Reality Bites

~ by Omi Azad

  • Home
  • About Me!
  • My Movies
  • English

Category Archives: টেলিকম

Telecom

আপনার তথ্য আর গোপন নেই!!!

16 রবিবার ডিসে. 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম, মন্তব্য

≈ 7 Comments

আমার বোন স্কুলে পড়ে। আগে ওর জন্য আমাদের ল্যান্ডফোনে বিরক্তিকর ফোন আসতো, কিন্তু ইদানিং দেখি বাসার সামনেও ছেলে পেলে দাঁড়িয়ে থাকে ওর স্কুলে যাওয়ার বা আসার সময়। বিষয়টা খতিয়ে দেখতে একদিন এক ছেলের কাছ থেকে তথ্য নিলাম এবং জানতে পারলাম যে এরা আর কেউ না, এরা সেই ছেলে যারা ফোনে বিরক্ত করতো। ফোনের বিষয়টা মেনে নেয়া যায়, অনেকে কাজ কাম না থাকলে বসে বসে ফোন ঘুরায় (আর ফোন যদি নিজের না হয়, তাহলে তো কথাই নেই), যদি ভুল করে কোনো মেয়ে ফোন ধরে ফেলে, তাহলে সেই নম্বর টুকে নিয়ে বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়।

ফোন পর্যন্ত ঠিক আছে, তাহলে এরা বাসার ঠিকানা পেলো কিভাবে!! আর আজকে বাসায় আসছে, কালকে অন্য কিছুও করতে পারে। ঘটনা কি!

ঘটনা কিছুই না, গত অক্টোবর মাস থেকে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড অনলাইনে বিল দেখার সিস্টেম বের করেছে। বড়ই জটিল উদ্ভাবন (!), যা দিয়ে আপনার ফোন নম্বর ধরে আপনার নাম ঠিকানার মতন স্পর্শকাতর তথ্য বের করে ফেলা যাবে এবং এটা যে-কেউ করতে পারবে। প্রথমত আপনাকে http://203.112.222.42/ ঠিকানায় যেতে হবে (হায় রে, একটা ডোমেইন নেম যোগাড় করতে পারেনি!), সেখানে গিয়ে ব্যবহারকারীর নাম হিসেবে আপনার এরিয়া কোড সহ ফোন নম্বর (যেমন ঢাকা হলে ০২০০০০০০০) দিতে হবে এবং সেটাই পাসওয়ার্ড হিসেবে দিতে হবে। ব্যাস আপনি ভিতরে ঢুকে গেলেন এবং চাইলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেও দিতে পারেন। এবার চলে যান মাসের বিল দেখার লিঙ্কে এবং বিল থেকে বের করে নিন আপনার কাঙ্খিত ঠিকানা।

এখন থেকে আপনার ফোন নম্বর ধরে যে-কেউ আপনার ঠিকানা বের করে ফেলতে পারবে। ধন্যবাদ বিটিটিবিকে এরকম উদ্ভট একটা আইডিয়া বের করার জন্য! 🙂

আমাদের দেশে ইন্টারনেটের এত ভেজাল কেনো?

13 মঙ্গলবার নভে. 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম, বাংলাদেশ, মন্তব্য

≈ 18 Comments

কথা শুরু করার আগে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর থেকে নেয়া দু’টি খবর শেয়ার করি:

সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য বিটিটিবি-ই দায়ী

বারবার সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য বিটিটিবির অদক্ষতাকে দায়ী করেছেন সফটওয়্যার ব্যবসায়ী ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা। ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, হরতালের কারণে প্রতিদিন যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হতো এতে তার চেয়েও বেশি ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের কাছে বিটিটিবির সাবমেরিন কেবলের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার দাবি করেছেন তারা।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বেসিসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, “২০০৬ সালের মে মাসে সাবমেরিন কেবল স্থাপনের পর দেশে ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে- এটাই আশা করেছিলাম। অথচ চালু হওয়ার পর থেকে ২৭ বার সাবমেরিন কেবলের কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। যার ফলে দেশের আইটি সেক্টর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে আমাদের অর্থনীতির ওপর।” সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য বিটিটিবিকে দায়ী করে তিনি বলেন, “তাদের অযোগ্যতাই এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে বলে আমরা মনে করি।”

