Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: মন্তব্য

Personal Comments

মামা গ্রামীণফোন তো গোয়া মেরে দিলো

24 বৃহস্পতিবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 38 Comments

Tags

Grameenphone, Mobile, গ্রামীণফোন, মোবাইল অপারেটর

আমার এক বন্ধু, টেলিভিশনে অভিনয় করে। নামটা বলছিনা (নাম বললেই সবাই চিনে ফেলবেন), আমাকে মামা ডাকে। আমি উনাকে নিয়ে ১১টার মত নাটিকা করেছিলাম পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের জন্য। চলতি মাসের শুরুর দিকে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় শুটিং চলছিলো আমার বন্ধুর প্রোডাকশন হাউজের। আমি সকাল সকাল গেলাম সেখানে, অনেকদিন কোথাও যাওয়া হয়না দেখে। ওখানে পৌছাতেই আমার ঐ বন্ধু দুর থেকে আমাকে ট্যাক্সি থেকে নামতে দেখে চিৎকার করে আমাকে বলছে “মামা গ্রামীণফোন তো গোয়া মেরে দিলো।” আমি ট্যাক্সি ভাড়া চুকিয়ে দিয়ে উনার কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম কি হয়েছে, উনার মোবাইলের সংযোগ বন্ধ হয়ে গ্যাছে এবং উনি ২ দিন থেকে সবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

বেশকিছুদিন ধরে ভাবছি এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলা দরকার। সময় করে উঠতে পারছিলাম না। গ্রামীণফোন আমাদের দেশের সবচাইতে বড় মোবাইল অপারেটর। উনাদের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি (!) এবং উনাদের দাবী একসাথে ২ কোটি গ্রাহকই কথা বলছেন, কেউ সিম ফেলে দেন নাই। কথাটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য না। আমার নিজের গ্রামীণ সিমটাইতো আমি চালাচ্ছি না। সেই সাথে আছে পরিচিত অনেকেই। তাই ভুয়া কথা বলার লিমিট নাই গ্রামীণ ফোনের বলে ধরে নিচ্ছি আপাতত।

দেশের সবচাইতে খারাপ নেটওয়ার্ক এখন গ্রামীনের। কি কারণে আমি জানিনা। তবে আমার একটা মন্তব্য আছে যেটা শেষে লিখছি। আমাদের দেশে অনেকদিন থেকেই চলছিলো মোবাইল ব্যবহারকারীদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি। সেটা নিয়ে আমি আমার ব্লগে ২/১ টা পোস্ট এর আগেও দিয়েছি। আমার সূত্রের দেয়া খবরে গ্রামীনফোনের গ্রাহকরাই ঠিকমতন তাদের নম্বরগুলি রেজিস্ট্রেশন করছিলো না, যার জন্য বার বার পুনরায় রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বিটিআরসি’র হাত পা ধরে তারিখ বর্ধিত করিয়েছে তারা এবং শেষে রেজিস্ট্রেশন করলে টাকা পাবেন, এরকম লোভ দেখিয়েছে তারা। শেষের দিকে গ্রামীণ পান দোকান বা মোবাইল টু মোবাইল টং দোকানেও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করে, যাতে মানুষ রেজিস্ট্রেশন করে। তারা মানতেই নারাজ যে অনেকে তাদের সিম ফেলে দিয়েছে এবং অন্য অপারেটর ব্যবহার করছে এবং শান্তিতে আছে। যাই হোক রেজিস্ট্রেশনের তারিখ শেষ হবার পরে একে একে বিভিন্ন নম্বর বন্ধ হয়ে গেলো। এর মধ্যে আমার সেই অভিনেতা বন্ধু একজন, আমার নিজের একটি সিম, আমার এক ছোটোবোন এবং আমার বস্ও আছে।

