Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: টেলিকম

Telecom

মামা গ্রামীণফোন তো গোয়া মেরে দিলো

24 বৃহস্পতিবার জুলাই 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 38 Comments

Tags

Grameenphone, Mobile, গ্রামীণফোন, মোবাইল অপারেটর

আমার এক বন্ধু, টেলিভিশনে অভিনয় করে। নামটা বলছিনা (নাম বললেই সবাই চিনে ফেলবেন), আমাকে মামা ডাকে। আমি উনাকে নিয়ে ১১টার মত নাটিকা করেছিলাম পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের জন্য। চলতি মাসের শুরুর দিকে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় শুটিং চলছিলো আমার বন্ধুর প্রোডাকশন হাউজের। আমি সকাল সকাল গেলাম সেখানে, অনেকদিন কোথাও যাওয়া হয়না দেখে। ওখানে পৌছাতেই আমার ঐ বন্ধু দুর থেকে আমাকে ট্যাক্সি থেকে নামতে দেখে চিৎকার করে আমাকে বলছে “মামা গ্রামীণফোন তো গোয়া মেরে দিলো।” আমি ট্যাক্সি ভাড়া চুকিয়ে দিয়ে উনার কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম কি হয়েছে, উনার মোবাইলের সংযোগ বন্ধ হয়ে গ্যাছে এবং উনি ২ দিন থেকে সবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

বেশকিছুদিন ধরে ভাবছি এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলা দরকার। সময় করে উঠতে পারছিলাম না। গ্রামীণফোন আমাদের দেশের সবচাইতে বড় মোবাইল অপারেটর। উনাদের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি (!) এবং উনাদের দাবী একসাথে ২ কোটি গ্রাহকই কথা বলছেন, কেউ সিম ফেলে দেন নাই। কথাটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য না। আমার নিজের গ্রামীণ সিমটাইতো আমি চালাচ্ছি না। সেই সাথে আছে পরিচিত অনেকেই। তাই ভুয়া কথা বলার লিমিট নাই গ্রামীণ ফোনের বলে ধরে নিচ্ছি আপাতত।

দেশের সবচাইতে খারাপ নেটওয়ার্ক এখন গ্রামীনের। কি কারণে আমি জানিনা। তবে আমার একটা মন্তব্য আছে যেটা শেষে লিখছি। আমাদের দেশে অনেকদিন থেকেই চলছিলো মোবাইল ব্যবহারকারীদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি। সেটা নিয়ে আমি আমার ব্লগে ২/১ টা পোস্ট এর আগেও দিয়েছি। আমার সূত্রের দেয়া খবরে গ্রামীনফোনের গ্রাহকরাই ঠিকমতন তাদের নম্বরগুলি রেজিস্ট্রেশন করছিলো না, যার জন্য বার বার পুনরায় রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বিটিআরসি’র হাত পা ধরে তারিখ বর্ধিত করিয়েছে তারা এবং শেষে রেজিস্ট্রেশন করলে টাকা পাবেন, এরকম লোভ দেখিয়েছে তারা। শেষের দিকে গ্রামীণ পান দোকান বা মোবাইল টু মোবাইল টং দোকানেও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করে, যাতে মানুষ রেজিস্ট্রেশন করে। তারা মানতেই নারাজ যে অনেকে তাদের সিম ফেলে দিয়েছে এবং অন্য অপারেটর ব্যবহার করছে এবং শান্তিতে আছে। যাই হোক রেজিস্ট্রেশনের তারিখ শেষ হবার পরে একে একে বিভিন্ন নম্বর বন্ধ হয়ে গেলো। এর মধ্যে আমার সেই অভিনেতা বন্ধু একজন, আমার নিজের একটি সিম, আমার এক ছোটোবোন এবং আমার বস্ও আছে।

