ওল্লো – চলেন গিনিপিগ হয়ে যাই…

Tags

, , , , , , , , ,

বেশ কিছু কোম্পানি নতুন করে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগ দেবার লাইসন্স পেয়েছে বলে জেনেছি। এদের মধ্যে পরীক্ষামূলক সেবা প্রদান করা শুরু করেছে ওল্লো ওয়্যারলেস ইন্টারনেট।

এরই মধ্যে ফেইসবুকের কিছু বন্ধু ওদের পেইজে লাইক দেয়া শুরু করায় ভাবলাম একবার দেখা দরকার এরা কি করছে; ফোন দিলাম ওদের কল সেন্টারে। প্যাকেজের কথা শুনে তো আমি ধপাস করে পড়ার অবস্থা। ওদের একটাই পণ্য, সেটাও আবার ঠিকমত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি যে কিভাবে বা কোন পরিকল্পনার মাধ্যমে বিতরণ করবে।

একটু বুঝিয়ে দেই। ওদের একটাই USB ডঙ্গল আছে ZTE AX326 এটা একটা WiMax রিসিভার সেটা ইন্টারনেটে ঘাঁটা ঘাঁটি করে বের করলাম। সংযোগ সহ এই ডঙ্গলের দাম ২৪৭৫ টাকা। আর যদি ঠিকমতন নেটওয়ার্ক না পায়, তাহলে এর সাথে একটা ZTE SX361 Wireless Cradle নামক একটা খুঁটি লাগাতে হয় যেটা ভালো সিগন্যাল গ্রহণ করতে সাহায্য করে; আর এর জন্য অতিরিক্ত ৭৫০ টাকা দিতে হবে।

এখন এটা নাহয় কিনলাম কিন্তু সাখে কি পাবো সেটা নিয়ে আলোচনা করি। মডেমের সাথে আমরা পাবো ৫১২ কেবিপিএস গতির একটি ইন্টারনেট সংযোগ যেটা দিয়ে আমরা ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪০ গিগাবাইট ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো। ৪০ গিগা শেষ হয়ে গেলে! এজেন্ট জানালেন ওল্লো’র ওয়েব সাইটে গিয়ে অনুরোধ করলে আরও ১০ গিগা বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। তবে এরপরে কি হবে সেটা জানাতে পারলেননা কল সেন্টারের এক্সিকিউটিভ।

আমি এটাই বুঝলামনা যে এত টাকা পয়সা খরচ করে একটা কোম্পানি কিভাবে সুদুর পরিকল্পনা না নিয়ে ব্যবসা করতে নেমেছে। আর আমরাই বা কেনো টাকা দিয়ে গিনিপিগ হয়ে অনিশ্চিত একটা সেবা ব্যবহার করতে যাবো; তাদের সেবার মান উন্নয়নের জন্য!

বাংলাদেশের অনেক সম্ভবনা দেখে অনেকে ব্যবসা করতে আসে। শর্ত দেয়া হয় “সারা বাংলাদেশে সেবা পৌছে দিতে হবে।” স্রেফ ঢাকাতে সেবার মান বজায় রাখতেই গোপণাঙ্গ দিয়ে রশ বের হয়ে যায়, ঢাকার বাহিরে বিস্তার করার তো প্রশ্নই আসেনা। দুই বছরের বেশী হলো অন্য দু’টি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানি ব্যবসা করছে, কিন্তু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো যেতে পারেনি। এরা কি করে সেটা দেখার আগ্রহ আছে।

শেষ কথা হলো আমার শখ নাই টাকা দিয়ে আপাতত গিনিপিগ হওয়ার। আমার বাসায় ৮-৯টার মত ডিভাইস আছে যেগুলিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। এই জঙ্গল ডঙ্গল আমার জন্য না!

আমার ব্লগ এখন আইফোন সহ অন্যান্য মোবাইল ফোনে!