আমার অভিনেতা বন্ধুর শেষ পর্যন্ত কি হয়েছে তা জানিনা। সে কিন্তু আমাকে অনেক জোর দিয়েই বলেছিলো যে সে রেজিস্ট্রেশন করেছে এবং গ্রামীণ শালাদের ঢাকায় গিয়ে দেখে নেবে। সেদিনো ওর ঐ নম্বর বন্ধ দেখলাম, মনেহয় সেও ৯ বছরের ব্যবহৃত সিমের মায়া ভুলে গিয়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করছে। আমার বস্ কানাডা গিয়েছে, সেখান থেকে জার্মানি যাবেন, লম্বা সফরে আছেন। উনি যাবার আগেরদিন দুপুর থেকে নম্বরটা বন্ধ, গ্রামীণে ফোন করে জানতে চাইলে বলে রেজিস্ট্রেশন না করায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ সিমের রি-রেজিস্ট্রেশনের কাগজ আমাদের অফিসেই আছে। বস্ যেহেতু চলে গেছেন, তাই ঐ বিষয়টাও এখনো সমাধান করা হয়নি।

আমার যেই ছোটো বোনটার কথা বললাম সে ঢাকার উত্তরায় এক বেসরকারী মেডিকেল কলেজে পড়ে। ৩/৪ মাস আগে নর্থ টাওয়ারের গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে ঐ সিমটা কিনেছিলো। ছবি, আইডি কার্ডের কপি, সব দিয়েছে। কিন্তু ওর নম্বর তো বন্ধ হবার কথা না, যেহেতু নতুন নম্বর। গ্রামীণের কাছ থেকে জানা গেলো যে গ্রামীণ নাকি সমস্থ ব্যবহারকারীদের বলেছিলো পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে। নতুন পুরাতন যেই হোক, সবাইকে নাকি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরকম কবে বললো সেটাই বুঝলাম না, আর কাগজপত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সিম কিনে কি আবার ওদের ওখানে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে!!! যাই হোক, সেই সিমের কাগজ নিয়ে আমি গেলাম জসিমউদ্দিন রোডের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে। বিশা-আ-আ-আ-আ-ল লাইন। সবারই একই সমস্যা, রেজিস্ট্রেশন করেছে লাইন বন্ধ। যাদের কাগজ আছে সেই কাগজের কপি গ্রামীণের কর্মীরা নিয়ে বলছে ৭২ ঘন্টার মধ্যে লাইন চালু হয়ে যাবে। তাহলে তো আমার ঐ বন্ধুর মতো বলতেই হয়, এই ৭২ ঘন্টা কি পাবলিক গোয়া মারাবে?

যাই হোক, প্রায় এক ঘন্টার মতন অপেক্ষা করে আসলাম কাউন্টারে। কাগজ যেহেতু আছে, লাইন তো আমার বোনেরটাও চালু হয়ে যাবে। কাগজ হাতে নিয়ে কম্প্যুটারে কি টিপা টিপি করে বলছে এই কাগজ নকল। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। ওদের সেন্টার থেকে কেনা সিমের কাগজ দেখে বলছে এটা বলে নকল কাগজ। আমি অনেক কষ্টে নিজেকে স্বাভাবিক রেখে বললাম কি সমস্যা ভাই, বলে আপনার কাগজের নাম আর আমাদের ইনফরমেশন ঠিক নাই!!! আমি বললাম আপনাদেরও তো ভুল হতে পারে। বলে অসম্ভব। আমি কথা না বাড়িয়ে বের হয়ে আসছি এই সময় আমার পরিচিত ইউএনডিপি’র গাড়ির এক ড্রাইভার আমাকে জিজ্ঞেস করলো ভাই কি হলো। আমি ঘটনা বললাম। উনি তখন উনার এক্সপেরিয়েন্স বললো। উনি নাকি সিম রেজিস্ট্রেশন করেছিলো ঐ টাকা দেবার সময়। কি একটা অফার ছিলো না, এখন সিম রেজিস্টার করলে পাবেন ১০০ টাকা আর অন্যজনদের করিয়ে দিলে ৫০ টাকা। উনি সেই সময় রেজিস্ট্রেশন করেছেন। কিন্তু টাকা পায়নি আর লাইনও বন্ধ হয়ে গ্যাছে। 🙂 আমি আমার বোনটাকে একটা ওয়ারিদের সিম কিনে দিলাম।

কি অবস্থা!!!