আমার অভিনেতা বন্ধুর শেষ পর্যন্ত কি হয়েছে তা জানিনা। সে কিন্তু আমাকে অনেক জোর দিয়েই বলেছিলো যে সে রেজিস্ট্রেশন করেছে এবং গ্রামীণ শালাদের ঢাকায় গিয়ে দেখে নেবে। সেদিনো ওর ঐ নম্বর বন্ধ দেখলাম, মনেহয় সেও ৯ বছরের ব্যবহৃত সিমের মায়া ভুলে গিয়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করছে। আমার বস্ কানাডা গিয়েছে, সেখান থেকে জার্মানি যাবেন, লম্বা সফরে আছেন। উনি যাবার আগেরদিন দুপুর থেকে নম্বরটা বন্ধ, গ্রামীণে ফোন করে জানতে চাইলে বলে রেজিস্ট্রেশন না করায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ সিমের রি-রেজিস্ট্রেশনের কাগজ আমাদের অফিসেই আছে। বস্ যেহেতু চলে গেছেন, তাই ঐ বিষয়টাও এখনো সমাধান করা হয়নি।

আমার যেই ছোটো বোনটার কথা বললাম সে ঢাকার উত্তরায় এক বেসরকারী মেডিকেল কলেজে পড়ে। ৩/৪ মাস আগে নর্থ টাওয়ারের গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে ঐ সিমটা কিনেছিলো। ছবি, আইডি কার্ডের কপি, সব দিয়েছে। কিন্তু ওর নম্বর তো বন্ধ হবার কথা না, যেহেতু নতুন নম্বর। গ্রামীণের কাছ থেকে জানা গেলো যে গ্রামীণ নাকি সমস্থ ব্যবহারকারীদের বলেছিলো পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে। নতুন পুরাতন যেই হোক, সবাইকে নাকি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরকম কবে বললো সেটাই বুঝলাম না, আর কাগজপত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সিম কিনে কি আবার ওদের ওখানে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে!!! যাই হোক, সেই সিমের কাগজ নিয়ে আমি গেলাম জসিমউদ্দিন রোডের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে। বিশা-আ-আ-আ-আ-ল লাইন। সবারই একই সমস্যা, রেজিস্ট্রেশন করেছে লাইন বন্ধ। যাদের কাগজ আছে সেই কাগজের কপি গ্রামীণের কর্মীরা নিয়ে বলছে ৭২ ঘন্টার মধ্যে লাইন চালু হয়ে যাবে। তাহলে তো আমার ঐ বন্ধুর মতো বলতেই হয়, এই ৭২ ঘন্টা কি পাবলিক গোয়া মারাবে?

যাই হোক, প্রায় এক ঘন্টার মতন অপেক্ষা করে আসলাম কাউন্টারে। কাগজ যেহেতু আছে, লাইন তো আমার বোনেরটাও চালু হয়ে যাবে। কাগজ হাতে নিয়ে কম্প্যুটারে কি টিপা টিপি করে বলছে এই কাগজ নকল। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। ওদের সেন্টার থেকে কেনা সিমের কাগজ দেখে বলছে এটা বলে নকল কাগজ। আমি অনেক কষ্টে নিজেকে স্বাভাবিক রেখে বললাম কি সমস্যা ভাই, বলে আপনার কাগজের নাম আর আমাদের ইনফরমেশন ঠিক নাই!!! আমি বললাম আপনাদেরও তো ভুল হতে পারে। বলে অসম্ভব। আমি কথা না বাড়িয়ে বের হয়ে আসছি এই সময় আমার পরিচিত ইউএনডিপি’র গাড়ির এক ড্রাইভার আমাকে জিজ্ঞেস করলো ভাই কি হলো। আমি ঘটনা বললাম। উনি তখন উনার এক্সপেরিয়েন্স বললো। উনি নাকি সিম রেজিস্ট্রেশন করেছিলো ঐ টাকা দেবার সময়। কি একটা অফার ছিলো না, এখন সিম রেজিস্টার করলে পাবেন ১০০ টাকা আর অন্যজনদের করিয়ে দিলে ৫০ টাকা। উনি সেই সময় রেজিস্ট্রেশন করেছেন। কিন্তু টাকা পায়নি আর লাইনও বন্ধ হয়ে গ্যাছে। 🙂 আমি আমার বোনটাকে একটা ওয়ারিদের সিম কিনে দিলাম।

কি অবস্থা!!!