Tags

, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

আইফোন, আইপ্যাড, এন্ড্রোয়েড ফোন, আইপড দিয়ে কিছু সাইটে গেলে মুগ্ধ হয়ে যাই, সাইটগুলি এত সুন্দর আসে মোবাইল প্লাটফর্মে! আমার ব্লগের ক্ষেত্রে মোবাইল থেকে সমস্যা হলো, আমার ব্লগের মূল ভাষা বাংলা আর বাংলা মোবাইল প্লাটফর্মের সেভাবে এখনো উপলব্ধ না।

এক বছরের বেশী হলো আইফোন, আইপড, আইপ্যাড-এ বাংলা সমর্থন এসেছে এবং প্রায় সমস্থ ব্যবহারকারীর (আই) ডিভাইসেই এখন বাংলা সমর্থন আছে। এছাড়া বাংলা সমর্থন আছে ওপেরা মিনি ব্রাউজারে, যেটা বেশীরভাগ মোবাইলের জন্য উপলব্ধ + বেশীরভাগ ব্যবহারকারী সেটা ব্যবহার করে দৈনন্দিন ওয়েব ব্রাউজের জন্য।

সেদিন একটু ঘাঁটা ঘাঁটি করে দেখলাম অনেক সলিউশন আছে যা ব্লগকে মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য উপলব্ধ করবে। এর মধ্যে আমার কাছে সবচাইতে সহজ মনে হয়েছে ইমতিয়াযের তৈরী প্লাগইন। অসাধারণ কাজ করেছে ইমতিয়ায, শুধু প্লাগইন টা ওয়ার্ডপ্রেসে যোগ করে এনেবল করে নিলেই নিলেই হলো, বাকী কাজ সে নিজে নিজে করে নেবে। পাতা বদল বা অন্যান্য নেভিগেশনের ক্ষেত্রে সুন্দর এনিমেশনও হয় 🙂

আপনিও যদি আপনার সাইট মোবাইল ব্রাউজারের জন্য উপলব্ধ করতে চান, তাহলে WordPress PDA & iPhone প্লাগইনটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। প্লাগইনটি ওয়ার্ডপ্রেসের সাইটেও রয়েছে।

উইন্ডোস ফোন সেভেন নিয়ে অভিজ্ঞতা

Tags

, , , , , , , , , , , , ,

প্রয় সাত বছর ধরে নোকিয়া ফোন ব্যবহার করছি। আর প্রায় ২.৫ বছর ধরে ব্যবহার করছি নোকিয়া E63. এর মাঝে আবার উইন্ডোস মোবাইল, আইফোন ব্যবহার করেছি, কিন্তু বেশীদিন ধরে রাখতে পারিনি। তা একরকম একঘেয়েমী চলে এসেছিলো নোকিয়া ব্যবহার করতে করতে।

আইফোনের আকার ভালো লাগেনি আর উইন্ডোস মোবাইল আর যেহেতু মাইক্রোসফট আর উন্নয়ন করবেনা, তাই ভাবলাম একটু এন্ড্রোয়েড ব্যবহার করে দেখি। কিনলাম Sony Ericsson X 10. চমৎকার সেট, দারুন ক্যামেরা। কিন্তু ঝামেলা হলো আসল ব্যবহারে। আপনি যদি জিমেইল ব্যবহার করেন, তাহলে ঠিক আছে, যদি অন্য কিছু ব্যবহার করেন তাহলেই ঝামেলা। আমার জন্য এক্সচেঞ্জ ছিলো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেটার জন্য আবার থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হয়। এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম এক্সপ্লোর করার জন্য ভালো, কিন্তু প্রফেশনালদের জন্য না। সবচাইতে করুণ হলো, এই জিনিসের কোনো সাপোর্ট নাই। X 10 এন্ড্রোয়েড ২.১ দিয়ে আসে এবং সনি বলে দিয়েছে যে তারা এটাতে ২.২ বা নতুন আপগ্রেড দেবে না। কি বিরক্তিকর!

QWERTY লে-আউটের প্রতি যেহেতু একটা দুর্বলতা ছিলোকিনলাম মটোরোলা চার্ম, মনেহয় জীবনে সবচাইতে বড় ভূল করেছিলাম এটা কিনে। ভাই একটা ফোনের যে কত সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে না এই ফোন না চালালে বোঝা যাবে না। আমার কাছে মনে হয়েছে এন্ড্রোয়েড ভালো, তবে যতটা বলে ততটা এখনো হয়ে ওঠেনি। সোজা কথা এটা নিয়ে খেলনা হিসেবে আপাতত ব্যবহার করা যায়, তবে এটা প্রফেশনাল কাজ করা যায় না।

এবার আসি উইন্ডোস ফোনের কথায়। পেশাগত কারনে বাভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে উইন্ডোস ফোন ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা আমার ভালো না। পরে আমি একটা ফোন উপহার হিসেবে পাই আমার ভার্টিক্যাল ম্যানেজারের কাছ থেকে। প্রথম কিছুদিন ব্যবহার করি নাই, যেই ফোনে নম্বর কপি/পেস্ট করা যায়না, সেটা ব্যবহার করার কোনো কারণ নাই!