গ্রামীণের এই সব সমস্যার পাশাপাশি আছে ভয়েসের সমস্যা। আপনি জিপি থেকে জিপ কথা বললে শুধু কথা কেটা কেটে যায়। অভিযোগ করলে বলে আমাদের সমস্যা নাই, আপনি হ্যান্ডসেট বদলান। আমার হ্যন্ডসেট দিয়ে সব অপারেটর ঠিক চলে ওদেরই সমস্যা। আরেকটা মজার খবর দেই। গ্রামীণফোন ক্রস কানেকশন। আমার বৌ এর ছোটোভাই আমাদের সাথেই থাকে। ও আবার ডিজুস ফ্যান। কয়েকদিন আগে ওর মোবাইলে একটা কল আসে, রিসিভ করে দেখে দু’জন কথা বলছে (প্রেমালাপ করছে)। অনেক চেষ্টা করেও ওদেরকে কিছু বলতে পারলাম না, আমার কথা ওরা শুনতে পাচ্ছে না, আমরা শুধু ওদের কথা শোনা যাচ্ছে। গতকালকের কথা। অফিস থেকে টিএন্ডটি দিয়ে আমাদের অফিসের এক ড্রাইভারকে ফোন করা হলো, আবার ক্রস কানেকশন। এক ম্যানেজার তার নিম্নপদস্ত কর্মচারীকে ঝাড়ছে। 🙂

এই হলো গ্রামীণের সার্ভিসের অবস্থা! এরা বলে কাছে থাকুন, এতই কাছে যে একজনের সিম আরেকজনের নামে রেজিস্টার হয়। এতই কাছে যে দু’জনের কথা অন্যজন শুনছে। একসময় দেখা যাবে ২ কোটি (!) গ্রাহক সবাই সবার কথা শুনতে পাচ্ছে। 🙂 কে কাকে কি বলছে বোঝা যাচ্ছে না। তবে সবাই কিন্তু কাছে থাকছে। এক বাসের ভেতর যখন ৪০ জনের জায়গায় ৮০ জন ঠুকে তখন যেমন কাছে থাকে, এখানেও তাই হয়েছে মনে হয়।

উপরে বলেছিলাম যে ওদের সেবা সম্পর্কে আমার একটা মন্তব্য আছে, সেটা হচ্ছে- আমার ধারণা গ্রামীণের ইঞ্জিনারদের ঘুষ খাবার অভ্যাস হয়ে গেছে এবং সেই সুযোগ নিয়ে অন্য অপারেটররা তাদের ঘুষটুস দিয়ে সার্ভিস খারাপ করে রেখেছে যাতে মানুষ বিরক্ত হয়ে ওদের সার্ভিস বাদ দিয়ে দেয় (পরিচিত অনেকেই দিচ্ছে এবং দিয়েছে এর মধ্যে), আর আমার দৃড় বিশ্বাস যে এরকম পরিকল্পনা যে করেছে সে সম্পুর্ণ সফল।

বিডিজবস্ দের একটু ভদ্র হওয়া বা ভদ্রতা শেখা উচিৎ

04 শুক্রবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 20 Comments

Tags

BDjobs, বিডিজবস্

অনেকদিন থেকেই পরিচিত অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ শুনছি যে বিডিজবস্-এ সাইন-আপ করার পর থেকে তাদের ইমেইল বক্স আলতু ফালতু মেইল দিয়ে ভরে যাচ্ছে। হয়তো কিছুটা বেশী বলেছে, আমি সত্যতা যাচাই করার জন্য চার পাঁচ মাস আগে একটা ভুয়া একাউন্ট খুলি। এর পরে দেখি সত্যি সত্যি বিডিজবস্-এর মেইল ছাড়া আলতু ফালতু মেইল আসছে। অমুকটা দেখুন, তমুক করুন। এই সেমিনারে আসুন, ঐ ট্রেনিং-এ যান। আর কোনো মেইলি বিডিজবস্-এর ইমেইল থেকে না।

আমি ঘটনা বুঝে ফেললাম এবং বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখলাম। এরা দেশের প্রথম জব সাইট হলেও আশানুরূপ কিন্তু ব্যবসা নাই। এখন আবার অনেক জব সাইটও হয়ে গ্যাছে। বিডিজবস্-এর সাইটে গেলে দেখা যায় জঘণ্য ডিজাইনের বমির মতো বিজ্ঞাপন পড়ে আছে সাইটের প্রথম পাতায়। জাভাস্ক্রিপ্ট সেট করা আছে যাতে আপনার ব্রাউজার আপনা থেকে বড় হয়ে যায় (যদি ছোট থাকে) এবং সব বিজ্ঞাপণ আপনি দেখতে পান। আপনি চাইলেও সেটা বন্ধ করতে পারবেন না।

