অফিসে মোবাইল চার্জ করবেন না!!!

একটা মজার ঘটনা শেয়ার করা দরকার মনে করছি। আমার এক বন্ধু দিনের বেশীরভাগ সময় অফিসে কাটায়। আমি একবার বললাম যে বন্ধু এভাবে কাজ করলেতো মারা যাবে। জবাবে আমাকে বেশ গম্ভীরভাবে বললো, “Friend, it’s money what makes me work like this.” বোঝই যায় অনেক টাকা বেতন পায়, তাই নাক মুখ ডুবিয়ে কাজ করে অফিসে। কিন্তু আমি মাঝে মাঝে ভাবি, এত কাজ যে করে, তার যত বেতনই হোক না কেনো, এত কাজ কি করা উচিৎ! আমার মনেহয় না। হ্যাঁ নিজের কোম্পানী হলে আলাদা কথা, কোম্পানীর মালিকেরা সাধারণত এরকম কাজ করে থাকে।

এই বন্ধু যে অফিসের জন্য এত effort দিচ্ছে এসে একদিন জানালো যে ওর বস্ ওকে অফিসে মোবাইল চার্জ করতে নিষেধ করেছে, এতে না-কি অফিসের ইলেকট্রিক বিল বেশী আসছে! আমার কাছে বিষয়টি wired মনে হয়েছে। যে কোম্পানীর জন্য এত পরিশ্রম করছে, তার সামান্য মোবাইল চার্জের বিষয়টা তার বস্ এভাবে দেখলো! সে বাসায় থাকার সময় পায় কম, আর যেটুকু পায় সেটা বিশ্রাম নিতেই চলে যায়, তাই অফিসে মোবাইল চার্জ করে। এতে আমি দোষের কিছু দেখিনা। Continue reading »

শেষ হলো বেসিস সফটএক্সপো ২০০৭

কি বাজে একটা ইভেন্ট হতে পারে ভাবতে পারেন? আমি জানি যখন আপনারা এই লেখা পড়ছেন, মিডিয়াগুলি সফটএক্সপো’র গুণকীর্তন করতে করতে মানুষের মাথা নষ্ট করে রেখেছে। আমার মনেহয় শুরু থেকে শুরু করা উচিৎ যাতে সবাই বাস্তবের একটা ভালো ধারণা পায়।

স্থান – চীন মৈত্রী সন্মেলন কেন্দ্র: মেলা একটা ছাদের নীচে হলেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রনের বিন্দুমাত্র ব্যবস্থা নেই। তবে বেসিস বা তার সাথে জড়িত লোকজন যখন সেমিনার বা গোল টেবিল বৈঠক করবে, তখন সেই কক্ষগুলিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা আছে। তার মানে প্রদর্শনকারী এবং পরিদর্শক চুলোয় যাক, কিছু যায় আসে না। এই গরমের মধ্যে পাঁচদিন যে কিভাবে কেটেছে সেটা যারা গিয়েছে তারাই জানে। এক পর্যায় আমি বেসিসের একজনকে প্রশ্ন করলে উনি বলেন যে এই ইভেন্টট শীতের দিকে হবার কথা ছিলো এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক জটিলতার জন্য সময় গড়িয়ে গৃষ্মে চলে আসে, আর তাই তখন উনারা যে চুক্তি করেছিলো সেটাই বহাল আছে এবং সেজন্য শীত বা তাপ নিয়ন্ত্রনের কোনো ব্যবস্থা নেই। কি একটা lame excuse দেখালো! শুনলে লোম খাড়া হয়ে যায়। Continue reading »

উইন্ডোজ ভিস্তায় ব্লুটুথ ব্যবহার

বাংলাদেশের বাজারে ব্লুটুথ এখন খুব সহজলভ্য একটা পণ্য। মোবাইল, ক্যামেরা, এমপিথ্রি প্লেয়ার প্রায় সব পোর্টেবল ডিভাইসে ব্লুটুথ-এর ব্যবহার রয়েছে। জাপানের সনি’র আবিষ্কৃত এই প্রযুক্তিটি সত্যই মজার। আগে একটা মোবাইল থেকে ছবি কম্পিউটারে নিতে বা কম্পিউটার থেকে এমপিথ্রি প্লেয়ারে গান নিতে তার ব্যবহার করতে হতো, এখন তার ছাড়াই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব সহজে যোগাযোগের কাজগুলি করা যায়। ব্লুটুথের আরও বিবিধ ব্যবহার রয়েছে, যেমন: কম্পিউটারের মধ্যে তারবিহীন নেটওয়ার্কিং, তারবিহীন মাউস এবং কী-বোর্ড ব্যবহার, তারবিহীন হেডফোন ব্যবহার ইত্যাদী। তবে বাংলাদেশে এর ব্যবহার সবচাইতে বেশী হয়ে থাকে মোবাইলের সাথে কম্পিউটারের যোগাযোগের জন্য।

আমরা একেকজন একেকটা মডেলের মোবাইল ব্যবহার করি। তাদের তারের মডেলও আবার ভিন্ন, আবার ২৫০ টাকার কমে কোনো কেবল পাওয়া যায়না (নিজের দোকান হলে অবশ্য আলাদা কথা) বাজারে। তাই ব্লুটুথ হলো একটি সামগ্রীক সমাধান। প্রায় সব ভালো মোবাইলে এটা উপস্থিত এবং এক সেটিং দিয়েই সব মোবাইলে একরকম কাজ করা যায়। একবার ব্লুটুথ ইনস্টল করে নিয়ে মোবাইল ভেদে আলাদাভাবে কিছু করতে হয়না। ২৫০ টাকার ভেতরে বাংলাদেশের বাজারে খুব সুন্দর ব্লুটুথ ডঙ্গল পাওয়া যায়। তার নষ্ট হয়ে যাবার ভয় থাকে, কিন্তু ব্লুটুথ বেশ স্থায়ী একটা সমাধান। Continue reading »

কোথায় হারালো ভালো ইংরেজী গান!!!

ছোট বেলা থেকে আমি গান ভক্ত। তখন স্বাভাবিক বাংলা হিন্দী গানের পাশাপাশি ইংরেজী গান শুনতাম। এরকম কিছু গান ছিলো ইউরোপ, স্কোরপিওন, পিঙ্ক ফ্লোয়েড, রিচার্ড মার্কস্, বন জভি, ব্র্যায়ান অ্যাডামস্, পোলিস বা স্টিং, গানস্ এন্ড রোজেস, ব্রুস স্প্রিংটিন, সেলিন ডিওন আরও কত শিল্পী। সেই ক্লাস ৬/৭ থেকে এদের গান শুনে আসছি। তখন একটা ইংরেজী বুঝতাম না, যেটার মিউজিক ভালো লাগতো সেটা শুনতাম। Continue reading »

আমার য়াহু মেইল প্লাস সার্ভিস বাতিল হলো

গতবছর আমি য়াহ’এর মেইল প্লাস সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলাম। দেখার ইচ্ছা ছিলো যে কি জাতীয় সার্ভিস দেয় এরা। আমাদের এলাকায় একটা কথা আছে, ভাকুয়া, যার মানে হলো ফালতু। সার্ভিস বাতিল হবার পরে যে মেইলটি দিয়েছে সেটা একবার দেখলেই বোঝা যাবে যে এরা কি সার্ভিস দিচ্ছিলো টাকার বিনিময়ে। Continue reading »