হঠাৎ একদিন ফোন চালু করে দেখি দু’টো আপডেট এসেছে, এটাই সেই কপি-পেস্ট আপডেট + অনেক পারফরমেন্স ইম্প্রুভমেন্ট রয়েছে এই আপডেটে। আপডেট দুটি করার পরে আমি ব্যবহার করতে শুরু করলাম এবং আমার মোটামুটি মুগ্ধ।

প্রোফেশনালি একটা ফোন ব্যবহার করতে যা যা লাগে, এখান সব আছে। তবে হ্যাঁ অনেক কিছু আবার নাই! যেমন, মাইক্রোসফট অফিস আছে, কিন্তু কম্পিউটার থেকে একটা ফাইল নিয়ে যে কাজ করবো, সেই উপায় নাই! মেইলে আসা ফাইল বা শেয়ারপয়েন্টের ফাইল নিয়ে কাজ করা যায়। সবকিছু যেহেতু ক্লাউডে যাবে, সেহেতু এই কনসেপ্ট, কিন্তু আমরা যারা এখনো সেরকম ইনফ্রাস্ট্রাকচারে যাই নাই (বেশীরভাগ এন্ড ইউজারই যায়নি), তাই এটা একটা ঝামেলা বলে মনে হয়েছে আমার কাছে।

যাই হোক, আগে যেগুলি ভালো লেগেছে সেগুলি শেয়ার করি। দুর্দান্ত পারফরমেন্স, দারুন গ্রাফিক্স এবং গেইমের পারফরমেন্স। কিছু কিছু গেইম একই সাথে এক্সবক্স এবং ফোনে খেলা যায়। ফেইসবুকের সাথে ইন্টিগ্রশনটা জটিল, অন্য ফোনে এরকম এর আগে/এখন পর্যন্ত হয়নি। সোশাল নেটওয়ার্কিং এবং ইমেইলের সাথে সুন্দর কাজ করে। আমার দারুন লেগেছে।

যুন প্লেয়ার দিয়ে গান শোনার এক্সপিরিয়েন্স অসাধারণ। মিউজিম লাইব্রেরী যারা ঠিকমতন মেইনটেইন করেন, তারা মজা পাবে, আর যারা এলোপাথারি ইন্টারনেট থেকে গান ডাউনলোড করে শোনে, তাদের একটু ঝামেলাই মনে হবে 🙂

চার্জ মাত্র একদিন থাকে আর মার্কেটপ্লেস এখনো তেমন ফুলে ফেঁপে ওঠেনি। এছাড়া আমি খারাপ কিছু এখন পর্যন্ত দেখিনি। ডেভলপারদের জন্য প্রতি নিয়ত নতুন নতুন সুবিধা দিচ্ছে মাইক্রোসফট, যেমন আইফোনের এপ্লিকেশন কিভাবে উইন্ডোস ফোনে পোর্ট করবেন বা এন্ড্রোয়েড প্লাটফর্মের এপ্লিকেশন কিভাবে উইন্ডোস ফোনে পোর্ট করবেন ইত্যাদী নিয়ে কাজ করেই যাচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোস ফোন টিম। এই বছরের শেষের দিকে অসাধারণ সব ফিচার নিয়ে ম্যাঙ্গো আপডেট আসার কথা। ফোনের ডেভলপার এবং ব্যবহারকারী সবাই অধীর আগ্রহে ঐ আপডেটের জন্য অপেক্ষায় আছে!

এন্ড্রোয়েডের মতন উইন্ডোস ফোন অনেক ভেন্ডর তৈরী করে। কিন্তু সুবিধা একটাই, যে মাইক্রোসফট মিনিমাম কিছু প্রয়োজন বেঁধে দিয়েছে, এর বাহিরে কোনো ভেন্ডর যেতে পারবেনা। তাই একটা মিনিমাম কোয়ালিটি বজায় থাকছে। এন্ড্রোয়েডের সমস্যা হলে যে যার মত বানাচ্ছে এবং সাপোর্ট দিচ্ছে বা ইচ্ছা হলে দিচ্ছে না। এপল আই ফোনের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা নাই!