এরা কি আসলেই বিজ্ঞাপণের জন্য টাকা পায়, না। এরা বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন লাগাতেই থাকে যতক্ষণ লাগানো যায়। পরে কিছুদিন হয়ে গেলে এদের মার্কেটিং থেকে ঐ কোম্পানিতে গিয়ে অনুরোধ করে ভাই এতদিন ধরে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে রেখেছি কিছু টাকা দেন। ফকির যখন কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করে রাস্তায়, তখন আপনি কি করেন? এই ক্ষেত্রেও কিন্তু তেমন কোনো ব্যতিক্রম হয়না। কিছু টাকা আয় হয়ই।

আবার দেশের অনেক ছেলেপেলে ভালো একটা সুযোগের সন্ধানে এখানে রেজিস্ট্রেশন করে, সেই ইমেইল ঠিকানাগুলি এরা সংগ্রহ করে। মনে করেন আপনি একটা কিছু করতে যাচ্ছেন, ঠিক আপনার যেই ক্যাটাগরির লোককে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রন জানানো দরকার ঠিক সেই ক্যাটাগরির পাবলিকদের ইমেইল ঠিকানাগুলিতে মেইল পাঠিয়ে তাদেরকে আমন্ত্রন জানাতে পারছেন। তাই আপনার দরকার হলে বিডিজবস্-কে টাকা দিয়ে ঐ ঠিকানাগুলিতে মেইল পাঠাবেন।

বিডিজবস্-এ প্রোফাইল খুলে যদি এরকম অশান্তি হয়, তাহলে কিন্তু ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যাবে। এমন একটা সময় ছিলো যখন মানুষ এই স্প্যাম বিষয়টা বুঝতো না। আমি একটা নতুন ইমেই ঠিকানা খুললাম, সেটা দিয়ে বিডিজবসে রেজিস্ট্রেশন করলাম, আর সাথে সাথে আমার মেইলবক্সে অবাঞ্চিত মেইল আশা শুরু হলো, এটা কেমন কথা।

আপনি যদি সেরকম মেইল পাঠাতেই চান, তাহলে রেজিস্ট্রেশনের সময় বলে দিলেই পারেন যে আপনারা এমন করবেন, বা ব্যবহারকারীদেরও পছন্দ দিতে পারেন যে আপনি এরকম মেইল চান কি না। বা মেইলগুলি পাঠিয়ে শেষে লিখে দিতে পারেন যে আর এরকম মেইল পেতে না চাইলে এখানে ক্লিক্ করুন। কিন্তু বিডিজবস্ কোনোটাই করছেন না।

এটা কিন্তু অভদ্রতা।

আমরা কেমন কম্পিউটার কিনছি!

03 মঙ্গলবার জুন 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য, রিভিউ

≈ 18 Comments

Tags

Bangladesh, computer, market, memory, ram, কম্পিউটার, বাজার, বাংলাদেশ, মেমরি

Click to see larger sizeআমরা সস্তা কম্পিউটার কিনতে পছন্দ করি! কথাটা গত বিসিএস কম্পিউটার মেলায় এক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেছিলেন। উনার প্রতিষ্ঠান মাত্র প্রায় ৳১২,০০০/- তে একটা সিপিউ বিক্রি করছে। ভেতরে কি আছে দেখতে পারি নাই ব্যাস্ততার কারণে। তবে প্রচুর দর্শকদের আগ্রহ ছিলো সেই কম্পিউটার সিপিউটির প্রতি।

যখন মাত্র ৳১২,০০০/- তে একটি সম্পুর্ণ সিপিউ কিনতে পারা যায়, তার অর্থ এই না যে পৃথিবীতে সিলিকনের দাম কমে গিয়েছে আর আমরা সেজন্য কমদামে জিনিস পাচ্ছি। কমদামে জিনিস কেনার অর্থ এই যে আমরা একটি নিম্নমানের পণ্য কিনছি।

