অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স পেয়েছে ওয়ারিদ – অবৈধ পথে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ – কারসাজিপূর্ণ মানদণ্ড নির্ধারণ – ভিন্ন ভিন্ন নামে কার্যক্রম পরিচালনা ওয়ারিদ টেলিকমকে লাইসেন্স দেওয়ার বিনিময়ে অবৈধ পথে প্রচুর অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ কোটি ডলারে (বাংলাদেশি টাকায় ৩৫০ কোটি) এই লাইসেন্স কেনা হলেও প্রায় সমপরিমাণ অর্থ চাঁদা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। সাবেক জোট সরকারের মন্ত্রী, সাংসদসহ বিভিন্ন ব্যক্তি এই অর্থ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন তাঁর জবানবন্দিতেও বলেছেন, জোট সরকারের সাবেক সাংসদ আলী আসগার লবী ৫০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৩৫ কোটি) ওয়ারিদ টেলিকমের মূল প্রতিষ্ঠান ধাবি গ্রুপ থেকে পেয়েছেন। একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমানও ওয়ারিদের লাইসেন্স প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে। Continue reading »
হায়রে (!) ওয়ারিদ টেলিকম…
09 বুধবার মে 2007
আমাদের দেশে মোবাইল এসেছে ১৯৯৩ সালে। তখন এশিয়ায় বাংলাদেশ বাদে জাপান আর কোরিয়ারয় শুধু মোবাইল চলতো। যে কোম্পানীটি সাহস করে আমাদের হাতে মোবাইল তুলে দিয়েছিলো সেটা হচ্ছে সিটিসেল। বাংলাদেশে হয়ে যাওয়া অনেকগুলি দূর্নীতির মধ্যে সিটিসেল একটি।
গ্রীণ ওয়াই-ফাই নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান উন্নয়নশীল দেশের চাহিদার কথা বিবেচনা করে কম খরচে এবং বিদ্যুতের ব্যবহার না করে ওয়্যারলেস প্রযুক্তির নেটওয়ার্কিং-এর উপর গবেষণা করেছে।