গ্রামীণের এই সব সমস্যার পাশাপাশি আছে ভয়েসের সমস্যা। আপনি জিপি থেকে জিপ কথা বললে শুধু কথা কেটা কেটে যায়। অভিযোগ করলে বলে আমাদের সমস্যা নাই, আপনি হ্যান্ডসেট বদলান। আমার হ্যন্ডসেট দিয়ে সব অপারেটর ঠিক চলে ওদেরই সমস্যা। আরেকটা মজার খবর দেই। গ্রামীণফোন ক্রস কানেকশন। আমার বৌ এর ছোটোভাই আমাদের সাথেই থাকে। ও আবার ডিজুস ফ্যান। কয়েকদিন আগে ওর মোবাইলে একটা কল আসে, রিসিভ করে দেখে দু’জন কথা বলছে (প্রেমালাপ করছে)। অনেক চেষ্টা করেও ওদেরকে কিছু বলতে পারলাম না, আমার কথা ওরা শুনতে পাচ্ছে না, আমরা শুধু ওদের কথা শোনা যাচ্ছে। গতকালকের কথা। অফিস থেকে টিএন্ডটি দিয়ে আমাদের অফিসের এক ড্রাইভারকে ফোন করা হলো, আবার ক্রস কানেকশন। এক ম্যানেজার তার নিম্নপদস্ত কর্মচারীকে ঝাড়ছে। 🙂

এই হলো গ্রামীণের সার্ভিসের অবস্থা! এরা বলে কাছে থাকুন, এতই কাছে যে একজনের সিম আরেকজনের নামে রেজিস্টার হয়। এতই কাছে যে দু’জনের কথা অন্যজন শুনছে। একসময় দেখা যাবে ২ কোটি (!) গ্রাহক সবাই সবার কথা শুনতে পাচ্ছে। 🙂 কে কাকে কি বলছে বোঝা যাচ্ছে না। তবে সবাই কিন্তু কাছে থাকছে। এক বাসের ভেতর যখন ৪০ জনের জায়গায় ৮০ জন ঠুকে তখন যেমন কাছে থাকে, এখানেও তাই হয়েছে মনে হয়।

উপরে বলেছিলাম যে ওদের সেবা সম্পর্কে আমার একটা মন্তব্য আছে, সেটা হচ্ছে- আমার ধারণা গ্রামীণের ইঞ্জিনারদের ঘুষ খাবার অভ্যাস হয়ে গেছে এবং সেই সুযোগ নিয়ে অন্য অপারেটররা তাদের ঘুষটুস দিয়ে সার্ভিস খারাপ করে রেখেছে যাতে মানুষ বিরক্ত হয়ে ওদের সার্ভিস বাদ দিয়ে দেয় (পরিচিত অনেকেই দিচ্ছে এবং দিয়েছে এর মধ্যে), আর আমার দৃড় বিশ্বাস যে এরকম পরিকল্পনা যে করেছে সে সম্পুর্ণ সফল।

বোকাদের বোকা*দা বানেচ্ছে গ্রামীণফোণের ব্ল্যাকবেরি অফার

20 মঙ্গলবার মে 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 27 Comments

Tags

Aktel, ASUS, Bangladesh, Banglalink, Blackberry, BTRC, Citycell, Email, Gmail, Google, Grameenphone, Hotmail, HTC, Mobile, MSN Messenger, Network, Operator, Skype, Warid, Windows Mobile, Yahoo, অপারেটর, আসুস, ইমেইলের, ইয়াহু, উইন্ডোস মোবাইল, এইচটিসি, একটেল, ওয়ারিদ টেলিকম, গুগল্, গ্রামীণফোন, জিমেইল, নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ, বাংলালিঙ্ক, বিটিআরসি, ব্ল্যাকবেরি, মোবাইল অপারেটর, ম্যাসেঞ্জার, সিটিসেল, হটমেইল