কিভাবে একটু বিশ্লেষণ করি। আমি সাধারণত আমার ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারের মালামাল বিদেশ থেকে আমদানী করি (এর জন্য আমি আমার মাইক্রোসফটের বন্ধুরা এবং আমার বন্ধুদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে কৃতজ্ঞ)।পাশের ছবিতে যেই রেমগুলি দেখা যাচ্ছে সেগুলি আমার বাসার কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হয়। উপরেরটা OCZ Reaper HPC Edition যার একজোড়ার দাম $১৭৫ (আমেরিকান), বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১২,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়াতে ৪ গিগা মেমরি হয়।

২য়টি নাম US Modular Coldfusion, যার একজোড়ার দাম $১৯৮ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১৩,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়ায় ৪ গিগা মেমরি হয়।

তার পরেরটা সবচাইতে দামী Crucial Ballistix, এক জোড়ার দাম $৪৫৬ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳৩১,০০০/- এবং এর এক প্যাকেটে এক জোড়া থাকে এবং এক জোড়ায় ২ গিগা মেমরি হয়।

আমাদের দেশে মাত্র ৳৩,০০০/- দিয়ে চার গিগা মেমরি কেনা সম্ভব এবং সেটা লাগিয়ে উইন্ডোস ভিস্তার মত অপারেটিং সিস্টেম ইসন্টল করে আমরা মন্তব্য করি, “শালা কি অপারেটিং সিস্টেম বানাইছে, চরম স্লো!” আসলেই কি তাই? আপনি কি কিনেছেন আর কি চালাচ্ছেন সেটা একটু বিবেচনা করবেন না?

বেশ কিছুদিন আগে আমার এক কলিগ মন্তব্য করেছিলো যে বাংলাদেশে কম্পিউটারের যা মাল পাওয়া যায় সেগুলার শুধু অঙ্কই বেড়েছে, পারফরমেন্স বাড়েনি। উনার বক্তব্য হচ্ছে আমাদের এখানে বর্তমান বাজারের ২ গিগা মেমরি, উনার ৫১২ মেগার সমান পারফরমেন্স দিতে পারে না। কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি।

তবে আমাদের বাজারে যে ভালো জিনিস পাওয়া যায়না তা কিন্তু না। কিন্তু যারা বিক্রি করে এরা কুড়াল দিয়ে কোপ দেয়ার মত দাম চায়। যেটা $৪০০ দাম সেটা চায় $১৪০০, যাতে একবারের সব লগ্নি ফেরৎ আসে। একটু সততার সাথে ব্যবসা করলেই কিন্তু আমরা ভালো জিনিস কিনতে পারি।

শেষ পর্যন্ত ম্যাডোনা আমাদের অর্ণবের মিউজিক নকল করলো!

23 শুক্রবার মে 2008

Posted by Omi Azad in মন্তব্য

≈ 17 Comments

Tags

Arnob, Bebaak Bibaagee, Madonna, Ornob, অর্ণব, গান, ফোর মিনিটস্, বেবাক বিবাগী, ম্যাডোনা

হাঃ হাঃ হাঃ
কি আশ্চর্যের কথা, তাই না? কোথায় ম্যাডোনা আর কোথায় অর্ণব। কিন্তু কাকতলীয় হলেও সত্য যে ম্যাডোনার একটি গানের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক অর্ণবের মিউজিকের সাথে মিলে যায়।

প্রমাণ দেবার আগে একটু ইতিহাস বলে নেই। গত মার্চ মাসে ম্যাডোনা আর যাস্টিন টিম্বারলেক মিলে একটি গান বের করে যার টাইটেল 4 Minutes. গানটি খুব পপুলার হয়ে যায় রিলিজ হওয়ার সাথে সাখেই। সবাই গুন গুন করতে থাকে 4 minutes to save the world. একটি গানকে কেন্দ্র করেই বের ওয়ার্নার ব্রসের ব্যানারে বের হয় এই অ্যালবামটি। বের হয়েই হুলুস্থুল অবস্থা। বিলবোর্ড চার্ট তোলপাড় হয়ে যায়, এরকম বিলবোর্ডের ইতিহাসে ২য়বার হয়।

