আনেকেই জানেননা যে একসময় আমার একটা আইএসপি ছিলো দিনাজপুরে। একটি আইএসপি’র মূল কাজ হচ্ছে এক উৎস থেকে ইন্টারনেট গ্রহণ করে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে বিলি করা। এর বাহিরে অন্যান্য কাজও থাকে, কিন্তু মূল কাজ ওটাই। আমার যখন আইএসপি ছিলো আমি এই জিনিসগুলি বুঝতাম না আর আমাকে যারা ভি-স্যাটের মাধ্যমে লাইন দিয়ে গিয়েছিলো তারা বিভিন্ন তাল বাহানা করে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছিলো আমার কাছ থেকে। আমার স্যাটেলাইট মোডেম থেকে কানেকশন গিয়ে ঢুকতো একটা সার্ভারের ল্যান কার্ডে আর সেটা সার্ভারে বিভিন্ন প্রথার মাধ্যমে রাউট হয়ে আরেক ল্যান কার্ড দিয়ে বের হয়ে আসতো এবং সেই বের হয়ে আসা কানেকশনটাই আমরা শেয়ার করে দিতাম গ্রাহকদের।
আইএসপি’র মতই আমার অনেকে বাসাবাড়িতে একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। একটি কানেকশন আইএসপি থেকে এসে ঢোকে একটি কম্পিউটারে আর সেই কম্পিউটার থেকে শেয়ার হয়ে যায় ক্লায়েন্টগুলিতে। উইন্ডোজে বিষয়টি খুবই সোজা এবং আমি সদ্য শিখলাম যে লিনাক্সেও বিষয়টি সোজা। এই টিউটোরিয়ালে আমি সেটাই উপস্থাপন করবো যে কিভাবে লিনাক্স দিয়ে ইন্টারনেট শেয়ার করা যায়। 🙂
প্রথমেই আমাদের লাগছে একটি কম্পিউটার দু’টো ল্যান কার্ড সহ। জিনোম প্যানেল থেকে System -> Administration -> Network -এ যাবো।


আজকে প্রথম আলো’র “আইফোনের লক খুললেন ঢাকার তরুণ” শীর্ষক খবর পড়ে একটু মেজাজ গরম হয়ে গেলো। বাংলাদেশে কে একজন আইফোন ক্র্যাক্ করেছে সেটা আবার ফলাও করে প্রথম পাতায় দিয়েছে। ক্র্যাক্ বিষয়টা যতই মজার হোক বা যতই কাজে লাগুক, পন্থাটা কিন্তু ঠিক না। একটা কোম্পানী নিশ্চয়ই কোনো কারণে বাধ্য বাধকতা দিয়ে থাকে, সেটা R&D বা ব্যক্তিগত কাজে ক্র্যাক্ করা যায়, কিন্তু সেটা একটা জাতীয় দৈনিকের প্রথম পাতায় আসতে পারেনা। এতে কি এটা প্রমাণ হয়না যে এই জাতিকে ক্র্যাক্ জাতীয় দুই নম্বর কাজে এরা উদ্বুদ্ধ করছে?

যখন Mp3-এর যুগ শুরু হয়, তখন উইনএম্প এর পাশাপাশি অনেক মিডিয়া প্লেয়ার বাজারে আসে। এরমধ্যে জনপ্রিয় হয় সরিতং এবং সনিক। আমার মনে আছে আমি প্রথম Mp3 গান শুনতাম উইন্ডোজ ৯৫-এর এক্টিভ মুভি প্লেয়ার দিয়ে। এর পর একে একে পরিচিত হই অন্যগুলোর সাথে। যার মধ্যে সবচাইতে প্রিয় হয়ে উঠেছিলো উইনএম্প।