গ্রামীণফোন বাংলাদেশের বড় মোবাইল কোম্পানী। অনেক ভালো সেবা দিয়েছে অনেকদিন ধরে আমাদের। কিন্তু শোষণও করেছে আমাদের এবং এখনো করছে। বাংলাদেশের সবচাইতে বেশী কলচার্জ এই মোবাইল অপারেটরের। বলে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। এখন আবার কোনো অপারেটরের নেটওয়ার্কে সমস্যা আছে? বিটিআরসির নির্দেশে তো খাগড়াছড়ি এবং হিলস্ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে সবার নেটওয়ার্ক। হিলস থেকে এক বন্ধু ফিরে জানালো সেখানে সিটিসেল, ওয়ারিদ, একটেল পৌছে গ্যাছে, খবর নাই বাংলালিঙ্ক আর আমাদের সেরানেটওয়ার্ক দাবীদার গ্রামীণফোণের। হয়তো অনেক ভালো মালামাল লাগাবে বলে আমদানী করতে দেরী হচ্ছে বা টেলিনরের কোথাও কোনো বাতিল মাল পাওয়া যাচ্ছে না যেটা এনে লাগাবে। শালারা অন্যদেশের রিজেক্ট মাল এনে লাগিয়ে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে আর এখন এতই খারাপ অবস্থা যে জিপি জিপি ঠিকমতন কথা বলা যায় না।

যাই হোক, অনেকদিন হলো কথাটা বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আইটির সাথে জড়িত থাকায় শুরু থেকেই অনেকে প্রশ্ন করছে যে গ্রামীণফোন এত্তসব সুবিধা সম্বলিত ব্ল্যাকবেরি সেট দিচ্ছে সেটা কিনবে কি-না। মানুষের তো আর টাকার অভাব নাই। আর সেটা বুঝতে পেরেই গ্রামীণের এই সব আজাইড়া অফার। গ্রামীণফোণের এই ভাওতাবাজির ফাঁদে অনেকেই পা দিচ্ছে। তাদের কথা হচ্ছে এই সেট কিনলে ইমেইলের সুবিধা পাবেন, ভালো অর্গানাইজার পাবেন। এত ভালো অর্গানাইজার যে সেটা অর্গানাইজ করতে আবার একজন পিএস রাখতে হবে! যাই হোক, আসল কথায় ফিরে যাই।

আমি ইন্টারনেট সংযোগ সম্বলিত একটা সাধারণ নোকিয়া সেট দিয়েই কিন্তু ইমেইলের সুবিধা ভোগ করতে পারি। জিমেইল, হটমেইল, ইয়াহুর জন্য জাভা ভিত্তিক ক্লায়েন্ট আছে। বা থার্ড পার্টি ক্লায়েন্ট দিয়েও সেই মেইলগুলি ব্যবহার করা যায়। আবার ৪০০০ টাকা দামের চাইনিজ সেটেও কিন্তু এখন ভালো অর্গানাইজার আছে। এমন কি মিটিং-এর আলোচনা পর্যন্ত রেকর্ড করে রাখা যায় ক্যালেন্ডারের মধ্যেই। তো কেনো আমি এই ব্ল্যাকবেরি সেট ব্যবহার করবো আর সেটা ব্যবহারের জন্য শালাদের বাড়তি টাকা দেবো!

আসল কথা হচ্ছে আমরা অনেকেই জানিনা মোবাইলের মধ্যেই যে সুবিধাগুলি উপলব্ধ আছে। আমার মোবাইলে অপেরা ব্রাউজার লাগানো থাকলে পৃখিবীর যে-কোনো ওয়েবমেইল আমি ব্যবহার করতে পারছি। গুগল্ নিজেই দিচ্ছে গুগল্ মেইল বা জিমেইল ক্লায়েন্ট মোবাইলের জন্য। আবার আপনার ডোমেইন যদি জিমেইলে হোস্ট করা থাকে, সেটাও ব্যবহার করতে পারছেন আরেকটা গুগল্-এর ক্লায়েন্ট সফ্টওয়্যার দিয়ে। তো আমরা যারা প্রযুক্তিকে জানিনা, তারা কিন্তু প্রযুক্তিকে ভয় পাই। এখনো পাড়ার দোকানগুলি ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার ফরম্যাট দিয়ে পাইরেটেড উইন্ডোস ইনস্টল করে দিতে ১০০০ টাকা বিল করে এবং আমাদেরই ভাই/বোন/বন্ধুরা সেটা দিয়ে যাচ্ছে নির্বিকারে।