পরে এপ্রিলের শেষের দিকে বের হয় ম্যাডোনার অ্যালবাম হার্ড ক্যান্ডি। ঐ গানটা এই অ্যালবামেও আছে। এই গানটারই মিউজিক মিলে যায় আমাদের অর্ণবের গান বেবাক বিবাগী’র মিউজিকের সাথে।

বেবাক বিবাগী গানটি অর্ণবের প্রথম একক অ্যালবাম চাইনা ভাবিস এর ৯ নম্বর গান। যেটা সম্ভবত ২০০৫ সালের শেষের দিকে বের হয় একতার মিউজিকের ব্যানারে।

তাহলে কি ম্যাডোনা অর্ণবের গানের মিউজিক মেরে দিয়ে হিট্ গান বের করলো? হাঃ হাঃ হাঃ একবার নিজের কানেই শুনুন না!

[audio:Madonna – 4 Minutes.mp3]
ম্যাডোনার ফোর মিনিটস্ গানের অংশ শোনার জন্য উপরের প্লে বোতামে ক্লিক্ করুন…

[audio:Ornob – Bebaak Bibaagee.mp3]
অর্ণবের বেবাক বিবাগী গানের অংশ শোনার জন্য উপরের প্লে বোতামে ক্লিক্ করুন…

কি মনে হয় এবার?

বোকাদের বোকা*দা বানেচ্ছে গ্রামীণফোণের ব্ল্যাকবেরি অফার

20 মঙ্গলবার মে 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 27 Comments

Tags

Aktel, ASUS, Bangladesh, Banglalink, Blackberry, BTRC, Citycell, Email, Gmail, Google, Grameenphone, Hotmail, HTC, Mobile, MSN Messenger, Network, Operator, Skype, Warid, Windows Mobile, Yahoo, অপারেটর, আসুস, ইমেইলের, ইয়াহু, উইন্ডোস মোবাইল, এইচটিসি, একটেল, ওয়ারিদ টেলিকম, গুগল্, গ্রামীণফোন, জিমেইল, নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ, বাংলালিঙ্ক, বিটিআরসি, ব্ল্যাকবেরি, মোবাইল অপারেটর, ম্যাসেঞ্জার, সিটিসেল, হটমেইল

গ্রামীণফোন বাংলাদেশের বড় মোবাইল কোম্পানী। অনেক ভালো সেবা দিয়েছে অনেকদিন ধরে আমাদের। কিন্তু শোষণও করেছে আমাদের এবং এখনো করছে। বাংলাদেশের সবচাইতে বেশী কলচার্জ এই মোবাইল অপারেটরের। বলে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। এখন আবার কোনো অপারেটরের নেটওয়ার্কে সমস্যা আছে? বিটিআরসির নির্দেশে তো খাগড়াছড়ি এবং হিলস্ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে সবার নেটওয়ার্ক। হিলস থেকে এক বন্ধু ফিরে জানালো সেখানে সিটিসেল, ওয়ারিদ, একটেল পৌছে গ্যাছে, খবর নাই বাংলালিঙ্ক আর আমাদের সেরানেটওয়ার্ক দাবীদার গ্রামীণফোণের। হয়তো অনেক ভালো মালামাল লাগাবে বলে আমদানী করতে দেরী হচ্ছে বা টেলিনরের কোথাও কোনো বাতিল মাল পাওয়া যাচ্ছে না যেটা এনে লাগাবে। শালারা অন্যদেশের রিজেক্ট মাল এনে লাগিয়ে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে আর এখন এতই খারাপ অবস্থা যে জিপি জিপি ঠিকমতন কথা বলা যায় না।

যাই হোক, অনেকদিন হলো কথাটা বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আইটির সাথে জড়িত থাকায় শুরু থেকেই অনেকে প্রশ্ন করছে যে গ্রামীণফোন এত্তসব সুবিধা সম্বলিত ব্ল্যাকবেরি সেট দিচ্ছে সেটা কিনবে কি-না। মানুষের তো আর টাকার অভাব নাই। আর সেটা বুঝতে পেরেই গ্রামীণের এই সব আজাইড়া অফার। গ্রামীণফোণের এই ভাওতাবাজির ফাঁদে অনেকেই পা দিচ্ছে। তাদের কথা হচ্ছে এই সেট কিনলে ইমেইলের সুবিধা পাবেন, ভালো অর্গানাইজার পাবেন। এত ভালো অর্গানাইজার যে সেটা অর্গানাইজ করতে আবার একজন পিএস রাখতে হবে! যাই হোক, আসল কথায় ফিরে যাই।