আমি এই পোস্টটি লিখেছি শুধু মাত্র নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য। তবে একটা মন্তব্য করতে চাই। একটা ফোন থেকে যদি সব পাওয়ার আগ্রহ থাকে, উইন্ডোস ফোন এখনো সেই পর্যায় যায়নি। খেলনা ফোন হিসেবে এন্ড্রোয়েড ব্যবহার করা যায়, তবে সবকিছু পেতে হলে আইফোনের বিকল্প আপাতত দেখছিনা। 🙂

BTCL ADSL – কুত্তার লেজ সোজা হয়না

Tags

, , , , ,

বেশ আগ্রহ নিয়ে গতমাসের ২৯ তারিখে বন্ধুদের জানালাম যে বিটিসিএল থেকে লোক এসে তাদের ADSL সংযোগ দেবার বিষয়ে যাবতীয় কাজ করে নিয়ে গিয়েছে। অনেকেই অনেক মন্তব্য করলো, আমি ভাবলাম একবার দেখিনা এই রাষ্ট্রীয় সেবা কেমন হয়। আমার মাথায় একটা জিনিস ছিলোনা যে কুত্তার লেজ কখনো সোজা হয়না।

কাজী মাকসুদ (মোবাইল: ০১৭১৫৩২৫৩৪৩) নামের যে ভদ্রলোক সংযোগ দিতে এসেছিলেন উনি বলে গেলেন সাত দিনের মধ্যে আমি সংযোগ পাবো। আমি এই মাসের ৭ তারিখ শনিবারে উনাকে ফোন দিলাম, ভাই সংযোগ এর খবর কি? উনি বেশ অনুরোধ করে বললেন একটা দিন দেখতে, সংযোগ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য আর ফালতু অপেক্ষা করতে চাইছিলাম না, কারণ আমি ফেইসবুকের মন্তব্যগুলিতে বেশ বিরক্ত। তবে উনার অনুরেধের ঢেকি গিললাম এবং সত্যি সত্যি ৮ তারিখে আমার সংযোগ চালু হয়ে গেলো!

উনি আমাকে টেলিফোন করেই বলে দিলেন কি কি করতে হবে এবং কোনো সমস্যা হলে যাতে কালাম সাহেবকে ০১৯২৩৩৭০১৫৩ নম্বরে ফোন দেই। আমি সংযোগ স্থাপন করতে ব্যার্থ হলে কালাম সাহেবকে ফোন দেই, উনার নম্বর দেয়া হয়েছে বলে উনি বেশ বিরক্ত কারণ উনি জ্বরে ভুগছেন এবং কিছুদিন বিশ্রাম করে কাটাতে চান। তারপরেও উনাকে অনুরোধ করলে উনি ফোনে সাহায্য করেন এবং আমি সংযোগ স্থাপনে সক্ষম হই।

এখন হলো সবচাইতে কষ্টের বিষয়, সংযোগ নিয়েছি 1024kbps কিন্তু আমি পাচ্ছি 128kbps এর নীচে। মানে আমার ডাউনলোডে গতি সর্বোচ্চ 128Kbps থাকা উচিৎ, কিন্তু থাকছে 12-20Kbps সর্বোচ্চ। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মাকসুদ সাহেবকে ফোন দিলাম, উনি বেশ কিছুক্ষণ আমার মাখা চাটলেন এবং কালাম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে বললেন। অগত্যা জ্বরের মানুষটাকে ফোন দিতে হলো, উনি বললেন এই মুহুর্তে কিছু করা সম্ভব না উনার পক্ষে, উনি জ্বর থেকে ভালো হয়ে সব ঠিক করে দেবেন এবং আমি দুর্দান্ত গতি পাবো।

গত পরশু, অর্থাৎ ১৭ তারিখে আমি কালাম সাহেবকে আবার ফোন দিলে উনি জানান উনি লাইন ম্যান নিয়ে অনেক কিছু করেছেন এবং আমার পোল পর্যন্ত কোনো সমস্যা নাই, উনি কালকে অর্খাৎ ১৮ তারিখে সব পরীক্ষা করে আমাকে ফাইনাল জানাবেন। আমি গতকালকে উনাকে আবার ফোন দিলে উনি বলেন উনার লাইনম্যান আসেনি, আসলেই হয়ে যাবে। রাতে আমি ফোন দিলে উনি আর ফোন ধরেন না। এরকম অবস্তা দেখে আমি আবার মাকসুদ সাহেবকে ফোন দেই। মাকসুদ সাহেব আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেন কিন্তু Morning shows the day, যার শুরু এরকম এটা নিয়ে ভবিষ্যতে আর কি হবে সেটা এখনি বোঝা যাচ্ছে। তাই আমি তাকে আমার মডেম ফেরৎ নেবার জন্য অনুরোধ করি।