ঠিক গ্রামীণেরও এই অবস্থা! যারা বোকা, তাদেরকে বোকাচোদা বানাচ্ছে একটা ফালতু সেট ধরিয়ে দিয়ে। ভাই আপনি এইচটিসি বা আসুস কোম্পানীর উইন্ডোস অপারেটিং সিস্টেম সম্বলিত মোবাইল পাবেন ২৫০০০ থেকে ৩৫০০০ টাকায়। সেটাতে উইন্ডোজের যাবতীয় সফটওয়্যারকে পোর্ট করা হয়েছে। এটাচ্‌মেন্টসহ মেইল আসলে সেটাও খুলে দেখতে পারবেন। মিটিং-এ এই সেট দিয়ে প্রেজেন্টেশন দেখাতে পারবেন কম্পিউটার ছাড়া। আছে লাইভ ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারের সুবিধা, স্কাইপি ব্যবহারের সুবিধা। আরও থাকছে ফায়ারফক্সের নির্মাতা মোজিলা প্রজেক্টের ব্রাউজার মিনিমো এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোডার তো আছেই। কি নাই সেই সেটগুলিতে! আর ফালতু এক ব্ল্যাকবেরি সেট কিনবেন প্রায় সমান বা তার চাইতেও বেশী দামে যেটা দিয়ে ঐ এক মেইল চেক করা ছাড়া তেমন কিছুই করা যায় না। হ্যাঁ আমি স্বীকার করছি যে সমান কিছু সুবিধা ব্ল্যাকবেরিতে আছে, কিন্তু আমি কেনো এইচটিসি না কিনে ওটা কিনবো? আমি কেনো ব্ল্যাকবেরি কিনে গ্রামীণকে সার্ভিসচার্জ দেবো?

শেষবারের মতন ব্ল্যাকবেরি কিনতে ইচ্ছুক বন্ধুদের বলতে চাই ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।

কলসেন্টারের নামে কেউ যেন প্রতারিত না হন?

13 রবিবার এপ্রিল 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 10 Comments

Tags

Bangladesh, Call, Center, India, UK, USA, আমেরিকা, ইন্ডিয়া, কল, বাংলাদেশ, ব্যবসা, ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সেন্টার

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে মাঝেমধ্যে যেমন হইহই পড়ে যায়, একইভাবে প্রযুক্তি খাতেও মাঝেমধ্যে রইরই পড়ে যায়। আর সেই সুযোগে ঘোলা পানিতে কেউ কেউ আমাদের অসহায় মানুষগুলোকে ঠকিয়ে প্রচুর টাকা বানিয়ে সটকে পড়েন। বর্তমান সময়ে আবার তেমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য লাইসেন্স প্রদান করতে যাচ্ছে; এবং বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শত কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে সক্ষম হবে। এমনও বলা হচ্ছে, এটি বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে। এ ধরনের কথা প্রচারিত হওয়ার পর, অনেকেই ই-মেইল ও ফোন করে জানতে চেয়েছেন, কীভাবে তাঁরা এই শত কোটি ডলারের ভাগিদার হতে পারেন। তাঁদের জন্য এই কলসেন্টার ব্যবসার কিছু দিক তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাস বেশি দিনের ইতিহাস নয়। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে কম্পিউটার জনপ্রিয় হতে শুরু করে। আর নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকেই দেশে একটি হুলস্থুল পড়ে যায় এই বলে যে, বাংলাদেশ ডাটা এন্ট্রি কাজ করে কোটি কোটি ডলার উপার্জন করতে পারে। সেই হইহই মিছিলে আমরা অনেকেই যোগ দিয়েছিলাম। দীর্ঘ এক দশক ধরে সেটা চলল। তখন বলা হলো, দেশে সাবমেরিন কেব্ল নেই। তাই এই ব্যবসাটি ঠিকমতো হচ্ছে না। অনেকে বললেন, যদি ভিস্যাট উন্নুক্ত করে দেওয়া হয়, তাহলে আমরা সেই ব্যবসা করতে পারব। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ভিস্যাট উন্নুক্ত করে দেওয়া হলো। কিন্তু আমাদের সেই ডাটা এন্ট্রি ব্যবসার কিছুই হলো না। অনেকেই ভিওআইপির (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট) ব্যবসা শুরু করে দিলাম। দেশ কোটি কোটি ডলার উপার্জনের বদলে হাজার কোটি ডলার হারিয়ে ফেলল।

