও এটা ব্যবহার এখনো শুরু করেনি, তার পারও যারা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করে, তাদের বিশ্বাস যে পৃথিবীর ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী খুব কম সময়ের মধ্যেই ফায়ারফক্স ব্যবহার শুরু করবে।
লেখা দেখাবার জন্য অপারেটিং সিস্টেম বা সফটওয়্যারের মধ্যে কিছু প্রযুক্তি থাকে যার জন্য আমরা এভাবে লেখা দেখতে পাই। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে এটা বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়। এটাই ভালো লাগেনি মোজিলা দলের। তাই তারা নিজেরাই লেখা প্রদর্শন করার প্রযুক্তিকে নিজেদের আয়ত্বে আনছে। ফায়ারফক্স ৩-এর পরীক্ষামূলক একটি সংস্করণ আমি উইন্ডোজে ব্যবহার করে দেখেছিলাম, সেরকম কোনো পরিবর্তন আছে বলে মনে হয়নি। কিন্তু আজকে ম্যাক ওএস ১০-এ চালিয়ে দেখলাম। জটিল!!!
বাংলা খুব সুন্দরভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে। আশাকরি লিনাক্সের সংস্করণেও ঠিক এভাবে কাজ করবে। কেউ লিনাক্সে পরীক্ষা করে থাকলে মন্তব্যে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।
মাইক্রোসফট যখন আমাদের (এম.ভি.পি.-দের) উইন্ডোজ দেয়, সেটাও কিছু শর্তের ভেতর দিয়ে দেয়। তবে আমাদের অনেক স্বাধীনতা থাকে। সাধারণত একজন ব্যবহারকারী একটা উইন্ডোজ কিনলে সেটা একটা মেশিনে ব্যবহার করতে পারে, অন্য মেশিনে ব্যবহার করতে চাইলে বা মেশিনের বড় ধরণের পরিবর্তন করলে তাকে আবার মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে সেটা জানাতে হয়। উইন্ডোজ থাকা অবস্থায় হার্ডওয়্যারের পরিবর্তন সাধন করলে উইন্ডোজ নিজেই সেটা জানিয়ে দেয়, আর পরিবর্তন সাধনের পরে উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরে এক্টিভেট করতে গেলে সেটা মাইক্রোসফটের এক্টিভেশন বিভাগে জানিয়ে করতে হয়। আমাদের স্বাধীনতাটা হলো আমরা একটি উইন্ডোজের ভার্সন দশটি ভিন্ন মেশিনে যতবার খুশি এক্টিভেট করতে পারবো।
বেশ কিছুদিন আগে আমি কতগুলি উপহার পেয়েছিলাম (যেখান থেকে পেয়েছিলাম সেটা প্রকাশ করলে উনাদের ভালো নাও লাগতে পারে বলে প্রকাশ করছিনা), তার মধ্যে ছিলো একটা অ্যাপল ম্যাক বুক। আইটি প্রফেশনালরা অ্যাপলের প্রতি একটু দুর্বল হয়েই থাকে। সবসময়ই এটা ব্যবহার করতে চায়, কিন্তু সবসময় বাজেটে কুলায়না। স্বাভাবিকভাবে অ্যাপলের দাম অন্য ল্যাপটপের তুলনায় বেশী হয়। কেনো হয় আমার জানা নেই, তবে অনেক ক্ষেত্রই দেখা যায় ম্যাকের পারফরমেন্স অনেক ভালো, তাই সম্ভব দাম একটু বেশী হয়।
যখন Mp3-এর যুগ শুরু হয়, তখন উইনএম্প এর পাশাপাশি অনেক মিডিয়া প্লেয়ার বাজারে আসে। এরমধ্যে জনপ্রিয় হয় সরিতং এবং সনিক। আমার মনে আছে আমি প্রথম Mp3 গান শুনতাম উইন্ডোজ ৯৫-এর এক্টিভ মুভি প্লেয়ার দিয়ে। এর পর একে একে পরিচিত হই অন্যগুলোর সাথে। যার মধ্যে সবচাইতে প্রিয় হয়ে উঠেছিলো উইনএম্প।
নিজ নেটওয়ার্কে গ্রাহকদেরকে আর বোনাস টকটাইম দিতে পারবে না মোবাইল অপারেটররা। এটি দিতে হলে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রেই কেবল দেয়া যাবে। প্যাকেজের জন্য প্রমোশনাল পুরস্কার হিসাবে সোনার কয়েন, বিদেশ ভ্রমণের খরচ বা গাড়ির মতো পুরস্কারও দেয়া যাবে না। প্যাকেজের সময়সীমা হবে সর্বোচ্চ দুইমাস। দেশের ঐতিহ্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়-এমন কোনো ভাষা ও বিষয়বস্তুর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনসহ প্রচারণামূলক কোনো কার্যক্রমও চালানো যাবে না। আর কলচার্জ হবে সর্বোচ্চ ২ টাকা এবং সর্বনিম্ন ২৫ পয়সা মাত্র। মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই আদেশ জারি করেছে।