এই তিক্ত অভিজ্ঞতার এখানেই শেষ না, আরও আছে। আমার লাইনে ADSL কেমন কাজ করবে বা আদৌ করবে কি-না সেটা দেখা BTCL এর দায়িত্ব না। আপনি টাকা দিয়ে সংযোগ নেবেন এবং তার পরে তাদের ইচ্ছা হলে পরীক্ষা করবে এবং এর পরে আপনি সংযোগ ১ দিন ব্যবহার করেন আর সংযোগ নিয়ে পরীক্ষা করেন, আপনাকে সম্পুর্ণ মাসের বিল দিতে হবে। সংযোগ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে আপনি মডেম ফেরৎ দিতে পারবেন, সেটা একটা ভালো বিষয়, নাই মামার চাইতে কানা মামা ভালো।

বিটিসিএল এর শেখা উচিৎ –

  • বড় কথা বলতে হয়না, কিন্তু আপনাদের মধ্যে থেকে কেউ যদি এই মুহূর্তে ফোন দেয়, ঢাকা শহরের প্রায় ৫টা আইএসপি এসে বাসার দড়জায় দাঁড়িয়ে থাকবে সংযোগ দেবার জন্য।
  • আইএসপি যত ছোটই হোক্, এক কালামের উপর নির্ভর করে চলে না।
  • প্রটোকল দেখিয়ে ব্যবসা করার দিন শেষ, লাইনম্যান, সুইচম্যান কি করলো ব্যবহারকারীর কিছু যায় আসেনা। আসলে আজকে বিটিসিএল-এর ব্যবহারকারী সবচাইতে বেশী হতো।
  • মাকসুদ তার সাধ্য মতন চেষ্ট করেছে, বিটিসিএল-এর উচিৎ অকর্মাদের বাদ দিয়ে মাকসুদের মতন লোককে কাজে লাগানো।

এখানে হয়তো অনেকেই বলবে যে এখানে শুধু বিটিসিএল একা কাজ করেনা। এখানে এমএম সিস্টেমস নামের একটা কোম্পানী রয়েছে যারা অন্যান্য কাজ করছে। আমার কথা আবারও একই, প্রটোকল দেখার সময় নাই ভাই, আমি এমন কোম্পানীর সংযোগ নেবো যারা আরেক কোম্পানীর উপরে নির্ভর করেনা।

রক্সেট্ – বহুদিন পর শুনলাম

সুইডেনের ব্যান্ড রক্সেট্ আর ব্যান্ডের মূল দুইজন হচ্ছে পার গিসলি ও মেরী ফ্রেডরিকসন। সম্ভবত ৭০-এর দশকের শেষের দিকে এই ব্যান্ডের জন্ম এবং ৮০-এর দশকের শুরুতে প্রথম এলবাম বের হয়।

আমি তখন সপ্তম/অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র যখন একটা মিক্সড্ ক্যাসেটে শুনি তাদের গান প্রথম শুনি। তখন গানের তেমন কিছু বুঝিনা, ইংরেজীও ঠিক মতন বুঝি না, সুর-তাল ভালো লাগলে শুনতে খাকি। এই গান দিয়েই “রক্সেট্” এই নামের সাথে আমার পরিচয়।

[audio:http://omi.net.bd/files/media/Roxette_-_The_Look.mp3]

এর পরে সম্ভবত এসএসসি পরীক্ষার সময়/পরে পেলাম ক্রাশ্ বুম ব্যাঙ এলবামটি। অসাধারণ! রক্ পপের একটা সুন্দর কম্বিনেশন ওদের গানগুলিতে। গতকাল হঠাৎ করেই ৩০টা গন সহ ওদের একটা এলবাম পেয়ে গেলাম। এত ভালো লাগছে গানগুলি শুনতে। আমি জানিনা এখন এরকম গান আর হয়না কেনো! ৭০/৮০/৯০-এর দশকে যে গানগুলি হতো সেগুলিকোনো বিকল্প হয়না। লেটেস্ট দু’টো শিল্পী আমার ভালো লেগেছে, লেডি গাগা ও জাস্টিন বিবার। ওদের নিয়েও কিছু লিখবো ভাবছি!