ডাটা এন্ট্রির স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর শুরু হলো মেডিকেল ট্রান্সক্রিপ্টের ব্যবসা। আমেরিকার ডাক্তারদের ব্যবস্থাপত্র ক্যাসেট থেকে শুনে শুনে কম্পিউটারে এন্ট্রি করার কাজ হলো এটি। আমরা সেটাও করতে পারিনি। কিন্তু এই ডাটা এন্ট্রির কাজে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে, এই কথা বলে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলো। বেশ কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি পার্টনার নিয়ে সেই লুটপাটে অংশ নিল।

তারপর এই শতকের শুরুতে শুরু হলো সফটওয়্যার রপ্তানির ব্যবসা। কিছু কিছু লোক বাজারে প্রচার করতে শুরু করল, বাংলাদেশ সফটওয়্যার রপ্তানি করে ভারতের মতো শত কোটি ডলার উপার্জন করতে পারে। পুরো জাতি তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কয়েকটি ভারতীয় প্রশিক্ষন কেন্দ্র বাংলাদেশে এসে পাড়ায় পাড়ায় দোকান খুলে বসল। তারপর আমাদের হাজার হাজার মানুষকে ঠকিয়ে তারা কোটি কোটি টাকা নিয়ে এই দেশ থেকে চলে গেছে।
এখন কলসেন্টারের নামে আবারও শত কোটি ডলারের স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে দেশের মানুষকে। কয়েকটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ঘোরাঘুরি শুরু করেছে। যাঁরা ভাবছেন কয়েকটি টেলিফোন লাইন আর ইন্টারনেট নিয়ে কিছু স্নার্ট ছেলেমেয়েকে বসিয়ে দিলেই একটি কলসেন্টার করা যাবে, তাঁরা একটি মূর্খ গন্ডির ভেতর বাস করছেন। বর্তমান সময়ের কলসেন্টারকে আর কলসেন্টার বলা হয় না, বলা হয় কনটাক্ট সেন্টার। আর এগুলো এখন হয়ে গেছে আরো পরিশীলিত। এখন আর শুধু কথা বলে কলসেন্টার হয় না, সেখানে যোগ হয়েছে ডাটা, ভিডিও, চ্যাট, পুশ টু টক, কল-ব্যাক, প্রেজেন্স ইত্যাদি। বাংলাদেশে কনটাক্ট সেন্টার ব্যবসার বড় চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করছি।