সরকারের কাছে সাবমেরিন কেবলের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান রফিকুল ইসলাম। দেশে বেসরকারি সংস্থার কাছেও সাবমেরিন কেবল সংযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে এজন্য প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে তা লীজ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। বেসিস সভাপতি জানান, সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন থাকলে একদিনেই তথ্য প্রযুক্তি খাতে আড়াই লাখ ডলার ক্ষতি হয়।

আরেকটি খবর:

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বারবার কাটা পড়ায় হুমকির মুখে রপ্তানি বাণিজ্য

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ৯৫০ কোটি ডলারের রপ্তানি বাণিজ্য। রপ্তানির অনেক অর্ডার বাতিল হওয়ার পাশাপাশি তা চলে যাচ্ছে অন্য দেশে। বিটিটিবি জানিয়েছে, ২০০৬ সালের ২১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত ৪৩৭ কিলোমিটারের অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল এ যাবৎ ২২ বার কাটা পড়ে। এরমধ্যে নাশকতামূলকভাবে আটবার এবং অবকাঠামো উন্নয়নের সময় অসাবধানতা, ভূমিধস, চুরি ও যানবাহনের দুর্ঘটনার কারণে বাকি সময়গুলোতে লাইন কাটা পড়েছে। Continue reading »

অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার হোতা সিটিসেল কি পার পেয়ে যাবে?

22 শনিবার সেপ্টে. 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম

≈ 2 Comments

এ দেশে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মূল হোতা বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর ‘সিটিসেল’। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া ছাড়াও ভিওআইপি যন্ত্রপাতি আমদানি করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের কাছে বাজারজাত করেছে তারা। তাছাড়া ভিওআইপি যন্ত্রপাতি আমদানির নামে শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে কোম্পানিটি। এ ব্যাপারে বিটিআরসির পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও এখন মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ফন্দিফিকির চালিয়ে যাচ্ছে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি পার পেয়ে যাবে সিটিসেল?

সূত্র মতে, বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খানের মালিকানাধীন সিটিসেল বেপরোয়া অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা শুরু করে। এই ব্যবসার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় সিটিসেল। শুধু অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসাই নয়, একই সঙ্গে মোর্শেদ খানের মন্ত্রীত্বের প্রভাব খাটিয়ে এবং সে সময় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সহায়তায় একচেটিয়াভাবে দেশে ভিওআইপি যন্ত্রপাতি আমদানি করে সিটিসেল (প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড)। জানা যায়, এফডব্লিউটি আমদানি সকল জিএসএম অপারেটরের জন্য বেআইনি হলেও মোর্শেদ খানের ক্ষমতার প্রভাবে বিটিআরসি শুধুমাত্র সিটিসেলকেই এফডব্লিউটি আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। এসব যন্ত্রপাতি উচ্চ মূল্যে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিয়েছে সিটিসেল। তাছাড়া অনুমোদিতভাবে এফডব্লিউটি আমদানির অন্তরালে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ চালিয়েছে রমরমা হুন্ডি বাণিজ্য। সে সময় সিটিসেলকে এ ব্যাপারে সহায়তা করেছিল বাংলাদেশে অবস্থিত দুটি চীনা কোম্পানি হোয়াই এবং জেডটিই। এ কোম্পানি দুটির মাধ্যমে যন্ত্রপাতি আমদানি করতে গিয়ে সিটিসেল ওভার ইনভয়েসের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। Continue reading »

মোবাইল ফোন সিম কার্ডের রেজিস্ট্রেশন ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা

30 বৃহস্পতিবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in উদ্ভট, টেলিকম, মন্তব্য