আমি ইন্টারনেট সংযোগ সম্বলিত একটা সাধারণ নোকিয়া সেট দিয়েই কিন্তু ইমেইলের সুবিধা ভোগ করতে পারি। জিমেইল, হটমেইল, ইয়াহুর জন্য জাভা ভিত্তিক ক্লায়েন্ট আছে। বা থার্ড পার্টি ক্লায়েন্ট দিয়েও সেই মেইলগুলি ব্যবহার করা যায়। আবার ৪০০০ টাকা দামের চাইনিজ সেটেও কিন্তু এখন ভালো অর্গানাইজার আছে। এমন কি মিটিং-এর আলোচনা পর্যন্ত রেকর্ড করে রাখা যায় ক্যালেন্ডারের মধ্যেই। তো কেনো আমি এই ব্ল্যাকবেরি সেট ব্যবহার করবো আর সেটা ব্যবহারের জন্য শালাদের বাড়তি টাকা দেবো!

আসল কথা হচ্ছে আমরা অনেকেই জানিনা মোবাইলের মধ্যেই যে সুবিধাগুলি উপলব্ধ আছে। আমার মোবাইলে অপেরা ব্রাউজার লাগানো থাকলে পৃখিবীর যে-কোনো ওয়েবমেইল আমি ব্যবহার করতে পারছি। গুগল্ নিজেই দিচ্ছে গুগল্ মেইল বা জিমেইল ক্লায়েন্ট মোবাইলের জন্য। আবার আপনার ডোমেইন যদি জিমেইলে হোস্ট করা থাকে, সেটাও ব্যবহার করতে পারছেন আরেকটা গুগল্-এর ক্লায়েন্ট সফ্টওয়্যার দিয়ে। তো আমরা যারা প্রযুক্তিকে জানিনা, তারা কিন্তু প্রযুক্তিকে ভয় পাই। এখনো পাড়ার দোকানগুলি ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার ফরম্যাট দিয়ে পাইরেটেড উইন্ডোস ইনস্টল করে দিতে ১০০০ টাকা বিল করে এবং আমাদেরই ভাই/বোন/বন্ধুরা সেটা দিয়ে যাচ্ছে নির্বিকারে।

ঠিক গ্রামীণেরও এই অবস্থা! যারা বোকা, তাদেরকে বোকাচোদা বানাচ্ছে একটা ফালতু সেট ধরিয়ে দিয়ে। ভাই আপনি এইচটিসি বা আসুস কোম্পানীর উইন্ডোস অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত মোবাইল পাবেন ২৫০০০ থেকে ৩৫০০০ টাকায়। সেটাতে উইন্ডোজের যাবতীয় সফটওয়্যারকে পোর্ট করা হয়েছে। এটাচ্‌মেন্টসহ মেইল আসলে সেটাও খুলে দেখতে পারবেন। মিটিং-এ এই সেট দিয়ে প্রেজেন্টেশন দেখাতে পারবেন কম্পিউটার ছাড়া। আছে লাইভ ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারের সুবিধা, স্কাইপি ব্যবহারের সুবিধা। আরও থাকছে ফায়ারফক্সের নির্মাতা মোজিলা প্রজেক্টের ব্রাউজার মিনিমো এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোডার তো আছেই। কি নাই সেই সেটগুলিতে! আর ফালতু এক ব্ল্যাকবেরি সেট কিনবেন প্রায় সমান বা তার চাইতেও বেশী দামে যেটা দিয়ে ঐ এক মেইল চেক করা ছাড়া তেমন কিছুই করা যায় না। হ্যাঁ আমি স্বীকার করছি যে সমান কিছু সুবিধা ব্ল্যাকবেরিতে আছে, কিন্তু আমি কেনো এইচটিসি না কিনে ওটা কিনবো? আমি কেনো ব্ল্যাকবেরি কিনে গ্রামীণকে সার্ভিসচার্জ দেবো?

শেষবারের মতন ব্ল্যাকবেরি কিনতে ইচ্ছুক বন্ধুদের বলতে চাই ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.