  • প্রথম সমস্যা হলো সময়। আমরা এই ব্যবসায় অনেক দেরিতে নামতে যাচ্ছি। এই ব্যবসায় ভারত, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশ অনেক দুরে চলে গেছে। ওই সব দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন নতুন করে ব্যবসায় নামতে গেলে প্রচন্ড প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। সেই প্রতিযোগিতায় থেকে কোনো ক্রেতা জোগাড় করা খুবই কঠিন হবে।
  • দ্বিতীয় সমস্যা হলো, রাজনৈতিক। কলসেন্টার হলো একটি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা। ওখানে সেবা গ্রহণকারীর সমস্যা তখনই সমাধান করে দিতে হবে। কোনো একটি কলসেন্টার যদি রাজনৈতিক ডামাডোলের কারণে কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকে, তাহলে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কলসেন্টার রাখবে না। কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার আগেই এগুলো পরীক্ষা করা হবে। আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ব্যাপারে আমাদের মোটেও সুনাম নেই।
  • তৃতীয় সমস্যা হলো, টেলি-যোগাযোগ। বর্তমানে বাংলাদেশে যে অপটিক্যাল ফাইবার আছে, সেটা প্রায়শই কাটা পড়ে। আর সেটা ঠিক করতে অনেক সময় এক দিন লেগে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কলসেন্টার ভারত কিংবা বাংলাদেশে হলেও, ‘ডাটা সেন্টার’ কিন্তু আমেরিকাতেই থাকবে। তখন দ্রুত গতির ইন্টারনেট না থাকলে কলসেন্টারগুলো ব্যর্থ হবে। যতদিন এই যোগাযোগব্যবস্থা ১০০ ভাগ নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন এই ব্যবসা সফলতা লাভ করবে না।
  • চতুর্থ সমস্যা হলো, ভালো ইংরেজি জানা লোকবল। ভারতের একটি বড় সুবিধা হলো, তাদের ইংরেজি জানা বিশাল জনগোষ্ঠি। ভারতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, যোগাযোগব্যবস্থা আর ইংরেজি জানা ছেলেমেয়ের প্রতুলতার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনোভাবেই তুলনা করা যাবে না। কলসেন্টারগুলো এশিয়াতে যায় মূলত আমেরিকা, ইউরোপ আর অস্ট্রেলিয়া থেকে। আমেরিকার ইংরেজি আমরা অনেকটা বুঝলেও, ব্রিটিশ আর অস্ট্রেলিয়ার ইংরেজি বোঝা এবং একই তালে কথা বলাটা তিন মাসের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তাই যাঁরা এই ব্যবসায় নামছেন, তাঁদের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকতে হবে।
  • পঞ্চম সমস্যা হলো, বিদ্যুৎ। যদি জেনারেটরের তেল পুড়িয়ে কলসেন্টার চালাতে হয়, তবে খরচ বেড়ে যাবে। আবার যদি সাবমেরিন কেবলের পাশাপাশি ভিস্যাট রাখতে হয়, তাহলেও সেটা ব্যয়সাপেক্ষ হবে। যদি ভিস্যাট দিয়ে কেউ কলসেন্টার চালাতে পারত, তাহলে এতদিনে বাংলাদেশে কলসেন্টার চলে আসত।
  • ষষ্ঠ সমস্যাটি হলো, আকার। এই ব্যবসাটি কিন্তু আকারের ওপর নির্ভরশীল। এখানে ১০-১৫ জন মানুষ খাটিয়ে খুব একটা সুবিধা হবে না। আমেরিকাতে একেকটি কলসেন্টারে তিন-চার হাজার লোক কাজ করে। বাংলাদেশে তত বড় না হলেও, দুই-তিন’শ লোকের ব্যবস্থা না হলে, সেটা ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে বলে মনে হয় না।
  • সপ্তম সমস্যাটি হলো, সেবার মনোভাব। সেবা যে একটি পণ্য, এই ধারণাটিই আমাদের ভেতর এখনো ভালোভাবে জন্ন নেয়নি। তার ওপর আছে সরকারি খবরদারি আর চাঁদাবাজি (সরকারি ও বেসরকারি)। এমন ধরনের পরিবেশে সেবাশিল্প প্রসার হয় না।

দেশে যদি সত্যি সত্যি তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে সুবিধা নিতে হয়, তাহলে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। আর সেই পরিকল্পনাকে সবাই মিলে বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল সরকারকে সেটার পেছনে সমর্থন দিতে হবে। এমন একটি জোরালো প্রতিজ্ঞা না থাকলে, বারবার এমন হুজুগ তৈরি হবে, আর কিছু তস্কর এসে আমাদের নিরীহ মানুষগুলোকে লোভ দেখিয়ে পকেট খালি করে নিয়ে যাবে।

তবে অসম্ভব বলে তো কিছু নেই। আমি শুধু বলতে চাইলাম, কাজটি খুবই কঠিন। আর এই হুজুগে পড়ে কেউ যেন প্রতারিত না হন। চাকরির ট্রেনিং, ব্যবসার ট্রেনিং কিংবা যেকোনো কিছু করার আগে, একটু বুঝেশুনে নেবেন। আর কেউ এটাকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে প্রতারিত করছে কি না সেটা সরকারের পক্ষ থেকে একটু খেয়াল রাখতে পারলে ভালো।

জাকারিয়া স্বপন: তথ্য প্রযুক্তিবিদ
সিলিকন ভ্যালি, যুক্তরাষ্ট্র
zs [এট] zswapan.com

অপটিক্যাল ফাইবার নিয়ে এই ষড়যন্ত্র কিসের?