≈ 5 Comments

Sim Cards২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এর আগে যারা মোবাইল ফোন সংযোগ কিনেছেন, বাংলাদেশ টেলিফোন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে গত ১৬ অগস্ট থেকে সেসব গ্রাহকের ব্যবহৃত সিমকার্ডের বিনামূল্যে আবার রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হয়েছে। এ রেজিস্ট্রেশনের জন্য মোবাইল সিমকার্ডের গ্রাহককে তার মোবাইল ফোন অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার সার্ভিস, কাস্টমার সেন্টার অথবা কাস্টমার পয়েন্ট থেকে রেজিস্ট্রেশন ফরমটি সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে পূরণ করে দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ব্যবহৃত সিমকার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যে কোনো ফটো পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ (ড্রাইভিং লাইসেন্স, বন্দুকের লাইসেন্স, আইডি কার্ড, ট্রেড লাইসেন্স, পাসপোর্ট ইত্যাদি) জমা দিতে হবে। যদি কারো কোনো ফটো আইডেনটিটি কার্ড না থাকে, তাহলে মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছ থেকে বিটিআরসি অনুমোদিত প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি (উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কমিশনার) বা ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসারের কাছ থেকে সত্যায়িত করেও আবার রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। ১৬ অক্টোবর-২০০৭ পর্যন্ত আবার রেজিস্ট্রেশনের আওতায় প্রত্যেক গ্রাহক বিনামূল্যে ছবি ও নাম-ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। ফলে সিমকার্ডের কোনো কাগজপত্র না থাকলে কিংবা মালিকানা পরিবর্তন হলেও কোনো সমস্যা হবে না।

দীর্ঘদিন ধরেই বিটিআরসি মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রত্যেক গ্রাহকের তথ্যাদি সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর করতে তেমন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে বিটিআরসি বাধ্য হয়েই আবার রেজিস্ট্রেশনের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি যেসব গ্রাহক তাদের মোবাইল সিমকার্ডের পুনঃরেজিস্ট্রেশন করবেন না তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা আদায়সহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে অবৈধভাবে ব্যবহৃত মোবাইল সিমকার্ডগুলো যেমনি বন্ধ হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি প্রকৃত মোবাইল ফোন সংযোগ ব্যবহারকারীদের সংখ্যাও জানা সহজ হবে। Continue reading »

রেজিস্ট্রেশন না করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে এবং জরিমানা দিবে অপারেটর

21 মঙ্গলবার আগস্ট 2007

Posted by Omi Azad in টেলিকম

≈ 4 Comments

নতুন করে শুরু হয়েছে পুরনো মোবাইল ফোন গ্রাহকদের রেজিস্ট্রেশন। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) নির্ধারিত ফর্মে নতুন নিয়মে কোনো গ্রাহক রেজিস্ট্রেশন না করলে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে কেউ রেজিস্ট্রেশনহীন মোবাইল সিম ব্যবহার করে ধরা পড়লে সংশ্নিষ্ট অপারেটরকে ১০ ডলার জরিমানা করা হবে। আমি এটাই বুঝলাম না যে বাংলাদেশের অপারেটর কেনো ডলারে জরিমানা দিবে। এই টাকা কি সিআইএ বা এফবিআই জাতীয় সংস্থাকে দেয়া হবে?

গত ১৬ অগস্ট থেকে পুরনো সিমের নতুন রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। এটা চলবে আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত। আর এই সময়ে অন্তত পৌনে দুই কোটি গ্রাহককে বিটিআরসির নির্ধারিত ফর্মে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোবাইল ফোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা আড়াই কোটি।

পত্রপত্রিকার বিভিন্ন খবর থেকে জানা যায়, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সৃষ্ট অপরাধ দমনের জন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একবার সিমকার্ড কিনে মোবাইল সংযোগ নিয়ে এখন আবার রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে সময় অপচয়সহ নানাবিধ বিড়ম্বনায় পড়তে হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের আগ্রহ দেখা গেছে এবং বিটিআরসির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। Continue reading »

← Older posts
Newer posts →

Categories

  • অ্যানড্রোয়েড
  • আইটি বিশ্ব
  • ই-কমার্স
  • উদ্ভট
  • ওপেন সোর্স
  • গল্প টল্প
  • গান বাজনা
  • গুগল্
  • গ্যাজেট
  • টিউটোরিয়াল
  • টেলিকম
  • বাংলা কম্পিউটিং
  • বাংলাদেশ
  • ব্যক্তিগত
  • মন্তব্য
  • মাইক্রোসফট
  • রিভিউ
  • সফটওয়্যার রিভিউ

Recent Posts

  • ডাক্তার শায়লা শামিম ও মনোয়ারা হাসপাতালের অভিজ্ঞতা
  • ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!
  • Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL
  • মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!
  • Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

Proudly powered by WordPress Theme: Chateau by Ignacio Ricci.