08 শুক্রবার ফেব্রু. 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 7 Comments

বেশ কিছুদিন হলো আমাদের ইন্টারনেট সংযোগের মেরুদন্ড SE-ME-WE-4 নামের ফাইবার অপটিকটি কাটা পড়েছে। এরই মধ্যে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে সবাই সেই খবর জানে। প্রথমে জানা গেলো যে সেটা একটি নোঙ্গরের আঘাতে কেটেছে, মিশরের কাছাকাছি সমুদ্রে। পরে সেটা ঠিক করতে গিয়ে আবার আরেক স্থানে কাটা পড়লো। এবারও ঠিক করা হলো সংযোগ, আবার কাটা পড়লো এবং ক্ষত স্থান খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না।

কিছুক্ষণ আগে আমার ইন্টারনেটের গতি ভালো হয়ে গেলে আমি Google.Com কে ping করে দেখি জবাব আসার সময় 303ms যেটা তার আগে ছিলো 3000ms এর চাইতে বেশী। আবার google.com কে Trace Route করে দেখি SingTel দিয়ে ঘুরে ট্রাফিক যাচ্ছে না, সুতরাং আমাদের লিঙ্কের সমস্যা মিটে গেছে মনে হলো। কিন্তু আধা ঘন্টা যেতে না যেতে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসলো। তাহলে কি আবার ফাইবার কাটা পড়লো?

তৃতীয়বারের মতন এই সংযোগ ঠিক করার সাথে সাথে আবার চতুর্থবারের মতন কাটা পড়লো এই মহামূল্যবান যোগাযোগের মাধ্যম। তাহলে এসব কি হচ্ছে! ওদিকে মিশরের যোগাযোগ মন্ত্রী বলেছেন যে যখন এই মাধ্যম জাহাজের নোঙ্গরের আঘাতে কাটা পড়ে, তখন তার জানা মতে উক্ত এলাকায় কোনো জাহাজ ছিলো না (!)
প্রথমবার এই মাধ্যম কাটা পড়লে আমি এই খবরটি পাই, এবং আমার ব্লগে প্রকাশ করি। বাকী কথায় যাবার আগে এই মাত্র বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরে আসা একটি খবর শেয়ার করতে চাই। Continue reading »

একটেলের ৩০ শতাংশ শেয়ার কিনতে চায় ভোডাফোন

31 বৃহস্পতিবার জানু. 2008

Posted by Omi Azad in টেলিকম

≈ 7 Comments

বিশ্বের অন্যতম বড় মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠান ভোডাফোন বাংলাদেশের একটেলের ৩০ শতাংশ শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া মোবাইল ফোন খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাবও দিয়েছে তারা।

ভোডাফোনের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীসহ ভোডাফোনের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এমএ মালেকের সঙ্গে দেখা করে বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানায়। তখন এমএ মালেক বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন।

মনজুরুল আলম বলেন, “ভোডাফোন দুটি প্রস্তাব দিয়েছে। একটি হচ্ছে মোবাইল খাতে বিনিয়োগ। অপরটি হচ্ছে, দেশের ছয়টি মোবাইল ফোন কোম্পানির কোনও একটির শেয়ার কিনতে পারবে কিনা। তারা একটেলের ৩০ ভাগ শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।”

ভোডাফোনের প্রস্তাব অনুযায়ী শেয়ার হস্তান্তরে আইনগত কোনও বাধা নেই জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, “লাইসেন্স পরিবর্তন করা যায় না; কিন্তু শেয়ার কেনা যায়। অবশ্য শেয়ার লেনদেনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হবে।”

মনজুরুল আলম বলেন, আমরা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সার্বিক চিত্র ভোডাফোনের প্রতিনিধিদের কাছে তুলে ধরেছি। আন্তর্জাতিক মান রক্ষার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছি। তাদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রস্তাব নিয়ে এলে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

তিনি জানান, মোবাইল ফোন বাংলাদেশে বিকাশমান একটি খাত। বর্তমানে দেশে ৩ কোটি ৬৩ লাখ গ্রাহক রয়েছে। ২০০৯ সাল নাগাদ এ খাত থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় হবে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে ভোডাফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (আমেরিকা/আফ্রিকা/চীন/ভারত) গ্যাভিন ডার্বি ও ঢাকার যুক্তরাজ্য দূতাবাসের পরিচালক (ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট) কেভিন রিংহ্যাম অংশ নেন।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.